Post has shared content
আস্সালামু'আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু

✳✳আপনাদের সবার কাছ থেকে বিদায় নিলাম ✳✳
✳ বিশেষ কোনো কারন নেই, দু'আ ও ক্ষমা চাই. ✳
Photo

Post has attachment

Post has attachment
স্বামী ও স্ত্রী দুজনেই যদি নেক আমল করে তাহলে মৃত্যুর পর তাদের দুজনের সাক্ষাৎ হবে কি?
-----
উত্তরঃ স্বামী-স্ত্রী উভয়ে জান্নাতী হলে আল্লাহ তাদেরকে একত্রে জান্নাতে প্রবেশের নির্দেশ দিবেন, সুরা যুখরুফঃ ৭০।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আয়েশা (রাঃ)-কে বলেছিলেন, "তুমি কি সন্তুষ্ট নও যে, তুমি দুনিয়া ও আখেরাতে আমার স্ত্রী হয়ে থাকবে?" তিনি বললেন, জি হ্যাঁ। তখন নবী করীম (সাঃ) বললেন, "তুমি ইহকালে ও পরকালে আমার স্ত্রী।"
হাকিম, সিলসিলা সহীহাহঃ ২২৫৫।
মুআ'বিয়া (রাঃ) আবু দারদার বিধবা স্ত্রীকে বিবাহের প্রস্তাব দিলে তিনি তা নাকচ করে বলেন, আমি আবু দারদাকে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "একজন মহিলা তার সর্বশেষ স্বামীর সাথেই জান্নাতে থাকবে।"
বাগাভী, ত্বাবারাণী, সিলসিলা সহীহাহঃ ১২৮১।
শুধু নেককার স্বামী-স্ত্রী নন, নেককার সন্তানেরাও পিতা-মাতার সঙ্গে জান্নাতে থাকবে, সুরা তূরঃ ২১।
আলহামদুলিল্লাহ্‌।
আল্লাহ! আমাদেরকে সপরিবারে জান্নাতুল ফেরদৌসে স্থান দান করুন, আমীন।
Photo

Post has attachment
জান্নাতে সর্ব প্রথম গান শোনাবেন হুরেরা,
তাতে কেটে যাবে ৭০ বছর,
জান্নাতি বাতাসে গাছের পাতার সাথে মিলিয়ে অপূর্ব এক বাজনা সৃষ্টি করবে,
আর জান্নাতের হুরদের সাথে সুর মিলাবে
সুরের মুর্ছনায় গোটা জান্নাত মুখরিত হয়ে যাবে
আল্লাহ্ তখন জান্নাত বাসীদের কাছে জানতে চাইবেন,"কেমন লাগলো
"সকলেই জবাব দিবে, খুব ভাল,"আল্লাহ্ বলবেন," এর চেয়েও ভাল শোন
জান্নাত বাসী বলবে"হে আল্লাহ্ এর চেয়ে ভাল কি
তখন আল্লাহ্ হযরত দাউদ (আঃ)কে ডাক দিয়ে বলবেন, "হে দাউদ এবার তুমি শুনাও"
দাউদ (আঃ) বলবেন,"হে আল্লাহ্ আমার কন্ঠ তো দুনিয়াতে ছিল যবুর শরীফে, আল্লাহ্ বলবেন,তোমার কন্ঠ ফিরিয়ে দিলাম কোরআন শরীফ শোনাও
হযরত দাউদ(আঃ) কোরআনের সুরা আর রহমান শোনাবেন! জান্নাত বাসী মুগ্ধ হয়ে যাবে
আল্লাহ্ আবার বলবেন, "কেমন লাগলো
"জান্নাতিরা বলবে, মারহাবা, খুব ভাল লাগলো
আল্লাহ্ বলবেন, এর চেয়ে ভাল শোন জান্নাত বাসীরা, বলবে হে আল্লাহ্ এর চেয়ে ভাল কি হতে পারে
আল্লাহ্ পাক রসুলুল্লাহ্ (সাঃ) কে বলবেন,
হে আমার প্রিয় হাবিব এবার আপনি ওদের শোনান!রাসুলুল্লাহ্(সাঃ) কোরআনের হৃদয় সুরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করবেন
পুরা জান্নাত আনন্দে মুখরিত হয়ে যাবে আর ধ্বনি তুলবে,"আল্লাহু আকবার "
আল্লাহ্ আবারও জানতে চাইবেন,কেমন লাগলো?জান্নাতবাসীরা বলবেন, আল্লাহ্ সবকিছু থেকে এটাই বেশি ভাল লাগলো!"আল্লাহ্ বলবেন,"এর চেয়েওভাল আছে,"জান্নাতবাসী অবাক হয়ে বলবে,আল্লাহ্ এর চেয়ে ভাল কিছু আছে
আল্লাহ্ জবাব দিবেন,"এর চেয়ে ভাল যা তা হলো তোমাদের রব! আল্লাহ্ বলবেন, "রিজওয়ান (একজন ফেরেস্তা)পর্দা সরিয়ে দাও, আজ আমার বান্দা আমার দীদার করবে, আমাকে দেখবে
"আল্লাহু আকবার"!পর্দা সরে যাবে ও সবাই আল্লাহর দীদার লাভ করবে
আল্লাহুকে দেখার পরে বান্দা অস্থীর হয়ে যাবে
তখন জান্নাতের হুর কি
শরাব কি
নহর কি
ফল কি
সব কিছুকে মূল্যহীন মনে হবে
বান্দা বলবে,"আল্লাহ্ কিছুই চাইনা, শুধু তোমার দীদার চাই!তোমাকে দেখতে চাই
"আল্লাহ্ আমাদের কে জান্নাতে কবুল করুন
#আমিন
Photo

Post has attachment
হাশরের ময়দানে দেখা হবে’ বলে বাসর রাতে স্ত্রী থেকেবিদায় নেবার গল্প??
________বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম_______।
সাহাবাদের (রা) কাহিনী পড়ে অঝোরে কাঁদতে থাকি… কী ছিল তাদের ভালোবাসা আল্লাহর রাসূল (সা) আর ইসলামের জন্যে! আর কোথায় আমরা? নিজের শরীরটাকে দুঃখে ছিন্নভিন্ন করে ফেলতে ইচ্ছা করে! ইয়া আল্লাহ, আমাদেরকে তাদের মত করে আত্মত্যাগ করার তওফিক দাও, আমীন!

সা’দ আল আসওয়াদ আস-সুলুমী (রা)এর কথা কি আপনারা জানেন?

নামটাও হয়তো অনেকে শুনে নি কোনদিন। তাঁর সমাজে হাই-স্ট্যাটাস ছিল না, তিনি ছিলেন গরীব, গায়ের রঙ কালো। কেউ তাঁর কাছে নিজের মেয়েও বিয়ে দিতে চাইতো না।

সা’দ (রা) একদিন আল্লাহর রাসূল (সা) এর কাছে দুঃখ করে বলেছিলেন, “ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমিও কি জান্নাতে যাবো?”
“আমি তো নীচু মাপের ঈমানদার হিসেবে বিবেচিত হই”
“কেউ আমাকে নিজের মেয়ে দিতে রাজি হয় না”

রাসূলুল্লাহ (সা) সাহাবীদের দুঃখ বুঝতেন নিজের আপন ভাইয়ের মত করে, নিজের সন্তানের মত করে। তিনি তাদেরকে অনুভব করতেন অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে। তিনি এই সা’দকে পাঠিয়েছিলেন ইবন আল-ওয়াহহাবের কাছে। সাধারণ কোন ব্যক্তি ছিলেন না ইবন ওয়াহহাব। তিনি হলেন মদীনার নেতাদের একজন; কিছুদিন যাবৎ মুসলিম হয়েছেন। তাঁর মেয়ে অপরূপা সুন্দরী রমণী, রূপের জন্য বিখ্যাত। সেই ইবন ওয়াহহাবের মেয়েকে বিয়ে করার জন্য রাসূলুল্লাহ (সা) সা’দকে পাঠালেন।

নেতার মেয়ে বিয়ে করবে সা’দের মতো একজনকে? যে তার সৌন্দর্য্যের জন্য এতো প্রসিদ্ধ, সে হবে সা’দের বউ?? স্বাভাবিকভাবেই ইবন ওয়াহহাবের প্রতিক্রিয়া ছিল “আকাশ-কুসুম কল্পনা ছেড়ে বাড়ি যাও”… কিন্তু তাঁর মেয়ে ততক্ষণে শুনে ফেলেছে। সে বলে উঠলো, “বাবা! আল্লাহর রাসূল (সা) অনুরোধ করেছে তাকে বিয়ে করার জন্যে, তুমি কিভাবে উনাকে ফিরিয়ে দিতে পারো?
রাসূলের উৎকণ্ঠা থেকে আমরা মুখ ফিরিয়ে নিলে আমাদের অবস্থানটা কি হবে?” এরপর সা’দের দিকে ফিরে বললো, “রাসূলুল্লাহ (সা) কে যেয়ে বলে দিন, আমি আপনাকে বিবাহ করার জন্য প্রস্তুত”

সা’দের মন সেদিন আনন্দে পুলকিত… সে যেন খুশিতে টগবগ করে ফুটছে… রাসূলুল্লাহ (সা) ৪০০ দিনার মোহরানায় তাদেরকে বিয়ে দিয়ে দিলেন। আলহামদুলিল্লাহ! সুবহান আল্লাহ!

সা’দ বললেন, হে রাসূল, আমি তো জীবনে কোনদিন চারশ দিনার দেখিই নি! আমি এই টাকা কীভাবে শোধ করবো? নবীজি (সা) তাকে বললেন, আলী আল-নু’মান ইবন আউফ আর উসমান (রা) এর কাছ থেকে দুইশ দুইশ করে মোট চারশ দিনার নিয়ে নিতে। দুজনেই উনাকে দুইশর-ও বেশি করে দিনার দিলেন। আলহামদুলিল্লাহ! টাকার জোগাড় ও হয়ে গেলো। এখন নতুন বউ এর কাছে যাবেন সা’দ (রা)…

মার্কেটে যেয়ে সুন্দরী বউ এর জন্যে টুকিটাকি কিছু উপহার কেনার কথা চিন্তা করলেন তিনি। মার্কেটে পৌঁছে গেছেন, হঠাৎ তাঁর কানে আসলো জিহাদের ডাক। “যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাও” … সা’দ যেখানে ছিলেন সেখানেই দাঁড়িয়ে গেলেন। আকাশের দিকে তাকালেন একবার, বললেন “হে আল্লাহ! আমি এই টাকা দিয়ে এমনকিছু কিনবো যা তোমাকে খুশি করবে।” নতুন বউ এর জন্য গিফট কেনার বদলে তিনি কিনলেন একটি তরবারি আর একটি ঘোড়া। এরপর ঘোড়া ছুটিয়ে চললেন জিহাদের ময়দানে, নিজের চেহারাটা কাপড় দিয়ে মুড়ে নিলেন, যেন আল্লাহর রাসূল (সা) তাকে দেখে চিনে ফেলতে না পারেন। কারণ রাসূলুল্লাহ (সা) তাকে দেখলেই তো বাড়িতে পাঠিয়ে দিবেন! সে যে সদ্য-বিবাহিত! সাহাবারা (রা) বলাবলি করছিলেন, যুদ্ধ করতে আসা এই মুখ-ঢাকা লোকটি কে? আলী (রা) বললেন, “বাদ দাও, সে যুদ্ধ করতে এসেছে।” ক্ষিপ্ততার সাথে সা’দ যুদ্ধ করতে থাকলেন, কিন্তু তাঁর ঘোড়ায় আঘাত হানা হলো, ঘোড়া পড়ে গেলো। সা’দ উঠে দাঁড়ালেন। ঐ সময় নবীজি (সা) তার কালো চামড়া দেখে ফেললেন, “ইয়া সা’দ এ কি তুমি?!” রাসূল (সা) এর প্রশ্নের জবাবে তিনি (রা) বললেন “আমার মা-বাবা আপনার উপর উৎসর্গিত হোক ইয়া আল্লাহর রাসূল! হ্যাঁ, আমি সা’দ”

মুহাম্মাদ (সা) বললেন, “হে সা’দ, জান্নাত ছাড়া তোমার জন্য আর কোন আবাস নেই।” সা’দ (রা) আবারো জিহাদে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। কিছু সময় পর কয়েকজন বললো সা’দ আহত হয়েছে। রাসূল (সা) ছুটে গেলেন ময়দানে। সা’দকে খুঁজতে লাগলেন। সা’দের মাথা খানা নিজের কোলের উপর রেখে কাঁদতে শুরু করলেন। তাঁর অশ্রু গড়িয়ে গড়িয়ে সা’দের মুখের উপর এসে পড়ছিলো। তাঁর (সা) চোখ বেয়ে নেমে আসছিলো অঝোর ধারা। একটু পর রাসূলুল্লাহ (সা) হাসতে শুরু করলেন, আর তারপর মুখ ফিরিয়ে নিলেন।

আবু লুবাবা (রা) নামের একজন সাহাবা উনাকে দেখে বিস্ময়ে বললেন, “হে রাসূলুল্লাহ (সা) আমি আপনাকে এমনটি কখনো করতে দেখি নি”… আল্লাহর রাসূল (সা) বললেন, “আমি কাঁদছিলাম কারণ আমার প্রিয় সঙ্গী আজ চলে গেলো! আমি দেখেছি সে আমার জন্য কী ত্যাগ করলো আর সে আমাকে কতো ভালোবাসতো… কিন্তু এরপর আমি দেখতে পেলাম তার কী ভাগ্য, আল্লাহর কসম, সে ইতিমধ্যে হাউদে পৌঁছে গেছে।” আবু লুবাবা জিজ্ঞেস করলেন “হাউদ কি?” রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, “এটি হলো এমন এক ঝর্ণা যা থেকে কেউ একবার পান করলে জীবনে আর কোনদিন পিপাসার্ত হবে না, এর স্বাদ মধুর চেয়েও মিষ্টি, এর রঙ দুধের চেয়েও সাদা! আর যখন আমি তাঁর এইরূপ মর্যাদা দেখলাম, আল্লাহর কসম, আমি হাসতে শুরু করলাম।”

“তারপর আমি দেখতে পেলাম সা’দের দিকে তাঁর জান্নাতের স্ত্রীগণ এমন উৎফুল্ল ভাবে ছুটে আসছে, যে তাদের পা গুলো বের হয়ে পড়ছে, তাই আমি চোখ ফিরিয়ে নিলাম।”

নবীজি অতঃপর সাহাবাদের কাছে এসে বললেন সা’দের ঘোড়া আর তরবারি নিয়ে আসতে, সেগুলো যেন সা’দের স্ত্রীর কাছে নিয়ে যাওয়া হয়, তাকে যেন বলা হয় এগুলো তার বংশধর। তিনি (সা) বললেন, তাকে জানিয়ে দিও আল্লাহ তা’আলা সা’দকে জান্নাতে স্ত্রী দান করেছেন, তারা তার চাইতেও অনেক সুন্দর। এই হলো সা’দ, যিনি কিছুক্ষণ আগেও অনিশ্চিত ছিলেন যে সে জান্নাতে যেতে পারবে কী না। সমাজে তার কোন মর্যাদা ছিল না, কোন স্ট্যাটাস ছিল না, কিন্তু আল্লাহর চোখে এই হলো তাঁর স্ট্যাটাস। কারণ তাঁর জীবন এবং মরণ ছিলো শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্যে…।

”নিঃসন্দেহ আমার নামায ও আমার কুরবানি, আর আমার জীবন ও আমার মরণ – আল্লাহ্‌র জন্য যিনি সমস্ত বিশ্বজগতের প্রতিপালক”
[সূরাহ আন’আমঃ আয়াত ১৬২]

“নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ মুমিনদের কাছ থেকে কিনে নিয়েছেন তাদের জান ও মাল এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। তারা যুদ্ধ করে আল্লাহর রাহেঃ অতঃপর মারে ও মরে। তাওরাত, ইঞ্জিল ও কোরআনে তিনি এ সত্য প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। আর আল্লাহর চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক সত্যনিষ্ঠ? সুতরাং তোমরা আনন্দিত হও সে লেনদেনের উপর, যা তোমরা করেছ তাঁর সাথে। আর এটিই হচ্ছে মহা সাফল্য।
[সূরাহ আত-তাওবাঃ আয়াত ১১১]

সা’দের জীবনকাহিনী শুনে এ দু’টি আয়াতই মনে পড়ে যায়… আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে কবুল করে নাও! আমীন…।
Photo

Post has attachment
💜রোযা অবস্থায় বর্জনীয় কাজসমূহ💜 -

সাধারণ অবস্থায় পানাহার ও স্ত্রী সহবাস হালাল হওয়া সত্ত্বেও রমযানের দিনের বেলা এগুলো থেকে বিরত থেকে তাকওয়ার অনুশীলন করা হয়। তা এইভাবে যে, আল্লাহর নির্দেশের কারনে পুরো বৎসর যা হালাল ছিলো তা-ই এখন হারাম হয়ে গিয়েছে।তাহলে যা পূর্ব থেকে বার মাস হারাম। অশ্লীলতা ও গোনাহ তা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। আর রমযানে তা থেকে বিরত থাকা আরো বেশি জরুরী। নিম্নে অতি ক্ষতিকর কিছু গুনাহর কথা উল্লেখ করা হল, যেগুলোর বিষয়ে খুবই সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী
১. দৃষ্টিতে সর্বপ্রকার গুনাহ থেকে যেমন, বেগানা নারীদের দেখা থেকে হেফাযত করা- তা সরাসরি হোক বা টিভি- সিনেমায় দেখা হোক কিংবা ম্যাগাজিন ও পত্রিকার ছবি হোক। অনেকে রোযা রেখে অবসর টাইমে নাটক, সিনেমা দেখে কাটায়, এতে তাদের রোযার রুহ নষ্ট হয়ে যায়।

২. যবানের হেফাযত করা। অর্থাৎ, গীবত - পরনিন্দা, অশ্লীল কথা- বার্তা ও ঝগড়া - বিবাদ থেকে বিরত থাকা।হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে:
" যে ব্যক্তি রোযা অবস্থায় মিথ্যাচার ও মন্দকাজ ত্যাগ করে নি, তার পানাহার ত্যাগে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। [ সহীহ বুখারী ১/২১৫, হাদীস নং ;১৯০৩]

অন্য এক হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
"
অর্থাৎ রোযা অবস্থায় তোমাদের কেউ যেনো অশ্লীল কথা না বলে, এবং শোরগোল, হট্টগোলে লিপ্ত না হয়।যদি কেউ তার সঙ্গে গালিগালাজ বা মারামারি তে লিপ্ত হতে চায়, তবে সে ( অনুরুপ আচরণ না করে) বলবে আমি রোজাদার। [ সহীহ বুখারী: ১/২৫৫. হাদীস নং:১৯০৪]

এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, রোযা অবস্থায় মারামারি ও ঝগড়াঝাঁটি তো দূরের কথা, শোরগোল করাও রোযার আদব পরিপন্থী। অতএব, যবানকে এসব থেকে বিরত রেখে, সর্বদা যিকির- আযকার ও কুরআন তিলাওয়াত এর মাধ্যমে তরতাজা রাখবে।

৩. কানের হেফাযত।যেমন: গান- , বাদ্য শোনা, গীবত - পরনিন্দা ও অশ্লীল কথাবার্তা শোনা থেকে বিরত থাকা।

৪. অন্যান্য অঙ্গ- প্রত্যাঙ্গ যেমন, হাত, পা, ইত্যাদিকেও গুনাহ ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখা।

৫.. সাহরী ও ইফতারে হারাম আহার পরিহার করা। ইমাম গাযালী রহ, বলেন- যে ব্যক্তি সারাদিন রোযা রেখে হারাম মাল দ্বারা ইফতার করে, সে যেন একটি অট্টালিকা নির্মাণ করে আর একটি শহর ধ্বংস করে।

৬. অন্তরকেও এসব গুনাহ থেকে বিরত রাখা যেমন: গোনাহের কল্পনা করা, পেছনের গোনাহ স্বরন করে স্বাদ গ্রহন করা, অহংকার, হিংসা- বিদ্বেষ, কু- ধারনা ইত্যাদি থেকে অন্তরকে হিফাযত করক।।।।।
Photo

যখনি আপনি হতাশ, উদ্বিগ্ন বা দিশাহারা হবেন,
আপনার চোখ দুটো বুজে গভীর শ্বাস নিন এবং বলুন,

ইয়া আল্লাহ্‌! আমি আপনাকে ভালবাসি, জানি এটা আপনারই পরিকল্পনা, আমি আপনার উপর সম্পূর্ণ ভরসা করলাম, আপনি আমার সাথেই আছেন আমার সম্পূর্ণ বিশ্বাস এবং ইনশাহআল্লাহ্‌ আমি সফলকাম্য হবো কারণ আমি আপনার কাছেই ভিক্ষা চেয়েছি । ইয়া আল্লাহ্‌ আমাকে রক্ষা করুন এবং রহম করুন । আমীন ।

Post has attachment
জাহান্নামীরা কাকুতি মিনতি করবে পৃথিবীতে পুণরায় ফিরে আসার জন্য।
সূরা ফাতির এ বলা হয়েছে:
.
‘‘সেখানে (জাহান্নামে) তারা চিৎকার করে বলবে: হে আমাদের রব! আমাদেরকে এখান হতে বের করে নাও, যেনো আমরা নেক আমল করতে পারি। সে আমল থেকে ভিন্নতর যা আমরা পূর্বে করছিলাম।’’ (সূরা ফাতির: ৩৭)
অতঃপর তাদেরকে প্রতি উত্তরে বলা হবে:
‘‘আমি কি তোমাদেরকে এমন বয়স দান করিনি যে,শিক্ষা গ্রহণ করতে চাইলে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারতে? আর তোমাদের নিকট সতর্ককারীও এসেছিলো। এখন (আজাবের) স্বাদ গ্রহণ করো। এখানে জালিমদের কোন সাহায্যকারী নেই।’’ (সূরা ফাতির: ৩৭)
আত্মীয় স্বজন ও দুনিয়ার সব মানুষকে বিনিময় দিয়ে হলেও জাহান্নামীরা বাঁচতে চাইবে
‘‘সেদিন অপরাধীরা চাবে তার সন্তান, স্ত্রী, ভাই এবং সাহায্যকারী নিকটবর্তী পরিবার এমনকি দুনিয়ার সব মানুষকে বিনিময় দিয়ে হলেও নিজেকে আজাব থেকে বাঁচিয়ে দিতে।’’ (সূরা আল মা‘আরিজ: ১১-১৪)
সূরা আল-মু’মিনে বলা হয়েছে:
‘‘তখন তাদের মধ্যে আর কোন আত্মীয়তা থাকবে না, এমনকি পরস্পর দেখা হলেও (কেউ কাউকে) জিজ্ঞেস করবে না।’’ (সূরা আল মু’মিনুন: ১০১)
.
অন্যত্র বলা হয়েছে:
‘‘সেদিন কোন প্রাণের বন্ধু অপর প্রাণের বন্ধুকে জিজ্ঞেসও করবে না।’’
(সূরা আল মা‘আরিজ: ১০)
Photo

Post has attachment
আসসলামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওবারাকাতুহ্..।।।।।।।।

নবী কারীম ( সাঃ) বলেন,
রোযাদারের দু'টি, আনন্দঘন মুহূর্ত রয়েছে :
ইফতারকালে সে আনন্দিত হয়,
এবং প্রভূর সাথে সাক্ষাতকালেও
সে আনন্দিত থাকবে।
__________{বুখারী : ৩৪২৪}
Photo

Post has attachment
কুরআন কারীম সব সময় আশার কথা বলে। মানুষকে উৎসাহ জোগায়। প্রেরণা দান করে। শুধু তাই নয়, নিরাশ হতেও কড়াভাবে নিষেধ করে।

১. (لا تقنطوا) তোমরা নিরাশ হয়ো না (যুমার:৫৩)।

২. (لا تهِنوا) তোমরা হীনবল হয়ো না (আলে ইমরান ১৩৯)।

৩. (لا تحزنوا) তোমরা চিন্তিত হয়ো না (আলে ইমরান: ১৩৯)।

মূলত, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া কুফরি। একজন মুমিন কখনো আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না।
Photo
Wait while more posts are being loaded