Post has attachment
স্বামী ও স্ত্রী দুজনেই যদি নেক আমল করে তাহলে মৃত্যুর পর তাদের দুজনের সাক্ষাৎ হবে কি?
-----
উত্তরঃ স্বামী-স্ত্রী উভয়ে জান্নাতী হলে আল্লাহ তাদেরকে একত্রে জান্নাতে প্রবেশের নির্দেশ দিবেন, সুরা যুখরুফঃ ৭০।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আয়েশা (রাঃ)-কে বলেছিলেন, "তুমি কি সন্তুষ্ট নও যে, তুমি দুনিয়া ও আখেরাতে আমার স্ত্রী হয়ে থাকবে?" তিনি বললেন, জি হ্যাঁ। তখন নবী করীম (সাঃ) বললেন, "তুমি ইহকালে ও পরকালে আমার স্ত্রী।"
হাকিম, সিলসিলা সহীহাহঃ ২২৫৫।
মুআ'বিয়া (রাঃ) আবু দারদার বিধবা স্ত্রীকে বিবাহের প্রস্তাব দিলে তিনি তা নাকচ করে বলেন, আমি আবু দারদাকে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "একজন মহিলা তার সর্বশেষ স্বামীর সাথেই জান্নাতে থাকবে।"
বাগাভী, ত্বাবারাণী, সিলসিলা সহীহাহঃ ১২৮১।
শুধু নেককার স্বামী-স্ত্রী নন, নেককার সন্তানেরাও পিতা-মাতার সঙ্গে জান্নাতে থাকবে, সুরা তূরঃ ২১।
আলহামদুলিল্লাহ্‌।
আল্লাহ! আমাদেরকে সপরিবারে জান্নাতুল ফেরদৌসে স্থান দান করুন, আমীন।
Photo

Post has attachment
আল্লাহ্‌ বলেন--"যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহ্‌ তাদের অভিভাবক।তাঁদেরকে তিনি বের করে আনেন অন্ধকার থেকে আলোর দিকে।
(সূরা বাকারা:২৫৭)
Photo

Post has attachment
_______আসসালামু আলাইকুম______
আল্লাহর নির্দেশ এসে গেছে।অতএব,এর জন্যে তাড়াহুড়ো কর না।ওরা যেসব শরীক সাব্যস্ত করছে সেসব থেকে তিনি পবিত্র ও বহু উর্ধে।
সূরা••নাহল,আয়াত••০১
Photo

Post has attachment
আসসলামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওবারাকাতুহ্..।।।।।।।।

নবী কারীম ( সাঃ) বলেন,
রোযাদারের দু'টি, আনন্দঘন মুহূর্ত রয়েছে :
ইফতারকালে সে আনন্দিত হয়,
এবং প্রভূর সাথে সাক্ষাতকালেও
সে আনন্দিত থাকবে।
__________{বুখারী : ৩৪২৪}
Photo

Post has attachment
জাহান্নামীরা কাকুতি মিনতি করবে পৃথিবীতে পুণরায় ফিরে আসার জন্য।
সূরা ফাতির এ বলা হয়েছে:
.
‘‘সেখানে (জাহান্নামে) তারা চিৎকার করে বলবে: হে আমাদের রব! আমাদেরকে এখান হতে বের করে নাও, যেনো আমরা নেক আমল করতে পারি। সে আমল থেকে ভিন্নতর যা আমরা পূর্বে করছিলাম।’’ (সূরা ফাতির: ৩৭)
অতঃপর তাদেরকে প্রতি উত্তরে বলা হবে:
‘‘আমি কি তোমাদেরকে এমন বয়স দান করিনি যে,শিক্ষা গ্রহণ করতে চাইলে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারতে? আর তোমাদের নিকট সতর্ককারীও এসেছিলো। এখন (আজাবের) স্বাদ গ্রহণ করো। এখানে জালিমদের কোন সাহায্যকারী নেই।’’ (সূরা ফাতির: ৩৭)
আত্মীয় স্বজন ও দুনিয়ার সব মানুষকে বিনিময় দিয়ে হলেও জাহান্নামীরা বাঁচতে চাইবে
‘‘সেদিন অপরাধীরা চাবে তার সন্তান, স্ত্রী, ভাই এবং সাহায্যকারী নিকটবর্তী পরিবার এমনকি দুনিয়ার সব মানুষকে বিনিময় দিয়ে হলেও নিজেকে আজাব থেকে বাঁচিয়ে দিতে।’’ (সূরা আল মা‘আরিজ: ১১-১৪)
সূরা আল-মু’মিনে বলা হয়েছে:
‘‘তখন তাদের মধ্যে আর কোন আত্মীয়তা থাকবে না, এমনকি পরস্পর দেখা হলেও (কেউ কাউকে) জিজ্ঞেস করবে না।’’ (সূরা আল মু’মিনুন: ১০১)
.
অন্যত্র বলা হয়েছে:
‘‘সেদিন কোন প্রাণের বন্ধু অপর প্রাণের বন্ধুকে জিজ্ঞেসও করবে না।’’
(সূরা আল মা‘আরিজ: ১০)
Photo

Post has attachment
হাশরের ময়দানে দেখা হবে’ বলে বাসর রাতে স্ত্রী থেকেবিদায় নেবার গল্প??
________বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম_______।
সাহাবাদের (রা) কাহিনী পড়ে অঝোরে কাঁদতে থাকি… কী ছিল তাদের ভালোবাসা আল্লাহর রাসূল (সা) আর ইসলামের জন্যে! আর কোথায় আমরা? নিজের শরীরটাকে দুঃখে ছিন্নভিন্ন করে ফেলতে ইচ্ছা করে! ইয়া আল্লাহ, আমাদেরকে তাদের মত করে আত্মত্যাগ করার তওফিক দাও, আমীন!

সা’দ আল আসওয়াদ আস-সুলুমী (রা)এর কথা কি আপনারা জানেন?

নামটাও হয়তো অনেকে শুনে নি কোনদিন। তাঁর সমাজে হাই-স্ট্যাটাস ছিল না, তিনি ছিলেন গরীব, গায়ের রঙ কালো। কেউ তাঁর কাছে নিজের মেয়েও বিয়ে দিতে চাইতো না।

সা’দ (রা) একদিন আল্লাহর রাসূল (সা) এর কাছে দুঃখ করে বলেছিলেন, “ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমিও কি জান্নাতে যাবো?”
“আমি তো নীচু মাপের ঈমানদার হিসেবে বিবেচিত হই”
“কেউ আমাকে নিজের মেয়ে দিতে রাজি হয় না”

রাসূলুল্লাহ (সা) সাহাবীদের দুঃখ বুঝতেন নিজের আপন ভাইয়ের মত করে, নিজের সন্তানের মত করে। তিনি তাদেরকে অনুভব করতেন অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে। তিনি এই সা’দকে পাঠিয়েছিলেন ইবন আল-ওয়াহহাবের কাছে। সাধারণ কোন ব্যক্তি ছিলেন না ইবন ওয়াহহাব। তিনি হলেন মদীনার নেতাদের একজন; কিছুদিন যাবৎ মুসলিম হয়েছেন। তাঁর মেয়ে অপরূপা সুন্দরী রমণী, রূপের জন্য বিখ্যাত। সেই ইবন ওয়াহহাবের মেয়েকে বিয়ে করার জন্য রাসূলুল্লাহ (সা) সা’দকে পাঠালেন।

নেতার মেয়ে বিয়ে করবে সা’দের মতো একজনকে? যে তার সৌন্দর্য্যের জন্য এতো প্রসিদ্ধ, সে হবে সা’দের বউ?? স্বাভাবিকভাবেই ইবন ওয়াহহাবের প্রতিক্রিয়া ছিল “আকাশ-কুসুম কল্পনা ছেড়ে বাড়ি যাও”… কিন্তু তাঁর মেয়ে ততক্ষণে শুনে ফেলেছে। সে বলে উঠলো, “বাবা! আল্লাহর রাসূল (সা) অনুরোধ করেছে তাকে বিয়ে করার জন্যে, তুমি কিভাবে উনাকে ফিরিয়ে দিতে পারো?
রাসূলের উৎকণ্ঠা থেকে আমরা মুখ ফিরিয়ে নিলে আমাদের অবস্থানটা কি হবে?” এরপর সা’দের দিকে ফিরে বললো, “রাসূলুল্লাহ (সা) কে যেয়ে বলে দিন, আমি আপনাকে বিবাহ করার জন্য প্রস্তুত”

সা’দের মন সেদিন আনন্দে পুলকিত… সে যেন খুশিতে টগবগ করে ফুটছে… রাসূলুল্লাহ (সা) ৪০০ দিনার মোহরানায় তাদেরকে বিয়ে দিয়ে দিলেন। আলহামদুলিল্লাহ! সুবহান আল্লাহ!

সা’দ বললেন, হে রাসূল, আমি তো জীবনে কোনদিন চারশ দিনার দেখিই নি! আমি এই টাকা কীভাবে শোধ করবো? নবীজি (সা) তাকে বললেন, আলী আল-নু’মান ইবন আউফ আর উসমান (রা) এর কাছ থেকে দুইশ দুইশ করে মোট চারশ দিনার নিয়ে নিতে। দুজনেই উনাকে দুইশর-ও বেশি করে দিনার দিলেন। আলহামদুলিল্লাহ! টাকার জোগাড় ও হয়ে গেলো। এখন নতুন বউ এর কাছে যাবেন সা’দ (রা)…

মার্কেটে যেয়ে সুন্দরী বউ এর জন্যে টুকিটাকি কিছু উপহার কেনার কথা চিন্তা করলেন তিনি। মার্কেটে পৌঁছে গেছেন, হঠাৎ তাঁর কানে আসলো জিহাদের ডাক। “যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাও” … সা’দ যেখানে ছিলেন সেখানেই দাঁড়িয়ে গেলেন। আকাশের দিকে তাকালেন একবার, বললেন “হে আল্লাহ! আমি এই টাকা দিয়ে এমনকিছু কিনবো যা তোমাকে খুশি করবে।” নতুন বউ এর জন্য গিফট কেনার বদলে তিনি কিনলেন একটি তরবারি আর একটি ঘোড়া। এরপর ঘোড়া ছুটিয়ে চললেন জিহাদের ময়দানে, নিজের চেহারাটা কাপড় দিয়ে মুড়ে নিলেন, যেন আল্লাহর রাসূল (সা) তাকে দেখে চিনে ফেলতে না পারেন। কারণ রাসূলুল্লাহ (সা) তাকে দেখলেই তো বাড়িতে পাঠিয়ে দিবেন! সে যে সদ্য-বিবাহিত! সাহাবারা (রা) বলাবলি করছিলেন, যুদ্ধ করতে আসা এই মুখ-ঢাকা লোকটি কে? আলী (রা) বললেন, “বাদ দাও, সে যুদ্ধ করতে এসেছে।” ক্ষিপ্ততার সাথে সা’দ যুদ্ধ করতে থাকলেন, কিন্তু তাঁর ঘোড়ায় আঘাত হানা হলো, ঘোড়া পড়ে গেলো। সা’দ উঠে দাঁড়ালেন। ঐ সময় নবীজি (সা) তার কালো চামড়া দেখে ফেললেন, “ইয়া সা’দ এ কি তুমি?!” রাসূল (সা) এর প্রশ্নের জবাবে তিনি (রা) বললেন “আমার মা-বাবা আপনার উপর উৎসর্গিত হোক ইয়া আল্লাহর রাসূল! হ্যাঁ, আমি সা’দ”

মুহাম্মাদ (সা) বললেন, “হে সা’দ, জান্নাত ছাড়া তোমার জন্য আর কোন আবাস নেই।” সা’দ (রা) আবারো জিহাদে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। কিছু সময় পর কয়েকজন বললো সা’দ আহত হয়েছে। রাসূল (সা) ছুটে গেলেন ময়দানে। সা’দকে খুঁজতে লাগলেন। সা’দের মাথা খানা নিজের কোলের উপর রেখে কাঁদতে শুরু করলেন। তাঁর অশ্রু গড়িয়ে গড়িয়ে সা’দের মুখের উপর এসে পড়ছিলো। তাঁর (সা) চোখ বেয়ে নেমে আসছিলো অঝোর ধারা। একটু পর রাসূলুল্লাহ (সা) হাসতে শুরু করলেন, আর তারপর মুখ ফিরিয়ে নিলেন।

আবু লুবাবা (রা) নামের একজন সাহাবা উনাকে দেখে বিস্ময়ে বললেন, “হে রাসূলুল্লাহ (সা) আমি আপনাকে এমনটি কখনো করতে দেখি নি”… আল্লাহর রাসূল (সা) বললেন, “আমি কাঁদছিলাম কারণ আমার প্রিয় সঙ্গী আজ চলে গেলো! আমি দেখেছি সে আমার জন্য কী ত্যাগ করলো আর সে আমাকে কতো ভালোবাসতো… কিন্তু এরপর আমি দেখতে পেলাম তার কী ভাগ্য, আল্লাহর কসম, সে ইতিমধ্যে হাউদে পৌঁছে গেছে।” আবু লুবাবা জিজ্ঞেস করলেন “হাউদ কি?” রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, “এটি হলো এমন এক ঝর্ণা যা থেকে কেউ একবার পান করলে জীবনে আর কোনদিন পিপাসার্ত হবে না, এর স্বাদ মধুর চেয়েও মিষ্টি, এর রঙ দুধের চেয়েও সাদা! আর যখন আমি তাঁর এইরূপ মর্যাদা দেখলাম, আল্লাহর কসম, আমি হাসতে শুরু করলাম।”

“তারপর আমি দেখতে পেলাম সা’দের দিকে তাঁর জান্নাতের স্ত্রীগণ এমন উৎফুল্ল ভাবে ছুটে আসছে, যে তাদের পা গুলো বের হয়ে পড়ছে, তাই আমি চোখ ফিরিয়ে নিলাম।”

নবীজি অতঃপর সাহাবাদের কাছে এসে বললেন সা’দের ঘোড়া আর তরবারি নিয়ে আসতে, সেগুলো যেন সা’দের স্ত্রীর কাছে নিয়ে যাওয়া হয়, তাকে যেন বলা হয় এগুলো তার বংশধর। তিনি (সা) বললেন, তাকে জানিয়ে দিও আল্লাহ তা’আলা সা’দকে জান্নাতে স্ত্রী দান করেছেন, তারা তার চাইতেও অনেক সুন্দর। এই হলো সা’দ, যিনি কিছুক্ষণ আগেও অনিশ্চিত ছিলেন যে সে জান্নাতে যেতে পারবে কী না। সমাজে তার কোন মর্যাদা ছিল না, কোন স্ট্যাটাস ছিল না, কিন্তু আল্লাহর চোখে এই হলো তাঁর স্ট্যাটাস। কারণ তাঁর জীবন এবং মরণ ছিলো শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্যে…।

”নিঃসন্দেহ আমার নামায ও আমার কুরবানি, আর আমার জীবন ও আমার মরণ – আল্লাহ্‌র জন্য যিনি সমস্ত বিশ্বজগতের প্রতিপালক”
[সূরাহ আন’আমঃ আয়াত ১৬২]

“নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ মুমিনদের কাছ থেকে কিনে নিয়েছেন তাদের জান ও মাল এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। তারা যুদ্ধ করে আল্লাহর রাহেঃ অতঃপর মারে ও মরে। তাওরাত, ইঞ্জিল ও কোরআনে তিনি এ সত্য প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। আর আল্লাহর চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক সত্যনিষ্ঠ? সুতরাং তোমরা আনন্দিত হও সে লেনদেনের উপর, যা তোমরা করেছ তাঁর সাথে। আর এটিই হচ্ছে মহা সাফল্য।
[সূরাহ আত-তাওবাঃ আয়াত ১১১]

সা’দের জীবনকাহিনী শুনে এ দু’টি আয়াতই মনে পড়ে যায়… আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে কবুল করে নাও! আমীন…।
Photo

Post has attachment
জান্নাতে সর্ব প্রথম গান শোনাবেন হুরেরা,
তাতে কেটে যাবে ৭০ বছর,
জান্নাতি বাতাসে গাছের পাতার সাথে মিলিয়ে অপূর্ব এক বাজনা সৃষ্টি করবে,
আর জান্নাতের হুরদের সাথে সুর মিলাবে
সুরের মুর্ছনায় গোটা জান্নাত মুখরিত হয়ে যাবে
আল্লাহ্ তখন জান্নাত বাসীদের কাছে জানতে চাইবেন,"কেমন লাগলো
"সকলেই জবাব দিবে, খুব ভাল,"আল্লাহ্ বলবেন," এর চেয়েও ভাল শোন
জান্নাত বাসী বলবে"হে আল্লাহ্ এর চেয়ে ভাল কি
তখন আল্লাহ্ হযরত দাউদ (আঃ)কে ডাক দিয়ে বলবেন, "হে দাউদ এবার তুমি শুনাও"
দাউদ (আঃ) বলবেন,"হে আল্লাহ্ আমার কন্ঠ তো দুনিয়াতে ছিল যবুর শরীফে, আল্লাহ্ বলবেন,তোমার কন্ঠ ফিরিয়ে দিলাম কোরআন শরীফ শোনাও
হযরত দাউদ(আঃ) কোরআনের সুরা আর রহমান শোনাবেন! জান্নাত বাসী মুগ্ধ হয়ে যাবে
আল্লাহ্ আবার বলবেন, "কেমন লাগলো
"জান্নাতিরা বলবে, মারহাবা, খুব ভাল লাগলো
আল্লাহ্ বলবেন, এর চেয়ে ভাল শোন জান্নাত বাসীরা, বলবে হে আল্লাহ্ এর চেয়ে ভাল কি হতে পারে
আল্লাহ্ পাক রসুলুল্লাহ্ (সাঃ) কে বলবেন,
হে আমার প্রিয় হাবিব এবার আপনি ওদের শোনান!রাসুলুল্লাহ্(সাঃ) কোরআনের হৃদয় সুরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করবেন
পুরা জান্নাত আনন্দে মুখরিত হয়ে যাবে আর ধ্বনি তুলবে,"আল্লাহু আকবার "
আল্লাহ্ আবারও জানতে চাইবেন,কেমন লাগলো?জান্নাতবাসীরা বলবেন, আল্লাহ্ সবকিছু থেকে এটাই বেশি ভাল লাগলো!"আল্লাহ্ বলবেন,"এর চেয়েওভাল আছে,"জান্নাতবাসী অবাক হয়ে বলবে,আল্লাহ্ এর চেয়ে ভাল কিছু আছে
আল্লাহ্ জবাব দিবেন,"এর চেয়ে ভাল যা তা হলো তোমাদের রব! আল্লাহ্ বলবেন, "রিজওয়ান (একজন ফেরেস্তা)পর্দা সরিয়ে দাও, আজ আমার বান্দা আমার দীদার করবে, আমাকে দেখবে
"আল্লাহু আকবার"!পর্দা সরে যাবে ও সবাই আল্লাহর দীদার লাভ করবে
আল্লাহুকে দেখার পরে বান্দা অস্থীর হয়ে যাবে
তখন জান্নাতের হুর কি
শরাব কি
নহর কি
ফল কি
সব কিছুকে মূল্যহীন মনে হবে
বান্দা বলবে,"আল্লাহ্ কিছুই চাইনা, শুধু তোমার দীদার চাই!তোমাকে দেখতে চাই
"আল্লাহ্ আমাদের কে জান্নাতে কবুল করুন
#আমিন
Photo

Post has attachment
স্ত্রী গভীর রাতে প্রতিদিন
স্বামীর পাশ থেকে ঘুম থেকে উঠে
আধা ঘন্টা এক ঘন্টার জন্য কোথায় যেন
যায়!
- কিন্তু একা সে কোথায় যায় এবং
কেন যায়…? !
স্বামীতো চিন্তায় অস্থির। তাহলে
বউ কি আমার কোন খারাপ সম্পর্কে
জড়িয়ে গেল…? !
আবার ভাবছে বউতো ঠিকমতো
নামাজও পড়ে! তাহলে কি সে লোক
দেখানো নামাজ পড়ে,,,,,,?
নাকি ভাল মানুষের আড়ালে অন্য কিছু
করছে,,,,,?
:
নাহ্ অবশেষ স্বামী সিদ্ধান্ত নিলো'
আজ সে বউয়ের আসল রূপ না দেখে
ছাড়বে না। দিনের বেলায় বউয়ের
আল্লাহ রাসুলের কথা। আর মাঝ রাতে
পর পুরুষের সাথে মেলা মেশা করা.!!
ছিঃ ছিঃ
:
আজ স্বামীর আর ঘুম আসছেনা। কখন বউ
বের হবে সেই চিন্তায়। রাত যখন গভীর
হল আস্তে আস্তে বউ উঠে নলকূপে গেল।
আর স্বামী দূরথেকে লক্ষ করছে। তার বউ
একটু পরে এসে পাশের রুমে গেল….!!!
কিন্তু অন্ধকার বলে কিছুই বুঝা যায় না,
সে যে কি করছে। আর কারো শব্দ নেই
ওখানে, তাহলে একদম একা একা কি
করছে সে,,,,,,?!
'
ওর সন্দেহটা আরো বেড়ে গেল। প্রায়
আধ ঘন্টা পর কান্নার শব্দ পেয়ে সে
আস্তে আস্তে দরজার কাছে কান দিল।
কান্না আরো স্পষ্ট হল কি যেন বলছে
সে, তা বেশি বুঝতে পারছেনা,,,,,!! এখন
কান্না কিছুটা কমেছে কথা অল্প অল্প
বুঝা যায়।
.
কিন্তু এবার স্ত্রীর সেই কথাগুলো শুনে
থমকে গেল স্বামী। তার কথা গুলো
ছিল এমন””>
হে আল্লাহ”” তুমি সবকিছুর মালিক””ও
সকল কিছুর সৃষ্টিকর্তা”আমাদের
পালনকর্তা”” তাই তোমার কাছে
একটাই চাওয়া আমার। তুমি আমার
স্বামীকে মুত্তাক্বী পড়হেজগার ও
নামাজী বানিয়ে দাও মালিক”। “আর
তুমি আমাকে সৎ সন্তান দান কর
আল্লাহ”। “যারা আমার স্বামীর দুশমন ও
শত্রু তাদের তুমি হেদায়েত দান কর”‘!
:
একথা শুনে স্বামী তার চোখের পানি
আর ধরে রাখতে পারলোনা।
সে
নিজের ভুল বুঝতে পেরে, তখনি সে
প্রতিজ্ঞা করল। জীবন থাকতে কখনো
সে আর পাপকাজ করবেনা। এবং
পরিপূর্ণ ভালো হয়ে যাবে। এবং সে
তার স্ত্রীকে কখনোই আর অবিশ্বাস
করবেনা" এবং সব সময় তাকে
ভালোবাসবে সে। আল্লাহ তাআলা
আমাদের সকলকে এমন একজন করে স্ত্রী
মিলিয়ে দিও। যে নিজে নামাজ
পরবে ও নিজের স্বামীকে নামাজের
কথা স্বরন করিয়ে দিবে।
আমীন..
Photo

Post has attachment
মৃত্যুর পরও উপার্জনের উপায়:
১.একটা “কুরআন শরিফ” কাউকে দান করেন, প্রতিবার কেউ যখন ওটা পড়বে আপনি লাভবান হবেন।
২.একটা হাসপাতালে হুইল চেয়ার দান করুন প্রতিবার যখন একজন অসুস্থ
মানুষ এতে বসবে আপনি লাভবান হবেন।
৩.একটি মসজিদ তৈরিতে অংশ নিন। যত মানুষ সেই মসজিদে নামায পড়বে আপনি লাভবান হবেন।
৪.জনসমাগম এর স্থানে পানির ব্যবস্থা করুন… আপনি লাভবান হবেন।
৫.গাছ লাগান, আপনি লাভবান হবেন যখন কোন মানুষ বা প্রাণী এর ছায়াতে বসবে বা এটা থেকে ফল খাবে। আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দেখুন কেউ যদি এটা পালন
করে তাহলে আপনি লাভবান হতে পারেন..

অাল্লাহ অামাদের এগুলো ভিতরে সামিল করে নেয় (অামিন)
Photo

Post has attachment
হযরত মুসা (আঃ) একদিন আল্লাহকে প্রশ্ন
করলেন,
হে আল্লাহ যদি ৪টি জিনিস হত আর
৪টি জিনিস না হত তবে খুব ভাল হত।"

(১) যদি জীবন হত, মৃত্যু না হত ।
(২) যদি জান্নাত হত জাহান্নাম না হত ।
(৩) যদি ধনী হত, গরীবী না হত।
(৪) যদি সুস্হতা হত অসুস্হতা না হত।

গায়েব থেকে আওয়াজ এল
, "হে মুসা যদি মৃত্যু
না থাকত তবে আমার সাক্ষাত হত না,

যদি জাহান্নাম না হত তবে আমার আজাবের ভয়
কে করত?

যদি গরীবী না থাকত তবে বান্দা
আমার
শুকরিয়া আদায় করতনা,

আর যদি অসুস্হতা না থাকত তবে বান্দা আমায় স্বরণ করত না।"

"আল্লাহু আকবার।"
" আল্লাহ সবকিছুই পরিপূর্ণভাবে তৈরী করেছেন।"

আল্লাহ আমাদের সবাইকে
সঠিক ভাবে বোঝার তৌফিক দান করুন,,,,

amin

Photo
Wait while more posts are being loaded