Post is pinned.Post has attachment
রাশপ্রিন্ট প্রথম পোস্ট জুলাই ২০১২ থেকে একটানা তিন বছর সঞ্চালিত হয়েছে লেখক-পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলের ঔদার্য ও প্রশ্রয় সম্বল করে। এই তিনটি বছরে যা-কিছু ভালো হয়েছে, যেটুকু যৎকিঞ্চিৎ, লেখক-পাঠক-দর্শক ও অন্যান্য অবদায়ক সকলে সেই ভালোটুকুর প্রণেতা।

রাশপ্রিন্ট তাদের সকলের কাছে দুই-বাহু-প্রসারিত সম্ভাষণ জানায় এই নবপর্যায়িক যাত্রাপ্রাক্কালে, কৃতজ্ঞতা জানায় পেছনের দিনগুলির সহযোগ স্মরণ করে, যেন সামনের দিনগুলি দ্বিগুণ সুরেলা সম্মেলক গানে ভরে থাকে এই মেলাপ্যান্ডেল সেই আশ্বাস ও বরাভয় চায় সকলের কাছ থেকে।

লেখা পাঠাবার ঠিকানা :-
সঞ্চালক: আহমদ সায়েম
ঠিকানাঃ উত্তরণ ১৬, বারুতখানা, সিলেট।
ফোনঃ +৮৮০১৭০৪৪৪৪১৪১
ইমেইল: raashprint@gmail.com

Post has attachment
“যুবকরা ডাকু হয়ে পড়ায় ইতিহাস আজ গৌণ হয়ে গেছে। এই প্রথম চা পানের জন্য তারা ফ্লেচারে ভিড় করেনি। সেখানে বসে চায়ের পেয়ালায় চুমুক দেয়ার রুচি আর নেই। দাপুটে সায়েবের তৈলচিত্র দেখে সমীহ বা রসিকতার মেজাজ তারা নেই। যুবকরা আজ চা পান করতে আসেনি। বিলেতি সায়েবকে তছনছ করতে এসেছে। কম্পিত সায়েবদের হাঁটুতে কাঁপন ধরানোর বাসনায় ফ্লেচার দখল করেছে। তারা ইতিহাস বোঝে না। তাদের কাছে ফ্লেচার আর ইতিহাস নয়। সায়েবদের কারখানা। আজাদির জন্য ওটি মুছে ফেলা প্রয়োজন। সায়েবের বুকে বন্দুক ঠেকিয়ে আজাদিরা গব্বর সিং হয়েছে। ভারী কণ্ঠে ডায়ালাগ ঝাড়ছে,- ‘তেরা কিয়া হোগারে কালিয়া! লে, আব্ গুলি খা।”

অাহমদ মিনহাজ-এর ধারাবাহিক উপন্যাস “ওসমান সমাচার”-এর নতুন পর্ব পড়ুন রাশপ্রিন্ট-এ...

Post has attachment
সহযাত্রী পঠন ...

হাসান আওরঙ্গজেব-এর “কুকুর, পাউরুটি ও জামরুল গাছের গল্প” পড়ুন গল্পপাঠ-এর নতুন সংখ্যায় ...

”জীবনটাকে অর্থহীন ও নিরানন্দ করে তুলবার মত যা কিছু অবশিষ্ট তার কিছুই থাকবেনা। গর্দভের মত জীবনটাকে টেনে বয়ে বেড়ানো আমার কাছে অসহনীয় ঠেকছিলো দিনদিন। পলায়নপরতা বিষয়টা অনেকের কাছে একধরনের কাপুরোষোচিত ধারনা হলেও আমি ব্যাপারটাকে কিছুটা পাত্তা দিয়েছি এজন্যে যে, আমি এটা বিশ্বাস করে এসেছি, ক্রমশ বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে ওঠা এই পৃথিবীতে লড়াই করে বাঁচাটাই একটা ভীষণ অর্থহীন কাজ।”
জীবনটাকে অর্থহীন ও নিরানন্দ করে তুলবার মত যা কিছু অবশিষ্ট তার কিছুই থাকবেনা। গর্দভের মত জীবনটাকে টেনে বয়ে বেড়ানো আমার কাছে অসহনীয় ঠেকছিলো দিনদিন। পলায়নপরতা বিষয়টা অনেকের কাছে একধরনের কাপুরোষোচিত ধারনা হলেও আমি ব্যাপারটাকে কিছুটা পাত্তা দিয়েছি এজন্যে যে, আমি এটা বিশ্বাস করে এসেছি, ক্রমশ বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে ওঠা এই পৃথিবীতে লড়াই করে বাঁচাটাই একটা ভীষণ অর্থহীন কাজ”

See more at:

Post has attachment
জাহেদ আহমদ-এর নতুন পোস্ট পড়ুন রাশপ্রিন্ট-এ ...

“লিট্রেচারের লাটসায়েবরা, বাংলায়, ডিলান-লালন হাইফেনে বেঁধে প্র্যাক্টিস্ করে এসেছেন স্মরণাতীত কাল হইতে। এই শোনাশুনিটা ব্যাপক আধ্যাত্মিক, ফলে একটা আঁচড়ও পড়ে নাই লিরিক্যাল্-ননলিরিক্যাল্ বাংলা গানাবাজানার বাস্তবে। ওদিকে ইন্ডিয়া আগুয়ান এই পয়েন্টে। ওদের আধুনিক বাংলা গান মানেই ডিলান। অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত উপায়ে বঙ্গায়িত বটে। অ্যানিওয়ে। অ্যাভেইলেবল্ সত্ত্বেও যদি মিল্কের বদলে ঘোল পান করে যেতে হয় আপনেরে, সেইটা যত ঘন ও সোয়াদেরই হোক ঘোল তো ঘোলই, কন্ডোলেন্স রইল।

বব ডিলান সায়েবেরে নোবেল দিয়া কমিটি ইনজাস্টিস করেছে। দ্যাখেন, ববি অত বড় শিল্পী নন। উনি ইন-ফ্যাক্ট জুনিয়র আর্টিস্ট। প্রমাণ চান? ঔকে! লেনন উনার একবছর আগে এসেছে দুনিয়ায়। লেনার্ড কোহেন উল্লিখিত উভয়ের যথাক্রমে সাত এবং ছয় বছরের সিনিয়র। এই তিনজনেরই নাম নেয়া হলো। কেননা তাদের মধ্যে বেশকিছু অমিলের পাশে বেশকিছু মিলমিশও আছে। এই তিনজনেরই মিউজিক্যাল্ অ্যালবামের পাশাপাশি পৃথক প্রকাশিত বই আছে। তিনজনেই পেইন্টিং করেছেন। কোহেনের গানে তো পোয়েটিক অন্তরালধর্ম অনেক বেশি। কিন্তু লেননের ব্যাপারটা আলাদা। আর তাছাড়া মরণোত্তর নোবেল এখনও পয়দা হয় নাই। কাজেই সিনিয়র আর্টিস্ট রাখিয়া জুনিয়রদেরে এইভাবে ল্যরিয়েট বানানো বরদাশ্ত করা খানিক প্রদাহকর।”

বিস্তারিত পড়ুন ...

বব ডিলান কুড়িটা গান । জাহেদ আহমদ
রাশপ্রিন্ট ডট কম: কবিতাপ্রান্তর, শিরোনামাবলি
অক্টোবর ১৯, ২০১৬ : ১১:৫৪ অপরাহ্ণ |

Post has shared content
আফসানা বেগম-্এর অনুবাদে নাডিম গার্ডিমার-্এর গল্প বাবার প্রস্থান পড়ুন রাশপ্রিন্ট-এর গল্পনগর বিভাগে ...

”বাবা তার সাথে চিৎকার করে কথা বলছিল আর সপ্তাহের বেতনটা তার দিকে এমনভাবে ছুঁড়ে দিয়েছিল যেন তার বেতন পাওয়ার কথাই ছিল না। আমি বুঝতে পেরেছিলাম, বাবা চাইত সবাই তাকে ভয় পাক। একটা শিশু খুব সহজেই ভয় পেতে শেখে আর যে ভয় দেখায় তার প্রতি অনীহা আর ঘৃণাও জন্মায় খুব সহজে…”

Post has attachment
সহপাঠ...

ওয়েবজিন ঐহিক-এ পড়ুন আহমেদ সায়েম ও রুমা মোদক-এর যূথচারী কাব্য ও গদ্য প্রয়াস ...

”কোনো চিৎকার ওদের কানে পৌঁছানো যাবে না”
....

“ঘুমের মধ্যে এখনো আবৃত আছে আমাদের নিশ্বাস, হাত বাড়িয়ে খুঁজে ফিরি নিজেরই ছায়া, ছায়াশিশুকে ধর্ষণ করব আমরা, আর হত্যা করব নিজের মা ও স্ত্রীকে... এখনো সবাই মিলে লাইন টানছে, ভোরের আলোয় যে ভাষার জন্ম দিয়েছিল প্রকৃতি তা এখনো পড়া হয়নি কারো, স্বতন্ত্র করা হয়নি একটা বিন্দুও, অনেক সময় গড়িয়ে গেছে অথচ নিজের লম্বা ছায়া দেখে এখনো ওরা মাপতে বসে... দেখে নেয় কতটা পরে হলে বুঝে নেওয়া যাবে অনলের চিহৃ, শহরে শহরে বিক্রির জন্য সাজানো হচ্ছে আলো, প্রজপতিরা জ্ঞানীদের বিতরণ করবে তাদের রঙ আর সর্বসাধারণের জন্য কালো একটি লাইন টেনে গুপ্তহত্যার সূত্রগুলো জানান দেওয়া হবে... জানানো হবে তাদের স্ত্রী ও মেয়েদের—আর কখনো হাতে বই-খাতা দেখা গেলে কেটে দেওয়া হবে তাদের চারটি আঙুল, শিক্ষারুমে দেওয়া হবে গণধর্ষণের উচ্চ ডিগ্রি, দেশের প্রতিটা শহরে গুম হত্যা ধর্ষণ ও চল্লিশ মিনিটের নীরবতা ডাকা হবে এবং বিদেশের মাটিতে দেওয়া হবে কয়েকটি বিশ্বশান্তির মন্ত্র...”

...
“আর গৃহস্থ বাড়ির বৌরা আজ জটলা জমায় বড় নিশ্চিন্তে। কারণ তারা জানে দিনমান পরিশ্রম করা বদমেজাজী স্বামীগুলো আজ সন্ধ্যায় ঘরে ফিরে ইফতারে লবণহীন তরকারি পেলেও চ্যালাকাঠ হাতে তুলে নেবে না। তারা নিকানো উঠোনে পা ছাড়িয়ে বসে, যেনো কতোকাল পরে মিলেছে অবকাশ নিশ্চিন্ত অবকাশের তাদের আজ তাড়া নেই এনামুল মিয়ার বৌ পিটানোর গলাটা অসমাপ্ত রেখে কিংবা আব্দুল হাইয়ের প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী ঘরে তোলার খেসারত দেওয়ার ইতিবৃত্ত অর্ধসমাপ্ত রেখে ফেরার। অপক্ক জ্ঞানে তারাও রটনা অনুযায়ী হন্যে হয়ে খোঁজে আসন্ন বিপদের পূর্বাভাস... ।”
মামা ফকিরের কেরামতি
...

বিস্তারিত পড়ুন ...
কোনো চিৎকার ওদের কানে পৌঁছানো যাবে না
আহমেদ সায়েম ও রুমা মোদক

Post has attachment
সহপাঠ...

ওয়েবজিন ঐহিক-এ পড়ুন কবিতায় ও গদ্যে মিসবাহ উদ্দীন ও হাসান আওরঙ্গজেব-এর যূথচারী ভ্রমণ ...

“সর্ষের সোনালি-হলুদ বিকেল”

....
“ভাষার ভিতরে তুমি আরেক আধো আধো বোল হয়ে ফুটে ফুটে রও
ফুল কি সঙ্গীতে পিপাসা কি মেটানোর কথা ছিলো না, হে নদী?
বয়ে যাও, বয়ে বয়ে যাও, হে ফোরাত রমণী
তোমার ঢেউয়ের ভাঁজে আমি শেষমেশ শুয়ে শুয়ে রবো
কোনো এক ফাইন মর্নিং মাতালতার ছলে...।”

...
“আমি কি চেয়েছিলাম তাকে? এই ধুলোমলিন চিত্রার্পিত ধুসর জীবনকে? অথবা সে কি চেয়েছিল আমাকে? এক ডুবন্ত-প্রায় জাহাজের মত ঝড় বিক্ষুব্ধ সমুদ্রে আমাকেই করতে চেয়েছিল তার নড়বড়ে পাটাতন? কূল-কিনারাহীন, এক অনন্ত আকাশের নীচে, সংক্ষুব্ধ ঢেউয়ের দাপটে, আমাকে ভাসিয়ে ডুবিয়ে রচনা করতে চেয়েছিল জীবন নামের এক বিয়োগান্ত?
হায়, এই জন্ম আমি চাইনি, ধর্ম আমি চাইনি, প্রেম আমি চাইনি, নাম আমি চাইনি, কাম আমি চাইনি, মৃত্যু আমি চাইনি!
অথচ, আমার জন্যই খড়গহস্ত তার নিষ্ঠুর কৃপাণ।”
...

বিস্তারিত পড়ুন ...
“সর্ষের সোনালি-হলুদ বিকেল”
মিসবাহ উদ্দীন ও হাসান আওরঙ্গজেব

Post has attachment
তরুণ গল্পাপকার পারভেজ হাসান-এর গল্প “পাত্রী” পড়ুন রাশপ্রিন্ট-এ ...

আবুল হাসান ও তাঁর কবিতার জগৎ নিয়ে এহসান হায়দার ...

“গাঁয়ের কেও কেও বলে, ‘বাঁচা মাছ পচা থাহে।’ তাদের মতে বেশি বাঁচনের লাগি সুজন পাইল পচা বউ। আসলে কাওরে দোষনের কিছু নাই, নিশ্চয় এটা সুজনের কপারের মন্দ। সুতরাং বিয়ের আগে এত বেশি পাত্রপাত্রী বাছাই না করাই ভাল। কপালে যা আছে ততো হবেই।”

Post has attachment
সর্বশেষ পোস্ট পড়ুন রাশপ্রিন্ট-এ...

আবুল হাসান ও তাঁর কবিতার জগৎ নিয়ে এহসান হায়দার ...

“উৎকন্ঠা, হতাশা, নিরাপত্তহীনতা অর্থনীতি রাজনীতি কোন কিছুরই যেনো কোন মানবিক বদল নেই। সবখানেই শুধু হিংসা বিদ্বেষ সন্দেহ ক্রোধ নৈরাশ্য লালশা আরো কত কত মনস্তত্ব প্রতিনিয়তই হামলে পড়ছে, আঘাত করছে, হত্যা করছে, গুড়িয়ে দিচ্ছে আর আমরা হতবাক বিহ্বল নির্বিকার তাকিয়ে ক্ষুধার দিকে, শিশুর দিকে, আগামীকালের উদ্ভট একটা সুস্থিতির দিকে উত্তেজনাহীন নিঃসঙ্গ বেঁচে থাকার এক ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধের নিরুপায় সৈনিক হেঁটে চলছি এমন একটা অন্ধকারের দিকে যাকে আলো বলেই স্বীকৃতি দেওয়াটাই আমাদের কর্তব্য বলে ধরে নিয়েছি। এইসব টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়েই তো আবুল হাসন আমাদের সামনে আরো স্পষ্ট ও সেই অন্ধ জাগরণের পাথরগুলির মতন হৃদয়ে জেগে বসেন। কোন ভাবে যাকে সরিয়ে ফেলা যাচ্ছে না, কোনভাবেই তাকে এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না কোনভাবেই তাকে কল্পনা বিলাসী কোন ভাষ্যকারের মতন হঠাৎই ভুলে যাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের সকল অনুভব পরিস্থিতির হতাশা ভালোবাসার ভালোবাসাহীনতার রুগ্নতার হীনমন্যতার সাথে তিনি যেনো অখন্ডভাবে জড়িয়ে আছেন, জড়িয়ে আছেন দীর্ঘশ্বাসের মতন এ কথা নিশ্চিয়ই আবুল হাসানের কবিতার পাঠক মাত্র-ই অনুভব করে থাকেন। তাহলে মূল্যায়ন কী হবে, আবুল হাসানের কবিতার?”

অভিমান ও বেদনার চিরকালীন পদাবলী । এহসান হায়দার
রাশপ্রিন্ট ডট কম: প্রবন্ধচত্বর
শিরোনামাবলি: অক্টোবর ১৩, ২০১৬ : ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ ।

Post has attachment
Wait while more posts are being loaded