Post has shared content

Post has shared content
কুরআনের ১০০টি উপদেশবাণীঃ
মেনে চলা প্রত্যেক মুমিনের কর্তব্য।

১। তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না।
[সূরা বাকারা ২:৪২]
২। সৎকার্য নিজে সম্পাদন করার পর অন্যদের
করতে
বলো। [সূরা বাকারা ২:৪৪]
৩। পৃথিবীতে বিবাদ-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করো না। [সূরা
বাকারা ২:৬০]
৪। কারো মসজিদ যাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করো না।
[সূরা বাকারা ২:১১৪]
৫। কারো অন্ধানুসরণ করো না। [সূরা বাকারা ২:১৭০]
৬। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করো না। [সূরা বাকারা ২:১৭৭]
৭। ঘুসে লিপ্ত হয়ো না। [সূরা বাকারা ২:১৮৮]
৮। যারা তোমাদের সঙ্গে লড়াই করবে, শুধু তাদের
সঙ্গে তোমরা লড়াই করো। [সূরা বাকারা ২:১৯০]
৯। লড়াইয়ের বিধি মেনে চলো। [সূরা বাকারা ২:১৯১]
১০। অনাথদের রক্ষণাবেক্ষণ করো। [সূরা বাকারা
২:২২০]
১১। রজঃস্রাব কালে যৌনসঙ্গম করো না। [সূরা
বাকারা ২:২২২]
১২। শিশুকে পূর্ণ দুই বছর দুগ্ধপান করাও। [সূরা
বাকারা ২:২৩৩]
১৩। সৎগুণ দেখে শাসক নির্বাচন করো। [সূরা বাকারা
২:২৪৭]
১৪। দ্বিনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই।
[সূরা
বাকারা ২:২৫৬]
১৫। প্রতিদান কামনা করে দাতব্য বিনষ্ট করো না।
[সূরা বাকারা ২:২৬৪]
১৬। প্রয়োজনে তাদের সহযোগিতা করো। [সূরা
বাকারা ২:২৭৩]
১৭। সুদ ভক্ষণ করো না। [সূরা বাকারা ২:২৭৫]
১৮। যদি ঋণীঅভাবগ্রস্তহয়তবে তাকে সচ্ছলতা আসা
পর্যন্ত সময় দাও। [সূরা বাকারা ২:২৮০]
১৯। ঋণের বিষয় লিখে রাখো। [সূরা বাকারা ২:২৮২]
২০। আমানত রক্ষা করো। [সূরা বাকারা ২:২৮৩]
২১। গোপন তত্ত্ব অনুসন্ধান করো না এবং পরনিন্দা
করো না। [সূরা বাকারা ২:২৮৩]
২২। সমস্ত নবির প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করো। [সূরা
বাকারা ২:২৮৫]
২৩। সাধ্যের বাইরে কারো উপর বোঝা চাপিয়ে দিও
না। [সূরা বাকারা ২:২৮৬]
২৪। তোমরা পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ো না। [সূরা
আল-ইমরান ৩:১০৩]
২৫। ক্রোধ সংবরণ করো। [সূরা আল-ইমরান ৩:১৩৪]
২৬। রূঢ় ভাষা ব্যবহার করো না। [সূরা আল-ইমরান
৩:১৫৯]
২৭। এই বিশ্বের বিস্ময় ও সৃষ্টি নিয়ে গভীর
চিন্তাভাবনা করো। [সূরা আল-ইমরান ৩:১৯১]
২৮। পুরুষ ও নারী উভয়ই তাদের কৃতকর্মের সমান
প্রতিদান পাবে। [সূরা আল-ইমরান ৩:১৯৫]
২৯। মৃতের সম্পদ তার পরিবারের সদস্যসের মাঝে
বন্টন করতে হবে। [সূরা নিসা ৪:৭]
৩০। উত্তরাধিকারের অধিকার নারীদেরও আছে।
[সূরা নিসা ৪:৭]
৩১। অনাথদের সম্পদ আত্মসাৎ করো না। [সূরা নিসা
৪১০]
৩২। যাদের সাথে রক্তের সম্পর্ক তাদের বিবাহ
করো
না। [সূরা নিসা ৪:২৩]
৩৩। অন্যায়ভাবে কারো সম্পদ ভক্ষণ করো না। [সূরা
নিসা ৪:২৯]
৩৪। পরিবারের উপর কর্তৃত্ব চালাবে পুরুষ। [সূরা নিসা
৪:৩৪]
৩৫। অন্যদের জন্য সদাচারী হও। [সূরা নিসা ৪:৩৬]
৩৬। কার্পণ্য করো না। [সূরা নিসা ৪:৩৭]
৩৭। বিদ্বেষী হয়ো না। [সূরা নিসা ৪:৫৪]
৩৮। মানুষের সাথে ন্যায়বিচার করো। [সূরা নিসা
৪:৫৮]
৩৯। একে অপরকে হত্যা করো না। [সূরা নিসা ৪:৯২]
৪০। বিশ্বাসঘাতকদের পক্ষ নিয়ে বিতর্ক করো না।
[সূরা নিসা ৪:১০৫]
৪১। ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকো। [সূরা নিসা
৪:১৩৫]
৪২। সৎকার্যে পরস্পরকে সহযোগিতা করো। [সূরা
মায়িদা ৫:২]
৪৩। সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা
করো না। [সূরা মায়িদা ৫:২]
৪৪। মৃত পশু, রক্ত ও শূয়োরের মাংসা নিষিদ্ধ। [সূরা
মায়িদা ৫:৩]
৪৫। সৎপরায়ণ হও। [সূরা মায়িদা ৫:৮]
৪৬। অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাও। [সূরা
মায়িদা ৫:৩৮]
৪৭। পাপ ও অবৈধ জিনিসের বিরুদ্ধে শ্রম ব্যয় করো।
[সূরা মায়িদা ৫:৬৩]
৪৮। মাদক দ্রব্য ও আলকোহল বর্জন করো। [সূরা
মায়িদা ৫:৯০]
৪৯। জুয়া খেলো না। [সূরা মায়িদা ৫:৯০]
৫০। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপাস্যদের গালমন্দ
করো
না। [সূরা মায়িদা ৫:১০৮]
৫১। আধিক্য সত্যের মানদণ্ড নয়। [সূরা আন’আম
৬:১১৬]
৫২। মানুষকে প্রতারণা দেওয়ার জন্য ওজনে কম দিও
না। [সূরা আন’আম ৬:১৫২]
৫৩। অহংকার করো না। [সূরা আ’রাফ ৭:১৩]
৫৪। পানাহার করো, কিন্তু অপচয় করো না। [সূরা
আ’রাফ ৭:৩১]
৫৫। সালাতে উত্তম পোশাক পরিধান করো। [সূরা
আ’রাফ ৭:৩১]
৫৬। অন্যদের ত্রুটিবিচ্যুতি ক্ষমা করো। [সূরা আ’রাফ
৭:১৯৯]
৫৭। যুদ্ধে পশ্চাদ্মুখী হয়ো না। [সূরা আনফাল ৮:১৫]
৫৮। যারা নিরাপত্তা কামনা করছে তাদের
সহযোগিতা করো ও নিরাপত্তা দাও। [সূরা তওবা ৯:৬]
৫৯। পবিত্র থেকো। [সূরা তওবা ৯:১০৮]
৬০। আল্লাহ্ তাআলার অনুগ্রহ হতে নিরাশ হয়ো না।
[সূরা ইউসুফ ১২:৮৭]
৬১। যারা অজ্ঞতাবশত ভুলত্রুটি করে আল্লাহ্
তাআলা তাদেরকে ক্ষমা করবেন। [সূরা নাহ্ল ১৬:১১৯]
৬২। প্রজ্ঞা ও উত্তম নির্দেশনা দ্বারা আল্লাহ্
তাআলার প্রতি আহ্বাব করা উচিত। [সূরা নাহ্ল
১৬:১১৯]
৬৩। কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না।
[সূরা
ইসরা ১৭:১৫]
৬৪। পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো। [সূরা ইসরা
১৭:২৩]
৬৫। পিতামাতাকে অশ্রদ্ধা করে কোনো কথা বলো
না। [সূরা ইসরা ১৭:২৩]
৬৬। অর্থ অপচয় করো না। [সূরা ইসরা ১৭:২৯]
৬৭। দারিদ্রের আশঙ্কায় সন্তানসন্ততিকে হত্যা
করো না। [সূরা ইসরা ১৭:৩১]
৬৮। অবৈধ যৌনাচারে লিপ্ত হয়ো না। [সূরা ইসরা
১৭:৩২]
৬৯। যে বিষয়ে জ্ঞান নেই তার অনুবর্তী হয়ো
না।
[সূরা ইসরা ১৭:৩৬]
৭০। শান্তভাবে কথা বলো। [সূরা ত্বা-হা ২০:৪৪]
৭১। অনর্থ জিনিস থেকে দূরে থেকো। [সূরা
মু’মিনুন
২৩:৩]
৭২। অনুমতি ছাড়া কারো গৃহে প্রবেশ করো না।
[সূরা
নূর ২৪:২৭]
৭৩। যারা শুধু আল্লাহ্ তাআলার প্রতি বিশ্বাস
স্থাপন করেন তিনি তাদেরকে নিরাপত্তা দেন। [সূরা
নূর ২৪:৫৫]
৭৪। বিনা অনুমতিতে পিতামাতার ব্যক্তিগত ঘরে
প্রবেশ করো না। [সূরা নূর ২৪:৫৮]
৭৫। বিনয় সহকারে ভূপৃষ্ঠে বিচরণ করো। [সূরা
ফুরকান
২৫:৬৩]
৭৬। এই পৃথিবীতে তুমি তোমার অংশকে উপেক্ষা
করো না। [সূরা কাসাস ২৮:৭৭]
৭৭। আল্লাহ্র সাথে অন্য কোনো বাতিল উপাস্যকে
ডেকো না। [সূরা কাসাস ২৮:৮৮]
৭৮। সমকামিতায় লিপ্ত হয়ো না। [সূরা আন্কাবুত
২৯:২৯]
৭৯। সৎকার্যের আদেশ করো এবং অসৎকার্য হতে
নিষেধ করো। [সূরা লোকমান ৩১:১৭]
৮০। দম্ভভরে ভুপৃষ্ঠে বিচরণ করো না। [সূরা
লোকমান
৩১:১৮]
৮১। কণ্ঠস্বর অবনমিত রেখো। [সূরা লোকমান
৩১:১৯]
৮২। নারীরা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে।
[সূরা আহ্যাব ৩৩:৩৩]
৮৩। আল্লাহ্ তাআলা যাবতীয় পাপ মোচন করে দিতে
পারেন। [সূরা যুমার ৩৯:৫৩]
৮৪। আল্লাহ্ তাআলার অনুগ্রহ হতে নিরাশ হয়ো না।
[সূরা যুমার ৩৯:৫৩]
৮৫। ভালো দ্বারা মন্দ প্রতিহত করো। [সূরা হা-মিম
সাজদা ৪১:৩৪]
৮৬। যেকোনো বিষয়ে পরামর্শের মাধ্যমে
সিদ্ধান্ত
নাও। [সূরা শূরা ৪২:৩৮]
৮৭। মানুষের সাথে মানিয়ে চলার চেষ্টা করো।
[সূরা হুজরাত ৪৯:৯]
৮৮। কাউকে পরিহাস করো না। [সূরা হুজরাত ৪৯:১১]
৮৯। সন্দেহ থেকে বিরত থেকো। [সূরা হুজরাত
৪৯:১২]
৯০। পরনিন্দা করো না। [সূরা হুজরাত ৪৯:১২]
৯১। সবচেয়ে আল্লাহ্ভীরু ব্যক্তি সবচেয়ে
সম্মাননীয়। [সূরা হুজরাত ৪৯:১৩]
৯২। অতিথির সম্মান করো। [সূরা যারিয়াত ৫১:২৬]
৯৩। দাতব্যকার্যে অর্থ ব্যয় করো। [সূরা হাদিদ ৫৭:৭]
৯৪। দ্বিনের মধ্যে বৈরাগ্যের কোনো স্থান
নেই।
[সূরা হাদিদ ৫৭:২৭]
৯৫। জ্ঞানীজনকে আল্লাহ্ তাআলা সুউচ্চ মর্যাদায়
উন্নীত করবেন। [সূরা মুজাদালাহ্ ৫৮:১১]
৯৬। অমুসলিমদের সাথে সদয় ও ন্যায় আচরণ করো।
[সূরা মুমতাহিনাহ্ ৬০:৮]
৯৭। লোভ-লালসা থেকে সুরক্ষিত থেকো। [সূরা
তাগাবুন ৬৪:১৬]
৯৮। আল্লাহ্ তাআলার নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করো।
তিনি মহাক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু। [সূরা মুযযাম্মিল
৭৩:২০]
৯৯। ভিক্ষুককে ধমক দিও না। [সূরা যুহা ৯৩:১০]
১০০। অভাবগ্রস্তকে খাদ্যদানের প্রতি উৎসাহ প্রদান
করো। [সূরা মা’ঊন ১০৭:৩]

কুরআনের ১০০টি উপদেশবাণী
Animated Photo

Post has shared content
শুভ সন্ধ্যা বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন?
Animated Photo

Post has shared content
#মাত্র_দুই_সেকেণ্ডে_কোটিপতি! .
* "আল্লাহুম্মাগফির লিল মু'মিনিনা ওয়াল মু'মিনাত"*
. ﺍﻟﻠﻬﻢ ﺍﻏﻔﺮ ﻟﻠﻤﺆﻣﻨﻴﻦ ﻭ ﺍﻟﻤﺆﻣﻨﺎﺕ - .
অনুবাদ- হে আল্লাহ! তুমি ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার মহিলাগণকে ক্ষমা করে দাও। . একদিনে চব্বিশ ঘণ্টা। চব্বিশ ঘণ্টায় কতো মিনিট? চৌদ্দশো চল্লিশ মিনিট। একদিনে কতো সেকেণ্ড? ছিয়াশি হাজার চারশো সেকেণ্ড। এই হাজার হাজার সেকেণ্ড থেকে মাত্র দু সেকেণ্ড লাগে দুআটি একবার পড়তে। পড়া মাত্রই গোটা দুনিয়ায় যতো মুমিন নারী-পুরুষ আছে, তাদের সংখ্যা সমান নেকী যোগ হচ্ছে আপনার আমলনামায়। এই দুনিয়ায় মোট কতো মুমিন নারী-পুরুষ? কোটি কোটি কোটি....।
অতো কোটির দরকার নেই। ধরে নিন পাঁচশো কোটি। .
এই দুআটি দৈনিক একবার করে পড়লে নবীজি সা. এর বর্ণনা মতে আপনার আমলনামায় লেখা হবে পাঁচশো কোটি নেকী। তাহলে প্রতি সপ্তাহে নেকী হচ্ছে তিন হাজার পাঁচশো কোটি। এক মাসে কতো নেকী? এক মাসে পনের হাজার কোটি নেকী। এক বছরে কতো? এক লাখ আশি হাজার কোটি নেকী জমা হবে এক বছরে। পঞ্চাশ বছরে কতো? পঞ্চাশ বছরে নেকী জমা হচ্ছে নব্বই লাখ হাজার কোটি। সুবহানাল্লাহ! অনন্ত-অসীম আল্লাহ তাআলা কতো মেহেরবান! মাত্র দুই সেকেণ্ডের অতি সহজ আমলের বদলে পঞ্চাশ বছরে নেকী জমা হচ্ছে নব্বই লাখ হাজার কোটি।
. আসুন! এবার সেই বরকতময় হাদীস শরীফটি দেখি! . অনুবাদ- হযরত উবাদা ইবনে সামেত রা. বলেন, আমি রাসূল সা. কে বলতে শুনেছি, যে লোক মুমিন নারী-পুরুষের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করে, . আল্লাহ পাক এর বদলে তার আমলনামায় সমস্ত মুমিন নারী ও পুরুষের সংখ্যা সমান নেকী লিখে দিবেন। ( ফয়জুল তকদীর, হাদীস নং. ৮৪১৯) .
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে উল্লেখিত হাদীস অনুযায়ী আমল করার তাওফিক দান করুন।
#আমীন
Photo

Post has shared content

Post has shared content

Post has shared content
Sahih Bukhari Hadees # 2420

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، ‏‏‏‏‏‏حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَدِيٍّ، ‏‏‏‏‏‏عَنْ شُعْبَةَ، ‏‏‏‏‏‏عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، ‏‏‏‏‏‏عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، ‏‏‏‏‏‏عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، ‏‏‏‏‏‏عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ‏‏‏‏‏‏قَالَ:‏‏‏‏ ""لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ بِالصَّلَاةِ فَتُقَامَ، ‏‏‏‏‏‏ثُمَّ أُخَالِفَ إِلَى مَنَازِلِ قَوْمٍ لَا يَشْهَدُونَ الصَّلَاةَ، ‏‏‏‏‏‏فَأُحَرِّقَ عَلَيْهِمْ"".


Narrated Abu Huraira: The Prophet said, No doubt, I intended to order somebody to pronounce the Iqama of the (compulsory congregational) prayer and then I would go to the houses of those who do not attend the prayer and burn their houses over them.
Sahih Hadees

نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا، میں نے تو یہ ارادہ کر لیا تھا کہ نماز کی جماعت قائم کرنے کا حکم دے کر خود ان لوگوں کے گھروں میں جاؤں جو جماعت میں حاضر نہیں ہوتے اور ان کے گھر کو جلا دوں۔
Photo

Post has shared content

بسم الله الرحمن الرحيم
إِنَّ اللَّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًا
Translation
Truly, God is toward you, merciful
Photo

Post has shared content
তোমার করা ভুল কাজগুলোর জন্য রাতের অন্ধকারে *ঝরে যাওয়া অশ্রুরাশিকে সুপারিশকারী করতে চেষ্টা করো
ইমাম ইবনে আল-জাওযি
রাহিমাহুল্লাহ
কিতাব আল-লাতাইফ ফিল
ওয়াইজ, পৃ ৫১
Photo

Post has shared content
প্রশ্ন:- স্বামীর অনুপস্থিতে স্ত্রীর দায়িত্ব-কর্তব্য। স্বামী তার ভাই-বোনদেরকে দেখা-শোনার দায়িত্ব দিলে তা কি পালন করা আবশ্যক?*
=======
স্বামীর অনুপস্থিতিতে একজন নারীর দায়িত্ব হল, নিজের ইজ্জত, তার স্বামী ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতির রক্ষণা-বেক্ষণ করা।

- আবদুল্লাহ ইবন ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত আছে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল (রক্ষণাবেক্ষণকারী),.... আর নারী তার স্বামীর ঘর রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারে দায়িত্বশীল, আর তাকে তার দায়িত্বপালন সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। অপর এক বর্ণনায় আছে: ‘নারী তার স্বামীর ঘর ও তার সন্তানের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারে দায়িত্বশীল, আর তাকে তাদের ব্যাপারে তার দায়িত্বপালন সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’ (বুখারী ও মুসলিম)
- রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ব্যতীত স্ত্রীর জন্য সাওম (নফল রোযা) পালন করা বৈধ নয়; আর স্বামীর অনুমতি ছাড়া অন্য কাউকে তার গৃহে প্রবেশ করতে দেবে না ...।” - ( ইমাম বুখারী ও মুসলিম রহ. হাদিস বর্ণনা করেন)।

ইসলাম একজন স্ত্রীকে তার স্বামী ছাড়া আর কারও আনুগত্য করাকে আবশ্যক করে নি। তবে স্বামী যদি বিদেশে যাওয়ার সময় তার ছোট ভাই-বোনদেরকে দেখা-শোনার দায়িত্ব দিয়ে যায় তাহলে স্ত্রীর এই দায়িত্ব পালন করা উচিৎ। এটি স্বামীর প্রতি সদাচারণ ও ইহসানের অন্তর্ভূক্ত।

স্বামীর ছোট-ভাই বোনদেরকে দেখা শোনার ব্যাপারে জাবের (রা.)এর একটি ঘটনা খুবই স্মরণীয়। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেছেন, 'তুমি কুমারী নারী বিয়ে না করে তালাকপ্রাপ্তা নারীকে বিয়ে করেছ কেন?' তিনি উত্তর দিলেন, 'আমার বাবা মারা গেছেন। আমার ছোট ছোট কয়েকজন বোন রয়েছে, তাদের লালন-পালন ও শিক্ষা-দীক্ষার জন্যই আমি বয়স্ক নারী বিয়ে করেছি। ' রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, 'আল্লাহ তোমাকে বরকত দান করুন' (বোখারি, মুসলিম)।
দেখুন, জাবির রা. ছোট ছোট বোনদের লালন-পালন ও শিক্ষা দিক্ষার প্রয়োজনে বয়স্ক নারীকে বিয়ের কথা বললে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার জন্য দুআ করেছেন। তিনি তাক তার উদ্দেশ্যে ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেন নি। এখান থেকে প্রমাণিত হয়, প্রয়োজনে একজন স্বামী তার ভাই-বোনদের দেখা-শোনার দায়িত্ব দিতে পারে। আর একজন আদর্শ স্ত্রী আন্তরিকতা সহকারে যথাসম্ভব তার স্বামীর পরিবারে সাহায্য করবে। এটি সুন্দর দাম্পত্য গড়তে ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যায়। আল্লাহ তাওফিক দান করুন। আমীন।

🔻🔻🔻🔻🔻

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সউদী আরব
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।
Animated Photo
Wait while more posts are being loaded