Post has attachment
শিক্ষিত বেকারের ভয়ানক চিত্র ♣ ♦
বাংলাদেশে বেকারের সংখ্যা কত?
আরো ভয়ানক প্রশ্ন শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা কত?
একটু ভালো থাকার আশায় প্রয়োজনে ঘরবাড়ি, ভিটেমাটি, জমিজমা বিক্রি করে হলেও সন্তানকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে পিছপা হন না এ দেশের মা-বাবারা। কিন্তু সন্তানের শিক্ষাজীবন শেষে তার ওপর যখন পুরো সংসারের ভার দিয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচবেন তাঁরা, তখন দীর্ঘশ্বাস যেন আরো দীর্ঘ হয়। কারণ, চাকরি নেই; কর্মসংস্থান নেই। তাই নির্ভরতার বদলে উচ্চশিক্ষিত সন্তানটি তখন হয়ে উঠছেন আরো বড় বোঝা। বরং কম শিক্ষিত ও অশিক্ষিতরা কোনো না কোনো কাজ পাচ্ছে; আর সমাজে নিগ্রহের পাত্র হয়ে হতাশায় ডুবছেন উচ্চশিক্ষিতরা।
নিজের উদ্যোম আর সৃজনশীলতাকে আরো বেশি কাজে লাগিয়ে এই সমস্যার অনেকখানি সমাধান করা যেতে পারে। নিজের কর্মসংস্থান নিজেকে সৃষ্টি করতে হবে। অনেক শিক্ষিত বেকার বর্তমানে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং বা করে ঘরে বসে অনলাইনে আয় করে নিজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির সাথে সাথে দেশীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।
কি ভাবে শুরু করা যেতে পারে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং বা অনলাইনে আয়? হুটকরে করা যাবে না!! সঠিক গাইডলাইনে আর দৈর্য্য নিয়ে শিখতে হবে। এছাড়া অনেক প্রতিষ্ঠান এই প্রশিক্ষণগুলো দিয়ে থাকে। তবে প্রশিক্ষণ নেওয়ার আগের প্রশিক্ষক অনলাইনে আয় করে কিনা আর করলে তার মার্কেট প্রোফাইল যাচাই করে নিন। যে কোণ একটা স্কিল ভালো করে শিখে শুরু করে দিতে পারেন ফ্রিল্যান্সিং।
ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং বা করে ঘরে বসে অনলাইনে আয় সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করুনঃ 
Chittagong IT Centre
Location: Shop#01, Block-C, 3rd Floor, Gulzar Tower, Chawkbazar, Chittagong.
Phone: 01857949987, 01743716012, 01980645101
Facebook page: https://www.facebook.com/ChittagongITcentre/
Facebook Group: https://www.facebook.com/groups/ChittagongItCentre
Web: www.chittagongitcentre.com
‪#‎freelancing‬ ‪#‎outsourcing‬ ‪#‎onlineincome‬ ‪#‎onlinetraning‬ Chittagong It Centre

Post has attachment
Chittagong It Centre এর আয়োজনে ০৬/১২/২০১৫ রোজ রবিবার অনুষ্ঠিত হবে অনলাইনে আয় বিষয়ক ফ্রি ওয়ার্কশপ। অংশগ্রহণের জন্য 01857-949987 নাম্বারে কল করে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করুন। আসন সংখ্যা সীমিত।

Post has attachment
ফেসবুক মার্কেটিং এ যেভাবে সফল হবেন !!!!১০ ফেসবুক মার্কেটিং টিপস এন্ড ট্রিকস

১। পরীক্ষা মূলকভাবে দিনের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পোস্টঃ

অধিকাংশ ব্যাবসায় কোম্পানিগুলোই ফেসবুকে তাদের পোস্তগুলো ট্র্যাডিশনাল বিজনেস আওয়ারে পোস্ট করে থাকেন। কিন্তু আপনার ভিজিটরদের একটা বড় অংশ বিদেশে থাকলে তখন কি হবে  ? সেক্ষেত্রে আপনি দিনের বা রাতের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পোস্ট করে দেখতে পারেন । সেটা অবশ্যাই  ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল নিয়ে আসবে। এটা নির্ভর করবে আপানার পণ্যের ইউজারদের ধরনের উপর। ট্রায়াল এন্ড এরর এর ভিত্তিতে আপনি আপনার জন্য পোস্তের সবচেয়ে ভাল সময় টি খুজে পেতে পারেন। অবশ্যই অটোমেটেড পোস্ট থেকে বিরত থাকা উচিত। দরকার হলে  আপনি  ফেসবুকের শিডিউল টুলটি ব্যাবহার করতে পারেন ।.এখানে একটা ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে। যখন একটা নতুন পোস্ট হবে আপনার অডিয়েন্স আশা করবেন যে, কেউ একজন জীবিত (জাগ্রত) আছেন । সেক্ষেত্রে আপনি যখন তাৎক্ষণিক ভাবে তাদের প্রশের উত্তর বা কুইরির রিপ্লাই দিতে পারবেন না , তখন তারা বুজে যাবে আপনি মৃত (ঘুমন্ত)। সেটা আপনার জন্য ভাল হয় না ।

২। ভিজিটরদের কে আলোচনার সুযোগ দিনঃ

আপনি হয়ত নতুন একটি পণ্য বা নতুন কোন ডিজাইন নিয়ে আসতে চাচ্ছেন । সেক্ষেত্রে আপনি আপনার ফ্যানদের থেকে তাদের ফিডব্যাক নিতে পারেন। আপনি হয়ত তাদের মাজে একটা জরিপ চালাতে পারেন বা ভোটের মাধ্যমে আপনার নতুন লোগোও বা পণ্যের রং সম্পর্কে তথ্য নিতে পারেন যা আপনাকে আপনার ব্যাবসায় কে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করবে। এটা শুদু আপনার পণ্যের  ব্র্যন্ড লয়ালিটি বারাবে না ,এটা আপনার ফ্যানরা কি চাচ্ছে সে সম্পর্কে ও আপনাকে একটা ধারনা দিবে।

৩। ছবি ব্যাবহার করুন – কেননা এটা বেশি দিন স্থায়ী হয়ঃ

ইমেজ সাধারণত বেশি শেয়ার করা হয়ে থাকে । এক গবেষণায় দেখা গেছে  শুদুমাত্র টেক্সট বা লিঙ্ক এর চেয়ে ইমেজ  পোস্ট ২ গুন বেশি এনগ্যাগম্যান্ট পেয়ে থাকে। এজন্য আপনাকে দামি ডি এস এল আর ক্যামেরা কিনতে হবে না। আপনি আপানর স্মার্ট ফোনে ইনস্টাগ্রাম ডাউনলোড করে নিয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে স্ন্যাপ নিতে এবং আপনার ফেকবুক পেজে আপলোড দিতে পারেন। শেয়ার করতে পারেন ভিডিও  ও। ভিডিও মার্কেটিং সম্পর্কে আর ও জানতে পড়তে পারেন আপনার সাইটের জন্য কেন করবেন ভিডিও মার্কেটিং ?

৪। আপনি নিজে নিজের সবচেয়ে বড় ফ্যান হউনঃ

সাম্প্রতিক ট্রেন্ড বা ফ্যাড সম্পর্কে জানতে আপনার বিজনেস পেইজের বাইরের ফেসবুক কে ভালভাবে বুজতে হবে। তাই যদি ইতিমধ্যেই আপনার একটি ব্যাক্তিগত একাউন্ট না থাকে আপনি আজই একটি একাউন্ত খুলে নিতে পারেন। এটা আপনাকে আপনাকে ফ্যানদের চোখে আপনার ব্যাবসায় কে দেখার সুযোগ করে দেবার পাশাপাশি আপনার কমপিটীটরা কি করছে টা দেখার এবং অন্যান্য ইউজার দের সম্পর্কে ধারনা নেবার সুযোগ করে দিবে।

৫। ফেসবুকের বাইরেও আপনার ফ্যানদের সাথে যোগাযোগ রাখুনঃ

এটা আপনি আপানর ইমেইল লিস্ট দিয়ে করতে পারেন। আপনি ইউজারদের কে আপনার মেইল লিস্ট এ  নাম লিপিবদ্দ করার জন্য তাদের কে ইনসেন্টিভ দিতে পারেন। আপনার ফেসবুক পেইজে প্রাসঙ্গিক ও মজার কন্টেন্ট পোস্ট করুন।

৬। কল টু একশান ব্যবহার করুনঃ

যেহেতু আপনি চান না ইউজার একবার মাত্র আপনার সাইট ভিজিত করে চলে যাক , তাই আপনি আপনার পেজের ট্যাবে একটি “কল টু একশান ” গ্রাফিক ব্যাবহার করতে পারেন। এটা লাইক বাটনের পাশে “লাইক আস” এর মত সাধারন হতে পারে । ভিসিটররা যেন খুব সহজে আপনার ফ্যান এর পরিণত হয়ে তাদের ফিডে আপনাকে এড করে তার জন্য তাদেরকে সব রকমের  সুযোগ  দিন।

৭। হাইড এন্ড সিক খেলাঃ

আপনার যা আছে তার চাহিদা তৈরি করুন। ভিসিটরদের জন্য কন্টেন্ট তৈরি করুন তাহলে তারা আপনার পেইজে লাইক দিতে উৎসাহিত হবে। এগুলো হতে পারে বিশেষ কোন পণ্যের তথ্য, সাক্ষাৎকার, মেনু ইত্যাদি যা কিছু আপনার ব্যাবসার সাথে যায়।
বেশ কিছু উপায় আছে এটা করার (সেগুলো ও ক্রমাগত পরিবর্তন হচ্ছে) যেমনঃ এপস অব কাস্টম এফ বি এম এল (ফেসবুক মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ)।এগুলর কোন কোনটা তে যারা আপনার পেইজে লাইক দিবে তাদের কে ইক্লুসিভ কন্টেন্ট এ এক্সেস পাবার অপশান রয়েছে ।

৮। সহজ ইউ আর এলঃ

আপনার বিজনেস পেজের জন্য একটি ভ্যানিটী ইউ অর এল তৈরি করতে পারেন। এটা আপনার ফ্যানদের কে আপনার পেইজ টি আরও সহজে খুজে পেতে সাহায্য করবে। আপনার ইউ অর এল টা হবে এমনঃ http://www.facebook/myname.

৯। সাপ্তাহিক পিন পোস্ট করুনঃ

পিন্টারেস্ট এর পিন এর সাথে একে মেলাবেন না। ফেসবুক আপনার ব্যাবসার কোন পোস্ট কে সপ্তাহের জন্য জন্য ফিচারড পোস্ট করে আপনার পেইজের উপরে রাখার সুযোগ দেয়। তাই যে তথ্য কে আপনি চাচ্ছেন পুস করতে। সেটা হতে পারে সেল , প্রমোশন বা কোন ইভন্ট সেগুলো কে আপনি পেইজের উপরে রাখতে পারেন। পিন করতে আপনি নির্বাচিত পোষ্টে হোভার করে পেনসিল আইকন এ ক্লিক করে  “পিন টু পোস্ট”  সিলেক্ট করুন।

১০। মাইলস্টোন  প্রদর্শন  করুনঃ

শুদুমাত্র আপনার রিলেশান শিপ আপডেট বা গ্রাজুয়েশন ই ফেসবুক মাইলস্টোন নয় । আপনি আপনার কোম্পনির বিভিন্ন অর্জন গুলোকে তুলে ধরতে পারেন সেটা হতে পারে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী, নিদিষ্ট সংখ্যক ফ্যান এর লক্ষ্য পুরন অথবা নতুন কোন পণ্য সুচনা।
পোস্ট টি ভাল লেগে থাকলে লাইক দিয়ে , শেয়ার করে লেখক কে উৎসাহিত করতে পারেন। যেন ভবিষৎতে আরো ভাল কিছু নিয়ে আসতে পারি ।
Photo

Post has attachment
১১ টা SEO কৌশল যা ২০১৫ তে আপনার জানা জরুরী

যেহেতু সার্চ ইঞ্জিন প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে তাই মার্কেটারদের এর সাথে চলতে হলে অবশ্যই তাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী লিঙ্ক সার্চ করে ব্যবহার কারীর ক্লিকের ৭০% আসে SEO থেকে! আবার, inbound leads (SEO) এর খরচ outbound leads (বিজ্ঞাপন) থেকে ৬১% কম।
 
এখন আপনি বুঝতে পারছেন SEO হলো সাফল্যের চাবি, এখানে ১১ টি SEO কৌশল দেয়া হলো যা আপনাকে ২০১৫ তে অবশ্যই জানতে হবে।
 
•অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে যা লিঙ্ক অর্জন করবেঃ

সার্চ ইঞ্জিন এলগরিদমের সাথে সব কিছু পরিবর্তনের পরও সার্চ ইঞ্জিনের সাথে সব চেয়ে বড় প্রভাব রয়েছে ইনবাউন্ড SEO লিঙ্কে। অপরদিকে লিঙ্ক অর্জনের অন্য পদ্ধতিগুলো পরিবর্তিত হয়েছে। কোন উঁচু মানের প্রাসঙ্গিক ওয়েব সাইট থেকে লিঙ্ক পাওয়া শুধু আপনার SEO এর সাহায্যে সম্ভব হবেনা। এর সাথে দরকার হবে রেফারেল ট্রাফিক, যা আরো বেশি বিক্রি ও ব্র্যান্ড এর পরিচিতি বাড়াবে।অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি যা মানুষ শেয়ার করতে চাইবে তা এখনও লিঙ্ক আয়ের প্রধান উপায় আছে।
 
•Co-Citation লিঙ্কঃ

প্রতিবার সার্চ ইঞ্জিন আপনার ওয়েবসাইট কে আপনার প্রতদ্ধন্ধির পরেই পায়। এটা তাদের বলে যে আপয়ান্র কোম্পানি একই কুলঙ্গি বা বিষয়ের উপর। Co-Citation লিঙ্ক পেতে হলে “best” অথবা “top 10″ দিয়ে আপনার সাইটের বিষয়ের উপর সার্চ করুন।
যেমনঃ টপ টেন ব্লু উইজেড
আপনি যদি এই সার্চ করেন আর রিজাল্টে আপনার ব্যবসা না পান তাহলে পাবলিশারের সাথে যোগাযোগ করুন, এবং লিস্টে আপনার কোনপানি কে যোগ করার জন্য বলুন, কেন এবং কোথায় আপনার কোম্পানি এখানে যোগ হবে তার জন্য তৈরি হোন। কোন লিঙ্কের সাথে যেতে হলে তাদেরকে সারমর্ম দিন।

•এডিটোরিয়াল লিঙ্কঃ

এডিটোরিয়াল লিঙ্ক গুলো আপনার SEO এর জন্য অনেক শক্তিশালি হয়ে আসে কারণ এগুলো অন্য পাবলিকেশন থেকে আপনার কোম্পানি উল্লেখ করে আপনার সাইটের বিষয়ের ভিত্তিতে আসে। তারা আবার লীডারশিপ গেস্ট পোস্ট থেকেও আসতে পারে, যা আপনি লিখে কোন তৃতীয় পক্ষের সাইটে পাবলিশ করেন।
এডিটোরিয়াল লিঙ্ক পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো এমন সব উন্নতমানের কন্টেন্টতৈরি করা যা অন্যরা তাদের পাঠকের সাথে শেয়ার করবে। অন্য উপায় হলো উচুমানের আকারে গেস্ট পোস্ট করা আপনার সাইটের বিষয়ের উপর। অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি করতে প্রস্তুত হোন যা কঠিণভাবে পাবলিশের পূর্বে ভোট পরীক্ষিত হবে।
ইন্টারভিউ হলো এডিটোরিয়াল লিঙ্ক পাওয়ার আরেকটি পদ্ধতি।

•ব্রোকেন লিঙ্ক বিল্ডিং পদ্ধতিঃ

এখানে আরেকটি হোয়াইট হ্যাট লিঙ্ক বিল্ডীং পদ্ধতি যা অনেক কার্যকরি হয়। এখানে আপনি আসলে পাবলিশারকে সাহায্য করছেন ব্রোকেন লিঙ্ক তৈরি করাতে, যা তাদের পাঠকের জন্য সাহায্যকারী হবে। এখানে তখনই কাজ হবে যখন আপনার কন্টেন্ট হারিয়ে যাওয়া কন্টেন্ট থেকেও অনেক শক্তিশালি হবে।
এই কাজের জন্য কোন সাইটের এমন ব্রোকেন লিঙ্ক খুজে বের করতে হবে যা আপনার সাইটের বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এরপর আপনি ব্রোকেন লিঙ্ক নিয়ে ওয়েবমাস্টারের সাথে যোগাযোগ করে সুপারিশ করবেন যে আপনার সাইট বিকল্প এই ব্রোকেন লিঙ্ক এর। আরো জানতে মজ ব্লগ থেকেbroken link-building Bible পড়ুন।
 
•Link Reclamation

এটি আপনাকে ব্রোকেন লিঙ্ক খুজে বের করে ফ্রেশ লিঙ্ক পেতে সাহায্য করবে এবং পাবলিশারকে দিয়ে এগুলো সমাধান করাবে।
উদাহরণঃ
•আপনার সাইট সম্পর্কে উল্লেখ করা ব্র্যান্ড খুজে বের করুন, এবং পাবলিশারকে লিঙ্ক যোগ করতে বলুন।
•এমন জায়গা খুজে বের করুন যেখানে আপনার কন্টেন্ট এট্রিবিউশন ছাড়া ব্যবহার করা হয়েছে, এবং সেই ব্যাক্তির নিকট লিঙ্ক রিকুয়েস্ট করুন।
একে স্বয়ংক্রিয় করতে আপনি Google Alert চালু করতে পারেন, যখনই আপনার কোম্পানি নাম উল্লেখ করবে তা ইমেইল করে জানানোর জন্য। এর পর আপনি চেক করে দেখতে পারেন তারা আপনার সাইটের সাথে লিঙ্ক দিয়েছে কি না।

•লিঙ্ক আউটরিচঃ

এটি অনেকটা “old school” এর মত কিন্তু এখনো অনেক শক্তিশালি। এটি করতে এমন ওয়েবসাইট বের করুন যা আপনার ওয়েবসাইটের সাথে প্রাসঙ্গিক, এবং তাদের সাইট থেকে তাদের যোগাযোগ এর তথ্য সংগ্রহ করুন। তাদেরকে কল করুন বা ইমেইল করে ভদ্রভাবে লিঙ্ক এর জন্য বলুন। এটা ভালো কাজ করে যদি তাদের ব্যবসা আপনার ব্যবসা থেকে কিছুটা আলাদা হয় কিন্তু একই পাঠক শেয়ার করা যায়।

•প্রতিদ্বন্ধি বিশ্লেষণ করাঃ

এটা নতুন কিছু নয়। কোম্পানিরা তাদের প্রতিদ্বন্ধির ওয়েবসাইট অনেক বছর থেকে গবেষণা করে আসছে। অধিকন্তু প্রতিদ্বন্ধির সাইটের ব্যাকলিঙ্ক এবং ম্যানুয়ালি রিভিউ করা যেসব লিঙ্ক রাখা অনেক মূল্যবান। এরপর আপনি লিঙ্ক আউটরিচ করতে পারেন একই সাইট থেকে লিঙ্ক পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

•কী-ওয়ার্ড রেঙ্কিং এর পরিবর্তে ROI এ মনযোগ দেয়া

যদিও আমরা সবাই সার্চ রিজাল্ট রেঙ্কিং এ কী-ওয়ার্ড এর ফল উপভোগ করি এর দ্বারা এটা প্রমাণ হয়না যে আপনার SEO সফল হয়ে গেছে। অনেক কী-ওয়ার্ডের জন্য এটা সম্ভব কোন ROI না থাকা সত্ত্বেও নাম্বার এক এ যাওয়া। আপনাকে সেই মেট্রিক্স এ মনযোগ দিতে হবে যা কনভার্সেষন আনে।

•একটি SEO কৌশল তৈরি করুন যা শ্রোতাকে ম্যাপ করবেঃ

গত কয়েক বছর ধরে আমরা গুগল এনালিটিক ও অন্যান্য টুল থেকে অধিকাংশ কীওয়ার্ড হারিয়ে ফেলেছি। এর জন্য জরুরী হয়ে পড়েছে SEO এর পুরণো সিস্টেম থেকে বেরিয়ে এসে শ্রোতাকে আকর্ষিত করার নতুন পদ্ধতি বের করা।
এর জন্য আমাদের অবশ্যই নতুন কী-ওয়ার্ডে মনযোগী হতে হবে। নতুন পদ্ধতিতে মার্কেটারদের প্রতিবেশি করা, এবং বের করা কোথায় SEO দিয়ে আমাদের মার্কেটিং সফল হচ্ছে এবং কীভাবে একে আরো ভালো করে তোলা যায়।
বাজে কন্টেন্টে কী-ওয়ার্ডের গাদাগাদি করে একে রেঙ্কে রাখার দিন অনেক আগেই ফুরিয়েছে। এখন আপনার কন্টেন্ট এর জন্য জরুরী এর টার্গেট করা ব্যাক্তিরা, কীওয়ার্ড হতে হবে কন্টেন্টের সাথে প্রাসঙ্গিক। এজন্যই বলা হয় কন্টেন্ট ও SEO একে অন্যের সাথে বাঁধা।

•Yahoo, Bing ও অন্যান্যের জন্য অপটিমাইজ করা

Yahoo, Bing, এবং DuckDuckGo এর মত সার্চ ইঞ্জিনরা কম কম করে গুগলের অনেক বড় টুকরো ২০১৫ তে নিয়ে নিতে পারে। Yahoo হলো ফায়ারফক্সের ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন, Safari গুগলের সাথে ডিল করে যা মনে করা হচ্ছে ২০১৫ তে শেষ হয়ে যাবে। এবং ইয়াহু ও বিং চাচ্ছে এখানে ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হওয়ার জন্য।
যেহেতু অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুগলের পরিবর্তে ডিফল্ট হয়ে যাচ্ছে তাই সেইসব সার্চ ইঞ্জিনের জন্যও অপটিমাইজ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

•মোবাইল SEO

মোবাইল প্রতি বছর আরো বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, ২০১৫ বা এর পরে অবশ্যই প্রতিটি ওয়েবসাইটের মোবাইলের জন্য আলাদা কৌশল থাকতে হবে।
মোবাইল হতে হবে ২০১৫ এর SEO পরিকল্পনার এর সিংহঅংশ। তবে আপনাকে সতর্ক হতে হবে যেহেতু কনফিগারেশন এরর এর জন্য ৬৮ ভাগ ট্রাফিক লস হয়।
উপসংহারঃ SEO কৌশল তৈরি আপনার কোম্পনি ও ব্র্যান্ডকে সার্চ ইঞ্জিনে উন্নতি দিতে পারে।
Photo

Post has attachment
ইউটিউব থেকে আয় করার কিছু সহজ পদ্বতি

ইউটিউব কি ?

ইউটিউব হল একটি ভিডিও শেয়ারিং সাইট, যার মাধ্যমে যেকোন ইউজার নিজের ভিডিও আপলোড করতে পারে একইসাথে অন্যদের আপলোড করা ভিডিওগুলোও দেখতে পারে। এই সাইটটি ২০০৫ সালে প্রথম মুক্ত ওয়েবসাইট হিসেবে যাত্রা করে।ইউটিউবের শ্লোগান হল “broadcast yourself”.
ভিডিও মার্কেটিং অনলাইনে আয়ের জন্য একটি অত্যন্ত সম্ভবনাময় খাত। আমাদের দেশে এখন খুব একটা বেশি না হলেও বহির্বিশ্বের এর চাহিদা বা জনপ্রিয়তা অনেক বেশি, আর দিন দিন তা বেড়েই চলছে। ২০১৬ সাল নাগাদ কনট্যান্ট মার্কেটিং কে পেছনে ফেলে ভিডিও মার্কেটিং এগিয়ে যাবে বলে অভিজ্ঞজনদের ধারণা।
ইউটিউব থেকে কি আয় করা যায় ?
আমার মনে হয় YouTube থেকে আয় করা সবচেয়ে সহজ ও অল্প পরিশ্রমের কাজ,আর ফল পেতে পারি সারাজীবন। আমরা যার YouTube থেকে আয় করি তাদের কাছে এই টিউনি অনেক উপকার হবে বলে আমি মনে করি। কেননা YouTube থেকে টাকা পেতে আমাদের অ্যাডসেন্স (Adsense)অ্যাকাউন্ট এর প্রয়োজন হয়। আর আমরা অনেকে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট অনেকে এপ্রুভ করতে পারি না। তাছাও সবচেয়ে বড়ো ব্যপার হল ১০০ ডলার না হলেঅ্যাডসেন্স আমাদের টাকা পে করে না। আর Freedom টাকা উত্তলন (Payout) করা খুব সহজ।
কি কি উপায়ে ইউটিউব থেকে আয় করা যায় ???

১. ইউটিউব থেকে আয় করুন অ্যাডসেন্স দিয়ে

এটাই ইউটিউব থেকে আয় করার সবথেকে জনপ্রিয় এবং বড় মাধ্যম। আমরা সকলেই জানি যে ইউটিউব হচ্ছে গুগল এর একটি সেবা। আবার গুগল অ্যাডসেন্স ও গুগলের। তাই ইউটিউব এর ব্যাপারে গুগলের প্রাধান্য অনেক। এমনকি আপনি মাত্র কয়েকটা ছোট ছোট ভিডিও দিয়েই একটি অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট এপ্রুভ করাতে পারবেন। আর সবথেকে মজার ব্যাপার হচ্ছে অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য ইউটিউব হচ্ছে অন্যতম সহজ একটি পদ্ধতি। সেরা আর্নাররা শুধুমাত্র ইউটিউব অ্যাডসেন্স ব্যবহার করে মাসে কয়েক লক্ষ ডলার পর্যন্ত আয় করে থেকে!

২. নিজের পণ্য বিক্রি করে

ধরুন আপনার নিজের একটা ফ্যাশন হাউজ আছে। এখন আপনি যদি নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ডজ সম্পর্কে কিছু ভিডিও তৈরি করেন এবং সাথে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে কিছুটা রিভিও যুক্ত করে আপলোড করেন তবে ইউটিউব হতে পারে আপনার নিজের পণ্য মার্কেটিং এর সবথেকে বড় মাধ্যম।
এখন আপনি বলতে পারেন যে এভাবে কত জনই বা কিনতে পারে। কিন্তু আপনি জানেন কি ইউটিউব এ আপনি কি পরিমান ভিসিটর পেতে পারেন? যেকোনো বিষয়ের উপর ভিডিও গুলোর ভিউ থেকে আপনি সহজেই তা বুজতে পারবেন। আর সবথেকে বড় ব্যাপার হচ্ছে ওয়েব সার্চ এর তাবৎ ক্রয়যোগ্য (অর্থাৎ যে কীওয়ার্ড গুলো দিয়ে মানুষ কোন প্রোডাক্ট কিনার জন্যই সার্চ করে) সার্চের বেশিরভাগটাই ইউটিউবে হয়। মানে কেউ কোন পণ্য কিনার জন্য মন স্থির করলে সেই পণ্য সম্পর্কে জানতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইউটিউব ভিডিওই দেখে থাকে।

৩. এফিলিয়েট প্রোডাক্ট এর রিভিউ করে

 
এটি ইউটিউব ব্যবহারের আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এই ক্ষেত্রে মানুষ আমাজন বা অন্য কোন এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক এর পণ্যের এফিলিয়েশন করে থাকে। সাধারনত নিজের এফিলিয়েট লিঙ্ক ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে দিয়ে দেওয়া হয় এবং ভিডিও তে সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কে রিভিও প্রদান করা হয়। সেই ভিডিও থাকাকালীন কেউ যদি ঐ লিঙ্কের মাধ্যমে গিয়ে কোন পণ্য ক্রয় করে থাকে তবে এফিলিয়েটর কমিশন পায়। এইভাবে এফিলিয়েশন করলে খুবই কম খরচে বা বিনা খরচে আপনি সহজেই মাস গেলে অনেক টাকা কামিয়ে নিতে পারবেন।

8 .ইউটিউব এর পার্টনার হোন

বর্তমানে পৃথিবী ব্যাপী প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি ইউটিউব পার্টনার আছেন। পার্টনাররা ভাড়ার ভিত্তিতে ভিডিও অভারলেয় করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং আয় ইউটিউব এর সাথে ভাগাভাগি করে নেয়। তাদেরদে অনেক সময় ব্রান্ডদের এন্টারটেইনার বা ভিডিও মার্কেটার হিসেবে হায়ার করাও হয়ে থাকে। অনেক সময় একটা ব্রান্ডের জন্য বিশেষ ভিডিও তৈরি করেও এরা অনেক টাকা উপার্জন করে।
Photo

Post has attachment
সার্চ ইন্জিন র‌্যাংকিং বৃদ্ধি করতে =5o off page seo killer techniques

1. অন্যব্লগে গেস্ট পোস্ট করুন।
2. ডুফলো ব্লগে কমেন্ট করুন।
3.  রিলেভ্যান্ট  ফোরামের আলোচনায় অংশ নিন এবং আপনার ব্লগ পোস্টের লিংক ব্যবহার করুন।
4. ফোরাম সিগনেচারে আপনার ব্লগ লিংক যুক্ত করুন (অবশ্যই হাই কোয়ালিটি ফোরামে)।
5. জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ সাইট যেমন- ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, ডিগ সাইটগুলোতে আপনার সাইটের অ্যাক্টিভিটি বাড়ান।
6. বিভিন্ন ডিসকাশন বোর্ড যেমন কিয়োরাতে আপনার ব্লগ লিংক যুক্ত করে ডিসকাশন বাড়ান।
7. ব্লগিং কমিউনিটিতে আপনার সাইটটি যুক্ত করে অ্যাক্টিভিটি বাড়ান। এক্ষেত্রে ব্লগ এনগেজ, এমএমও সোশ্যাল নেটওয়ার্ক উল্লেখযোগ্য।
8. বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর সাইটে যেমন – ইয়াহু অ্যান্সার এ আপনার সাইট সম্পর্কিত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন।
9. এসব কোশ্চেন, অ্যান্সার সাইটে বিভিন্ন উত্তর দিন এবং আপনার সাইটের রিলেটেড বিভিন্ন লিংক দিন।
10. আর্টিকেল পাবলিশ করার সময় সাইটের রিলেটেড অন্য পোস্টের সাথে ইন্টারলিংক করুন।
11.  আপনার নিচ রিলেটেড অন্য ব্লগ সাইটের সাথে লিংক এক্সচেঞ্জ করতে পারেন, তবে এটি অবশ্যই যেনো ন্যাচারাল হয় এবং লিংক পিরামিড ফর্ম মেনে করতে হবে।
12. আপনার ব্লগটি টপ ব্লগিং ডিরেক্টরিতে সাবমিট করুন (এখানেও কোয়ালিটি নিশ্চিত হতে হবে)।
13. বিভিন্ন ওয়েব ডিরেক্টরিতে আপনার ব্লগ সাবমিট করুন।
14. টপ নিশ ডিরেক্টরিতে আপনার ব্লগগ সাবমিট করুন।
15. আপনার বন্ধুদেরকে আপনার সাইটে/ সামাজিক যোগাযোগ সাইটের পেজে সংযুক্ত হতে বলেন।
16. ভালোমানের সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটগুলোতে আপনার ব্লগ পোস্টগুলো সাবমিট করুন।
17. টপ সোশ্যাল নেটওয়াকিং সাইটগুলোতে আপনার সাইটটি যুক্ত করুন।
18. আপনার ব্লগ আর্টিকেলগুলো স্টাম্বলআপন এ সাবমিট করুন।
19. ডিগ এ আপনার ব্লগ সাবমিট করুন। এটি ডুফলো লিংক দেয় এবং গুগল ক্রাউলের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করে।
20. টপ সোশ্যাল বুকমাকিং সাইটগুলোতে আপনার ব্লগকে ভাইরাল করুন। কারণ এক একটি অথরিটি সাইট থেকে যে কোয়ালিটি ব্যাকলিংক পাওয়া যায় তা হাজারো সাধারণ ব্যাকলিংক থেকে উত্তম।
21.ফিডার সাইটগুলোতে আপনার ব্লগের আরএসএস ফিড যুক্ত করুন।
22. প্রেস রিলিজ সাইটগুলোতে প্রেস রিলিজ সাবমিট করুন।
23. আরএসএস ডিরেক্টরিতে আপনার আরএসএস ফিড সাবমিট করুন।
24. প্রায় প্রতিটি ফোরামেই ওয়েব সাইট রিভিউ ফোরাম আছে, সেখানে আপনার ব্লগের রিভিউ দিন।
25. যদি আপনি থিম ডেভেলপমেন্ট জানেন, তাহলে একটি ফ্রি থিম রিলিজ করুন এবং থিমের ফুটারে আপনার ব্লগ লিংকটি যুক্ত করে দিন। (সম্ভব না হলে দরকার নেই)
26. যদি পারেন তাহলে একটি ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন তৈরি করুন এবং সেখানে আপনার ব্লগ লিংকটি যুক্ত করুন।
27. একটি সফটওয়্যার অথবা ইবুক রিলিজ করুন এবং এটি .exe তে কম্পাইল করে টপ সফটওয়্যার শেয়ারি সাইট যেমন ডাউনলোড ডটকম, ব্রাদারসফট ও সাবমিট করুন।
28. আপনার ব্লগ পোস্টগুলো দিয়ে একটি পিডিএফ বই তৈরি করুন এবং ডকুমেন্ট শেয়ারিং সাইটে সাবমিট করুন।
29. টপ কোম্পানি ও প্রোডাক্ট সম্পর্কে রিভিউ লিখুন, তাহলে তারা আপনাকে ব্যাকলিংক দিতে পারে।
30. প্রতি সম্পাহে অন্তত একটি পোস্ট পাবলিশ করুন যাতে বিভিন্ন সাইট বা ব্লগারের রিসোর্স থাকে (লিংকসহ) এবং এই পোস্টটি ঐসব ব্লগারদের সাথে শেয়ার করুন। তাহলে তারাও আপনার সম্পর্কে আগ্রহী হবে।
31. টপ ব্লগারদের ইন্টারভিউ পাবলিম করেন এবং সেটি শেয়ার করার অনুরোধ জানান। এতে তাদের ফ্যানরাও আপনার সাইট সম্পর্কে জানতে পারবে।
32. মার্কেটারদের টেস্টিমোনিয়াল দিন এবং সেখানে আপনার ব্লগ লিংক যুক্ত করুন। এরফলে তারাও আপনাকে ব্যাকলিংক দিতে পারে।
33. আপনার ব্লগের প্রমোট করতে ওয়েব ২.০ সাইটগুলোর ব্যবহার করুন।
34. আপনার ব্লগ পোস্ট কার্নিভালস এ সাবমিট করুন।
35. হাই কোয়ালিটি কনটেন্ট লিখুন এবং এগুলো থেকে স্টং ব্যাকলিংক পাবেন।
36. আলোচিত বা বিতর্কিত বিষয় সম্পর্কে লিখতে চেষ্টা করুন।
37. নিউজ পোস্ট পাবলিশ করার চেষ্টা করুন এবং এটি সবার আগের পাবলিশ করার চেষ্টা করুন।
38. আপনার ব্লগকে সিএসএস ডিরেক্টরিতে সাবমিট করুন।
39. অন্য ব্লগগুলো আপনার ইন্টারভিউ বা সাক্ষাতকার প্রকাশের চেষ্টা করুন।
40. লিংকনির্ভর পোস্ট লেখার চেষ্টা করুন।
41. টপ লিস্টেড পোস্ট লেখার চেষ্টা করুন কারণ এগুলো সহজেই ভাইরাল হয়।
42. আপনার নিশে কাজ করা ভালো সাইটগুলোর সাথে তুলনামূলক পোস্ট লিখুন।
43. যারা ব্লগিং করতে চায় তাদের নিয়ে একটি ফিচার পোস্ট লিখুন। এগুলোও ভালো লিংক হবে।
44. আপনার নিশে অন্য ব্লগারদের সাথে কনটেন্ট বিনিময় করুন।
45. আপনার সাইটকে ডিমজ সহ অন্য ডিরেক্টরিগুলোতে সাবমিট করুন।
46. আপনার সাইটকে .এডু ও .গভ ফোরাম ও ব্লগে সাবমিট করুন। গুগল এসব সাইটকে 

47. গুগল গ্রুপ ও ইয়াহু গ্রুপগুলোর মতো জনপ্রিয় গ্রুপগুলো ব্যবহার করুন আপনার সাইটের প্রচারের মাধ্যম হিসেবে।
48. সম্ভব হলে একটি  উইকিপিডিয়া পেজ খুলুন এবং এখানে আপনার রিসোর্স সেকশনের লিংকগুলো যুক্ত করুন।
49. টোকনোরাতি‘তে আপনার সাইটকে সাবমিট করুন। এটি আপনার ব্লগের র‍্যাংকে করতে বিশেষ গুরুত্ব পালন করে।
50. ‘দ্য আল্টিমেট’ টাইটেলে পোস্ট লিখুন, এগুলোর মাধ্যমে অনেক ব্যাকলিংক পাওয়া যায়।
Photo

Post has attachment
ইউটিউব মার্কেটিং
 
বর্তমানে প্রচলিত অনলাইন মার্কেটিং এর মধ্যে ভিডিও মার্কেটিং সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। অনলাইনে টাকা আয়ের যতগুলো পথ আছে তারমধ্যে সবচেয়ে সহজ ও কার্যকরী পদ্ধতি হলো ইউটিউব মার্কেটিং। ইউটিউব এমন একটি মার্কেটিং পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং, সিপিএ মার্কেটিং সহ অন্য যেকোনো ধরনের মার্কেটিং করতে পারবেন। বাংলাদেশের শত শত মার্কেটার আছেন যারা শুধু ইউটিউব মার্কেটিং করে মাসে হাজার ডলার আয় করছেন। খুব অল্প দক্ষতা, সামান্য একটু কৌশল, প্রতিদিন নিয়মিত কাজ করে যাওয়া - এতটুকু হলেই ইউটিউব মার্কেটিং করে অনায়াসে অনলাইনে আপনিও সফল হতে পারেন। 
যা যা দরকার 
# Why YouTube?
# How to create powerful YouTube channel?
# How to Upload and optimize video?
# YouTube keyword research.
# How to earn by YouTube from affiliate marketing?
# How to earn by YouTube from CPA marketing?
# How to earn by YouTube from Google Ad-sense?
# YouTube SEO.
# What is on-page SEO?
# Off page SEO.
# How to make effective title?
# Secret of Video description.
# Tags
# YouTube Ad-sense.
# YouTube video ranking secret.
Photo

Post has attachment
ক্যারিয়ার হিসেবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)
তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় কাজের ক্ষেত্র এখন বিশ্বব্যাপি। ঘরে বসেই কম্পিউটারের মাউস আর কিবোর্ডের সমন্বয়ে অর্জিত বৈদেশিক ডলারে স্বাবলম্বি হচ্ছেন অনেকেই। অনলাইনে আয়ের এমনই একটি মাধ্যম হলো এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। সময়ের পেশা হিসেবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন যথার্থই বটে। যারা পেশা হিসেবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে বেছে নিতে চান তাদের জন্যই এ লেখা। সম্প্রতি দৈনিক সমকালে আমার এ লেখাটি প্রকাশিত হয়।
কম্পিউটার ইন্টারনেটের এই যুগে প্রথাগত চাকরির ধরণ পাল্টে যাচ্ছে! ধারণা করা হচ্ছে, আগামী দিনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অফিসগুলো হবে ভার্চুয়াল অফিস। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঘরে বসেই প্রতিষ্ঠানটির সকল এমপ্লয়ি অফিসের সমস্ত কার্যক্রম শেষ করবেন। এই পরিবর্তণের ছোয়া লেগেছে বেশ আগেই। সময়ের পরিবর্তনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ঘরে বসে আয়ের মাধ্যমগুলো। আয়ের এই মাধ্যমকে অনেকেই পেশা হিসেবে নিচ্ছেন। আয়ের এমনই একটি মাধ্যম এসইও অর্থ্যাৎ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। সময় এবং কাজের ধরনের এই পরিবর্তনে যুগোপযোগি পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। যারা এই পেশার সঙ্গে জড়িত তাদের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার বলা হয়। বাংলাদেশেই হাজার হাজার তরুণ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার প্রতি মাসেই শত শত ডলার আয় করছে। ইন্টারনেটে কাজের ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত ওডেক্স, ফ্রিল্যান্সারসহ জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বাংলাদেশি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারদের বেশ জনপ্রিয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফলে পেশা হিসেবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে বেছে নেওয়ার বিশাল ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।
এসইও কি?
এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হলো মূলত সার্চ ইঞ্জিনকে নিয়ে কাজ করা বা অনলাইন মার্কেটিং করা। বিষয়টি একটু বিষদভাবে বলা প্রয়োজন। যখন কোনো বিষয়ে গুগলে সার্চ করা হয় তখন সে বিষয়ে হাজার হাজার ওয়েবসাইটের ঠিকানা আসে। প্রথম পেজে ১০টি ওয়েবসাইটের ঠিকানা আসে। এখন ধরুন আপনার একটি ওয়েব সার্ভিস প্রতিষ্ঠান আছে। অনলাইনে প্রচারনার জন্য প্রতিষ্ঠানটির একটি ওয়েবসাইটও আছে। এখন কেউ যদি ওয়েব সার্ভিস লিখে গুগলে সার্চ করে তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটি সার্চ রেজাল্টের প্রথমে আনার জন্য আপনাকে ব্যাকএন্ডে যা করতে হবে সেটিই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। এককথায় সার্চ ইঞ্জিনে কোনো ওয়েবসাইটের প্রথম অবস্থানে আনার জন্য যা করা লাগে সেটাই সার্চ ইঞ্জিন। নতুন কোনো সাইটে ভিজিটর আনার উপায় হলো এসইও। এসইও প্রধানত দু’প্রকার। একটি হলো অনপেজ অপটিমাইজেশন, অপরটি অফপেজ অপটিমাইজেশন।
এসইও তে যা করতে হয়
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বিভিন্নভাবে করা যায়। প্রথমত আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের সঙ্গে মিল রেখে উপযুক্ত কি-ওয়ার্ড সিলেক্ট করতে হবে। সব ধরনের সার্চ ইঞ্জিনে সাইটকে সাবমিট করা। এছাড়া সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ইউআরএল ব্যবহার, সঠিক হেডিংয়ের ব্যবহার, ওয়েব ডিরেক্টরিগুলোতে সাইট সাবমিট করা, ম্যাস মেইলিং প্রসেস, ব্যাকলিংক তৈরি করা, উন্নত ও ইউনিক কনটেন্ট তৈরি করা, alt এট্রিবিউটের ব্যবহার, robot.txt-এর ব্যবহার, সামাজিক যোগাযোগ সাইটে শেয়ারিং, ডেসক্রিপশন ট্যাগ, মেটা ট্যাগ, এক্সএমএল সাইটম্যাপ তৈরি, ফোরাম পোস্টিং, আর্টিকেল সাবমিটিং, লিংকহুইল ইত্যাদি কাজ করতে হবে। এগুলো সবকিছুই আপনি যে সাইট নিয়ে কাজ করছেন গুগলে র‌্যাংকিংয়ে তার ভালো পজিশনে বা প্রথম দিকে আনার ক্ষেত্রে কাজ করবে।
কেন শিখবেন এসইও?
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন [এসইও] সময়ের আলোচিত একটি পেশা। যারা ওয়েব উদ্যোক্তা বা ওয়েবমাস্টার হতে চান তাদের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখা অবশ্যই জরুরি। এছাড়া যারা সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চান তারাও এসইও শিখে ফ্রিল্যান্সিং করে প্রতি মাসে শত শত ডলার আয় করতে পারেন। বিশেষ করে যাদের কম্পিউটারের সাধারণ জ্ঞান আছে এবং ইংরেজিতে লেখালেখি করতে পারেন তারা এই পেশাকে বেছে নিতে পারেন অনায়াশেই। অনলাইন মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্ক.কম বা ফ্রিল্যান্সার.কমসহ জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসে প্রতি মুহূর্তে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বিষয়ক শত শত প্রজেক্ট জমা হয়। বাংলাদেশি শত শত ফ্রিল্যান্সার এসব কাজ করে শত থেকে হাজার হাজার ডলার আয় করে থাকেন। অল্প সময়ে কাজ করে প্রচুর টাকা আয়ের অন্যতম উপায় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। আপনি যদি নিজের সাইটের জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করেন তাহলে এর মাধ্যমে অধিক পরিমানে ভিজিটর পাবেন। যেহেতু ভিজিটর = টাকা হিসেবে বিবেচনা করা হয় সেহেতু যতো ভিজিটর আসবে আপনার ব্যবাসয়িক লাভ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। অধিক ভিজিটরের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি, অ্যাফিলিয়েট বা অ্যাডসেন্স থেকে আয়ের সুযোগ থাকে। এছাড়া ঘরে বসে রিলাক্স মোডে কাজ করা ও তার মাধ্যমে আয় করার এটাই সুযোগ। শুধু মার্কেটপ্লেস নয় লোকাল মার্কেট থেকে প্রতিনিয়ত কাজ পাওয়ার বহু সম্ভাবনা রয়েছে এসইও এর ক্ষেত্রে।
যাদের জন্য উপযোগি
বড় বড় ডিগ্রি নিয়ে অনেকেই বসে আছেন কাজের সন্ধানে, একটি চাকরির জন্য। তবে তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ঠ কাজ জানলে বসে থাকার কোনো কারণ নেই। আপনি যাই পারেন না কেনো, তাই অনলাইনে করতে পারেন। সে সুযোগ রয়েছে। তবে যাদের কম্পিউটার সম্পর্কে সাধারণ ধারণা আছে, ইংরেজিতে মোটামুটি পারদর্শী, ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিট করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তারা অতি সহজে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে পারেন এবং এটিকে পেশা হিসেবে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা জানার তেমন দরকার নেই। অনপেজ অপটিমাইজেশনের জন্য নূণ্যতম কোডিং জ্ঞান থাকলেই হবে, যেটি আপনি প্রশিক্ষণ বা অনলাইনের বিভিন্ন রিসোর্স থেকে জেনে নিতে বা শিখে নিতে পারবেন। তাই এই কাজ অতি সহজে রপ্ত করে দ্রুত কাজ শুরু করা যায়। প্রতিনিয়ত যেহেতু হাজার হাজার ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে তার জন্য এসইও করার প্রয়োজন হয়। এজন্য আগামীতেও এসইও কাজের প্রভাব থাকবে। অর্থ্যাৎ এসইও শিখলে আপনাকে বসে থাকতে বা বেকার থাকতে হবে না। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী এই কাজে নিয়োজিত আছেন লাখ লাখ মানুষ। তবে এই নূণ্যতম দক্ষতার পাশাপাশি আপনাকে কাজ শেখার, পরিশ্রম করার ও প্রচুর ধৈর্য থাকতে হবে।
কাজের ক্ষেত্র ও আয়
দক্ষ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার হতে পারবে কাজের ক্ষেত্রের অভাব নেই। প্রাথমিকভাবে একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার আপওয়ার্ক.কম, ফ্রিল্যান্সার.ডট, গুরু.ক, ইল্যান্স.ডটকম সহ অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ শুরু করতে পারেন। এসব সাইটে প্রতিমুহুর্তে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের অসংখ্য কাজ যোগ হচ্ছে। আপওয়ার্ক.কম সাইটে দেখা গেছে প্রায় সবসময়ই সাইটটিতে ৭/৮ হাজারের অধিক সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজ রয়েছে। ফ্রিল্যান্সার.কম সাইটিতেও দুই হাজারের অধিক প্রজেক্ট রয়েছে। এগুলো ঘন্টাচুক্তিতে বা ফিক্সড প্রাইসে করা যায়। এছাড়া সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারকে সম্ভব হলে লোকাল মার্কেটের কিছু কাজ করে নিজস্ব ব্র্যান্ডিং ভ্যালু বাড়ানো উচিত। এতে জাতীয় বা আন্তর্জাতিকভাবে কাজ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা থাকে। এছাড়া প্রথমদিকের কাজগুলো ভালোভাবে সম্পন্ন করে রেপুটেশন ভালো করতে পারলে বায়ার খুশি হবে। এরপর তারা প্রয়োজনে আপনাকেই খুঁজে কাজ দেবে। মার্কেটপ্লেসের বাইরে কাজ করতে পারলে আপনার আয়ের পরিমানও বাড়তে পারে। তাই যথাসম্ভভ ভালোভাবে কাজ করা উচিত।
আর হ্যাঁ, কাজ জানলে যেহেতু কাজের অভাব নেই তাই এই পেশায় চিন্তার কোনো কারণ নেই। প্রয়োজন শুধু নিজেকে আপডেট রাখা। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে সাধারণত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের যে কাজগুলো পাওয়া যায় তার মধ্যে কোনো সাইটকে গুগলের ১ নম্বর র‌্যাংকিং এ আনা, ফোরাম পোস্টিং, লিংক বিল্ডিং, সাইটের অনপেজ অপটিমাইজেশন, বুকমার্কিং সহ বিভিন্ন কাজ। একটি সাইটকে গুগলের প্রথম পেজে আনতে সাইটের কিওয়ার্ডের উপর নির্ভর করে সাধারণত ২০০ থেকে ১০০০ হাজার ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। এছাড়া অন্যান্য কাজগুলো করে ঘন্টায় নূর্ণতম ২ ডলার থেকে শুরু করে ২০ ডলার পর্যন্ত আয় করা যেতে পারে। এছাড়া ফিক্সড প্রাইসে ফোরাম পোস্টিং, লিংক বিল্ডিং, ব্যাক লিংক বা বুকমার্কি করে ১০ ডলার থেকে শুরু করে ২০০ ডলার পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে। তবে এখানে মূলত আপনার কত সময় লাগবে এবং কোন কিওয়ার্ডের উপর কাজ করতে হবে সেটির উপর নির্ভর করে। তবে সাধারণত একজন দক্ষ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজের মাসে অনায়াসেই ২০/৩০ হাজার থেকে শুরু করে লক্ষাধিক টাকা আয় করতে পারেন।
প্রয়োজনে নিতে হবে প্রশিক্ষণ
ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে এসইও’র সঙ্গে আয়ের একটি বিশাল ক্ষেত্র জড়িত। যথাযোগ্য যোগ্যতা থাকলে সফল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার হওয়ার সোপানে পা বাড়াতে পারেন। তবে পেশা হিসেবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে বেছে নিলে অবশ্যই এই ক্ষেত্রে ভালোভাবে দক্ষ হতে হবে। ভালো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে হাতে-কলমে শিখতে হবে। সবথেকে বড় কথা হলো কোনো কাজ ভালোভাবে না শিখে কাজ করতে মাঠে নেমে যাওয়া উচিত নয়। তাহলে হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আপনি যদি মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই আগে যোগ্য হতে হবে। অযথা কোনো কাজে বিড করলে আপনার রেপুটেশন খারাপ হয়ে যাবে। আর একবার রেপুটেশন খারাপ হয়ে গেলে আপনি যতই ভালো কাজ জানেন না কেনো কাজ পেতে কঠিন হয়ে যাবে। আর যদি ভালোভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখে কাজ করতে নামেন, তাহলে সহজেই সফলতার মুখ দেখতে পাবেন। আপনার রেপুটেশন ভালো হয়ে গেলে আপনি আন্তর্জাতিক ও লোকাল মার্কেটের রেগুলার ক্লায়েন্ট পেয়ে যেতে পারেন, যারা আপনাকে মার্কেটপ্লেসের বাইরের খুঁজে খুঁজে কাজ দেবে। তাই আবারো বলতে হয়, আগে কাজ শিখুন তারপর মাঠে নামুন। আর আপনি কাজ জানলে আয় হবেই। বাংলাদেশে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছে।
Wait while more posts are being loaded