বি: দ্র→ এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক বা লেখকের বিষেশ অনুভতি লব্ধ। কোন ব্যাক্তি বা গোষ্ঠির উদ্দেশ্যে না। কোন প্রকার মিল থাকলে তা সম্পূর্ন কাকতালীয়।

♥♥♥♥ বিন্দু বিন্দু ভালবাসা ♥♥♥♥


→ ২০০৯ সবে মাত্র দশ বছরের গন্ডি পেরিয়েছি, ছোট খাট এ্যাডমিশনের জন্য বিশেষ দৌড়াদৌড়ি করে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছি। হলনা কিছুই, শুরু করেছি দুই বছরের বোঝা টানার গন্ডি। গ্রামে খুবি কম যেতাম বছরে দুবার আর যদি বিশেষ কোন কাজ থাকতো, সে জন্য হয়তো আরো দুবার বা একবার যাওয়া পরতো। কলেজের বারান্দায় দাড়িয়ে থাকতাম, দেখতাম কত রং বেরঙ্গের মেয়েরা ছেলেদের সাথে আড্ডা দিচ্ছে। মনে হত আমি কি পারবো, এমন আড্ডা দিতে? আবার নিজেই ভাবতাম কি ফালতু চিন্তা, ইউনিভার্সিটিতে গেলে আরো কত দেখবো.. সেখানে হাজার মানুষের ভিরে কাউকে না কাউকে পাব। ক্লাস করতাম মনযোগ দিয়ে। মাথায় শুধুই পড়া। কলেজ শেষে বাসায় ফিরতাম, শান্তমনের ছেলে হলেউ কলেজের শেষে আমিই হতাম বড় অশান্ত। রাস্তায় মোড়ে মোড়ে দাড়িয়ে দেখতাম কে যায়, কিভাবে যায়। কেউ বা গাছের পাশে দাড়িয়ে নায়ক ভাব নিয়ে নায়কার জন্য অপেক্ষা, তাদের নিয়ে মটর বাইকে চেপে কোথায় না চলে যেত। দেখতাম আর বন্ধুদের তা শেয়ার করতাম। কতই না মজায় আছে। বাসায় আসতে স্বাভাবিক সময় থেকে ৩০-৪৫ মিনিট বেশিই নিতাম। মাঝে মাঝে বাচ্চাদের রাস্তায় কান মলে দিতাম। বাচ্চার বাবা মা দেখার আগেই আমি উধাও। স্বভাবতোই আমার বাচ্চামি স্বভাবটা দুর হয়নি হবে বলেউ জানিনা। তার পরেউ বাচ্চাদের সাথে আমার বুনায় ভাল। স্কুল, কলেজে সব সময় ছোটদের সাথেই বেশি মিল থাকতো আমার। গ্রামেউ তাই ছোট বাচ্চাদের নিয়ে খেলা করা, মারামারি করা তখন ছিল রুটিন করে ভাত খাবার মত। সকাল, দুপুর, রাত, ভোর সবটা সময় দিতাম বাচ্চাদের সাথে।
গ্রামে সবাই ভোরে উঠে, আমি শহরের ছেলে ঘুম থেকে উঠি নয়টা আটটার সময়। কিন্তু গ্রামের বাচ্চা গুলার হৈচৈ করার জন্য সেটা হত না। কেই বা খুব ভোরে এসে মাথার পাশে বসে একটা একটা চুল সুন্দর করে টেনে চিরতো, কখনো খুব ভোরে বেডে শুয়ে থাকলে কেউ এসে দিত এক ঘূসি। উপায় নাই দেখে যদি ঘর পরিবর্তন করতাম ঠিক খুজে বের করে নিত। শাস্তি অবধারিত মাথার চুল টানা খাওয়া। অবশ্য আমি মাঝে মাঝে ইচ্ছা করেই বেশি বেডকাতুরে হতাম। কারন যখন ওরা এসে আমাকে জ্বালাতো বেশ ভালই লাগতো। পরে ওদের সাথে হট্টগোল করার সুযোগ পেতাম। কোন কারন ছাড়াতো হট্টগোল হয়না। এটাই বেছে নিয়ে ছিলাম। বিশেষ করে মায়া যখন কাজ গুলো করতো। মায়া বেশ ছেট মেয়ে তখন ২ ক্লাসে পড়তো। কিন্তু কথায় ছিল বেশ সাত বুড়ির মত। হবেনা না কেন ১ ক্লাসে ২ বার, ২ ক্লাসে এসে দুইবার, চার ক্লাসের বুদ্ধি নিয়ে দুই ক্লাসে। যা হোক বয়সটা হবে নয় বছর। যার কাজ ছিল আমাকে সকালে সবার ঘূম ভাঙ্গার আগে আমাকে নাকানি চুবানি দিয়ে প্রাইভেটে বা স্কুলে যাওয়া। কেন এতো ভোরে আসতো এক দেড় ঘন্টা আমার হাড় ভাঙতো জানার ইচ্ছা ছিল না। আমার সাথে দুষ্টমি করে মজা পেত। আমিও তাই সুযোগ দিতাম। আমারো এই দুষ্টমি বরাবরই ভাল লাগতো।
কলেজে আসতাম বাচ্চাদের দেখলে মায়াকেই মনে আসতো। ইস্ মায়া বুঝি এমন হয়েছে। তেমন হয়েছে, আমাকে জ্বালাতন করতে পারছে না, কষ্টেই আছে।
কলেজ শেষে ছুটি রোজার আর ঈদের। বাসায় ফিরে শুনি গ্রামে যাবার প্রস্তুতি। ওরে কি মজা গ্রামে যাব। কয়েকদিনের মধ্যে দিনক্ষন ধার্য। আমি হিসাব করেই ফেলেছি অন্তত তারা যে ডেট দিবে তার পাঁচদিন আগে আমি যাব গ্রামে। যথা বিহিত এবার পাঁচদিন আর তাদের ঈদের তিনদিন মোট আট দিন আগেই গেলাম।

→ গ্রামের বাড়িতে মনটা বেশ চনমনে। বাড়ির সামনে ভ্যান থামতেই বাচ্চাদের হৈচৈ
-স্বপ্ন ভাইয়া আইচে, স্বপ্ন বাই আইচে...এ তুরা কনে স্বপ্ন ভাই আইচে...দেহি যা কিডা আইচে....

কে কোথায় আছে বুঝে উঠার আগেই হাতের ব্যাগ আর আমার হাতে নেই। ব্যাগ নিয়ে ঠিক আমার রুমেই গাদি করা হয়ে যায়।
বিকেল সময় যথারিতি রাস্তায় ঘুরাঘুরি করছি। হুট করে পেছন থেকে কেউ কিল মারলো। বুঝতে বাকি নেই মায়ার কাজ। পেছনে তাকাতেই আমি অবাক একাকে দেখি। মেয়েটা দশে পা দিয়েছে। শরীরেও বড় হয়ে উঠেছে। আমি আবাক চোখে তাকিয়ে দেখলাম। কিছু বললাম না। শুধু তাকিয়ে থাকলাম। লজ্জা পেল বোধ হয় আবার গোমড়া একটা ভাব। গোমড়া ভাব দেখে আমি হাসতে শুরু করি। সাথে সাথে মায়া সুন্দর হাসি দিয়ে ভো দৌড়।
রাতে ঘুমানোর আগে সবার সাথে গল্প করছিলাম। আবাক হয়ে যাই সবার কথা শুনে। আমি নাকি শহরে থাকা অবস্থায় প্রতিদিন মায়া আমার কথা বলে। আমি কবে বাড়ি যাব, কোথা কি করি, বাড়ি আসিনা কেন কত প্রশ্ন। আবার আমি নাকি বাড়ি গেলে ভাব নেই। কত কি..সবার প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে ক্লান্ত। কেউ একজন বলে বসলো
- ভাইয়া ব্যাপার কি মায়া আপু তোমার খোজ করে কেন?
আমি শুধুই হাসি। রাতে ঘুমাতে যাবার আগে সমবয়সি ভাইদের কাছে জানতে চাইলাম মায়া বিষয়ে। ওরা আমাকে এসব কিছুর সত্যতা স্বীকার করে নিয়ে বলে। মায়া নাকি আমার খোজ খবর নেয়। কোন কথা বললাম না। শুধু চিন্তা করলাম কেন এমন করছে মেয়েটা। ঘুমিয়ে গেলাম।........(চলবে)

আমি বাঁচতে চাই.....আমি বাঁচতে চাই....আমি বাঁচতে চাই.....
আমি তোমার ভালবাসা নিয়ে বাঁচতে চাই.....।

উষার সকালে.... রোদ্দুর দুপুরে.. গোধূলির বিকেলে... তোমার স্মৃতি গুলো মনে পরে যায়,....

নিভৃত সন্ধায়...গভির রজনীতে... তোমার কথা ভেবে বুক ভাসে কান্নায়।

আমি বাঁচতে চাই....আমি বাঁচতে....চাই...আমি বাঁচতে চাই...
আমি তোমার ভালবাসা নিয়ে বাঁচতে চাই....

কি ভুলে সাজা তুমি দিলে এই আমায়...বুক জুরে হাহাকার চোখ ভাসে বন্যায়.....

একবারো কি মনে পড়েনা, দুঃখে হয়ে যাই দিশেহারা....তোমারি দূরত্বতায়.....

আমি বাঁচতে চাই.... আমি বাঁচতে.... চাই.... আমি বাঁচতে... চাই...
আমি তোমার ভালবাসা নিয়ে বাঁচতে চাই.....

আ....মি... বাঁচতে....চাই....আমি বাঁচতে চাই....আ.....মি....বাঁচতে চাই।

কথা, সুর : এস এম সাদ্দাম হোসেন (স্বপ্ন)
শুধু তোমার জন্য মধু।

ভূল করেছি ছাত্র জীবনে ভালবেসে - পার্ট ২

কেন জানি মনে হল ওকে একা একা বাসায় যেতে দেওয়াটা ভাল দেখায় না, কারন আকাশ সুস্থ থাকলেতো ওকে নিয়েই যেত। যা হোক বিষয় টা ভালই লাগছিল আমার। কলি যতক্ষন না ফিরে ততক্ষনে আমি একটু পাশের দোকানে বসে চা বিড়ি পান করিগে। কলিকে দেখে আমার ভিতরে কেমন একটা হেঁচকা টান অনুভব করছি কেন জানিনা, জানার প্রয়োজনো নাই। মোটামোটি প্রায় ২টার সময় কলির কোচিং শেষ হবে। আমি বাধ্য অভিবাকের মত অপেক্ষা করতে লাগলাম।

কলির কোচিং শেষ হয়েছে হয়তো দশ মিনিট হবে। আমার মনে ছিল না হঠাৎ ফোন বেজে উঠলো অপরিচিত নাম্বার রিসিভ করলাম। শুধু এটুকু বললো,
" আমি চলে যাব? " বুঝলাম কলির ফোন।
সবে মাত্র সিগারেটটা শেষ করেছি। ধুর কি ভাববে কলি পাশাপাশি বসলে তো গা দিয়ে সিগারেটের গন্ধ পাবে। নে বাবা কি করি। যা ভাবার ভাববে আমি কি কলির কিছু হই? আপন মনে ভাবনা এল। আবার ভাবলাম কি আবোল তাবোল ভাবছি। যা হোক কলির কাছে গেলাম, রিক্সা নিয়ে আকাশের বাসায় ফিরছিলাম। কোন কথা নাই আমার মুখে। কলি বললো- "আপনি সুন্দর মেয়েদের বেশি পছন্দ করেন তাই না?"
আমি কিছুটা ভয় পেলাম, চারিদিকে তাকালাম রাস্তার কোন মেয়ের দিকে তাকালাম কি? কই না তাকাই নি। আমি বললাম," কেন বলুনতো? "
"না এমনি জিজ্ঞাস করলাম।" কলি উত্তর দিলো।
দুজনের মুখে কথা নেই, চলে এলাম বাসায়। খালাম্মা জোর করে খেতে দিলেন, আমি খেয়ে কিছুক্ষন আকাশের পাশে বসে গল্প করে চলে এলাম। কলি পোশাক পরিবর্তন করে আকাশের রুমে এলো। আমি আরো অবাক ওকে খুব ভাল লাগছিল। "আকাশ ভাইয়া মেডিসিন নিয়েছো?" কলি আকাশকে বললো।
আকাশ উত্তর দিলো, "হ্যা।"
কলি আকাশের রুমে কি জানি নিতে এসেছিল। আকাশ বললো আমাকে, " দোস্ত ক্যাম্পাসে গেলিনা?"
"রুমি ফোন দিেয়ছিল, আমি বলেছি আকাশ একটু ব্যাস্ত থাকায় আমি আকাশ কেউ যাইনি, তুমি ক্লাস টা ভাল করে কর।" আমি আকাশকে বললাম।
" দোস্ত কাল কেউ কলিরে নিয়ে যাস, আমি সুস্থ থাকলে কষ্ট দিতাম না তরে।"আকাশ আমায় বললো।
কলি হুট করে বলে ফেললো, "থাক ভাইয়া উনি ব্যাস্ত,আমি একা যেতে পারবো। আজতো চিনে এলাম।"
কন্ঠটায় রাগ আর বিরক্ত ছিল কলির। কষ্ট হালকা একটু খেলাম। বিদায় নিয়ে মেসের দিকে এলাম। ভাবছিলাম কি করলাম আমি, মেয়েটা রেগে গেছে কেন?

রাতে বারান্দায় বসে ভাবছি, মেয়েটার জন্য এমন লাগে কেন। আকাশকে বলবো,আবার যদি কিছু মনে করে বসে না থাক কিছু বলবো না। ফোনটা নিয়ে হাতাহাতি করতে করতে কলির নাম্বারটা চোখে পরলো। ফোন দিব? নাহ যদি হিতের থেকে বিপরীত হয় রাতটাতে মনের মধ্যে অস্থির লাগছিল। একটা সিগারেট নিয়ে ফুকাতে লাগলাম।

একটু সকালে উঠলাম রাতে ভেবেছি কথা গুলো কলিকেই বলবো সাহস করে। আটটার আগে উপস্থিত হলাম আকাশের বাসায় । মনে হলো বডিগার্ডের চাকরি নিয়েছি। আজ একটু সুস্থ আকাশ, আকাশ কলিকে বললো," কলি তোর স্বপ্ন ভাইকে চা নাস্তা দে।"
কলি চা বিস্কুট নিয়ে এলো। নাস্তা শেষ করে আকাশের সাথে ফাজলামি করছিলাম। বেশ কিছুক্ষন পরে আকাশ টয়লেটে গেল। আমি খাটের উপর বসেছিলাম। কলি রুমে এলো আমি ওকে দেখে আবার হারিয়ে যাই। ওর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকি।কলির মুখে মিষ্টি হাসি দেেখ আরো কি জানি বেড়ে গেল।
"এই যে চলেন যাই।" কলি আমায় বললো।
আমি বাস্তব জগতে এলাম। আমি আর কলি বেরিয়ে পরলাম।


বেশ কিছু দিন হল কলিকে দেিখনা। আজ দেখবো তবে কোচিং এর সামনে গিয়ে। এখন ওদের ছুটি হয় ৪টার সময়। এর মধ্যে আমি প্রায় গিয়ে লুকিয়ে কলিকে দেখে আসতাম। আমি নিজেকে নতুন করে জানলাম যে প্রেমে পরেছি। আকাশকে লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে বললাম। ও কয়দিন আমার সাথে কথা ঠিকভাবে বলেনা।
গত কাল বলেছে "কলিরা গরিব তুই ভাল ছাত্র ওর চেয়ে ভাল মেয়ে পাবি বন্ধু। দেখ আমি রাজি হলে কলি রাজি হলে তুই কলিকে পাবি কিন্তু তোর ভবিষ্যতটা কি? তুই তোর দিকে ভাব।"
"আমিওতো সেরকম আহামরি বড়লোক না,এটা ভাবিস কেন? না আমাকে তোর পছন্দ না, আমি কলির যোগ্যনা।" আকাশকে অভিমান নিয়ে বললাম।
আকাশ আমাকে চড় মেরেছিল দুইটা। সাথে সাথে আমাকে জরিয়ে ধরে কেদেছিল। বলেছিল, "আমি যদি পৃথিবীর সবাইকে এক চোখে দেখি তোকে দেখি আত্মা দিয়ে, তুই কলির যোগ্য বরং কলি তোর যোগ্য না।"আকাশ ফুপিয়ে কেঁদে কেঁদে বলেছিল।
পরে দুই বন্দু শান্ত হয়ে বাসার দিকে চলে আসি।
৪টার সময় কলির ক্লাস শেষ হবে।আমি ফার্মগেটে দারিয়ে আছি। এক নজর কলিকে দেখে চলে গেলাম। রাতে এসএমএস এলো চোর কে মেয়রা কম পছন্দ করে। নাম্বার টা চিনলাম না। আধা ঘন্টা পর ফোন দিলাম,কিন্তু বন্ধ পেলাম। বুঝলাম কলি হতে পারে। ফোনটা তে চুমু দিয়ে বুকের উপর রেখে ঘুমিয়ে গেলাম।

আজকের মত ঘুম কখনো হয়নি। সকালে ক্যাম্পাসে গিয়ে ক্লাস করে চলে এলাম। কি এক কাজে ফার্ম গেট গেলাম। দেখি কলি সামনে, "কি কেমন আছেন?"কলি মৃদু হাঁসতে হাসতে বললো।
" হাম ভালো "মাথা ঝাকিয়ে উত্তর দিলাম।
"আর আসেন না যে বাসায়, কি রাগ করেছেন? কলি প্রশ্ন করলো।
না সূচক উত্তর দিলাম। "মিস কলি তোমাকে না মানে আপনাকে কিছু বলার ছিল। " ছল ছল চোখে তাকিয়ে বললাম।
"আপনে থেকে তুমি এই জন্যই তাই না? "কলির ঠোটে হাঁসি মাখা সুরে বললো।
কলির দুষ্টু ঠোটে মিিষ্ট হাসি আমার মনে শীতল হাওয়া বয়ে দিল। কলিকে বললাম "মানে? "
"মানে আপনি আমাকে তুমি করে বলতে পারেন। "কলি আমাকে বললো।
"ও আচ্ছা ত তোমার আজ এতো তাড়াতাড়ি ছুটি?" তুতলিয়ে বললাম।
" পরিক্ষা ছিলোতো তাই। "কলি জবাব দিলো।
"মনে কিছু না করলে একটা কথা ববলতাম "একটু ভয়ে বললাম।
"বলেন" কলি মাথা নেড়ে উত্তর দিলো।
" এখানে না চলো আঁগারগাও থেকে ঘুরে আসি।" আমি বললাম।
রাজি হল কলি। রিক্সা নিয়ে গেলাম দু জনে উদ্যানে, পাশে বসার জায়গায় বসে আছি কারো মুখে কথা নাই। "এই জন্য আপনার সাথে কোিচং এ আসতে চাইতাম না, কি বলার জন্য ডাকলেন যে ফার্ম গেট বলা যাতনা। এখানে আসতে হবে? তাও আসলাম আর বুবার মত বসে, কিছু না বললে গেলাম। " কলি একটু জোরেই কথাটা বললো।
এই বলে উঠে দাড়াতেই আমি হাত ধরে টান দিলাম। কলি থেমে গিয়ে আবার আমার পাশে এসে বসলো। "আমি জানি আপনি আমার মুখ থেকে তুমি শব্দটি শুনতে চান।" কলি আমাকে বললো।
আমি আবাক ও খুশি হয়ে বাচ্চা ছেলের মতো মাথা নাড়লাম। "আচ্ছা বলো কি এমন কথা?" কলি আমাকে বললো।
আমি কলিকে বললাম "কেন ডেকেছি বুঝ না?" কলির তাচ্ছিল্ল ভরা হাসি ভালো লাগলেও জিদও হচ্ছিল। নিজের অজান্তে কলির দুই কাধে ধরে আচ্ছা করে ঝাকি দিেয় বললাম "তুমি বোঝ না? তোমার সামনে এলে নিজেকে হারাই ফেলি, চোরের মত তোমাকে দেখতে আসি, কেন বুঝনা? কিছু দিন আগে এসএমএস দিয়েছো, আমি ফোনেটিক চুমু খেয়েছি এখনো বুকের মধ্যে ফোন নিয়ে ঘুমাই, কেন বুঝনা? তোমাকে কি চিৎকার করে বলতে হবে, কলি আমি তোমাকে ভালবাসি।? "একদমে কথা শেষ করে কলিকে ছেড়ে দিয়ে মাটির দিকে মুখ চেয়ে বসে পরলাম।
দুই মিনিট কেউ কোন কথা বললাম না। কিছুক্ষন পরে আমার ডান হাতের বাহুতে কারো দুই হাত ও ডান কাধে কারো মাথা অনুভব করলাম। কানের কাছে শব্দ শুনতে পেলাম " আই লাভ ইউ টু"
আমি আর আমি নাই মুখ ফিরিয়ে কলির চোখের দিকে তাকালাম। চোখের মাঝে আমার রাজ্যের রাণীকে দেখলাম। ঠোট বলছে এইতো স্বপ্ন তোমার সারা দিনের ক্লান্তি দুর করার জন্য আমি প্রস্তুত। নিজের অজান্তে আমাদের দুজনের মুখ এক জায়গায় চলে গেল, কলির ঠোটের সাথে আমার ঠোট, কি জানি দুজন দুজনকে বলছে। কত সময় ছিলাম ওভাবে জানিনা। বাস্তবিক জীবনে আসতেই কলির মুখে লজ্জার ছাপ দেখলাম। কলি অতি আদুরে স্বভাবে আমার কাধে মাথা দিয়ে বললো," তুমি আমাকে ভুলে যেওনা। আমি মারা যাব কিন্তু।" আমি কলির গালটি ধরে," লক্ষীটি ও কথা কেন।" ঠোটে আরেকটা চুমু একে দিয়ে ঐদিনের মত বিদায় নিলাম।......... (চলবে)

ভূল করেছি ছাত্র জীবনে ভালবেসে পার্ট -১

ঘুম ভাংছে সকালের মিষ্টি রোদের আলো চোখে পরার মাধ্যমে। দাত ব্রাশ করে নাস্তা খেয়ে আমি ফোনটা হাতে নিয়ে আকাশকে ফোন দিলাম। ফোনোলাপ সেরে একটা ডাইরি হাতে নিয়ে ঝন্টু মামার চায়ের দোকানে আসি। আমি নিয়মিত এখানে এসে সকালে সিগারেট না পান করলে সকাল টাই শুভ হয়না। জানিনা কতটুকু সত্য। সকালের কাজ শেষ। শালার আকাশ ফালতুটা এখনো আসছেনা কেন। আবার একটা ফোন দিলাম "কিরে হারামি তরে না কইলাম জলদি আয়া পর ক্যামনে কি করেসাই বুজবার পারলাম না।"
ওপাশ থেকে আওয়াজ এলো মিষ্টি মেয়েলি কন্ঠ
" আকাশ ভাইয়া ফ্রেশ হচ্ছে আপনিকে?"
বাশ একটা খাইলাম বটে। আমি জানি আকাশের কোন বোন নাই হালায় বাপের একমাত্র পুলা তয় হেইডা কে?।
মেয়েটি- " আর শুনুন আকাশ ভাই হারামিনা কথাটা মনে রাখবেন, আপনারা শিক্ষিত মানুষ হয়ে রাস্তার লোকদের মত কথা বলেন কেন?"
নে বাবা কি এমন দোশ করলাম আমিতো আমার বন্ধুরে কইছি হেয়েেছ ক্যাডা। যাকগা ঝারি খাওয়ার জা খেয়ে ফেলেছি কিছু না বলে ফোনটা কেটে দিলাম। সিগারেট আর চা আরেক বারের জন্য অডার দিয়ে ঝন্টু মামার দোকানের মাচায় বসলাম। কিছুসময় পরে ফোনটা বেজে উঠলো। ফোন রিসিভার করে বললাম "
ঝন্টু মামার দোকানে আয় "
বলে ফোন কেটে দিলাম। কিছু সময় পর আকাশ আসলো "চল বন্ধু তাড়াতাড়ি রুমি অপেক্ষা করছে।" রুমি আকাশের প্রেমিকা।
"তুই বয় কথা আছে " আমি আকাশকে বললাম। "যেতে যেতে কথা হবে।" আকাশ উত্তর দেয়।
আমি বিড়ির টানটা শেষ করে হাটা ধরলাম। যেতে যেতে কথা হল আকাশের বাসায় কে আসছে কি করে ইত্যাদি। জানলাম মেয়েটি তার দুর সম্পর্কের খালাতো বোন। কলেজে এ্যডমিশন দিতে হবে কোচিং করার জন্য মাস তিনিক থাকবে। গল্প করতে করতে দুজন ক্যাম্পাসে চলে এলাম। শালাতো রুমির সাথে ভাগবে এখনি ক্লাস করার জন্য আমিতো আছি। দুর থেকে মেয়েলি ধ্বনি শুনলাম।
"এ্যই যে স্বপ্ন ভাইয়া "
পিছনে তাকাবার আগেই বুঝলাম রুমি।
"যা আমার আর দরকার নাই বৌদি ডাকে।" আকাশকে বললাম। রুমিকে শুধু বললাম যাচ্ছে। বলতেই আকাশ গেলগা। ধুর ক্লাসে মন বসে না।
"কি মেয়েটি কথা নাই কিছু নাই ঝারি দিয়ে দিল নাহ" মনে মনে ভাবি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাল ছাত্র হিসাবে নাম বরাবরি ছিল আমার। যা হোক ক্লাস শেষে বাসায় এলাম।
রাতের আকাশে আজ পূর্নিমার আলো। বাসার বারান্দায় বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি। ভালই লাগছিল। মনটা কেমন জানি শীতল আর চনমনে হচ্ছে। কোন গালফ্রেন্ড ছিলনা তাই কারো সাথে এই মুহূর্তে সুখটা ভাগাভাগি করতে পারি নাই। হঠাৎ ফোনটা বেজে উঠলো।
আকাশের ফোন রিসিভ করলাম "কিরে এতো রাতে রুমির কাছে ফোন না করে আমার কাছে কেন?"
" Sorry ভাইয়া সকালের ব্যবহাররের জন্য। আকাশ ভাই সব বলছে আমাকে। আপনি যা শাস্তি দেন মাথা পেতে নেব। "
আমি বললাম "ঠিক আছে।" বেশ কিছুক্ষন কথা হল। কলির সাথে। ফোনটা রেখে ঘুমিয়ে পরলাম।
সকালে ক্যাম্পাসে যাবার সময় আকাশ ফোন দিল "দোস্ত একটু বাসায় আবি?"
"আচ্ছা আইতাছি "বলে ফোনটা রেখে দিলাম। আকাশের বাসার দরজায় নক করতে খালাম্মা দরজা খুলে দিল। আকাশের বেড রুমে গিয়ে দেখি আকাশ শুয়ে আছে। ওর মাথায় পানি ঢালা হচ্ছে। একটি মেয়ে বয়স হবে ১৭হতে ১৯ বছর। মুখের রং ফর্সা। হালকা পিংক রঙের কামিজ পরে আছে, একদম সাদা সিদে মনে হচ্ছে। এক পলকে তার দিকে তাকিয়ে থাকলাম। চোখ ফেলাতে পারছিলাম না। আকাশের জ্বর হয়েছে একটু বেশি। খালাম্মা ঘরে এসে আমাকে বললো,
"বাবা আকাশের যে জ্বর তাতে ও দাড়াতে পারছে না। কলির আজ UCC তে ভর্তি করতে হবে মেয়েটাকে নিয়ে যাবে কে, তুমার খালু অফিসের কাজে চট্টগ্রাম গেছে আমি তো পারিনা না, আকাশ অসুস্থ। কিছু যদি না ভাবো মেয়েটারে একটু নিয়ে যাবা?"
খালাম্মা আমাকে বেশ স্নেহ করে ঢাকা শহরে আমার কেউ নাই। মেস এ থাকি। কি ভাবলাম বললাম,
" ঠিক আছে।"
কলি ততক্ষনে সম্ভত নিজের রুমে গেছে, আমি আকাশের পাশে বসে ওর মাথায়ছ হাত বুলিয়ে দিলাম। রুমি জানে, "দোস্ত তুই অসুস্থ?" আকাশকে বললাম।
" নারে দোস্ত মেয়েটা সারাদিন চিন্তা করবে,খাওয়া দাওয়া ছেরে দেবে। তাই আরকি? "বুঝলাম কথা গুলো খুব কষ্ট করে বলেছে আকাশ।
"থাক দোস্ত তুই শুয়ে থাক" আমি আকাশের মাথার পাশে বসে আছি। মাঝে মাঝে হিংসা হয় আকাশ আর রুমির ভালবাসা দেখে, আর নিজেকে মনে হয় অতি নগন্য। শালার আজ ২২-২৪ টা বছর বয়স হল প্রেম কি, কোন মেয়েকে আজ পর্যন্ত ভালবাসি কথাটা বলতে পারি নাই।ভাবতে ভাবতে দরকার পাশ থেকে শব্দ এলো। বাস্তব জগতে ফিরে এলাম "এই যে আমি রেডি। "
আকাশ আমাকে যাওয়ার জন্য ইশারা দিল। আমি কেন জানি বাধ্য ছেলের মত মেনে নিলাম।
আমি আর কলি বাসা থেকে বেরিয়ে পরলাম। একটা রিক্সা নিলাম ফার্ম গেট পর্যন্ত। কলিকে আমার পাশে বসতে দিলাম। কলি একটা হলুদ পোশাক পরেছে, ওর শরীরে পার্ফিউম মারা। কেন জানি আমি কোন রাজ্যে চলে গেলাম। এতক্ষন একটি কথাও বলিনি। শুধু ওর সৌন্দর্য উপভোগ করতে ইচ্ছা করছিল, কিন্তু ওর চোখে চোখ রাখতে পারলাম না।
"এই যে আপনি কি গাল ফ্রেন্ড নিয়ে ভাবছেন? "
মনে হয় কলি হঠাৎ করে কথাটা বলে ভেলেছে আমি বাস্তব জগতে ফিরে দেখি কলি লজ্জা পেয়েছে। আমি কথা বলি নাই। কলিও চুপ চাপ। আধা ঘন্টা পর কোচিং এর সামনে এলাম। মেয়েটি আমার চেয়ে এ্যডভান্স। দুজনে নামি রিক্সা থেকে। কলিকে কোচিং এ ভর্তি করে তার ক্লাস রুম দেখিয়ে দিলাম।
কলি আমাকে বলল," আমি কি একা বাসায় যাব?"
আমি শুধু বললাম "না"--(চলবে)

Post has attachment
সঠিক সময়টা মনে নেই হবে ২০০৯ সাল কোন এক সকালে স্বপ্ন বাহিরে বন্ধুেদর সাথে আড্ডা দিতে। সবাই ধরেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত কালাই রুটি খাবে। স্বপ্ন পােশর রুটি বানানোর দোকান থেকে তিনটা রুটি কিনে আনে। দোকানী খালাম্মাকে বিশ টাকার একটা নোট দেয়। খালাম্মা স্বপ্নকে পাঁচ টাকার একটা নোট দেয়। বন্ধুদের সাথে আড্ডা শেষ করে ঘরে ফিরছিল স্বপ্ন মনে করলো হয়তো তখন খালাম্মা তাকে বেশি টাকা দিয়েছে। পকেটে হাত দিয়ে দেখে না ঠিক দিয়েছে পাঁচ টাকার একটা নোট। হঠাৎ স্বপ্ন দেখে নোটের উপরে একটা নাম্বার লিখা। স্বপ্ন সবে মাত্র তখন মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ করে, বিধায় মানুষের সাথে দুষ্টুমি করার অগাধ সময় তার কাছে। স্বপ্ন দুপুরে খাবার খেয়ে বাসার ছাদে উঠে নাম্বারটাতে ফোন দেয়। ওপার থেকে মেয়েলি কন্ঠ ভেসে আসে। হ্যালো.....কে বলছিলেন? স্বপ্ন মনে করে একটু ফাজলামি করলে দোষ কি? হ্যালো আপনিকে বলছেন? উপার থেকে নাম বলে সে কলি। আপনারা নিেজদের কি মনা করেন? এতো ফালতু কেন? হয়তো মেয়েটি অবাক হয়েছিল চিনা নেই জানা নেই একটা অপরিচিত ছেলে তাকে ফোন করে এভাবে অভদ্রভাবে কথা বলছে। ওপাশ থেকে কি উত্তর এসেছিল বলতে পারবোনা। স্বপ্ন মেয়েটার সাথে কথা কাটাকাটি করতে থাকে। প্রসংগ হিসাবে স্বপ্ন ব্যাখ্যা করে কেন সে টাকায় নাম্বার লিখবে। সেই দুপুরে স্বপ্নের সাথে কলির বাকবিতান্দ গয় ১৫ মিনিট। কলি কি ভেবেছিল জানিনা। স্বপ্ন মনে মনে ভাবে এটা হয়তো ঠিক করেনি সে। মেয়েটিকে এভাবে না বলে ভালোভাবে বলাটাই ঠিক হতো। যা হোক তার পরো স্বপ্ন খুশি যে একটা মেয়েকে তো শিক্ষা দিলাম। দুপুরে ঘরে ফিরে আসে স্বপ্ন। বিকালে মাঠে আড্ডা দিতে চলে যায়। বন্ধুদের সব কথা বলে। সবাই এটাতে মজা পায়। রাতে ফোনটা তাতে নিয়ে ফেজবুকে ব্রাউজ করতে যাবে। এমন সময় মিসড কল কে দেখতে নিয়ে দেখে কলির মিসড কল। স্বপ্ন অবাক যাকে দুপুরে এভাবে ঝারি দিলাম সেই মেয়ে কিনা.... আর সাড়া না দিঙে ঔই দিন শেষ করে। দুপুরে ফোনটা নিয়ে ছাদে আসে। কলিকে ফোন দেয় তার পর গতকালের আচারন এর জন্য মাফ চায়। দুজনের অনেক্ষন কথা হয় তাদের পবিচয় হয়। একটা সময় তারা অনেক ভালো বন্ধুতে পরিবহণ হয়। মেয়েটার বাড়ি আর স্বপ্নের বাড়ি ভিন্ন জেললা হওয়ায় তাদের দেখা হয়না। তাদের সম্পর্ক আরো কিছুটা গাড়ু হয়। কিন্তু তখন সম্পুর্ন ব্যাস্ত তার পরবর্তি ধাপের পড়াশুনা করার প্রস্তুতি নিয়ে। এদিকে কলির সাথে কোন একদিন কথা কাটাকাটি হয় স্বপ্নের। আকাশ ব্যাপন গুলো সম্পুর্ন জানতো। আকাশ কি জন্য কলির সাথে কথা বলতো স্বপ্ন কখনো মানা করতো না। হবে হয়তো কিছুদিন আকাশো কলি সমন্ধে স্বপ্নের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখে কিছু একটা। এক সময় স্বপ্ন জানতে পারে আকাশ কলিকে ভালোবাসে। আকাশের দাবি কলিও তাকে ভালোবাসে। পরে স্বপ্নের ব্যাপারটা খারাপ লাগলেও বন্ধুর ভালোবাসাকে স্বাগতম জানিয়ে মেনে নেয়। তাদের দীর্ঘ প্রেম জীববের অনেক আশা নিরাশার কথা বলেছে আকাশ স্বপ্নকে। স্বপ্ন তাদের সব কিছু মেনে নেয়। তাদের সম্পর্ক আরো গভীর হয়। সারা রাত ফোনে কথা বলে। ফোনেই বাসর করে। কি বুঝবো তাদের সম্পর্ক অটুট। কথা দিয়েিছল কলি সে কখনো আকাশকে ছাড়া অন্য কারো সাথে সংসার করবে না। কথা না বোলতে পারলে সে দিন যার চেহারাবন্দি করা যেত না (কলির বান্ধবিদের ভাষ্য)। একবার আকাশের সাথে মিলিত হতে কলি সাভার থেকে রাজশাহী চলে আসে। আকাশকে নিয়ে সময় কাটায়। তিনদিন পর কলি চলে যায়। কে জানতো কলির মনে এমন ছিলো। সে আকাশের বুকের মেঘ জমা করে দিয়ে চলে যায়। আজ স্বপ্নের খুব ইচ্ছা করে কলিকে দেখি সে কেমন দেখতে মানুষের চেহারাযুক্ত না পশুর চেহারাযুক্ত।

www.facebook.com/aakmuthovalobasha

www.facebook.com/SOPNOSAJ

মনে কি পড়ে আমাকে, মনে কি পড়ে তোমার দেওয়া কথা?
ভূল করিনি, পাপ করিনি আমি, তবে কেন পাপ ভূলের সাজা?
আমার বুকে রাখি মাথা বলেছিলে যাবে না চলে,
তবে কোন সুখের আশায় গেলা চলি, আমায় ফেলি?
বাগানের ফুল ফোটেনি আজ একা বলি আমি,
ককিলের ডাকেনা আজ আমি কাঁদি বলি।
ব্রেঞ্চি গুলি ফাকা পড়ে আছে নেই তুমি পাশে,
গাছের ডালে পাখি বসেনি, তুমি চলে গেছ বলে।
আমাকে কাঁদিয়ে সুখি কি হবে?
আমি হব সুখি, তুমি সুখি হলে।
কাঁদবো অঝরে, কাঁদছি আমি চাঁপা সুরে,
আরো কাঁদবো যদি সুখি হও আমার চোখের জলে।
ভূলে যাব তোমার কথা, হব তারা,
শুধু বলো যদি সুখি হও আমাকে ছাড়া।
Only for my "M"

স্বপ্নঝড়া মনটা আজ করছে উড়ু উড়ু,
বৃন্দাবনের পথটি যে হারিয়ে ফেলেছি গুরু।
মনেতে আজ প্রশ্নের জোয়ার করি কি দিয়ে শুরু,
বৃন্দাবনের পথটি আজ হারিয়ে ফেলেছি গুরু।
নব্য যুগের সন্তান আমি নব্য সব কিছু,
তবু কেন প্রশ্ন আমার পুরানো খুজছি কিছু,
খুজছি আমি শালিক ময়না, খুজছি চিলেকুঠা,
খুজে চলিছি গো গাড়ি আর পথ চলা কাচা মাঠা।
হন্যে হয়ে খুঝছি আমি নদী মোহনা,
মৎস্য কুল যেথা করে আপন খেলা।
বনে নেই বাঘ্র, সিংহি, নেই হরিনি দল।
কেন আজি ভাবছে মর এত উথাল,
সূর্যিদয় হোল শেষ, অস্ত হল শুরু।
বৃন্দাবনের পথটা আজ হারিয়ে ফেলেছি গুরু।
রাত্রী কালের জোনাই গুলো আলো দেয় না জ্বলে,
যন্ত্রবাতির আলো যে আর সয়না মনটা যে জলে।
তারার মেলা দেখিনা কেন কি হল তার,
এইতো আমি চলে আসবো আড়ি দিস না আর।
মনেতে আজ ব্যাথার গিরি জ্বলন দিয়েছে শুরু।
ও গুরু ওগুরু বৃন্দাবনের পথটা যে আজ ভুলে গেছি গুরু।

জেগে থাকা ব্যাক্তিকে জাগানো সম্ভব না।
ঘুমন্ত বাচ্চাকে ঘুমপাড়ানো যায় না।
একতরফা ভালবাসা হয় না।
ফিরে আসো বার বার বলবো না।
নিজেই হারিয়ে যাব, ফিরে আর আসবনা।
Wait while more posts are being loaded