Post is pinned.Post has shared content
আয়াতুল কুরসী
সূরা আল-বাকারা
আয়াত : ২৫৫ ॥
*

☆ আবূ হুরায়রা ( রাযি আল্লাহু আনহু ) হতে বর্ণিত । তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে রমযানের প্রাপ্ত যাকাত সংরক্ষণ এবং হেফাজতের দায়িত্ব দিয়ে ছিলেন । এই সময় এক লোক খাদ্য সামগ্রী চুরি করতে এলে , আমি তাকে ধরে ফেলি এবং বললাম , আমি অবশ্যই তোমাকে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিয়ে যাবো । অতঃপর পুরো ঘটনা বর্ণনা করলেন । তখন ঐ চোর বলল: আপনি যখন ঘুমোতে যাবেন , তখন আয়াতুল কুরসী পাঠ করবেন । এর ফলে সার্বক্ষণিক ভাবে আপনার জন্যে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন ফেরেশ্'তা পাহারাদার নিযুক্ত করা হবে , সে আপনাকে সারারাত পাহারা দিবে এবং ভোর পর্যন্ত শয়তান আপনার কাছে আসতে পারবে না । এই ঘটনা শুনে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন , রাতে যে তোমার কাছে এসে ছিলো সে সত্য কথা বলেছে , যদিও সে মিথ্যাবাদী , সে ছিলো শয়তান ।
------- বুখারী : ৫০১০ ॥
Photo

Post has shared content
☆☆ রোযার হুকুম ☆☆
""""""""""""""""""""""""""""""""""""
আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর পবিত্র কালামে ঘোষণা করেছে ---- "হে ঈমানদারগণ ! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে , যেমন ফরয করা হয়েছিলো তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর , যেনো তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো ।
----সূরা আল-বাকারাহ্ : ১৮৩ [

✓✓ রোযা কার উপর ফরয ?
☆ মুসলিম হওয়া জরুরি ।
☆ বালেগ তথা প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া ।
☆ শারীরিক সুস্থ ও সজ্ঞান হওয়া ।
☆ নিজ আবাস স্থালে মুকিম হওয়া ।
☆ মুসাফির না হওয়া ।
☆ হায়েয নেফাস থেকে পবিত্র হওয়া ।

ইয়া আল্লাহ্ ! আমাদের সকল মুসলিমদের মাহে রমযানে পূর্ণ মাস রোযা পালন করতে সাহায্য করুন ।

আমীন ॥

#abdurrahmanbd
Photo

Post has shared content
মানুষের ঠিকানা
**********
মানুষের ঠিকানা হলো ৩টি । দুটি অস্থায়ী একটি স্থায়ী ।
১। দারূল দুনিয়া --- যেখানে আমরা বসবাস করছি ।
২। দরূল বরযখ --- অর্থাৎ মৃত্যুর পরের কবরের জগত্ ।
৩। দারূল ক্বারার --- অর্থাৎ কিয়ামতের দিন শেষ বিচারের শেষে জান্নাত কিংবা জাহান্নাম । এটাই হলো চিরস্থায়ী ঠিকানা ।
Photo

Post has attachment

Post has shared content
অনেকদিন দেখা হবে না
তারপর একদিন দেখা হবে।
দু’জনেই দু’জনকে বলবো,
‘অনেকদিন দেখা হয়নি’।

এইভাবে যাবে দিনের পর দিন
বৎসরের পর বৎসর।
তারপর একদিন
হয়ত জানা যাবে
বা হয়ত জানা যাবে না,
যে তোমার সঙ্গে আমার
অথবা
আমার সঙ্গে তোমার
আর দেখা হবে না।

Photo

Post has shared content
নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে
রয়েছ নয়নে নয়নে,
হৃদয় তোমারে পায় না জানিতে
হৃদয়ে রয়েছ গোপনে।

বাসনা বসে মন অবিরত,
ধায় দশ দিশে পাগলের মতো।
স্থির আঁখি তুমি ক্ষরণে শতত
জাগিছ শয়নে স্বপনে।

সবাই ছেড়েছে নাই যার কেহ
তুমি আছ তার আছে তব কেহ
নিরাশ্রয় জন পথ যার যেও
সেও আছে তব ভবনে।

তুমি ছাড়া কেহ সাথি নাই আর
সমুখে অনন্ত জীবন বিস্তার,
কাল পারাপার করিতেছ পার
কেহ নাহি জানে কেমনে।

জানি শুধু তুমি আছ তাই আছি
তুমি প্রাণময় তাই আমি বাঁচি,
যতো পাই তোমায় আরো ততো যাচি
যতো জানি ততো জানি নে।

জানি আমি তোমায় পাবো নিরন্তন
লোক লোকান্তরে যুগ যুগান্তর
তুমি আর আমি, মাঝে কেহ নাই
কোনো বাঁধা নাই ভুবনে।

নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে
রয়েছ নয়নে নয়নে।
Photo

Post has shared content
তুমি যখন প্রশ্ন করো
আমি কি তোমায় ভালোবাসি?
অন্ধকারে লুকিয়ে মুখ
আমি নিজের মনেই হাসি ।

উত্তরে কি বলবো বলো
বিশ্বকোষেও হয়তো নাই,
উথালপাথাল খুঁজে মরি
কোথায় যোগ্য শব্দ পাই ।

জানো কি এই প্রশ্নে তোমার
হঠাত্ থামে নদীর ধারা
আকাশখানি কালো করে
মেঘে ঢাকা সন্ধ্যাতারা ।

তার চেয়েও গভীর ঘন
লজ্জা ঢাকে আমার মুখ
পাইনে খুঁজে একটি কথাও
শঙ্কা ভয়ে কাঁপে বুক ।

এতোদিনেও বোঝেনি যে
আজ বোঝাবো কোন ভরসায়?
না বলা সেই ছোট্টো কথা
বলিনি কি কোনো ভাষায়?

বলিনি কি এই কথাটি
তোমার দিকে নীরব চেয়ে,
এই গান কি সারাজীবন
জীবন দিয়ে যাইনি গেয়ে?

সেই কথা তো জানে ভালো
শিশির ভেজা ভোরের ফুল
তুমি যখন প্রশ্ন করো
আমি করি অধিক ভুল ।
Photo

Post has shared content

Post has shared content
ফেসবুকে অনেকেই নিজের পছন্দমতো নাম দিয়ে আইডি খুলেছেন। বাস্তব জীবনে সেই নামগুলো ব্যবহার করা হলে কেমন হতো? মো. সাইফুল্লাহর ভাবনার বৃক্ষে শাখা-প্রশাখা বিস্তার করিয়েছেন মো. মিকসেতু, এঁকেছেন নাইমুর রহমান।


রোল নম্বর ১, রূপকথার মায়াবী পরি...
ইয়েস স্যার।
রোল নম্বর ২, নীরব আঁধারের অস্পর্শী...
প্রেজেন্ট স্যার।
রোল ৩১, ব্যাকবেঞ্চার ফাহাদ...
উপস্থিত জনাব।


এই যে নীল আকাশের তারা, আর কত ফেসবুকিং করবি! এবার দয়া করে খেতে আয়।
একটু ওয়েট, মা। আগামীকাল মনের মাঝে তুমি স্যারের পরীক্ষা নিয়ে নীলপরি নীলাঞ্জনা-২-এর সঙ্গে ডিসকাস করছি।


এই যে ব্রো, দেখছেন না সবাই লাইনে আছে। আপনি লাইন ভেঙে উঠতে চাচ্ছেন কেন? নিজেরে কী ভাবেন?
ওই, আমারে চেনস? আমি ফেসবুকের ডেঞ্জার বয় সিদ্দিক।
সরি ভাই, আগে বুঝতে পারি নাই। সবাই সইরা যান, ডেঞ্জার ভাইরে আগে উঠতে দেন।


দোস্ত, মেঘলা আকাশ মেয়েটার পিকটা দেখ, কত্ত কিউট। আমি তো ক্রাশ খাইছি।
লাভ নাই রে দোস্ত, স্বপ্নিল স্কফিল্ড। মেঘে ঢাকা তারার সঙ্গে ওই মেয়ের আগে থেকেই অনেক কঠিন রিলেশন চলে।


বিশ্বাস করো, তুমি আমার কল্পনার মায়াবী রানি নও, রূপকথার প্রিন্সেস নও, অ্যাঞ্জেল অব কিউটনেস নও, তুমি আমার শুধুই রেবেকা।
ওয়াও। তুমি কত্ত সুন্দর ফ্লার্ট করতে পারো! জানো, তুমিও আমার প্রিন্স ট্রিন্স ড্যাশিং বয় এই সব কিছু না। তুমি শুধুই আমার কুদ্দুস, আমার কুদ্দুইস্যা।


Photo

Post has shared content
☆☆ রোযার উদ্দেশ্য ও
ফযিলত ☆☆
************
রোযার উদ্দেশ্য :
-------------------
রোযার উদ্দেশ্য হচ্ছে তাকওয়া বা আল্লাহ্ ভীতি এবং তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন করা ।

রোযার ফযিলত :
--------------------
রোযার ফযিলত অনেক । কুর-আর এবং সহীহ হাদীসে তার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে । হাদীসে কুরসীতে আল্লাহ্ বলেনঃ "রোযা আমার জন্য , তাই তার প্রতিদান আমি নিজেই দিবো ।"
☞ হযরত আবূ হুরায়ারা (রা:) থেকে বর্ণিত । নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন রমযান মাস আসে তখন আসমানের দরজা সমূহ খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজা সমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় । আর শয়তানকে করা হয় শৃঙ্খলিত । অপর বর্ণনায় আছে রহমতের দরজা সমূহ খুলে দেওয়া হয় ।
☞ আবূ হুরায়ারা (রা:) থেকে বর্ণিত । রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের নিয়তে রমযানের রোযা রাখে , তার পূর্ববর্তী সমস্ত গুনাহ্ ক্ষমা করা হয় । অনুরূপ ভাবে যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের উদ্দেশ্যে রমযানে ইবাদতে দন্ডায়মান হয় অর্থাৎ তারাবিহ্ সহ বিভিন্ন ইবাদতে আত্মনিয়োগ করে , তার পূর্ববর্তী সমস্ত গুনাহ্ ক্ষমা করা হয় । আর যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাতে দন্ডায়মান হয় , তার পূর্ববর্তী সমস্ত গুনাহ্ ক্ষমা করা হয় ।
-----বুখারী ও মুসলিম ।

☆ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রমযানের রাতে যে মু'মিন ব্যক্তি তারাবিহ্ নামায পড়বে , তার প্রত্যেক রাকা'আতের বিনিময়ে আল্লাহ্ তা'আলা দেড় হাজার সওয়াব দান করবেন এবং তার জন্যে বেহেশ্'তে একটি লাল ইয়াকুত পাথরের বাড়ি নির্মাণ করবেন । এই বাড়িটির ষাট হাজার ফটক থাকবে । প্রত্যেক ফটকে লাল ইয়াকুত মন্ডিত স্বর্ণের এক একটি প্রাসাদ থাকবে । যে ব্যক্তি রোযা রাখেন আল্লাহ্ তা'আলা তার গুনাহ্ সমূহ ক্ষমা করে দেন । প্রত্যেক দিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৭০ হাজার ফেরেশতা তার জন্যে ইস্তিগফার করতে থাকে । রোযাদারের রমযানে দিবারাতের নামাযের প্রত্যেক সিজদাহ্ -এর বিনিময়ে জান্নাতে এমন একটা ছায়া দান বৃক্ষ সৃষ্টি হয় , যার ছায়া ঘোড় সওয়ার সাতশত বছর পর্যন্ত দৌড়াতে পারে ।
------বায়হাকী ।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "প্রত্যেক বনী আদমের নেকীকে দশ গুণ থেকে সাতশত গুণে বৃদ্ধি করা হয় ।
আল্লাহ্ বলেনঃ কিন্তু রোযা ব্যতীত । কেননা রোযা আমারই জন্যে , তাই আমি নিজেই দিবো এর প্রতিদান । ( যতো ইচ্ছে ) সে আমারই জন্য আপন প্রবৃত্তি ও খানা পিনা তরক করে ।

হে আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে রমযানের রোযাগুলো সঠিক ভাবে আদায় করার মানসিকতা সৃষ্টি করে দিন ।

আমীন ॥

#abdurrahmanbd .
Photo
Wait while more posts are being loaded