Post has attachment
#শেরআলী নামের লোকটি তার নামের মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখলেন এই মহৎ কাজটি করে, তাদের মত লোকই মানবতার ব্র্যান্ড অ্যাম্বেসেডর অফ বাংলাদেশ, স্যালুয়েট দোয়া এমনিতেই চলে আসে''
#ঘটনার #বিবরণ
আপনারা কি ভাবছেন শিশুটিকে কোলে নিয়ে যে লোক কান্নাকাটি করছে আর রাস্তায় দিয়ে দৌড়াচ্ছেন সেই শিশুটি তার ? না বন্ধুরা এই শিশুটিকে এই লোক চেনেই না । এই লোকটির নাম শের আলী । সে একজন পুলিশ । যে পুলিশ শব্দ টা শুনলেই আপনার আমার চোখ কুঁচকে উঠে এই শের আলী সেই পুলিশের একজন সদস্য । চট্রগ্রামে ডি বি তে কর্মরত । শের আলী শিখিয়ে দিল মানবতা কাকে বলে ?

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রামু উপজেলার পানিরছড়া এলাকায় ১১ ডিসেম্বর যাত্রীবাহি বাস নিয়ন্ত্রন হারিয়ে উল্টে গেলে বাসের নিচে অন্যান্য যাত্রীদের সাথে তিন ঘন্টা চাপা পড়ে থাকে ছোট্ট একটি শিশু। রক্তাক্ত শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালের নেয়ার জন্য দৌড়ানো শুরু করে দেন স্থানীয় বাসিন্দা পুলিশ সদস্য শের আলী। বাচ্চা টিকে বাঁচানোর জন্য সে চিৎকার করে কান্না শুরু করে আর আল্লাহ কে ডাকতে শুরু করে । হাজারো স্যালুট পুলিশ শের আলীকে। । শের আলী ভাইয়েরাই আমাদের মানবতা শিখিয়ে দেয় যেন বারবার । ছবিতে দেখুন আশে পাশের মানুষ গুলি এই দৃশ্য দেখে চোখের জল ফেলছে অথচ কেউ এগিয়ে আসেনি তার পাশে । আর এই মহান মানুষ শের আলী পাগলের মত দৌড়ে যাচ্ছে এই অপরিচিত শিশুকে বুকে আঁকড়ে ধরে ।
বিনম্র শ্রদ্ধা আর অপার ভালবাসা শের আলী । স্যালুট আপনাকে ।।
Photo

Post has attachment
#সাঁওতাল বিদ্রোহের ঐতিহাসিক কারণ, তাদেরকে ''ভূমিপুত্র''ও বলা হতো''
১৬১ বছর আগের সাঁওতাল বিদ্রোহের ৬টি কারণ। তবে তার মাঝে ৫ নাম্বার কারণটি ১৬১ বছর পর আবার ফিরে আসলো।সাঁওতাল বিদ্রোহে ২৫হাজার সাঁওতাল মারা গিয়েছিল।

১। ভুমির চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে সাঁওতালরা বন-জঙ্গল পরিষ্কার করে যে জমি ফসল উৎপাদনের উপযোগী করে তোলে, সে জমি সমতল ভূমিতে বসবাসকারী জমিদার-জোতদার-তালুকদাররা জোরপূর্বক দখল করে এবং সাওতালদেরকে ঐ জমিতে ক্রীতদাস হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করে;
২। বৃটিশরাজ কর্তৃক মুদ্রা ব্যবস্থা প্রচলনের সুযোগ ব্যাপারী-মহাজনরা নিরক্ষর-অজ্ঞ ও সহজ-সরল সাঁওতালদের ছল-চাতুরির মাধ্যমে প্রতারিত করে;
৩। সাঁওতালদের অঞ্চলে ব্যবসা করতে গিয়ে ব্যাপারী ও সুদখোর মহাজনদের অতি লোভ ও লুন্ঠনের প্রবৃত্তির ফলে জোরজবর দখল করে সাঁওতালদের সম্পদ ও উৎপাদিত আত্মসাৎ করা;
৪। ঋণদাযগ্রস্ত সাঁওতালদের ব্যক্তিগত বংশগত ক্রীতদাসত্বের মতো বর্বর প্রথা প্রচলনের মাধ্যমে তাদের আজীবন পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ করা;
৫। আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষ করে পুলিশের সীমাহীন অত্যাচার, দূর্নীতি, উৎপীডন এবং জমিদার-জোতদার-ব্যাপারী-মহাজনদের দুষ্কর্ম ও অত্যাচারে সহাযতা দান;
৬। সরকারি বিচার-ব্যবস্থা কিংবা আদালতে সুবিধা না পাওয়া। এরকম বিভিন্ন কারণে সাঁওতালিদের মনে ক্ষোভ জমতে থাকে, তারা প্রতিবাদী হতে থাকে। ১৮৫৫ সালে ভারতের দামিন-ই কোহ অঞ্চলের পাকুড় জেলার ভগনাডিহি গ্রাম থেকে এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয সাঁওতাল নেতা সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৈরব। ব্রিটিশ বাহিনীর কামান-বন্দুক ও গোলাবারুদের বিরুদ্ধে সাঁওতালদের তীর-ধনুক, বল্লম-টাঙ্গির অসম যুদ্ধ খুব বেশি দিন স্থায়ী না হলেও এই বিদ্রোহ ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে মুক্তিকামী মানুষের মনে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে কাজ করেছে।
#বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাঁওতাল পল্লী আগুনে পোানোর ন্যাক্কারজনক কাজটি পুলিশ করেছে তার ছবিও প্রকাশিত হয়েছে, কোর্টের রায় বাস্তবায়ন করতে এই ধরনের মানবতা বিরোধী কাজ করা সঠিক হয়নাই, কোর্ট কিন্তু বলে নাই আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিতে এ ব্যাপারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা উচিত বলে আমি মনে করি''
-এড.মোঃ সলীমুল্লাহ খান
সূত্র: তথ্য ও ছবিগুলো ইন্টারনেট থেকে।
Photo

Post has attachment
আমার ছাত্র জীবনের শেষ প্রান্তে এই ছানাউল্লাহকে দেখে এসেছিলাম শিবিরের কোটবাড়ী শাখার সভাপতি, সালমানপুর গ্রামে লজিং থাকতেন কিন্তু পরে দেখলাম তিনি শিবিরের শহর শাখার সভাপতি, আমি ভাবলাম এটা শিবরের দ্বারাই সম্ভব একজন এ রকম লজিং ছাত্রকে সভাপতি বানিয়েছেন, যোগ্যতার মূল্যায়ণ হয়েছে, এরপর দেখি তিনি ভি.কলেজ সংসদের জি.এস. তারপর দেখলাম তিনি ''হারারী'' ব্র্যান্ডের কালো গাড়ী থেকে নামছেন, ভাবলাম কোন বড় চাকুরী করছেন, না পরে জানলাম তিনি মজুমদার গ্রুপ অফ কোম্পানীর মালিক, জিনিসটা কি, সরেজমিনে নিউজ পেলাম নদিয়াশাল এর মালিকের বউদের একজনের স্ত্রী আমার শিরিন খালা, তিনি বললেন যে তাদের পাশে একটি পাঁচতলা বিল্ডিং এর মালিক, আমার নিজের স্বভাবে অন্যকে নিয়ে এ রকম তথ্য নেয়ার আগ্রহ কখনো ছিলোনা এখনো নাই, তবে এই নিউজ দেখে আমার ধারনা বদ্ধমূল তিনি ছানাউল্লাহ শিবিরের ও জি.এস. এর সাইনবোর্ড ইউজ করে সাধারণ নিরিহ কর্মীদের এবং শত শত সাধারণ মানুষের নিকট থেকে এক লক্ষ থেকে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা আমানত বিনিয়োগ গ্রহন করেছেন, কৌশলটা পুরোপুরি প্রতারণা, যেমন বিশ্বরোডের পাশে, চকবাজার টু চৌয়ারা, মিয়ারবাজার যাইতে বিরাট সাইনবোর্ড বিজ্ঞাপন ''মজুমদার গ্রুপ''' এর, সাইনবোর্ড দেখলে যে কেউ মনে করবেন যে পিছনে যে শত শত বিঘার জায়গা দেখা যায় এটা মনে হয় মজুমদার গ্রুপেরই জায়গা, একটার নিউজ পেলাম যে সাইনবোর্ডটা যতবড় তার জায়গা শুধু ঐটুকুই, আরেকটার খবর পেলাম যে সাইনবোর্ডের জায়গাটা ভাড়া নিয়েছেন, কিন্তু লেখা আছে, ম্যাপ স্কেচ করা আছে, অর্থাৎ পিছনের হাজার বিঘা জমির প্রজেক্ট, হারারী, ফারারী ব্য্যান্ডের গাড়ীর মাহাত্ম হলো মানুষের নিকট নিজেকে বাড়িয়ে উপস্থাপন করা, সাধারণ কর্মী ও জনগন মনে করবেন উনার সাথে ৫/১০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করা যেতেই পারে, তার গাড়ীটার দামইতো প্রায় দুই কোটি টাকা, ইসলামের নামে প্রতারণা আরো ব্যথিত হলাম,
#মানুষ মনে করবে যে আহারে বিরোধী দলের তাই গ্রেফতার হলো কিন্তু তার ব্যাপার তো সম্পূর্ণ আলাদা,
1)তিনি প্রতারণার জন্য ধারা 420, নিজে যা নন তার পরিচয় প্রকাশ করা ধারা 419, বিভিন্ন জাল জালিয়াতি করে কাগজ পত্র তৈরী করা 364, অপরাধ মূলক বিশ্বাস ভঙ্গের জন্য ধারা 406, দন্ডবিধির এসব ধারার অপরাধ তিনি করেছেন, আর চেক দিয়ে টাকা ব্যাংক দিচ্ছেননা, এন.আই.এ্যাক্টের 138 ধারাও উনার জন্য প্রযোজ্য''
@#আমি তার এসব কর্মকান্ড দেখে বিস্মিত হলাম, আল্লাহ পাক হেদায়াত নসীব করুন''
Photo

Post has attachment
#শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ণে সরকারের বর্তমান পলিসি যেন লিটার ৪০ টাকা মূল্যে নির্ধারণ করে দাম ঠিক রেখে ৪০ টাকায়ই ৪ লিটার দেওয়ার নাম শিক্ষা উন্নয়ণ, যা হতে পারেনা''
#সম্পাদনায়
#এড. মোঃ সলীমুল্লাহ খান
একজন সদ্য ধনী হওয়া লোক সকালে ঘুম থেকে ওঠে নিজের বাড়ির বারান্দায় বসে বউয়ের সাথে খোশগল্প করছেন। বউ বলছেন – “দেখো, তোমারতো এখন মেলা টাকা পয়সা হয়েছে। এখন আর অতো কিপটামি না করে, পোলাপানদের পুষ্টির জন্য কিছু টাকা পয়সা খরচ করো। লটকার স্বাস্থ্য দেখছো। কি নাজুক অবস্থা। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন গোয়ালা দুধ নিয়ে যায়। অন্তত ১ লিটার দুধতো ওর কাছ থেকে প্রতিদিন কিনতে পারো।”
পিছন থেকে লটকা বলে ওঠলো – “মা, দুধ খাব।”
বউয়ের কথা কর্তার মনে ধরলো। বললেন – “গোয়ালা দেখলেই ডাক দিবা।”
পরের দিন সকালে গোয়ালা হাজির। কর্তা বললেন – “১লিটার দুধের দাম কতো?”
“আজ্ঞে, ৪০ টাকা।”
“ঠিক আছে। কাল থেকে প্রতিদিন সকালে ১ লিটার করে দুধ দিয়ে যাবা।”
“আচ্ছা” – বলেই গোয়ালা রওয়ানা দিলো।
কর্তা চিন্তা করলেন। ৪০ টাকায় ১ লিটার বলার সাথে সাথেই রাজি হয়ে গেলো। দেখিনা ৪০ টাকায় ২ লিটার দুধ দেয় কিনা।
গোয়ালাকে আবার ডেকে বললেন – “আচ্ছা, ৪০ টাকায় তুমি কি ২ লিটার দিতে পারবা?”
“জ্বি, তা পারবো।”
দুধ খেয়ে লটকার পুষ্টি বেশ যষ্টি হতে শুরু করেছে। লটকা পুষ্টিতে পরিপুষ্ট, কর্তা কত্রী দুজনেই বেশ তুষ্ট।
কিছুদিন পর কর্তা চিন্তা করলেন, ৪০ টাকায় ২লিটারে রাজি হয়ে গেলো। তাহলে ৩ লিটার দেয় কিনা চেষ্টা করে দেখি।
গোয়ালাকে বললেন – “এই তুমি কি ৪০ টাকায় ৩ লিটার দিতে পারবা?”
“জ্বি বাবু, তাও পারবো।”
কিন্তু দুধ খেয়ে লটকার পুষ্টি এবার আর তেমন বাড়েনা। খেলার মাঠে সামান্য ল্যাং খেলেই লটকা চ্যাং হয়ে ছিটকে পড়ে।
কর্তা চিন্তা করলেন, দুধের পরিমাণ আরেকটু বাড়াতে হবে। গোয়ালাকে বললেন – “৪০ টাকায় ৪ লিটার দিতে পারবা?”
“জ্বি আজ্ঞে, পারবো। তবে দুধে পুষ্টিতো দূরের কথা দুধের রঙই আর খুঁজে পাবেন না। সব জলরঙ হয়ে যাবে। এক লিটার দুধে আর কত জল মিশানো যায় বলেন?”
আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার অবস্থাও এরকম। শিক্ষকদের ওপর নির্দেশ আসলো পাশের হার ৬০ হবে। উনারা বললেন – “নো প্রবলেম।”
শিক্ষাকর্তা ৬০ – এ সন্তুষ্ট না। আরো বাড়াতে হবে।
অসুবিধা নাই। কত চান? ৭০, ৮০, ৯০, ৯৫, ৯৯%। চিন্তার কোনো কারণ নাই। A+কত চান? শত, হাজার, ১০ হাজার, ২০ হাজার, লাখ। নো প্রবলেম। হচ্ছে, হবে, হয়ে যাবে। যা চান, তাই সাপ্লাই দেয়া হবে।
শিক্ষাকর্তা বেজায় খুশী। পাশ আর পাশ। প্লাস আর A প্লাস।
এবার এই A প্লাস খাওয়া বাস্তব একটা পুষ্টির নমুনা দেই।
আমার কাজিন খুশীতে গদগদ হয়ে নাচতে নাচতে ফোন করলো – “ভাইয়া শুধু A+ না একেবারে গোল্ডেন A+ পেয়েছি।”
গোল্ডেন এ প্লাস নামক এই অদ্ভূত জিনিস পৃথিবীর আর কোথাও আছে কিনা আমার জানা নেই। বললাম – “ভালোইতো হলো। আমরা আগে পরীক্ষা দিলে মার্কস পেতাম। তোরা সোনা পাওয়া শুরু করেছিস। জমিয়ে রাখ, বিয়ের সময় কাজে লাগবে।”
মনে হয় একটু রেগে গেলো। বললো – “তুমি না শুধু ঢং করো।”
“আচ্ছা আর ঢং করবোনা।” বললাম – “ইংরেজিতে কত মার্কস পেয়েছিস।”
“তুমি না কিছুই বুঝোনা। বললাম না, গোল্ডেন A+ পেয়েছি। এর মানে বোঝ?”
“মানে বোঝারইতো চেষ্টা করছি। দেখি তোর Golden A+ এর নমুনা। বলতো, আমার একটা পোষা বিড়াল আছে এবং আমি আমার বিড়ালটিকে খাওয়াই – এর ইংরেজি কি?”
খিলখিল করে হেসে বললো – “এইটাতো একেবারে সোজা। এর চেয়ে কত কঠিন সৃজনশীল প্রশ্নের জবাব দিলাম। এটার ইংরেজি হবে – I am a cat and I eat my cat. গ্রামার ঠিক হয়েছে ভাইয়া?”
বললাম, “গ্রামারের আর দরকার কি? তোর নিজের গ্ল্যামার ঠিক রাখলেই হবে। তোকে কর্তার ছেলে লটকার সাথে বিয়ে দিবো। একটা জল মিশ্রিত দুধ খেয়ে খেলার মাঠে লটকে থাকে আর একটা শিক্ষার মাঠে নিজেই বিড়াল হয়ে বিড়াল খেতে থাকে।”

বড়ই নাজুক তাইনা। দুধ মনে করে পানি খাওয়ানো শিক্ষা ব্যবস্থাও নাজুক। আসলে দুধের পরিবর্তে বেড়েছে শুধুই জল, আর শিক্ষার মানের পরিবর্তে বেড়েছে শুধু পাশের সংখ্যা আর গাদা গাদা A+। একসময় আমরা যখন পাবলিক পরীক্ষা দিয়েছি, তখন মিষ্টির দোকানে লাইনে দাড়িয়ে মিষ্টি নিয়ে বাসায় ফিরতে হতো। আর এখন এক কেজি মিষ্টিও কোন পাবলিক পরীক্ষার রেজাল্টের পর বিক্রি হয় না। তাইতো এক মিষ্টি ওয়ালা আক্ষেপের শুরে তার ছেলের কাছে জানতে চাইছিল কোন এক পাবলিক পরীক্ষার রেজাল্টের পর “তোগো পড়া লেখার দোষ, না মোর মিষ্টির দোষ কতো। আগেতো মুই দুই দিন আগে থাক্কা মিষ্টি বানাইয়া রেজাল্টের দিন লাইন ধইরা ব্যাচতাম। এখন আর রেজাল্টের পর এক কেজিও মিষ্টি ব্যাচতে পারিনা”।
তারপরও যারা ভাল শিক্ষা নিয়ে ভাল রেজাল্ট করে পাশ করেছো তোমাদের জন্য অনেক শুভকামনা। আর যারা A+ অথবা গোল্ডেন A+ পেলেনা বলে মনে দুঃখ পাচ্ছো। কোনো দুঃখ পেয়োনা। এটাই জীবনের শেষ পরীক্ষা নয়। জীবনটা অনেক বড়। একটা সার্টিফিকেটই জীবনের সবকিছু না।
#সম্পাদিত
Photo

Post has attachment
আল্লামা শফি হুজুর বাংলাদেশের বর্তমান প্রক্ষাপটে একজন শীর্ষস্থানীয় আলেমে দ্বীন এ ব্যাপারে আমার কোন বক্তব্য নেই, গতকালের একটা নিউজ ''ড. তুহিন মালিক সাহেব শেয়ার করে ঐক্য হয়েছে বলে তুষ্টি প্রকাশ করেছেন, কিন্তু দেখা গেছে সেখানে চরম বিতর্কিত ফরিদ উদ্দিন মাসুদের উপস্থিতি দেখা গেছে, তাহলে এখানে ঐক্যটা কি ইসলামের প্রতি কি ইতিবাচক, আমার কেন, দেখলাম 01% পাঠকেরও কোন কিছু বুঝে আসে নাই বলে বক্তব্য রেখেছেন, নাম না বলে যে কোন একটা ইসলামিক গ্রুপকে মুনাফিক বললেন, তাহাও লক্ষ্য করার মতো, ইসলামের ঐক্য বলতে কি, কেন আর কিভাবে তাহা খোলাসা হওয়া একান্ত আবশ্যক, জনাব ড. তুহিন মালিক সাহের একটি পোষ্টও দরকার, ভেবে দেখবেন''
Photo

Post has attachment
একজন রিক্সা চালকের জীবন থেকে নেয়া'' #শিক্ষণীয় গল্প
#কালেক্টেড
রিক্সা চালাই। বিয়ে করেছিলাম
আজ থেকে এক বছর আগে।আমার মতই এক
গরীবের মেয়েকে বউ করে এনেছিলাম আমি।
,
অভাবের সংসারটা খুব সুন্দর করে সাজিয়ে
নিয়েছিলো ও।বুঝতে পারি বউ আমায় খুব ভালবাসে।
আমি যখন রিকশা নিয়ে বাড়ি ফিরি,ও আমার জন্য
গোছলের পানি তুলে দেয়।মাঝেমাঝে আমিও
অবশ্য তুলে দেই।
বাড়িতে কারেন্ট নাই,খেতে বসলে ও পাখা দিয়ে
বাতাস করে।
গরমের রাতে দুজনে অদল বদল করে পাখা দিয়ে
বাতাস করি,ভবিষ্যৎটাকে সাজানোর গল্প করি দুজনে।
গল্প করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে যেতাম
বুঝতে পারতামনা।
,
রিক্সায় বড়বড় সাহেবরা তাদের বউকে নিয়ে উঠত।
দুজনে মিলে অনেক গল্প করত।
সাহেবদের কাছে শুনতাম তারা যেদিন বিয়ে
করেছে সেদিন আসলে তারা নাকি অনুষ্ঠান, পার্টি না
কি জানি করে ।এই সব আমার জানা নেই।
যখন শুনতাম আমারো ইচ্ছে করত বউকে একটা
শাড়ী কিনে দিতে।বউকে যে খুব ভালবাসি আমি।
কিন্তু পারিনা।অভাবের সংসার, দিন আনি দিন
খাই।তাই একটা মাটির ব্যাংক কিনেছিলাম।ওটাতে রোজ
দু'চার টাকা করে
ফেলতাম।
,
দেখতে দেখতে অভাবের সংসারে আজ একটা
বছর হয়েগেল।
আজ সকালে
রিক্সা নিয়ে বের হবার আগে বউ যখন রান্না ঘরে
গেল তখন বউকে না জানিয়ে লুকিয়ে রাখা মাটির
ব্যাংকটা বের করে ভেঙ্গে দেখলাম সেখানে
প্রায় ৪৮০ টাকা হয়েছে।
বাসা থেকে বের হবার আগে বউকে বলেছিলাম,
আজ বাড়িতে ফিরতে দেরী হবে।
বউ মাথা নাড়ে,বলে ভালো কইরা থাকবেন।
চলেগেলাম রিকশা নিয়ে।
সারাদিন রিক্সা চালিয়ে সন্ধ্যা সাতটায় মার্কেটে
গিয়েছিলাম
বউয়ের জন্যে একটা শাড়ী কেনার জন্য।
আজরাতে বউকে দিব।
,
ঘুরে ঘুরে অনেক শাড়ীই দেখছিলাম,পছন্দ হয়
কিন্তু দামের জন্য বলতে পারিনা।
অবশেষে দোকানীকে বললাম,
--ভাই এই কাপড়টার দাম কত?
--১৫০০ টাকা।
আমার কাছে তো আছে মাত্র ৪৮০ টাকা।তাই ফিরে
আসলাম। মার্কেট থেকে বের হয়ে
বাহিরে বসে থাকা দোকানদারদের থেকে ৪৮০
টাকায় একটা শাড়ী কিনে নিয়ে বাড়িতে চলে আসি।
মাঝেমধ্যে ভাবি,এই দোকান গুলো যদি না
থাকত,তাহলে কত কষ্ট হত আমাদের মত গরিবদের।
ফুরফুরে মেজাজে বাড়িতে ঢুকলাম।
অনেকদিন পর বউকে কিছু একটা দিতে
পারব,ভাবতেই বুকটা খুশিতে ভরে উঠছে বারবার।
,
রাতে খেয়ে ঘুমিয়ে পরার ভান করে শুয়ে আছি।
বারটা বাজার
অপেক্ষায় চোখ বন্ধ করে আছি।
কল্পনার জগতে ভাসছিলাম,বউকে দেবার পর
বউ কি বলবে?কতটা খুশি হবে?
__
রাত বারটা বেজে গেল।বউকে ডেকে
তুললাম।
ডেকে তুলে বউয়ের হাতে
শাড়ীটা তুলে দিয়ে
বললাম, বউ আজ আমাদের বিবাহ বার্ষিকী।আজকের
তারিখে তুমি আমার এই কুড়ে ঘরটাতে এসেছিলে।
আমার পক্ষথেকে তোমার জন্য এই ছোট্ট
উপহার।
বউ শাড়িটা বুকে জড়ায়,চোখ দিয়ে পানি ঝরতে
থাকে ওর।
তারপর উঠে গিয়ে ট্রাঙ্কটা খুলে শাড়িটা রেখে
দেয়।
তারপর কি যেন বের
করে।
আমি উকি মেরে দেখার চেষ্টা করেও দেখতে
পাইনা।
বউ ট্রাঙ্কটা বন্ধ করে আমার হাতে
একটা লুঙ্গি দিল।কিছুটা অবাক হয়ে গেলাম আমি। কারন
টাকা পেল কোথায়? জিজ্ঞাসা করলাম,
--টাকা পেলে কোথায় তুমি?
--অনেকদিন আগে থেকে প্রত্যেকদিন একমুঠ
করে চাল খাবারের চাল থেকে আলাদা করে
জমিয়ে রাখতাম।জমিয়ে জমিয়ে কিছুদিন আগে
পাশের বাসার ভাবির কাছে বিক্রি করে দিছি।সেই টাকা
দিয়ে লুঙ্গি কিনছি।ভাবছিলাম আজকে দিব, আপনি তো
এসেই ঘুমিয়ে পরলেন।তাই ঠিক করছিলাম কাল
সকালে দিবো।
আমি কিছু বলতে পারলামনা।শুধু লুঙ্গিটা
উল্টিয়েপাল্টিয়ে
দেখছিলাম।
তারপর বললাম,শুনছি বড় সাহেবরা নাকি বিয়ের দিন
তারিখে কেক কাটে।
বউ বলে,আমাদের কি অত টাকা আছে?
--বাসায় মুড়ি আছে।
--আছে।
--যাও সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি নিয়ে এসো।সাথে
একটা কাঁচামরিচ
আর একটা পিয়াজ আনিও।
--আচ্ছা দাড়ান আনতেছি।
টিনের ফাক আর জানালা দিয়ে চাঁদের আলো
আসতেছে।দুজন জানালার পাশে বসে মুড়ি খাচ্ছি,
আমাদের প্রথম বিবাহ বার্ষিকী পালন করছি
__
ছোট ছোট গিফট আর অফুরন্ত ভালবাসায় বেঁচে
থাকুক আমাদের মত রিকশা ওয়ালাদের জীবন।

#একজন_রিকশা_চালকের_গল্প
#collected

বেচে থাকুক ভালোবাসা :)
Photo

Post has attachment
ছেলে সন্তানের অবর্তমানে সম্পত্তিতে মেয়ের উত্তরাধিকার

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০১৬''

জনাব আজমল হোসেন মারা যাওয়ার সময় স্ত্রী, এক মেয়ে এবং এক ভাই রেখে যান। মুসলিম আইন অনুসারে তার মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তির অর্ধেক তার মেয়ে এবং এক-অষ্টমাংশ পাবেন তার স্ত্রী।

সে হিসেবে পুরো সম্পত্তির আট ভাগের পাঁচ ভাগ এ দুজনের মধ্যে বণ্টন হওয়ার পর বাকি আট ভাগের তিন ভাগ আসাবা হিসেবে পেয়ে যাবেন আজমল সাহেবের ভাই। পক্ষান্তরে আজমল সাহেব যদি মারা যাওয়ার সময় স্ত্রী, ভাই এবং এক মেয়ের সঙ্গে একজন ছেলে সন্তানও রেখে যেতেন, সে ক্ষেত্রে সম্পত্তি বণ্টনের হিসাব-নিকাশ অন্যরকম হয়ে যেত।

এ অবস্থায় স্ত্রী এক-অষ্টমাংশ নেয়ার পর বাকি আট ভাগের সাত ভাগ তার ছেলে-মেয়ের মধ্যে ২:১ হারে বণ্টিত হয়ে যেত এবং আজমল সাহেবের ভাই সম্পত্তিতে কোনো অংশ পেতেন না। এর অর্থ হলো আজমল সাহেবের মৃত্যুর পর তার ছেলে না থাকলে সম্পত্তির বড় একটা অংশ পরিবারের বাইরে অর্থাৎ তার ভাইয়ের কাছে চলে যাচ্ছে।

পক্ষান্তরে মৃত্যুকালে ছেলে রেখে গেলে তার এ সম্পত্তি পরিবারের বাইরে যাচ্ছে না। ইসলাম একটি কমিউনিটিভিত্তিক জীবনব্যবস্থা, যেখানে পরিবারের চেয়ে সমাজ কিংবা কমিউনিটির স্বার্থ বেশি দেখা হয়। এ কারণে পারিবারিক গন্ডির বাইরেও কাউকে কাউকে সম্পত্তি দেয়া হয়ে থাকে। কমিউনিটিভিত্তিক সমাজব্যবস্থায় আজমল হোসেনের মৃত্যুর পর তার কোনো ছেলে সন্তান না থাকায় তার স্ত্রী এবং মেয়ের দেখাশোনার নৈতিক দায়িত্ব তার ভাইয়ের ওপর বর্তায় বলে মুসলিম আইনে আজমল সাহেবের ভাইকেও সম্পত্তির কিছু অংশ দেয়া হয়েছে।

কিন্তু সমস্যা হলো, আজকের সমাজ আর কমিউনিটিভিত্তিক নেই বরং পরিবারকেন্দ্রিক। এখন প্রতিটি পরিবার অন্য পরিবার থেকে স্বতন্ত্র; যে কারণে সম্পত্তি অর্জন কিংবা দেখভালের জন্য পরিবারের বাইরের সদস্যরা যেমন উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা রাখে না আবার আজমল সাহেবের ঘটনার মতো মৃত্যুর পর মৃতের স্ত্রী-কন্যাকে দেখাশোনার ব্যাপারেও পারিবারিক গন্ডির বাইরে চাচা-ফুফুদের মতো আত্মীয়রা খুব একটা দায়িত্ব নেয় না।

পরিবারগুলোর এই স্বতন্ত্রতা এবং এককেন্দ্রিকতা এখন একটি কঠিন বাস্তবতা। সুতরাং, এ রকম সমাজব্যবস্থায় পুত্রের অবর্তমানে মৃতের নিকটতর কন্যাসন্তানকে বাবার পুরো সম্পত্তি প্রদান না করে তুলনামূলকভাবে দূরবর্তী আত্মীয় চাচা-ফুফুদের কাছে সেই সম্পত্তি হস্তান্তর করায় এক অসম পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। মুসলিম পারিবারিক আইনের আওতায় এর দুই ধরনের প্রতিকার সম্ভব। প্রথমটি হলো পুত্রসন্তানের অনুপস্থিতির কারণে যে অংশটুকু পরিবারের বাইরে চলে যাওয়ার কথা, সেটুকু অংশ পিতা তার জীবদ্দশায় কন্যাসন্তানের অনুকূলে উইল করে দিয়ে যেতে পারেন। আর দ্বিতীয় উপায়টি হলো জীবদ্দশায় কন্যাসন্তানকে সেই অংশটুকু হেবা করে দিতে পারেন।

তবে এ দুই উপায়েই বিশেষ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার সম্পত্তিতে যারা নির্ধারিত অংশ পাবেন, তাদের উইল করতে হলে যার অনুকূলে উইল করা হবে, তার সহ-শরিকদের মতামত গ্রহণ করতে হয়। সে হিসেবে কন্যা যেহেতু পিতার সম্পত্তিতে নির্দিষ্ট অংশ পেয়ে থাকে, তার অনুকূলে সম্পত্তি উইল করতে হলে পিতাকে অন্য সহ-শরিকদের সম্মতি গ্রহণ করতে হবে; যা বাস্তবে বেশ কঠিন ব্যাপার। আবার জীবদ্দশায় কন্যাসন্তানের অনুকূলে হেবা বা সম্পত্তি দান করারও একটা ঝুঁকি রয়েছে।

হেবা সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয় বলে হেবা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই তার মালিক হয়ে যায় হেবাগ্রহিতা। এখন সম্পত্তি যদি বাবা-মা তার মেয়ের অনুকূলে হেবা করে দেন, সে ক্ষেত্রে বাবা তার জীবদ্দশায় অনিরাপদ বোধ করতে পারেন, কারণ সম্পত্তি তখন আইনগতভাবে আর তার মালিকানায় থাকে না। সম্পত্তিহীনভাবে বাকি সময়টা মেয়ের গলগ্রহ হয়ে পড়ে থাকার ঝুঁকি তাই কোনো বাবা-মা নিতে চান না। সমস্যা সমাধানে কী করা যেতে পারে?

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান, পারিবারিক আইন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শাহনাজ হুদা গুরুত্বপূর্ণ অভিমত দিয়েছেন। সমস্যার চারটি সম্ভাব্য সমাধান উল্লেখ করেছেন তিনি। তার মতে, পুত্রসন্তানের অনুপস্থিতিতে কন্যাসন্তানদের অবশিষ্ট সম্পত্তি প্রদানের ক্ষেত্রে ইসলামী আইনের আওতার ভেতর থেকেই ইজতিহাদের (গবেষণা) মাধ্যমে সমাধান বের করার চেষ্টা করতে হবে এবং সে অনুসারে আইন প্রণয়ন করা যেতে পারে। তিউনিসিয়ায় বহুবিবাহ নিষিদ্ধ এবং ইন্দোনেশিয়ায় কন্যাসন্তানের উত্তরাধিকার অংশ বৃদ্ধিতে যেভাবে ইজতিহাদ করা হয়েছে, তার উদাহরণ টানেন তিনি।

দ্বিতীয়ত সম্পত্তি উইল করার ক্ষেত্রে যে সীমাবদ্ধতাগুলো রয়েছে, সেগুলো দূর করা যেতে পারে। তার মতে, জীবদ্দশায় যেহেতু একজন ব্যক্তি পুরো সম্পত্তি হেবা করে যেতে পারেন, সেহেতু মৃত্যুর পরও পুরো সম্পত্তি উইল করার ব্যাপারে তার ক্ষমতা থাকা উচিত। এ ক্ষেত্রে এক-তৃতীয়াংশ উইল করা এবং উইল করতে হলে উত্তরাধিকারীদের সম্মতি গ্রহণসংক্রান্ত বাধ্যবাধকতাগুলো শিথিল করা উচিত বলে তিনি মনে করেন। তাতে করে জীবদ্দশায় কন্যাসন্তানকে প্রয়োজনীয় অংশ উইল করে যেতে পিতার জন্য কোনো বাধা থাকত না।

তৃতীয়ত জীবনস্বত্ব রেখে হেবা করার বিধান প্রণয়ন করা যেতে পারে। অর্থাৎ এমন হেবার ব্যবস্থা রাখা, যেখানে সম্পত্তির ওপর হেবাকারী জীবনস্বত্ব ভোগ করবেন এবং তার মৃত্যুর পর এ সম্পত্তি চূড়ান্তভাবে তার কন্যাসন্তানের কাছে চলে যাবে। এতে মৃত্যু ঘটা না পর্যন্ত হেবাকারী তার সম্পত্তির যাবতীয় ব্যবস্থাপনা করবেন এবং সম্পত্তি থেকে অর্জিত আয় নিজে ভোগ করতে পারবেন। চতুর্থত মিসরসহ বিভিন্ন মুসলিম দেশে বাধ্যতামূলক যে অসিয়তের বিধান রাখা হয়েছে, তাও চালু করা যেতে পারে।

এতে করে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর পুত্রসন্তানের অবর্তমানে তার কন্যাসন্তানরা নির্ধারিত অংশ গ্রহণের পর অবশিষ্ট অংশ বাবার অসিয়তের আলোকে গ্রহণ করবে। এ ক্ষেত্রে বাবা যদি অসিয়ত নাও করে থাকেন, তবুও ধরে নেয়া হবে যে তিনি অসিয়ত করে গেছেন। পুত্রের অবর্তমানে কন্যাকে মৃত পিতার অবশিষ্ট সম্পত্তি প্রদান করে আইন প্রণয়নের ব্যাপারে বাংলাদেশ আইন কমিশন বেশ আগেই সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে। কমিশনের দাবি, ইসলামী নীতির মধ্যে থেকেই এভাবে আইন প্রবর্তন করা সম্ভব।

এ প্রসঙ্গে তারা ইন্দোনেশিয়ার সর্বোচ্চ আদালতের একটি রায়কে উল্লেখ করেছে। ইন্দোনেশিয়ার আদালত ছেলে সন্তানের অনুপস্থিতিতে মেয়ে সন্তানকে মৃত পিতার উত্তরাধিকার সম্পত্তির অবশিষ্টাংশ প্রদানের পক্ষে রায় প্রদান করেছেন। রায়ে যুক্তি দিয়ে বলা হয়েছে, সূরা নিসার ১৭৬ নাম্বার আয়াত অনুসারে নিঃসন্তান ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি জীবিত ভাই-বোনের কাছে চলে যায়। এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, মৃতের সন্তান-সন্ততি না থাকলে তবেই সম্পত্তি মৃতের ভাই-বোনদের কাছে চলে যাবে।

সুতরাং মৃতের সন্তান থাকলে তার ভাই-বোনেরা সেই সম্পত্তিতে অংশ পাবে না, সেটিই এ আয়াত থেকে সাব্যস্ত হয়। নিঃসন্তান ব্যক্তি বলতে বর্তমানে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়, যার ছেলে সন্তান নেই; অথচ কোরআন শরিফে সন্তান বলতে পুরুষবাচক কোনো শব্দ উল্লেখ করা হয়নি। সে হিসেবে একজন মেয়ে সন্তান থাকলেও মৃতের সম্পত্তি তার ভাই-বোনদের কাছে যাবে না বলেই এ আয়াত থেকে সাব্যস্ত করা সম্ভব। সুতরাং, মৃতের ছেলে সন্তানের অবর্তমানে যে সম্পত্তি বর্তমানে মৃতের ভাই-বোন বা দূরের কোনো আত্মীয়ের কাছে চলে যাচ্ছে, তা কন্যাসন্তানের অনুকূলে প্রদান করে বিশেষ আইন করার পক্ষপাতী বাংলাদেশ আইন কমিশন।

পুত্রসন্তানের অবর্তমানে কন্যাসন্তানের কাছে পুরো সম্পত্তি না গিয়ে মৃতের তুলনামূলক দূরবর্তী আত্মীয়ের কাছে সম্পত্তি চলে যাওয়ার এ ধারণা কি কোরআন শরিফে নির্দিষ্টভাবে বর্ণিত আছে? এ ব্যাপারে ইসলামী উত্তরাধিকার আইন বিশেষজ্ঞ মো. ইমদাদুল্লাহ বলেন, কোরআন শরিফে কেবল নারীদের নির্দিষ্ট অংশ দেয়া হয়েছে। সূরা নিসায় পুত্রসন্তানের অবর্তমানে কন্যাসন্তানদের জন্য উত্তরাধিকার সম্পত্তির সর্বোচ্চ দুই-তৃতীয়াংশ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

কিন্তু পুত্রসন্তান না থাকলে কন্যাসন্তানকে নির্ধারিত অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তি কোথায় যাবে, সে ব্যাপারে কোরআন শরিফে স্পষ্ট কিছু বলা নেই। মূলত হাদিসের মধ্য দিয়ে এ বিধান সাব্যস্ত হয়েছে, যেখানে দূরবর্তী আত্মীয়দের অধিকারও স্বীকৃত হয়েছে। পুত্রসন্তানের অবর্তমানে কন্যাসন্তানকে অবশিষ্ট সম্পত্তি প্রদান করে কোনো আইন প্রণয়নের ব্যাপারে আপত্তি প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর মতে, এ ধরনের আইন কোরআন-হাদিস পরিপন্থী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এর চেয়ে বরং ইসলামী আইনের আওতার ভেতর থেকেই এর সমাধান করা সম্ভব। তার মতে, বাবা-মা যদি বুঝতে পারেন যে তাদের মৃত্যুর পর পরিবারের বাইরের সদস্যরা (যাদের উত্তরাধিকার সম্পত্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে) কন্যা সন্তানদের প্রতি যথাযথ দায়িত্ব পালন করবেন না, সে ক্ষেত্রে তারা জীবদ্দশায় তাদের মেয়ে সন্তানের অনুকূলে সম্পত্তি হেবা করে যেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে জীবনস্বত্ব রেখে মেয়েদের সম্পত্তি হেবা করা হলে তা ইসলামী আইনের পরিপন্থী হবে না বলে মত দেন মো. ইমদাদুল্লাহ।

Photo

Post has attachment
#ও.আই.সি নাকি ''ওো আই সি'' O I See?
মানবতার চরম বিপর্জয় ঘটিয়ে চলেছে মায়ানমার তাদের দেশের মুসলিমদের উপর, প্রতিদিন ছবি আসে দেখি এমন কোন কায়দা বাকি নাই নির্যাতনের, মুসলিম এবং আলাদা ভাষা ও জাতিস্বত্বার অধিকারী এই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর, কোথায় মানবাধিকার কমিটি, কোথায় জাতিসংঘ, কোথায় ও,আই,সি, কতো একপেশে চরিত্রের অধিকারী আমরা এই গ্রহের মানব জাতি?
Photo

Post has attachment
রাজনীতি বিশেষ করে সরকারী দলের নারায়ণগঞ্জের সিটি নিরাবচনের খবর এখন হেড লাইনে তার থেক বেশী হেড লাইনে ভাই-বোনের রাজনৈতিক প্রেম, ত্বকির বাবা ত্বকি মঞ্চের নেতা আইভির শাড়ী গ্রহন করছেন, প্রষ্টিটিউট বলে এখন বোন ডাকছেন, মুখে ফেণা তুলে চলেছেন, এম,পি পোষ্ট সেক্রিফাইস করতেও রাজি, তাই এই বিচিত্র ''ভাই বোনের ভালবাসার যেন প্যাকেজ চলছে, ডিসকাউন্ট সমেত''
Photo

Post has attachment
বাংলাদেশ নাকি গনতন্ত্রের রোল মডেল, তাই দেখা যায় বাংলাদেশের মিডিয়া রোল মডেল হিসাবে বিশ্ব মিডিতেও এর প্রভাব লক্ষ করা যাচ্ছে''
Photo
Wait while more posts are being loaded