Computer Tips
Post No: 04.
[উইন্ডোজ 7 ফোল্ডারের পাসওয়ার্ড]

প্রবিটি ®→
সফটওয়্যার ছাড়াও ফোল্ডারের পাসওয়ার্ড (গোপন নম্বর) দেওয়া যায়। সে জন্য-
যে ফোল্ডারটির পাসওয়ার্ড দিতে হবে, সেই ফোল্ডারের উপর মাউস পয়েন্টার রেখে ডান বাটনে ক্লিক করতে হবে৷
®→ এবার Send to অপশনের Compressed (Zipped) Folder এ ক্লিক করতে হবে।
এতে ফোল্ডারটি Zip Folder হবে।

®→ এখন এই Zip Folder এ মাউস পয়েন্টার রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে এবং Open with এর Compressed (Zipped) Folder এ ক্লিক করতে হবে।

®→ এবার নতুন যে উইন্ডোটি আসবে, সেখানে যে কোনো খালি জায়গায় মাউস পয়েন্টার রেখে মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে Add a password এ ক্লিক করতে হবে।
এরপর Password এবং Confirm password বক্সে একই গোপন নম্বর দিয়ে OK করতে হবে।
তারপর ফোল্ডার Open করলে password হয়ে গেছে।

বিঃদ্রঃ উক্ত পাসওয়ার্ডকৃত ফোল্ডারটির ভিতরে থাকা ফাইল গুলো দেখতে হলে বা অপেন করতে হলে প্রথমে পাসওয়ার্ড দিয়ে ফোল্ডারটি অপেন করে, এরপর ফোল্ডারটি unzip করতে হবে, তাহা একাই নিয়মে যাহা মাউসে ডান বাটান ক্লিক করে৷

Facebook Tips
Post No: 04.
[ম্যাজিক কোড]

প্রবিটি ®→
০১৷ ফেসবুকে ব্ল্যাংক বা খালি বা ফাঁকা Comment করার জন্য, নিচের কোডটি Comment এর ঘরে বসায়ে, এরপর অত্র কোডটি থেকে প্লাস (+) টি Delete করে এরপর Comment পোষ্ট করতে হবে।

@@+[1:[0:1: ]]

বিঃদ্রঃ অত্র কোডটিতে শেষ দুই থাট ব্যরাকেটের আগে একটি Space দিয়া আছে৷ এছাড়া আর কোন Space দেয়া যাবে না৷

০২৷ ফেসবুকের জনক এর নামটি পোষ্ট বা Comment করার জন্য, নিচের কোডটি Comment এর ঘরে বসায়ে, এরপর Comment পোষ্ট করতে হবে।

@র[4:]

বিঃদ্রঃ অ়ত্র কোডটির মাঝে একটি "র" অক্ষর দেয়া আছে, ঐ "র" টি পোষ্ট বা Comment পোষ্ট করার সময় দেয়া যাবে না৷ এছাড়া কোন Space ব্যবহার করা যাবে না৷

Facebook Tips
Post No: 06.
[প্রোফাইল ফটো ক্লিক অযোগ্য]

প্রবিটি ®→
০১৷ প্রথমে ফেসবুকে লগিন করে, Photo Album -এ যায়তে হবে।

০২৷ Photo album থেকে Profile Photo Album এ প্রবেশ করতে হবে।

০৩৷ এবার Profile Photo গুলোর মাঝে যে ফটোটি ক্লিক অযোগ্য করা হবে, সেটি ক্লিক করে এর Privacy অপশনটি Only Me সিলেক্ট করে দিতে হবে। এছাড়াও চাইলে ইচ্ছা মত করে এটির Privacy ঠিক করতে Custom অপশন যায়তে হবে।

Facebook Tips
Post No: 08.
[Tag Remove]

প্রবিটি ®→
প্রতি নিয়ত বন্ধুরা ফেসবুকে Tag করে থাকে, আর ঐ সব Tag Post গুলো Delete করতে হলে যথা,

০১৷ প্রথমে ফেসবুকটি Login করে, Profile থেকে Timeline যায়তে হবে৷

০২৷ এরপর নিজের Post বা Share Post গুলো ব্যতীত বন্ধুদের Tag Post গুলো খুজে বাহির করে, ঐ Tag Post এ ক্লিক করে Open করতে হবে।

০৩৷ এরপর Tag Post টির নিচে Report/Remove Tag আছে, সেখান থেকে Remove Tag এ Click করতে হবে। এখন Remove Option আসবে৷

০৪৷ এরপর Remove এ ক্লিক করলে Tag Post Delete হবে৷

বি:দ্র: এই ভাবে Tag Post গুলো একটি একটি করে Delete করতে হবে৷ তবে JavaScript Code দিয়ে সকল Tag Post গুলো এক সাথে Delete করা যায়৷

বি:দ্র: Facebook ID তে অবান্চিত Tag Post গুলো Delete না করলে, ফটোভেরিফিকেশন চাইতে পারে ও Facebook Block হয়ে যায়৷ Photo Tag Post গুলো Delete না করার কারনে, ফটোভেরিফিকেশন চাওয়ার প্রধান কারণ হয়ে দাড়ায়৷

Facebook Tips
Post No: 10.
[Fail Messages]

প্রবিটি ®→
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বা ফেসবুক বন্ধুরা বা ফেসবুকে Friends List এ না থাকা বন্ধুরা,
ফেসবুকে মেসেজ পাঠায়, কিন্তু অনেক সময় ঐ মেসেজটি পাওয়া যায় না৷ এমন মেসেজটা দেখতে হলে যথা,

®→ যে কোন Browser থেকে ফেসবুক আইডি Login করতে হবে৷ এরপর Messages এ ক্লিক করে, View Filtered Messages এ গেলেই ঐ না পাওয়া মেসেজটা দেখা যাবে৷

Computer Tips
Post No: 02.
[কম্পিউটারের বিভিন্ন টুকিটাকি]

প্রবিটি ®→
০১৷ স্টান্ডার্ড টুলবার:
মেনুবারের নীচে বিভিন্ন প্রতীক সম্বলিত বারকে স্টান্ডার্ড টুলবার বলে। প্রতিটি প্রতীক বা আইকনকে এক একটি টুল বলা হয়। মেনু সিলেক্ট করে প্রয়োজনীয় কমান্ড না দিয়ে সরাসরি টুলবারের আইকন ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদন করা যায়। এতে সময়ও কম লাগে।

০২৷ টেক্স ফর্মেটিং টুলবার:
টুলবারের নীচের সারিতে বিদ্যমান বারটিই  টেক্স ফর্মেটিং টুলবার। এতে বিদ্যমান অপশন গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ব্যবহার করে ফন্ট পরিবর্তন, ফন্ট ছোট বড় করা, বোল্ড করা, আন্ডার লাইন করা, ইটালিক, এলাইনমেন্ট নির্ধরণ করা সহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা যায়।

০৩৷ রুলার:
ফর্মেটিং টুলবারের নীচে স্কেল এর ন্যায় বারকে রুলার বলে। রুলার বিভিন্ন পরিমাপের জন্য অনেক গুরুত্ব বহন করে।

০৪৷ স্ট্যাটাস বার:
পর্দার একেবারে নীচে Page-1, see, At  ইত্যাদি লেখা বারকে স্ট্যাটাস বার বলে৷ Page-১ দ্বারা কার্সর ১ নং পাতায় আছে বোঝাচ্ছে।

০৫৷ ড্রইং বার:
স্ট্যাটাস বার এর উপরে Draw, Autoshapes ইত্যাদি লেখা সহ বেশ কিছু সংখ্যক আইকন সম্বলিত বারকে ড্রইং বার বলে। বিভিন্ন ড্রইং এর কাজ সহজ করতে এই বারের প্রয়োজনীয় আইকন ব্যবহার করা হয়৷

০৬৷ স্ক্রল বার:
পর্দার নীচে ডানে ও বামে এবং পর্দার ডান পাশে উপরে ও নীচে ছোট তীর চিহ্নিত মধ্যবর্তী বারকে স্ক্রল বার বলে। এর সাহায্যে লেখার সীট বা চলতি প্রোগ্রামকে উপরে-নীচে ও ডানে-বামে সরানো যায়।

০৭৷ মাউস পয়েন্টার:
কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত অনেকটা ইঁদুরের মত দেখতে ডিভাইসটির নাম মাউস। কম্পিউটার ওপেন করলেই পর্দার উপর একটি এ্যরো বা তীর চিহ্নিত দেখা যায়। মাউস নাড়ালে তীর চিহ্ন নড়া চড়া করে৷ কম্পিউটারের ভাষায় এই এ্যারো বা তীর চিহ্ন কে মাউসের পয়েন্টার বলা হয়। একে ব্যবহার করে কম্পিউটারকে বিভিন্ন কমান্ড করা হয়। মাউসের পয়েন্টার সব সময় এ্যারো চিহ্নের মত দেখায় না কার্যেক্ষেত্রে ইহা বিভিন্ন আকৃতি ধারন করে।

০৮৷ ক্লিক করা:
মাউসের বাম অথবা ডান পাশের বোতাম চেপে কমান্ড করাকে ক্লিক করা বলে। একবার চাপলে সিঙ্গেল কিক, দুইবার চাপলে ডবল ক্লিক বলে।

০৯৷ ড্রাগ করা:
ড্রাগ করা অর্থ হলো ক্লিক করে মাউসের বোতাম চেপে রেখে উপরে–নীচে, ডানে-বামে বা প্রয়োজন মত স্থানে ছেড়ে দেওযাকে ড্রাগ করা বা মুভ করা বলে।

১০৷ কন্ট্রোল বক্স:
টাইটেল বারের বাম পাশে W চিহ্নিত আইকন বা চিত্রকে কন্ট্রোল বক্স বলে। সরাসরি এটার উপর ক্লিক করে বা Alt+Spacebar চাপলে একটি মেনু ওপেন হয়। এ মেনুকে কন্ট্রোল মেনু বলে। এ মেনুস্থ বিভিন্ন অপশন সমূহ নির্বাচন করে পর্দায় উইন্ডো প্রদর্শন নিয়ন্ত্রন করা যায়। যেমন,
৹ Restore
নির্বাচন করলে ইতিপূর্বে কোন পরিবর্তন করে থাকলে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে৷
৹ Move
নির্বাচন করে F1 কী চেপে মাউস পয়েন্টার মুভ করায়ে উইন্ডো স্থানাস্তর করা যায়।
৹ Size
নির্বাচন করে উইন্ডোর বর্ডার লাইনের মাঝে মাউস পয়েন্টার নিয়ে চেপে ধরে বাড়িয়ে বা কমিয়ে বক্সে একবার ক্লিক করলে কন্ট্রোল মেনু ওপেন হবে, কিন্তু ডবল ক্লিক করলে তা বন্ধ হয়ে যাবে৷

১১৷ Control Toolbox:
মেনু বারের View মেনুস্থ Toolbars এর মধ্যে প্রবেশ করে Control Toolbox এ টিক দিয়ে ওকে করলে পর্দার বামপাশে একটি বক্স চলে আসবে কম্পিউটারের ভাষায় এটাকে Control Toolbox বলে। ব্যবহার পদ্ধতি Menu Bar> View> Toolbars> Control Toolbox> Ok

১২৷ Dialog Box:
উইন্ডোজে বিভিন্ন মেনুস্থ অপশন সিলেক্ট করলে পর্দায় বিভিন্ন তথ্য সম্বলিত একটি বক্স প্রদর্শিত হয়, কম্পিউটারের ভাষায় উহাই ডায়ালগ বক্স নামে পরিচিত। কোন কাজের জন্য উইন্ডোজে বাড়তি কোন তথ্যের প্রয়োজন হলে ডায়ালগ বক্স ওপেন হয়। ডায়ালগ বক্সে বিভিন্ন অপশনে মাউস পয়েন্টার নিয়ে ক্লিক করে অথবা ট্যাব কী চেপে কোন অপশনে গিয়ে এন্টার কী চাপলে অপশনটি কার্যকর হয়। কোন অপশনের নামের কোন অর আন্ডার লাইন করা থাকলে Alt কী চেপে ধরে চাপলে অপশনটি কার্যকর হবে।

১৩৷ Recycle Bin:
রিসাইকেল বিন কম্পিউটারের এক প্রকার ডাষ্টবিন। কম্পিউটার হতে কোন ডাটা, বা ডকুমেন্ট ফাইল বা ফোল্ডার মুছে ফেললে তা প্রথমত এই রিসাইকেল বিন নামের ডাষ্টবিনে জমা হয়। রিসাইকেল বিন হতে মুছে ফেললে তা কম্পিউটার হতে মুছে যায়। কোন গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ভুল ক্রমে মুছে ফেললে তা রিসাইকেল বিন হতে Restore  ব্যবহার করে আবার পূর্বের স্থানে ফেরৎ নেওয়া যায়।

১৪৷ CD Write:
Start> Programs/All Programs> Nero   এবার Nero ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে, সেখান থেকে নির্বাচন করতে হবে CD/DVD অর্থাৎ কোনটা রাইট সকলতে চাই। তারপর কি ধরনের সিডি অর্থাৎ ডাটা, অডিও, ভিডিও কোনটি হবে তাও নির্বাচন করতে হবে। তারপর ডকুমেন্ট বা ডাটা সিলেক্ট করে সিডি বার্ন করে ওকে করলেই কাজটি সমাধান হবে৷
Wait while more posts are being loaded