Post has shared content
আমি বাঁচতে চাইইসলাম নিয়ে।
আর মরতে চাই ঈমান নিয়ে।
হে আল্লাহ আমাদের সকলকে ঈমান অবস্তায় মৃত্যু নসিব করিও,আমিন।
Photo

Post has shared content
হে যুবক কাঁদো কেনো...
ফজরের নামাজ পড়তে পারো নি বলে?
▶উত্তরঃ না ।
অতীতের পাপের কথা স্বরণ করে?
▶উত্তরঃ না ।
মৃত মা / বাবার কথা মনে পড়ছে?
▶উত্তরঃ না ।
ফিলিস্তিনের সেই শিশুটির জন্যে?
▶উত্তরঃ না ।
প্রতিবেশীদের কষ্ট দেখে ?
▶উত্তরঃ না ।
মায়ানমারের নির্যাতিত মুসলমানদেরজন্যে ?
▶উত্তরঃ না ।
পিলখানার নিহত হতভাগাসেনাবাহিনী আর তাদেরপরিবারের জন্যে?
▶উত্তরঃ না ।
মতিঝিলের শাপলা চত্ত্বরেআলেমদের হত্যার জন্য?▶উত্তরঃ না ।
তাহলে ভাই, এই ভাবে হাও মাও করেকাঁদো কেনো ??বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলায় হেরেগেছে,
সেই জন্যে !
তোমার প্রিয় দল খেলায় হেরে গেছে,
সেই জন্যে !
তোমার প্রিয় খেলোয়াড় হেরেগেছে,
এজন্যে তোমাদের চোখে পানিআসে !
তোমাদের মন খারাপ হয়ে যায় !
খেলায় হেরে যায় বলে তোমাদেরচোখে পানি আসে,
অথচ প্রতিদিন হাজারো পাপ করছো,এর জন্যে চোখে একটুও পানি আসেনা !
নামাজ না পড়ে কুফুরী করছো,
এর জন্যেও চোখে একটুও পানি আসেনা !
তোমরা মূর্খ !!তোমাদের বিদ্যাও নেই, বুদ্ধিও নেই ।
তোমরা কখনও শিক্ষিত হতে পারোনা ।
শিক্ষিত মানুষ আল্লাহ সম্পর্কেগাফেল/উদাসীন থাকতে পারে না ।
শিক্ষিত মানুষ আল্লাহর হুকুম অমান্যকরে দুনিয়ার বিনোদনে লিপ্ত থাকতেপারে না ।
একজন প্রকৃত মুসলিম ফরয ইবাদত নাকরেখেলা-ধূলায়, গানে, গ্যামস্ এ ইত্যাদিবিভিন্ন হারাম কাজে লিপ্ত থাকতেপারে না ।
তোমরা প্রকৃত মুসলিম নও ।
তোমরা নামধারী মুসলিম ।
তোমাদের কি করা উচিত আর তোমরাকি করছো !!!আফসোস তোমাদের জন্য...।
আজ হয়তো আল্লাহ সম্পর্কে গাফেলহয়ে আছো ।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত আল্লাহর নিকটইফিরে যেতে হবে ।
তখন কোথায় যাবে তোমাদের প্রিয়দলআর খেলোয়াড়রা ?কি জবাব দিবে আল্লাহর নিকট ?
মনে রেখো,তোমাদের এই কাজকর্ম যেন তোমাদেরকেজাহান্নামে নিয়ে না যায় ।
আজ থেকেই সাবধান হও ।
সময়ের মূল্যায়ন করতে শিখো ।
সময়ের অপচয় করে জাহান্নামে যেওনা ।
এখনই আল্লাহর নিকট তওবা করো ।
ফিরে এসো জান্নাতের পথে ।
আল্লাহ তা'আলা বলেন,"আর দুনিয়ার জীবন খেলাধুলা ওতামাশা ছাড়া কিছু না।
আর যারাতাকওয়া অবলম্বন করে তাদের জন্যআখিরাতের আবাস উত্তম।
অতএব তোমরাকি বুঝবে না?
[ সূরা আন'আম, আয়াত ৩২ ]
Photo

Post has attachment
১৪ই ফেব্রুয়ারী হরতাল চাই,,,
পার্ক রেষ্টুরেন্ট বন্ধ চাই,,,
মোবাইল নেটওয়ার্ক busy চাই,,,
ফুলের দোকান বন্ধ চাই,,,
কারণ.
আমার কোনো
প্রেমিকানাই ?
Photo

৩৬৬। আহমদ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ’আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা একটি কারুকার্য খচিত চাঁদর গায়ে দিয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। আর সালাত (নামায/নামাজ) সে চাঁদরের কারুকার্যের প্রতি তাঁর দৃষ্টি পড়ল। সালাত (নামায/নামাজ) শেষে তিনি বললেনঃ এ চাঁদরখানা আবূ জাহমের কাছে নিয়ে যাও, আর তাঁর কাছ থেকে আমবিজানিয়্যা (কারুকার্য ছাড়া মোটা চাঁদর) নিয়ে আস। এটা তো আমাকে সালাত (নামায/নামাজ) থেকে অমনোযোগী করে দিচ্ছিল। হিশাম ইবনু ‘উরওয়া (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি ’আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ের সময় এর কারুকার্যের প্রতি আমার দৃষ্টি পড়ে। তখন আমি আশংকা করছিলাম যে, এটা আমাকে ফিতনায় ফেলে দিতে পারে

৩৬৪। ইয়াকূব ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়রব যুদ্ধে বের হয়েছিলেন। সেখানে আমরা ফজরের সালাত (নামায/নামাজ) খুব ভোরে আদায় করলাম। তারপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওয়ার হলেন। আবূ তালহা (রাঃ)-ও সওয়ার হলেন, আর আমি আবূ তালহার পেছনে বসা ছিলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সওয়ারীকে খায়বরের পথে চালিত করলেন। আমার হাঁটু নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ঊরুতে লাগছিল। এরপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –এর ঊরু থেকে ইযার সরে গেল। এমনকি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –এর ঊরু উজ্জলতা এখনও আমি দেখছি। তিনি যখন নগরে প্রবেশ করলেন তখন বললেনঃ আল্লাহ আকবার। খায়বর ধ্বংস হউক। আমরা যখন কোন কওমের প্রাঙ্গনে অবতরণ করি তখন সতর্কীকৃতদের ভোর হবে কতই না মন্দ! এ কথা তিনি তিনবার উচ্চারন করলেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ খায়বরের অধিবাসীরা নিজেদের কাজে বেরিয়েছিল। তারা বলে উঠলঃ মুহাম্মদ! ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) বলেনঃ আমাদের কোন কোন সাথী “পূর্ণ বাহিনীসহ” (ওয়াল খামীস) শব্দও যোগ করেছেন। পরে যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা খায়বর জয় করলাম। তখন যুদ্ধবন্দীদের সমবেত করা হল। দিহরা (রাঃ) এসে বললেনঃ হে আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ! বন্দীদের থেকে আমাকে একটি দাসী দিন। তিনি বললেনঃ যাও তুমি একটি দাসী নিয়ে যাও। তিনি সাফিয়্যা বিনত হুয়াই (রাঃ)-কে নিলেন। তখন এক ব্যাক্তি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললঃ ইয়া নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম য়াল্লাহ! বনূ কুরাইযা ও বনূ নাযীরের অন্যতম নেত্রী সাফিয়্যা বিনত হুয়াইকে আপনি দিহয়াকে দিচ্ছেন? তিনি তো একমাত্র আপনার এ যোগ্য। তিনি বললেনঃ দিহয়াকে সাফিয়্যাসহ ডেকে আন। তিনি সাফিয়্যাসহ উপস্থিত হলেন। যখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফিয়্যা (রাঃ)-কে দেখলেন তখন (দিহয়াকে) বললেনঃ তুমি বন্দীদের থেকে অন্য একটি দাসী দেখে নাও। রাবী বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফিয়্যা (রাঃ)-কে আযাদ করে দিলেন এবং তাঁকে বিয়ে করলেন। রাবী সাবিত (রহঃ) আবূ হামযা (আনাস) (রাঃ)-কে জিজ্ঞেসা করলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে কি মাহর দিলেন? আনাস (রাঃ) জওয়াব দিলেন তাঁকে আযাদ করায় তাঁর মাহর। এর বিনিময়ে তিনি তাঁকে বিয়ে করেছেন। এরপর পথে উম্মে সুলায়ম (রাঃ) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে সাজিয়ে রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –এর খিদমতে পেশ করলেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাসর রাত যাপন করে ভোরে উঠলেন। তিনি ঘোষণা দিলেনঃ যার কাছে খানার কিছু আছে সে যেন তা নিয়ে আসে। এ বলে তিনি একটা চামড়ার দস্তরখান বিছালেন। কেউ খেজুর নিয়ে আসলো, কেউ ঘি আনলো। ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) বলেনঃ আমার মনে হয় আনাস (রাঃ) ছাতুর কথাও উল্লেখ করেছেন। তারপর তাঁরা এসব মিশিয়ে খাবার তৈরি করলেন। এ-ই ছিল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওয়ালীমা

৩৬২। ইসহাক (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাকে আবূ বকর (রাঃ) [যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ থেকে তাঁকে হাজ্জের (হজ্জ) আমীর বানানো হয়েছিল] কুরবানীর দিন ঘোষককদের সাথে মিনায় এ ঘোষণা করার জন্য পাঠালেন যে, এ বছরের পরে কোন মুশরিক বায়তুল্লাহর হাজ্জ (হজ্জ) করতে পারবে না। আর কোন উলঙ্গ লোকও বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে পারবে না। হুমায়দ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) বলেনঃ এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী (রাঃ) –কে আবূ বকর (রাঃ) –এর পেছনে প্রেরণ করেন আর তাঁকে সুরা বারাআতের (প্রথম অংশের) ঘোষণা করার নির্দেশ দেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ তখন আমাদের সঙ্গে ‘আলী (রাঃ) কুরবানীর দিন মিনায় ঘোষণা দেন যে, এ বছরের পর থেকে আর কোন মুশরিক হাজ্জ (হজ্জ) করতে পারবে না এবং কোন উলঙ্গ ব্যাক্তিও তাওয়াফ করতে পারবে না

৩৬৮। আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) উকবা ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –কে একটা রেশমি জুব্বা হাদিয়া হিসাবে দেওয়া হয়েছিল। তিনি তা পরিধান করে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। কিন্তু সালাত (নামায/নামাজ) শেষ হওয়ার সাথে সাথে দ্রুত তা খুলে ফেললেন, যেন তিনি তা পরা অপছন্দ করছিলেন। তারপর তিনি বললেনঃ মুত্তাকীদের জন্য এই পোশাক সমীচীন নয়

৩৬৭। আবূ মা’মার ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে একটা বিচিত্র রঙের পাতলা পর্দার একটা কাপড় ছিল। তিনি তা ঘরের একদিকে পর্দা হিসাবে ব্যাবহার করছিলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমার সম্মুখ থেকে এই পর্দা সরিয়ে নাও। কারণ সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করার সময় এর ছবিগুল আমার সামনে ভেসে ওঠে

৩৬৯। মুহাম্মদ ইবনু ‘আর’আর (রহঃ) আবূ জুহায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম – কে চামড়ার একটা লাল তাঁবুতে দেখলাম এবং তাঁর জন্য উযূ (ওজু/অজু/অযু)র পানি নিয়ে বিলাল (রাঃ) –কে উপস্থিত দেখলাম। আর লোকেরা তাঁর উযূ (ওজু/অজু/অযু)র পানির জন্য প্রতিযোগিতা করছে। কেউ সামান্য পানি পাওয়া মাত্র তা দিয়ে শরীর মুছে নিচ্ছে। আর যে পায়নি সে তাঁর সাথীর ভেজা হাত থেকে নিয়ে নিচ্ছে। তারপর বিলাল (রাঃ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –এর একটি লৌহফলকযুক্ত ছড়ি নিয়ে এসে তা মাটিতে পুতে দিলেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটা লাল ডোরাযুক্ত পোশাক পরে বের হলেন, তাঁর তহবন্দ কিঞ্চিত উঁচু করে পরা ছিল। সে চরিটি সামনে রেখে লোকদের নিয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। আর মানুষ ও জন্তু -জানোয়ার ঐ ছড়িটির বাইরে চলাফেরা করছিল

৩৬৩। আবদুল ‘আযীয ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ)-এর কাছে গিয়ে দেখি তিনি একটি মাত্র কাপড় নিজের শরীরে জড়িয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করছেন অথচ তাঁর একটা চাঁদর সেখানে রাখা ছিল। সালতের পর আমার বললামঃ হে আবূ আবদুল্লাহ। আপনি সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করছেন, অথচ আপনার চাঁদর তুলে রেখেছেন? তিনি বললেন, হাঁ, তোমাদের মত নির্বোধদের দেখানোর জন্য আমি এরুপ করেছি। আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –কে এভাবে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে দেখেছি
Wait while more posts are being loaded