Post has attachment
Photo

Post has attachment


menu
Login
প্রচ্ছদ
আজকের পত্রিকা
খেলা
বিনোদন
মতামত
বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক
অর্থনীতি
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
দূর পরবাস
জীবনযাপন
শিক্ষা
আমরা
শিল্প ও সাহিত্য
বিশেষ সংখ্যা
পাঁচমিশালি
২২২১
ফিচার
ছবি
ভিডিও
⁄ পাঁচমিশালি ⁄ সংবাদ
এক লহমায় বিটিভির ইতিহাস
আলতাফ শাহনেওয়াজ | ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬, ০০:০১

বিটিভি ভবনের এই ঘরটিই এখন টেলিভিশন জাদুঘর। ছবি: খালেদ সরকার
ঘরটি তেমন বড় নয়। সেই ঘরে থরে-বিথরে সাজানো অজস্র ছবি—সাদাকালো একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে অভিনেতা গোলাম মুস্তফাকে। যাত্রার সাজপোশাকে যাত্রামঞ্চে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি, পাশে ক্রন্দনের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ফেরদৌসী মজুমদার। ফেরদৌসী মজুমদার তবে যাত্রাপালায়ও অভিনয় করেছেন! আবার অন্য এক ছবিতে দেখা গেল ফেরদৌসীর সামনে বিশেষ ভঙ্গিতে বসে আছেন তরুণ বয়সের রামেন্দু মজুমদার। দুজনের বসার নাটকীয় ঢংই বলে দিচ্ছে কোনো নাটকের দৃশ্য এটি। আর এসব ছবি দেখতে দেখতে আমাদের সামনে ধীরে ধীরে পাখা মেলেছে বাংলাদেশ টেলিভিশনের পঞ্চাশ বছরের ইতিহাস।
বিটিভির ‘টেলিভিশন জাদুঘর’-এর ছোট্ট কক্ষটি ছবিতে ছবিতে সাজানো। সাদাকালো আর রঙিন ছবির সমাহারে এখানে যেন স্থির হয়ে আছে সময়।
গত ১৪ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো ঢাকার রামপুরার বিটিভি ভবনে টেলিভিশন জাদুঘরে ঢুকে আমরা যখন একের পর এক ছবির মুখোমুখি, মনে হলো, বোধ হয় ফ্রেমের পর ফ্রেম-ছবি দিয়েই তৈরি হয়েছে এই জাদুঘর। ভুল ভাঙল খানিক বাদে, যখন দেখা গেল পুরোনো দিনের ক্যামেরা ও যন্ত্রপাতিও আছে কিছু। তবে এই ছবি আর যন্ত্রাংশ দেখার পরেও কেন যেন অপূর্ণতা থেকে যাচ্ছে কোথাও।
সেই মাসটিও ছিল ডিসেম্বর—১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর বিকেলবেলা ঢাকায় তৎকালীন ডিআইটি ভবনে শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাদাকালো সম্প্রচার। ‘ওই যে আকাশ নীল হলো আজ/ সে শুধু তোমার প্রেমে’—ফেরদৌসী রহমানের গাওয়া গানটি দিয়েই তো অনুষ্ঠানমালার প্রচার শুরু। এরপর কত শত অনুষ্ঠান, সাদাকালো থেকে রঙিন জগতে প্রবেশ। এই বিস্তর সময়ের যে বর্ণিল খেরোখাতা, তার ইতিহাস কি মাত্র একটি ঘরের পঞ্চাশ-ষাটটি ছবি আর কিছু যন্ত্রপাতির মধ্যে পুরে ফেলা সম্ভব?
পাঠক, উত্তরটি আপনাকে যথা সময়ে জানাব। এর আগে জানিয়ে রাখি একটি তথ্য—বাংলাদেশ টেলিভিশনের উদ্যোগে ‘টেলিভিশন জাদুঘর’-এর উদ্বোধন হয়েছে ১ ডিসেম্বর। এখন এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। আপনি চাইলেই জাদুঘরে ঢুঁ দিয়ে দেখে নিতে পারেন বহুব্রীহি নাটকের আফজাল হোসেন ও আসাদুজ্জামান নূরকে; কিংবা যদি দেখতে চান মুস্তাফা মনোয়ার প্রযোজিত সেই বিখ্যাত রক্তকরবীর পাত্রপাত্রীদের, জাদুঘরে আপনার সামনে ফ্রেমবন্দী হয়ে আছেন সাদাকালো যুগের আনোয়ার হোসেন, লায়লা হাসান ও সৈয়দ হাসান ইমাম; দেখে নিতে পারেন কলকাতার বিখ্যাত গণসংগীতশিল্পী সলিল চৌধুরী ও তাঁর পরিবারকে—তাঁদের গান করার দৃশ্য; ‘যদি কিছু মনে না করেন’ অনুষ্ঠানের প্রবাদপ্রতিম উপস্থাপক ফজলে লোহানী—তিনিও আছেন; ওই যে মন-হরণ করা অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের অপলক চাহনির ছবি, তার মানে কোনো একসময় অড্রে হেপবার্নও এসেছিলেন বিটিভিতে? উত্তর হলো হ্যাঁ। এখানে আরও পাওয়া গেল নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী আবদুস সালামকে—বিটিভিতে এসে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন তিনি, সেই দৃশ্য।

১৯৮০ সালের একটি ক্যামেরা
আর জাদুঘরের এক স্থানে দেখা গেল ফ্রেমবন্দী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ১৯৭৫ সালের ১৮ মে রামপুরা টিভি ভবন দেখতে এসেছিলেন তিনি, ছবিটি সেই সময়কার। এভাবে কত মুখ, কত চরিত্র—বিটিভিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান যাঁরা করেছেন, যেসব বিশিষ্টজন এসেছেন এখানে—সবাই ছবি হয়ে আছেন জাদুঘরে।
আছে নানা সময়ে বিটিভির সম্প্রচারকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রও—ভিএইচ টিভি ট্রান্সমিটার, ক্যানন স্কুপি ১৬ এমএস মডেলের ১৬ এমএম নিউজ ফিল্ম ক্যামেরা, রোলেক্স এইচ ১৬ রিফ্লেক্স মডেলের ১৬ এমএম ফিল্ম ক্যামেরা, সি পি-১৬ মডেলের সিনেমা প্রোডাক্টস সাউন্ড ক্যামেরা—সত্তর দশকের সাদাকালো যুগে ব্যবহৃত এই যন্ত্রাংশের পাশাপাশি দেখা মিলল আশির দশকের রঙিন যুগের যন্ত্রপাতি। যেমন কে সি-৫০ মডেলের রঙিন ক্যামেরা, ভিডিও টেপ রেকর্ডার, অডিও ডিস্ক প্লেয়ার, পোর্টেবল মনিটর প্রভৃতি।
এসব যন্ত্র দেখতে দেখতে নিমেষেই এই গণমাধ্যমের বিবর্তনের ইতিহাসও কি ভেসে উঠছে না আমাদের সামনে?
সময়ের বাঁকবদল দেখতে দেখতে চোখ রাখি ইতিহাসের দিকে। এখানে যেন-বা দুয়ার খুলে দিয়েছে ইতিহাস। একটি কাচের বাক্সে দেখতে পাই হাতে লেখা সংবাদের পাণ্ডুলিপি,‘রাজধানীতে বুলগেরিয় চলচ্চিত্র উত্সব শুরু হয়েছে’—এই খবরে চোখ রাখতে না রাখতেই আমাদের ডাক দেন নাট্যকার মমতাজউদ্দীন আহমদ, সেলিম আল দীন ও হুমায়ূন আহমেদ। তাঁদের হাতে লেখা নাটকের পাণ্ডুলিপিগুলো নিশ্চিতই আজ ইতিহাসের স্মারক।
তবে লেখার শুরুতে যে বলেছিলাম, অপূর্ণতা থেকে যাচ্ছে কোথাও, একটি ঘরের পঞ্চাশ-ষাটটি ছবি আর কিছু যন্ত্রপাতির মধ্য দিয়ে কি বিটিভির বিবর্তনের পুরো ইতিহাসকে পুরে ফেলা সম্ভব?
উত্তরটি দিলেন বিটিভির মহাপরিচালক হারুন-অর-রশীদ, ‘জাদুঘরটি কেবল শুরু করেছি আমরা। একটি কাঠামো তৈরি হয়েছে মাত্র। এখন নিয়মিত পরিচর্যা ও নতুন নতুন জিনিসপত্র সংরক্ষণের মধ্য দিয়ে একে সমৃদ্ধ করার পালা। যে ছবিগুলো এখানে আছে, অচিরেই সেগুলোর বিস্তারিত বিবরণ লেখা হবে। যন্ত্রাংশগুলো কী কাজে ব্যবহৃত হতো, প্রতিটি যন্ত্রের পাশে লেখা থাকবে তার বিবরণও। আর ভবিষ্যতে এই জাদুঘরে আমরা একটি “ডিজিটাল আর্কাইভ সিস্টেম” গড়ে তুলতে চাই, এর মাধ্যমে বিটিভির আলোচিত অনুষ্ঠানগুলো দেখাতে চাই জাদুঘরের দর্শনার্থীদের।’

বিটিভির অনুষ্ঠানে পণ্ডিত রবিশঙ্কর, মাদার তেরেসার সাক্ষাৎ​কার নিচ্ছেন ফজলে লোহানী, খান আতাউর রহমান ও খন্দকার নূরুল আলম, মুস্তাফা মনোয়ার যখন প্রযোজক
টেলিভিশন জাদুঘরের সময়সূচি
শুক্র ও শনিবার বাদ দিয়ে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা এবং বেলা ২টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট। এ সময়ের মধ্যে যে কেউ রামপুরার বিটিভি ভবনে এসে ‘দর্শনার্থী পাস’ সংগ্রহ করে দেখতে পারেন টেলিভিশন জাদুঘর। এ ছাড়া কয়েকজন মিলে দলবদ্ধভাবে এলে থাকছে গাইড দিয়ে দেখানোর ব্যবস্থা।




পাঁচমিশালি বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


রোবটিকসে কানের ময়লার ব্যবহার!
কানের খইল বা ময়লা প্রায় সবারই হয়। বেশির ভাগ মানুষ জিনিসটাকে নোংরা ও অপ্রয়োজনীয় ভাবেন। কিন্তু এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের
কম জায়গার আসবাব
আসবাব প্রস্তুতকারী হাতিল এনেছে স্পেস সেভিং আসবাব। ৬ জানুয়ারি ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেডের

খোলা ছাদে বারবিকিউ
ছাদে সুইমিং পুলের পাশে বারবিকিউয়ের বিশেষ সুবিধা নিয়ে আসছে গুলশানের হোটেল ফোর পয়েন্ট বাই শেরাটন। হোটেলের রুফ টপে
শীত পোশাক
ক্যাটস আই: ব্রেক ফ্রি নামের শীতের নানা উপকরণ পাওয়া যাচ্ছে ফ্যাশন হাউস ক্যাটস আইতে। এর মধ্যে আছে ক্যাজুয়াল ফুলহাতা

পিঠা উৎসব
ঢাকা রিজেন্সি হোটেলের রুফটপ গার্ডেন রেস্টুরেন্ট গ্রিল অন দ্য স্কাই লাইনে আয়োজন করেছে পিঠা উৎসব। ভাপা, চিতই, পুলি,
পাঠকের মন্তব্য (০)
মন্তব্য করতে লগইন করুন


প্রচ্ছদ
আজকের পত্রিকা
খেলা
বিনোদন
মতামত
বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক
অর্থনীতি
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
দূর পরবাস
জীবনযাপন
শিক্ষা
আমরা
শিল্প ও সাহিত্য
বিশেষ সংখ্যা
পাঁচমিশালি
২২২১
ফিচার
ছবি
ভিডিও
ডাউনলোড প্রথম আলো অ্যাপ
ডেস্কটপ সাইট দেখুন
সম্পাদক ও প্রকাশক: মতিউর রহমান
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । প্রথম আলো ১৯৯৮ - ২০১৭

Photo

Post has shared content
Blue Hour at Lake Coeur d'Alene

The soft colors of blue hour gently surround the landscape of Lake Coeur d'Alene, Idaho on this cold winter eve.


Photo

Post has shared content
Have a wonderful day g+

An iconic landmark of Dallas, Texas is the Margaret Hunt Hill Bridge. This image was created using 17 exposures, 15 for the car light trails (30seconds ea at f/2.8), one image was needed to compensate for the slightly over-exposed flagpole and one final image to add the Texas Flag.The flag was actually slightly out of frame so I had to use a small amount of artistic license :-)

Best viewed large
Photo

Post has attachment
Photo

Post has attachment
Photo

Post has attachment
Photo

Post has attachment
Photo

Post has shared content
As of Friday, companies including Facebook, Apple, Google, IBM, Uber and Microsoft have all chimed in to likewise refuse to hand over data to help build a database that would profile Muslim-Americans, according to reports from BuzzFeed.

Any consumer tech company that agrees to participate in a citizen registry like what the incoming administration is taking about would be crushed by the market's response.

We all need to help ensure that.



menu
Login
প্রচ্ছদ
আজকের পত্রিকা
খেলা
বিনোদন
মতামত
বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক
অর্থনীতি
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
দূর পরবাস
জীবনযাপন
শিক্ষা
আমরা
শিল্প ও সাহিত্য
বিশেষ সংখ্যা
পাঁচমিশালি
২২২১
ফিচার
ছবি
ভিডিও
⁄ বাংলাদেশ ⁄ সংবাদ
দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রী
দেশের উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে সম্পৃক্ত হোন
বাসস | ১০ জানুয়ারি ২০১৭, ০২:১২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করেন l ছবি: পিআইডি
সচেতন নাগরিক, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সবাইকে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আমি দেশকে এগিয়ে নিতে দলমত-নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা চাই।’

প্রধানমন্ত্রী গতকাল সোমবার বিকেলে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশব্যাপী উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনকালে বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান। ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এ মেলা দেশের ৬৪টি জেলা ও ৪৯০টি উপজেলায় একযোগে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গে সব জেলা-উপজেলায় বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা মেলার উদ্বোধন করেন। ভিডিও কনফারেন্সে সরাসরি যুক্ত ছিল টাঙ্গাইল, বরিশাল, খুলনা ও গোপালগঞ্জ জেলা। মেলার উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী এসব জেলার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত হয়। মেলার মূল উদ্দেশ্য চলমান উন্নয়ন ও সাফল্য জনগণের সামনে তুলে ধরে সরকারের উন্নয়নকাজের সঙ্গে তাঁদের সম্পৃক্ত করা। পাশাপাশি সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনে সরকারের সাফল্য প্রচার ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা।

‘উন্নয়নের গণতন্ত্র শেখ হাসিনার মূলমন্ত্র’ শীর্ষক থিম নিয়ে আয়োজিত উন্নয়ন মেলা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কী কী কাজ করছি, জনগণের তা জানা উচিত। পাশাপাশি জনগণকে এতে সম্পৃক্ত হতে হবে। কারণ, জনগণের জন্য আমরা কাজ করছি ও তাদের সঙ্গে নিয়েই পথ চলতে চাই।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বস্তরে আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আছেন। সংসদ সদস্য থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও ওয়ার্ড মেম্বার, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, প্রশাসনে যুক্ত ব্যক্তি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সবার সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে এই বাংলাদেশকে আমরা অতি দ্রুত দারিদ্র্যমুক্ত করতে পারব।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, খুলনা থেকে ভিক্ষুক পুনর্বাসনের একটা প্রশংসনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে তাঁদের এক দিনের বেতন অনুদান হিসেবে দিয়ে একটি তহবিল করে খুলনাকে ভিক্ষুকমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছেন এবং এটি অত্যন্ত সফল হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, দেশের প্রত্যেক নির্বাহী কর্মকর্তা যদি এভাবে উদ্যোগ নেন তবে প্রতি জেলা-উপজেলা ভিক্ষুকমুক্ত হতে পারে এবং প্রত্যেক মানুষ একটি মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারেন। তাঁর ভেতরেও আত্মবিশ্বাস জেগে ওঠে।’

এ ধরনের উদ্যোগ দ্রুত দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি খুলনায় পুনর্বাসিত ভিক্ষুক আম্বিয়া বেগমের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময় করেন। আম্বিয়া জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সেলাই মেশিন ও অর্থ সহায়তা পাওয়ায় ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে নিজে আয় করছেন শুনে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

উন্নয়ন মেলায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, সংস্থা, ব্যাংক, বিমা ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অংশগ্রহণ করছে। মেলায় প্রতিদিন সভা, সেমিনার, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, ছবি ও পোস্টার প্রদর্শন এবং দেশাত্মবোধক সাংস্কৃতিক পরিবেশনা থাকবে।




বাংলাদেশ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


কয়েকটি সড়কে চলাচল বন্ধ আজ
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের সভার নিরাপত্তা ও যাতায়াত ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে
বাদামতলীতে অভিযান, ফলে ফরমালিন নেই
পুরান ঢাকার বাদামতলীর ফলের আড়তে বিভিন্ন ফলে ক্ষতিকর কৃত্রিম রাসায়নিক পদার্থ ও ফরমালিন পাওয়া যায়নি। গতকাল সোমবার

পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্থক্য করা হয় না: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের
ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ
পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ছাত্রলীগের তিন কর্মী আহত

তরুণ উদ্যোক্তাদের শীতের মেলা
আয়োজনের নাম ‘উইন্টার মিট-আপ’। অর্থাৎ শীতের দেখা-সাক্ষাৎ। দেশি পণ্য নিয়ে তরুণ উদ্যোক্তাদের নিয়ে এই মেলার আয়োজন
পাঠকের মন্তব্য (০)
মন্তব্য করতে লগইন করুন


প্রচ্ছদ
আজকের পত্রিকা
খেলা
বিনোদন
মতামত
বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক
অর্থনীতি
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
দূর পরবাস
জীবনযাপন
শিক্ষা
আমরা
শিল্প ও সাহিত্য
বিশেষ সংখ্যা
পাঁচমিশালি
২২২১
ফিচার
ছবি
ভিডিও
ডাউনলোড প্রথম আলো অ্যাপ
ডেস্কটপ সাইট দেখুন
সম্পাদক ও প্রকাশক: মতিউর রহমান
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । প্রথম আলো ১৯৯৮ - ২০১৭

Wait while more posts are being loaded