Post has attachment

Post has attachment
হীংসা করা জায়েজ /না হারাম জেনে নিন

সহিহ হাদিসে আছে প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার আল্লাহ হিংসুক ও মুশরিক ব্যাতিত সবাইকে ক্ষমা করে দেন তাহলে প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার কেন শবে বরাত পালন করা হয়না? তাহলে কেন এই অজুহাতে শুধু ১৫ শাবানের রাতে শবে বরাত পালন করা হয়??

আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন,
تُفْتَحُ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ يَوْمَ الاِثْنَيْنِ وَيَوْمَ الْخَمِيسِ فَيُغْفَرُ لِكُلِّ عَبْدٍ لاَ يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا إِلاَّ رَجُلاً كَانَتْ بَيْنَهُ وَبَيْنَ أَخِيهِ شَحْنَاءُ فَيُقَالُ أَنْظِرُوا هَذَيْنِ حَتَّى يَصْطَلِحَا أَنْظِرُوا هَذَيْنِ حَتَّى يَصْطَلِحَا أَنْظِرُوا هَذَيْنِ حَتَّى يَصْطَلِحَا
প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। অতঃপর যারা আল্লাহর সাথে শির্ক করে না এমন সব বান্দাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়। কিন্তু সে ব্যক্তিকে নয়, যার ভাই ও তার মধ্যে শক্রতা বিদ্যমান। এরপর (তাদের সম্পর্কে) বলা হয়, এ দু’জনকে আপোষ মীমাংসা করার জন্য অবকাশ দাও, এ দু’জনকে আপোষ মীমাংসা করার জন্য সুযোগ দাও, এ দু’জনকে আপোষ মীমাংসা করার জন্য সুযোগ দাও।

আবূ দাউদ ৪৯১৬, ইবনে মাজাহ ১৭৪০, আল-আদাবুল মুফরাদ ৪১৩

.যেসব আয়াত নিয়ে ভাবতে হবে...®®®

قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

বল, 'হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ, আল্লাহর অনুগ্রহ হতে নিরাশ হয়োনা; নিশ্চয় আল্লাহ সমুদয় পাপ ক্ষমা করে দিবেন। তিনি তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (৩৯-সূরা যুমার: আয়াত-৫৩)

“এবং তোমরা আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়ো না, কেননা, কাফের সম্প্রদায় ছাড়া অন্য কেউ আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয় না।” (১২-সূরা ইউসুফ: আয়াত-৮৭)

“পথভ্রষ্টরা ছাড়া আর কে তার প্রভুর দয়া হতে নিরাশ হয়।” (১৫-সূরা হিজর: আয়াত-৫৬)

“অবশ্যই আল্লাহর রহমত সৎকর্মশীলদের নিকটবর্তী।” (৭-সূরা আল আরাফ: আয়াত-৫৬)

“তুমি জাননা, আল্লাহ হয়তো নতুন কোন উপায় করবেন।” (৬৫-সূরা আত তালাক: আয়াত-১)

“হয়তো তোমরা যা পছন্দ কর না তা তোমাদের জন্য ভালো এবং তোমরা যা পছন্দ করো তা তোমাদের জন্য ক্ষতিকর। আল্লাহ জানেন আর তোমরা জান না।” (২-সূরা বাকারা: আয়াত-২১৬)

“আল্লাহ তার বান্দাদের প্রতি বড়ই মেহেরবান।” (৪২-সূরা আশ শূরা: আয়াত-১৯)

“এবং আমার করুণা সব কিছুকে ঘিরে আছে।” (৭-সূরা আল আ'রাফ: আয়াত-১৫৬)

“ভয় করিও না (বা কোন ভয় নেই), নিশ্চয় আল্লাহ আমাদের সাথে আছে।” (৯-সূরা তাওবা: আয়াত-৪০)

“(তখনকার কথা স্মরণ কর) যখন তোমরা তোমাদের প্রভুর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেছিলে তাই তখন তিনি তোমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন।” (৮-সূরা আনফাল: আয়াত-৯)

“এবং তারা হতাশ হয়ে যাবার পর তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তার রহমত, করুণা ও দয়াকে চতুর্দিকে বিস্তৃত করে দেন।” (৪২-সূরা আশ শুরা: আয়াত-২৮)

“এবং তারা আমাকে আশা নিয়ে ও ভয়ের সাথে ডাকত এবং তারা আমার নিকট বিনীত ছিল.” (২১-সূরা আল আম্বিয়া: আয়াত-৯০

বজ্রধ্বনি তাঁহার সপ্রশংস মহিমা ও পবিত্রতা ঘোষণা করে, ফিরিশতাগণও করে তাঁহার ভয়ে। তিনি বজ্রপাত করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা উহা দ্বারা আঘাত করেন। আর উহারা আল্লাহ্‌ সম্বন্ধে বিতন্ডা করে, অথচ তিনি মহাশক্তিশালী।" (সূরা রা'দ ১৩:১৩

Post has attachment
বইঃ শবে বরাত সমাধান ।
লেখকঃ শাইখ আকরামুজ্জামান বিন আব্দুস সালাম ।
প্রকাশনীঃ তাওহীদ প্রকাশনী ।
ফাইল টাইপঃ পিডিফ (পৃষ্ঠা সংখ্যা – ৩২)
সাইজঃ ১.০৭ mb

ডাউনলোড করুন এই লিঙ্ক থেকে~
http://www.waytojannah.com/shobe-borat-islami-boi/

Post has attachment

হে আল্লাহ! তুমি আমাকে মার্জনা কর, যে অপরাধ আমি পূর্বে করেছি এবং যা
পরে করেছি, যা গোপনে করেছি এবং যা প্রকাশ্যে করেছি,
যা অতিরিক্ত করেছি এবং যা তুমি আমার চাইতে অধিক জান।
তুমি আদি, তুমিই অন্ত। তুমি ব্যতীত কেউ সত্য উপাস্য নেই।
রিয়াদুস স্বালেহীন ১৪৩২।

আবূ সাঈদ খুদ্রী (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
‘‘নিশ্চয় দুনিয়া মধুর ও সবুজ (সুন্দর আকর্ষণীয়)। আর নিশ্চয় আল্লাহ
তোমাদেরকে এর প্রতিনিধি নিয়োজিত ক’রে দেখবেন যে, তোমরা কিভাবে কাজ করছ? অতএব তোমরা (যদি সফলকাম হতে চাও তাহলে) দুনিয়ার ধোঁকা থেকে বাঁচ এবং
নারীর (ফিৎনা থেকে) বাঁচ। কারণ, বানী ঈস্রাইলের সর্বপ্রথম ফিৎনা
নারীকে কেন্দ্র করেই হয়েছিল।’’ (মুসলিম ৭১২৪
Wait while more posts are being loaded