হারানো প্রিয়া

অাতিফ আসলাম

পাবো না ব'লে আজ আর দূঃখ করি না,
আমি সাঁতার কাঁটতে শিখে গেছি,
নীল সাগরে- এপার- ওপার জয় করেছি।
কানাকানি করে যত সব গাঙচিল,
ওরাও চলে আমার সাথে,কেনো?
ওদের ও বেদনার পাহাড় আছে বুকে।
আমি জয় করি বুকে সাহস নিয়ে,
সে সাহসের উৎস তুমি,শুধুই তুমি।
আমি হেঁটেছি বনে একলা সনে,
পাইনি তোমার ছায়ার ছোঁওয়া।

শুনেছি নাম তরু লতার কানে,
বলে ফিঁস ফিঁস তোমার নামে।
আমার বুক ভরা আঁশা, কাঁদে মরুর বনে,
তোমাকে না পাওয়ার বেদনায়।
আমার বুকের টেঁউয়ের বেদনায় সব ভূলে যাই,
এই-পার হতে - ঔ -পারে বাদলা দিনে।
কূল ভেঙেছে আমার হৃদয়ের-তোমার হৃদয়ের নয়!
কাঁদবে তুমি-উড়বো আমি মরুর বনে।

Post has attachment
Photo

Post has attachment
তুমি একলা বনে হাটো...দুই নয়নে ডাকো কি তারে.
আমি হই বিরহী, আমি হই বিরহী- শুধু তোমারই কারন।
Photo


আমি সেই।

আতিফ আসলাম।

আমি সেই!মরুভূমির পথে হাঁটি,
দেখা- অদেখার পথ খোঁজে।
উত্তপ্ত রক্ত প্রান্তরে খুঁজি আমি,
হারনো পথের দিশা।

আমি সেই!মেঘনা পাড়ের অচিন বালক,
তিতাসের বুক চিরে যার জন্ম।
বুকের গহীনে তাজা রক্তের দাগ,
খুঁজি আমি তারে, তিতাসের বুক চিরে।

আমি সেই! বালুরাশির কোমল হৃদয়,
ঝিনুকের ভিতর মুক্তার দানা।
যতন করে রেখেছি, তোমায় পড়াব বলে
খুঁজি আমি তারে,মেঘনার ঢালে।

আমি সেই! জীবন নৌকার দুলাচলের মাঝি,
পথের শেষ খুঁজিয়া ফিরি পথিকের লাগি।
দেখিতে পাই শত পতংগের দল,
গিরে রেখেছে তোমায়।

আমি সেই! বালক খুঁজি আজও,
জীবন নৌকার তরে।

লালটিপ।

-আতিফ আসলাম।

লালটিপ!এর ঐ কপল তিলক,
দিল কারিল নিশিতে।
পদ্মশশী মেঠো পথে,
ফুঁটে উঠে ধরাতে।

চাহনি বাঁকা,কাজল আাঁখি,
লাল তিঁলকের ভাঁজেতে।
লুঠিয়ে এই প্রান নদীর বাণে,
উঠল জেগে মন আমার।

ফাল্গুনের ঐ কৃষ্ণ চূঁড়ায়
ফুঁটে উঠল লালটিপ!
পাপিয়া বনে নদীর ও বাণে
বয়ে চলে সুর কমল।

রেশমি চুড়ি হাতের কাঁকন
নয়না কাজল ঐ আাঁখি,
লালটিপের ঐ ললাট ভূমি
লাগছে,সুহরিনী।

স্বপ্ন চূঁড়া
আতিফ আসলাম।

এক মুঠো স্বপ্নবুণা আকাশে,
ছড়িয়ে দিলাম একটি মন।
মিচে নেহি তবু কেনো?
কারন- অকারন করেছ বারণ।

দেখো! ঐ মেঘমালা বয়ে চলে,
যত সুখ-দূঃখ বেদনা নিয়ে।
আমিও কি ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছি,
স্বপ্নে আঁকা সব রাশি মালা নিয়ে।

রক্তিম হৃদয়ে বলছি শোণ মোর বেদনার কথা,
আঁখিতে রেখেছি তোমার বদন খানি বদ্ধ আবরণে।
হেতায় কহিল প্রাণ তবু কেনো মিচে সব,
জগৎ জানিবে কি ব্যথা?
যাহা আমার দিলে সয়।

মন ময়না।
-আতিফ আসলাম।

যেওনা!মন ময়না,
আর যেওনা,দূর ঐ মেঠো পথে,

যেথায়!হে কন্টক আছে
বিধবে;কোমল পায়ে।

তোমার ঐ ডাগর আঁখি,
কাজল মাখা-হরিনী লাগে;

জানিতে;
কইব কথা,সইব ব্যথা,
দিল কাবাতে জানে।

একে ঐ চাহনি বাঁকা,ডাগর আঁখি;
মরছে,পথিক -নয়নের বাণে।
পথিকের;
নেই কোনো সার,মরছে পুড়ে,
মন ময়না, জানে।

ধরাতে এলো যে আজ পূর্ণিমার চাঁদ,
ফুঁটল গোলাপ বনে।
ঐ আঁখিতে কি যাদু জানো,
মরি হায় নয়ন ও পাতে।

পূঁড়ল যে আজ নরম কোমল,
সেই ডাগর আঁখির বাণে।
যেও না!মন ময়না,
আর যেও না,ঐ মেঠো পথে।


Post has attachment

কবিতা।
"পারমিতা"
-আতিফ আসলাম।

"মন দুয়ারী,পারমিতা আজ,

বন দুয়ারী খোলে,কি জানি হায়!

মন ময়ূরী!বন বাদারে ঘুরে।

নবকুঞ্জে!কলমি লতায়

শিশির ভেজা মুক্ত ঝঁড়ে,

ভিজা পায়ে,আলতার ছোঁয়া,

মেঠো পথ,যায়-কিরণ হইয়া।

ঐ দীঘির পাড়!পারমিতার বাস,

দুই, দুয়ারী-খোলে -দেখি।

হিজল গাছে,কোকিল ডাকে,

পারমিতা!সুর- নকল করে,

বেহুশ!হয়ে-গায় সে গীত।

অমর, প্রেমের- সুর লইয়া।।


দিল যমুনা

আতিফ আসলাম।

প্রেমিকের নাই কোনো পথ শূণ্য আঁখি,

কাঁদে মরু বনে,

তোমাতে সইব ব্যথা রইবো একা,

ঐ নীলগিরি বনে

পথের যে শেষ না জানি করুন আঁখি,

চাঁদের ঐ জোস্না বনে একলা হেঁটে।

পথ পাড়ি দিতে চাই,

তবু,ক্যাণ মন কাঁদে আজ তোমার তরে।

এই দিল যমুনা জানে,

শুনিতে আর কি বাকী,শূণ্য আঁখি।

তোমার মরণ তলে,

ঐ আঁখি- কি মায়া জানে।





Wait while more posts are being loaded