Post is pinned.Post has attachment
Photo

Post has attachment
"প্রথম আলো"
Youth on 2-day remand for 'death threat to US ambassador'
Staff Correspondent | Update: 23:34, Jan 01, 20180


A Dhaka court on Monday put a youth, arrested for issuing death threats to United States ambassador to Bangladesh Marcia Bernicat on Facebook, on a two-day remand.
Dhaka Metropolitan Police's Counter Terrorism Unit had arrested him in Natore on Sunday. The police sought a four-day remand in two cases filed under the ICT Act, but the court granted two days for quizzing.

The charge sheet said Sujan Kumar, 25, hailing from Lalpur upazila of Natore, issued death threats to the US ambassador in a post of a media house's Facebook page. However, he was posing as Hasan Ruhani, a fake account created by Sujan.

Sujan used that fake Facebook account to make instigating remarks on many occasions, he confessed to the police, claimed Yasin Mia, an assistant sub-inspector of the Counter Terrorism Unit's social media monitoring team. Sujan had opened the Facebook account in November last year, the police officer claimed.

Photo

Post has attachment
"প্রথম আলো"
Youth on 2-day remand for 'death threat to US ambassador'
Staff Correspondent | 13 Aug, 2016

এলাকায় চাঞ্চল্য : আইএস পরিচয়ে হুমকিদাতা অসিত কুমার দাস !

গত শুক্রবার রাতে শহরের দশানী এলাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) পরিচয়ে ব্র্যাক কর্মকর্তা ও এক কলেজ শিক্ষককে হুমকি দেয়ার ঘটনায় অসিত কুমার দাস (৫২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতার অসিত কুমার দাস বাগেরহাট শহরের দশানী বারোয়ারি মন্দির সংলগ্ন প্রয়াত মনিন্দ্রনাথ ওরফে মনি লাল দাসের ছেলে। তার গ্রামের বাড়ি কচুয়া উপজেলার সংদিয়া গ্রামে। হুমকিপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষকের বাড়িও একই গ্রামে।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায় জানান, অসিত কুমার দাস বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার দৈবজ্ঞহাটি সেলিমাবাদ ডিগ্রি কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক অরুন কুমার চক্রবর্তী ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের বাগেরহাট সদর ব্রাঞ্চের ব্যবস্থাপক বিকাশ চন্দ্র বসুকে আইএস পরিচয় দিয়ে চিঠিতে হুমকি দেন।

পরে ভুক্তভোগীরা বিষয়টি পুলিশকে জানালে হুমকিদাতা অসিতকে গ্রেফতার করা হয়।এদিকে দুই ব্যক্তিকে আইএস সেজে হুমকি দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন অসিত।তিনি ব্যক্তিগত বিবাদ ও ঋণ সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এ কাজ করেছেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন।এ ঘটনায় বাগেরহাট মডেল থানায় অসিত কুমার দাসের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়েছে বলেও জানান পুলিশ সুপার।



Photo

Post has attachment
Photo

Post has attachment
Leaders, workers and followers are claiming that AWAMI LEAGUE is a political party and they do politics for the sake of a nation named Bangladesh. But, their leader HASINA SHEIKH’S impotence and grid for power became so solemn and important for them that they have decided to stay silent even when Bangladesh lost its sovereignty once their leader signed defense agreement with India. Seems like they were sedated. While wake they will start their day with lies by saying “bismillah hirrahmanir raheem” first.

আওয়ামী লীগ এর নেতা কর্মীরাও আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল বলে মনে করে। কিন্তু হাসিনা শেখের নপুংশতা এবং ক্ষমতার ক্ষমতার লোভ দলের নেতা এবং কর্মীদের কাছে এত পবিত্র যে তারা নিজেদের দেশটার সার্বভৌমত্বকে হারানো পরেও তারা নির্বিকার।..তাদেরকে যেন ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে। ..ঘুম ভাঙ্গার সাথে সাথে তাদের মিথ্যাচার শুরু করবে বিসমিল্লাহ হির রাহমানীর রাহীম দিয়ে।...
Photo

Post has attachment
UNDER HASINA SHEIKH & AWAMI LEAGUE’S BRUTAL AND ATROCIOUS RULE, 170 MILLION PEOPLE FEELS LIKE THEY ARE LIVING THE LAST DAY OF THEIR LIFE. IN THEIR RIGHT MIND EVERYONE KNOWS THAT THEIR COUNTRY DOES NO LONGER EXIST AS SOVEREIGN STATE BUT NO ONE DARES TO SAY IT OPENLY...
Photo

Post has attachment
UNDER HASINA SHEIKH & AWAMI LEAGUE’S BRUTAL AND ATROCIOUS RULE, 170 MILLION PEOPLE FEELS LIKE THEY ARE LIVING THE LAST DAY OF THEIR LIFE. IN THEIR RIGHT MIND EVERYONE KNOWS THAT THEIR COUNTRY DOES NO LONGER EXIST AS SOVEREIGN STATE BUT NO ONE DARES TO SAY IT OPENLY...
Photo

Post has attachment
UNDER HASINA SHEIKH & AWAMI LEAGUE’S BRUTAL AND ATROCIOUS RULE, 170 MILLION PEOPLE FEELS LIKE THEY ARE LIVING THE LAST DAY OF THEIR LIFE. IN THEIR RIGHT MIND EVERYONE KNOWS THAT THEIR COUNTRY DOES NO LONGER EXIST AS SOVEREIGN STATE BUT NO ONE DARES TO SAY IT OPENLY...
Photo

Post has attachment


বাংলাদেশের কোনো আইন ই হাসিনা শেখ এর জন্য প্রযোজ্য নয়:
তিনি যা খুশী তাই করতে পারেন; মানুষ খুন থেকে শুরু করে
প্রধান বিচারপতিকে পিস্তল ঠেকিয়ে গৃহবন্দী করা; কেউই তার
বিচার করতে পারবে না। আওয়ামী লীগ এর নেতা ও কর্মীদের
কাছে হাসিনা শেখ হলেন আল্লাহ আর হিন্দু নামধারী ভারতীয়
দালালদের কাছে তিনি ভগবান
_________________________________________________

সত্যনিষ্ঠ,সৎ চরিত্রের, নীতিবান, দেশপ্রেমিক এবং ধার্মিক(যে কোনো
ধর্মেরই হোক না কেন) কোন মানুষ কি হাসিনা শেখ কে
স্বজ্ঞানে সমর্থন করে?

অবশ্যই না।

যারা এই মুহূর্তে হাসিনা শেখ এবং আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে তারা
শুধুমাত্র নিজের জীবনের এবং অসৎ উপায়ে অর্জিত সম্পদের নিরাপত্তার
কথা ভেবেই মিথ্যাবাদী, অসৎ,দুর্নীতিবাজ,নাস্তিক এবং দেশপ্রেমহীন
হাসিনা শেখ কে সমর্থন করে যাচ্ছে।

এসব ব্যক্তিরাও কোনো অবস্থাতেই ভালো মানুষ না।

জেকব মিল্টন
উই আর দি পিপল
Photo

Post has attachment
রোহিঙ্গ্যা নিধনের আড়ালে লুকিয়ে আছে ভারত আর ইসরায়েল এর আলটিমেট গোল
_______________________________________________________________

বামিয়ান, আফগানিস্তানে যখন তালিবানরা মহামতি গৌতম বুদ্ধের মূর্তি ভেঙে ফেলে, তখন মাত্র ৯৬৯ জন অনুসারীদের নিয়ে BUDDHIST MONK WIRATHU এর প্রতিবাদ করে। সাথে সাথে মায়ানমার এর সামরিকজান্তা রোহিঙ্গ্যাদের দেশ থেকে বিতরণের সুযোগটি কাজে লাগায়। মায়ানমার এর সামরিকজান্তারা BUDDHIST MONK WIRATHU কে ডেকে রোহিঙ্গ্যা নিধনের সমগ্র ক্ষমতা প্রদান করে । সাথে সাথে BUDDHIST MONK WIRATHU কে রোহিঙ্গ্যা নিধনে সাহায্য করার জন্য মায়ানমার এর সামরিক এবং আধা সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়।

এ সময় ভারত তার কাশ্মীর এবং উলফা সমস্যা নিয়ে মহা ব্যস্ত। শত ব্যস্ততার মধ্যেও ভুলে যায়নি তাদের পুরানো খেলা।তারা সাফল্যের ১৯৭১ সালে পাকিস্তানকে ভেঙে দিয়েছে।তাদের বন্ধু ইসরায়েল মার্কিন তৈরী অস্ত্র এবং গোলাবারুদ তাদেরকে সরবরাহ করেছে। মার্কিনিরা ১৯৭১ সালে ইসরায়েল এর চাপেই পাকিস্তানকে সাহায্য না করে দূরে থেকেছে।ইসরায়েল এর প্রতি ভারত তার কৃতজ্ঞতা দেখাতে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করে:

১. ইসরায়েলকে মুসলিম বিশ্বে কিছুটা হলেও গ্রহণযোগ্য করা। (ইন্ডিয়া সৌদি ওয়াহাবী রাজাকে ইসরায়েল এর সাথে সু-সম্পর্ক তৈরী করতে সাহায্য করেছে।
২. ইসরায়েলী পণ্য সামগ্রী রফতানীর ক্ষেত্রে সাহায্য করা।
৩. প্যালেস্টাইনীদের পক্ষে কোনো কথা না বলা।
৪. ইহুদী এবং হিন্দুদের বানোয়াট ডক্ট্রিন মুসলিম নিধনে একে অপরকে সাহায্য করা।
৫. দুই দেশের প্রতিরক্ষা এবং পররাষ্ট্রনীতিতে একে অপরকে সাহায্য করা।
৬. অন্যান্য

১৯৪৭ সাল থেকে ভারতের স্বপ্ন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আর আজকের বাংলাদেশকে তাদের দেশভুক্ত করা।কাশ্মীরের হিন্দু রাজা আর সিকিম এর লেন্দুপ দর্জিকে দিয়ে কাশ্মীর এবং সিকিম অতি সহজেই হজম করা গেলেও বাংলাদেশ নিয়ে তারা বিপাকে পরে।বাংলাদেশের মহান জাতীয়তাবাদী নেতা শেখ মুজিবর রহমানকে তারা লেন্দুপ দর্জি বানাতে পারেনি। কিন্তু তারা সক্ষম হয়েছিল তার চারপাশের ৯৫% আওয়ামী লীগ নেতা এবং ছাত্র নেতাদেরকে ক্রয় করতে। মহান নেতা শেখ মুজিবকে সরিয়ে দেয়ার পর তারা মনে করেছিল তাদের রাস্তা খোলা। কিন্তু শেখ মুজিবের মতো আরেক মহান জাতীয়তাবাদী নেতা জিয়াউর রহমান এসে দেশের হাল ধরলেন। বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে একটা স্বাধীন দেশ হিসেবে গড়ে তুললেন। তাকেও সরিয়ে দেয়া হলো। এর পরের ইতিহাস সকলেরই জানা।বাংলাদেশ তার সার্বোভৌমত্তকে কোনো রকম টিকিয়ে রাখলেও ২০০৯ সালে হাসিনা শেখের বদান্যতায় ভারত তাদের ১৯৪৭ সালের স্বপ্ন পূরণের প্রকৃত সুযোগ পেয়ে যায়। আজ আমরা সেখানেই দাড়িয়ে।

আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকার জঙ্গীরা ভারত এবং মায়ানমার এর তৈরী। যারা শান্তিবাহিনী নাম পরিচিত। আমরা কতবড় গরু হলে মনে করি যে স্বাধীনতার যুদ্ধে ভারত আমাদেরকে সাহায্য করেছে অথচ কেউই মুখ খুলে বলি না যে বাংলাদেশে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী শান্তিবাহিনী ভারতেরই দেয়া প্রথম উপহার।

মিয়ানমারের বাৎসরিক বাজেট এর এক তৃতীয়াংশ ভারতের বিনিয়োগ । মিয়ানমারের বৈদেশিক বিনিয়োগের অর্ধেকের বেশি আসে ইন্ডিয়ার কাছ থেকে। গত দুই যুগেরও বেশী সময় ধরে মায়ানমার পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন থাকলেও ভারত এবং ইসরায়েল এর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল না।আর এজন্যই মায়ানমার এর শাসক গোষ্ঠীর উপর ভারতের প্রভাব পৃথিবীর সকলের চেয়ে বেশী। আবার ভারতের বদৌলতে ইসরায়েল এর ও রয়েছে বিশেষ প্রভাব।

গত দুইযুগের ও বেশী সময় ধরে ভারতের পরিকল্পনা নিম্নরূপ:

১. বাংলাদেশকে পৃথিবীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করা
২. বাংলাদেশে তাবেদার সরকার প্রতিষ্ঠা করা।
৩. বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরকে ভারতের কন্ট্রোলে নেয়া।
৪. বাংলাদেশে নিযুক্ত তাবেদার সরকার ভারতের সবকিছুতে হ্যা না বললে নিম্নোক্ত কার্যক্রম দ্বারা চাপ প্রয়োগ করা :
** ফারাক্কার পানি নিয়ে টালবাহানা করা অথবা পানিতে ডুবিয়ে অথবা পানি ছাড়া বাংলাদেশের মানুষকে অসহায় করা।
** সীমান্তে বাংলাদেশীদের নির্বিচারে হত্যা করা
** RAW এখানে সেখানে মানুষ মেরে বা দুর্ঘটনা ঘটিয়ে জঙ্গী হামলা বলে চালিয়ে দেয়া।
** বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার হচ্ছে বলে পৃথিবী ব্যাপী অপপ্রচার চালানো
** বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে কাগুজে বাঘে পরিণত করা
** বাংলাদেশের ব্যাঙ্কিং সেক্টরকে দেউলিয়া করা
** বাংলাদেশের পুলিশ এবং RABকে পুরোপুরি জনগণের শত্রুতে রূপান্তরিত করা
** বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদেরকে জঙ্গী বানিয়ে ধীরে ধীরে তাদেরকে সমাজচ্যুত করা।
** শান্তিবাহিনীর সন্তু লারমাকে দিয়ে পার্বত্য এলাকায় সহিংস কার্যকলাপ চালিয়ে যাওয়া।
** মিয়ানমারকে দিয়ে রোহিঙ্গ্যাদের মেরে বাংলাদেশ রিফিউজী সমস্যা তৈরী করা।
উপরোক্ত কাজগুলো সম্পন্ন হলে ভারত লাভবান হবে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোতে:
** বাংলাদেশের স্থল, জল এবং আকাশসীমা ব্যবহার করে ভারত তাদের প্রতিরক্ষা এবং যাতায়াত খাতের খরচ অর্ধেক এ নিয়ে এসেছে।
** বাণিজ্যে ভারতীয়দের সামগ্রীর সরবরাহ বেশী হওয়ায় বাংলাদেশী সামগ্রীগুলো বিক্রী হচ্ছে না বিধায় তাদের তৈরী প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে।
** বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাণিজ্যনীতি,প্রতিরক্ষা নীতি,পররাষ্ট্রনীতি ভারতের দ্বারা চালিত।
** বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে আসামের বিচ্ছিন্নতাবাদীদেরকে কঠিন হস্তে দমন করা হয়েছে।
** কাশ্মীরে দাঙ্গা শুরু হলেই মিয়ানমারকে দিয়ে রোহিঙ্গ্যাদের মেরে ফেলে বিশ্বের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেয়া হয়।

আমি বহুদিন ধরে বলে আসছি যে দক্ষিণ এশিয়ায় ইস্রায়েল এর উপস্থিতির বেনেফিশারী ভারত। ইসরায়েল দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের স্বার্থ রক্ষা করে তাদের বাণিজ্য এবং মুসলিম নিধন চালিয়ে যাচ্ছে।হাসিনা শেখ যখন মোসাদের কথা বলে বিএনপি'র আসলাম চৌধুরীকে ধরেছিলো তখনি বলেছিলাম যে মোসাদ এবং RAW লাইক ব্লাড ব্রাদার।

রোহিঙ্গ্যা সমস্যা ভারত এবং ইস্রায়েলীদের দ্বারা তৈরী একটি কৃত্তিম সমস্যা।বাংলাদেশের সাথে মায়ানমার এর ভালো সম্পর্ক ভারতের স্বার্থের পরিপন্থী। বাংলাদেশের তিনদিক ঘিরে রেখেছে ভারত। এশিয়ান ট্রান্স হাইওয়ে বাংলাদেশের সাথে সংযুক্ত হলে ভারত অনেক কিছু হারাবে যা তারা কোনোদিনই হতে দেবে না। সুতরাং মিয়ানমারের বৌদ্ধ জঙ্গীরা যখন নিরপরাধ রোহিঙ্গ্যাদের ভারতীয়দের সহায়তায় এবং ইসরায়েল এর তৈরী অস্ত্রের দ্বারা নির্বিচারে হত্যা করে তখন AUNG SAN SUU KYI'র যে খুব একটা কিছু করার আছে আমি তা মনে করি না।

ভারতের এক কথায় রোহিঙ্গ্যা নিধন বন্ধ হবে যা ভারত কখনোই বলবে না। ভারত হাসিনা শেখকেও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কিছু বলতে বা করতে দিবে না। এমনকি মিয়ানমার সরকারের সাথেও হাসিনা শেখকে একা কথা বলতে দেয়া হবে না।

অথচ, হাসিনা শেখ চাইলেই হতে পারে তার বাবার মতো যোগ্য নেতা। সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে ইন্ডিয়াকে ওভারকাম করা খুব একটা কঠিন হবে না। তার ক্ষমতাও থাকবে, রোহিঙ্গ্যারাও তাদের দেশে ভালো থাকবে। এই মুহূর্তে নিরপেক্ষ নির্বাচনে হাসিনা শেখ গোপালগঞ্জে ও হেরে যাবে। কিন্তু সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে হাসিনা শেখ শুধু ক্ষমতায় থাকবে না, পাঁচ আসনের সব কোটি আসনেই সে জিতবে।

কিন্তু হাসিনা শেখ কখন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ?


Jacob Milton
We Are Bangladeshi

http://www.haaretz.com/opinion/1.810390
http://www.refworld.org/docid/46a75e132.html

Photo
Photo
9/6/17
2 Photos - View album
Wait while more posts are being loaded