Post is pinned.Post has attachment
#আজকের_আড্ডা_পোষ্ট.......
সত্যি করে বলতে হবে তোমাদের সেই নামটা কি.....? 😆😆😆😆
Photo

গল্পের নামঃ জানিনা
লেখকঃ Sanvi Ahmed Shakib

শুরুতেই পরিচয় দেই আমি সানভি আহমেদ সাকিব,ইন্টার ফার্স্ট ইয়ার এর স্টুডেন্ট ।আর কিছু বলবো
না নইলে আবার দাওয়াত খেতে চলে আসবেন?
,
আমাদের যে বাড়িটা তার সামনে ছিলো একটা কোচিং
সো প্রতিদিন অনেক মেয়ে আসা যাওয়া করতো,
বাড়ি সামনে হওয়ার সুবাদে ছাদ থেকে তাদের
দেখতাম কিন্তু কাওকেই ভালো লাগতো না।
আমিও ওই কোচিং এই পড়তাম। কিন্তু আমাদের
ব্যাচটা সকালে আর মেয়েরা বিকেলে।তবে
আমাদের ব্যাচের কিছু মেয়েও ছিলো।
মেয়েগুলা যেন কেমন করে তাকায়। দেখলেই
ভয় লাগে।
তো এমনি একদিন স্যার ক্লাস নিচ্ছিলো হঠাৎ
একটা মেয়ের আগমন। খুবই সুন্দরি মেয়েটা
তার ওপর একটা সাদা চশমা।দারুন মানিয়েছে
মেয়েটাকে।প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়ে গেলাম।
মেয়েটার কথায় সম্বিত ফিরলো,
- হ্যালো আমি রিয়া।(মেয়ে)
- সবার সাথে পরিচিত হও।(স্যার)
সে সবার সাথে হ্যন্ডশেক করলো কিন্তু আমার
কাছে এসে হাত টা বাড়িয়ে দিলো আমি যেই
হাতটা বাড়িয়েছি ওমনি সে হাতটা নামিয়ে নিলো।
পুরো ক্লাস হেসে উঠলো। আমিও কিছুটা অপমানিত
হলাম। তবে এর শোধ আমি নিবো।তবে ওকে ভালোবেসে।
আমি চুপচাপ বসে রইলাম। মেয়েটা বলা শুরু করলো ,
আমার বাবার চাকরির সুবাদে এখানে আসা এবং এখানকার
একটা কলেজে ভর্তি হবো।
তারপর মেয়েটা বসে পড়লো আমার পেছনের সিট টায়।
এভাবে কিছুদিন গেল।ক্লাসের সবাই তাকে পছন্দ করে
কারন সে সুন্দরি তার সাথে ভালো ব্যবহার করে, কেও
হোমওয়ার্ক করে দেয়।কেও অন্যকিছু। কিন্তু ওইদিনের
ঘটনার পর আমি আর কথা বলি নাই। আমি চেয়েও দেখিনা
মেয়েটার দিকে। কারন এসব মেয়েদের সাথে যেচে কথা
বললে ভাব বেড়ে যায়। তাই একটু চুপচাপ থাকি।
কিছুদিন পর কোচিং এর চ্যাপটার টা বাদ গেল ,কারন
মেয়েটা আমাদের কলেজে ভর্তি হয়েছে।
,
তবে কলেজেও একি অবস্থা মেয়েটার সব দায়িত্ব যেন
ছেলেরা নিছে।সব কাজ ছেলেরাই করে দেয়। তবে
আমি খেয়াল করছি মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে থাকে?
কিন্তু কেন? কি মতলব।
এমনই একদিন কলেজে বসে আছি ।
মেয়েটা আসলো,
মাথা নিচু করে বলতে লাগলো,
- আমি আসলে সরি?(রিয়া)
-কিন্তু কেন?(আমি)
- না মানে সেদিন কোচিং এ ওই ব্যবহার টা করা ঠিক হয়নি?(রিয়া)
- না ঠিক আছে.(আমি)
তাহলে কি আমরা বন্ধু হতে পারি?(রিয়া)
বলেই হাতটা বাড়িয়ে দিলো?
- তা তো হতেই পারি? তবে এমনি বন্ধু বেস্ট ফ্রেন্ড না।(আমি)
-আচ্ছা কিন্তু কেন জানতে পারি?(রিয়া)
- আমি আসলে মেয়েদের বেস্ট ফ্রেন্ড বানাই না।(আমি)
তারপর থেকে বন্ধুত্ব কিন্তু আমি তেমন একটা কথা বলিনা।
কারন হলো নিরবে ভালোবাসতে চাই , আমি চাই না ও জানুক
ব্যাপারটা এখনো দূর্বল হইনি ওর প্রতি? তবে ওর সাথে কথা
বললে হয়তো বা হয়ে যাবো?
.
কলেজে বসে আসি রিয়াকে দেখলাম এদিকেই আসছে?
- কি খবর আপনার.(রিয়া)
- ভালো আপনার(আমি)
- ভালোনা। (রিয়া)
- কেন?(আমি)
- এমনি, একটা কথা বলবেন?(রিয়া)
- আপনি এতো চুপচাপ থাকেন কেন?সবাই আমার সাথে
যেচে কথা বলতে আসে আর আপনি আমার দিকে ফিরেও
তাকাননা কেন?(রিয়া)
- না মানে, আমি মেয়েদের সাথে কথা বলি নাতো তাই?(আমি)
- কিন্তু কেন বলেন না।(রিয়া)
- কারন আমি কোনো মেয়ের সাথে কথা বললে কিছুদিন একসাথে থাকলে সেই মেয়েটার প্রেমে পড়ে যাই তাই?(আমি)
- আমার সাথেও কি এমনটা হবে?(রিয়া)
- যদি বলি হ্যা (আমি)
- তাহলে বলবো হোক, কারন আমি আপনার নিরবতাকে
ভালোবাসি? আপনি সবার মতো না? সবাই তো আমাকে
ইমপ্রেস করার জন্য কত কিছু করলো আর আপনি তো
কিছুই করলেন না। ( রিয়া)
-যদি আপনার কোন সমস্যা না থাকে তাহলে আপনার সাথে
কথা বলা যাবে?(আমি)
- আমার কোন সমস্যা নাই।(রিয়া)
- সবকিছু জানার পরও।(আমি)
- হুমম। (রিয়া)
তারপর থেকে শুরু আমিও একটু সাহস পেলাম কারন
আমি বুঝতে পেরেছি রিয়াও আমাকে ভালোবাসে।
নইলে এভাবে কথা বলতো না।
তারপরের দিন?
-সানভি শোনো?(রিয়া)
- জি বলো?(আমি )
- তুমি এফবি ইউস করো?(রিয়া)
- হুমম কেন?(আমি)
- তোমার আইডি তে একটা রিকুয়েস্ট দাও?(রিয়া)
- আচ্ছা দিলাম।( আমি)
- চলো ওই দিকে যাই?(রিয়া)
- চলো?(আমি)
- তোমার জি এফ আছে?(রিয়া)
- না তোমার বি এফ আছে?(আমি)
- নাহ নাই?(রিয়া)
- তোমার মতো কিউট একটা মেয়ের বি এফ নাই, বিস্বাস হয়না?(আমি)
- নাই তবে হবে?(রিয়া)
রিয়ার কথাটা কুঝতে পারলাম না। ও কি তাহলে অন্য কাওকে ভালোবাসে?
- আচ্ছা তাহলে যাই ?(আমি)
- আচ্ছা?(রিয়া)
রাতে শুয়ে ফেসবুক চালাচ্ছি তখন দেখলাম রিয়া মেসেজ দিসে?
-ও এম জি?(রিয়া)
-কি হলো?(আমি(
- তুমি গল্প লিখো???(রিয়া)
- হুম একটু আধটু লিখি?(আমি)
- আমাকে নিয়ে একটা গল্প লিখবা? (রিয়া)
-আচ্ছা লিখবো? (আমি)
(তোমাকে নিয়ে লিখা গল্প এইটা)
এভাবেই কথা হতে থাকে ।কিছুদিন ধরে রিয়া কলেজ আসে না, ফেসবুকে আসে না, কোচিং এও আসে না?
নাম্বার টাও নাই ।হঠাৎ করেই অনেক মিস করতে থাকি
রিয়াকে?এভাবে আর কিছুদিন গেলে হয়তো আমি মারা
যাবো?
এর পর আসলে ওকে আমার মনের কথা বলে দিবো এভাবে
আর থাকা যাবেনা?
কিন্তু আমাকে মরতে হলো না?
দির্ঘ সাত দিন পর ও কলেজে আসলো?
ওকে দেখতেই দৌড়ে গেলাম?
.
- কই ছিলে এতোদিন?(আমি)
- একটু অসুস্থ ছিলাম?(রিয়া)
√ - কি অসুখ? আর এফবিতেও আসো নাই কেন?তুমি যানো কতটা মিস করছি তোমাকে?(আমি)
- এতো কিছু তোমার জানা লাগবে কেন? আর আমি তোমার কে?(রিয়া) [কথাগুলো বেশ রাগের সাথেই বললো]
- ভালোবাসি তোমাকে? এই কয় দিনে বুঝতে পেরেছি কে ছিলে তুমি আমার?(আমি)
- হঠাৎ রিয়ার বান্ধবি বলল ,যাক প্লানটা তাহলে সফল হয়েছে?
- কিসের প্লান আর তুমি লুকিয়ে লুকিয়ে আমাদের কথা শুনছিলে কেন?(আমি)
- এই সব কিছু নাটক রিয়া অসুস্থ ছিলো না।তোমার মুখ থেকে
ভালোবাসি কথাটা শোনার জন্য এই প্লান?(রিয়ার বান্ধবি)
- ওহ তাহলে এই ব্যাপার?(আমি)
রিয়ার মুখটা লজ্জায় লাল হয়ে গেছে?
আমি বললাম রিয়া চলো?
-কোথায়?(রিয়া)
-চলোতো(আমি)
তারপর ওকে নিয়ে একটা রেস্টুরেন্ট এ এলাম এবং সেখানে ওকে প্রোপোস করলাম?
-এই আকাশ সাক্ষী বাতাস সাক্ষী আমি তোমাকে ভালোবাসি?
আমার নিশ্বাস জানে কতটা ভালোবাসি তোমাকে? তুমি কি আমাকে ভালোবাসবে?(আমি)
-আমিও তোমাকে ভালোবাসি(রিয়া)
বলেই লজ্জায় আমাকে জড়িয়ে ধরলো?
- ছাড়ো সবাই দেখছে?(আমি)
-দেখুক আমি কি অন্য কাওকে জড়িয়ে ধরেছি নাকি?(রিয়া)
সাথে সাথে করতালিমুখর হয়ে গেল রেস্টুরেন্ট টা।
সবাই দেখছে আমাদের। রিয়া এবার বেশ লজ্জা পেয়েছে
ও দৌড়ে বেড়িয়ে পড়লো?
আমিও চলে আসলাম।
এবার আবার উনার রাগ ভাঙাতে হবে?
আমি যাই বন্ধুরা।
সামনে আমার পরিক্ষা সবাই দোয়া করবেন?

Post has attachment
Good Night Frndzzz......😊✌
Photo

গল্পের নাম:- প্রিয় অভিমান (১ম পর্ব)
লেখিকা:- মেঘ পরী জান্নত ♥

গল্পটি পড়ার জন্য অনুরোধ রইলো,,
আশা করি ভালো লাগবে।

আকাশ--- তোমার ঐ মুখ নিয়ে আর,
কখনো আমার সামনে আসবে না।
নীলা --- আকাশ? ??
( চোখ ভর্তি পানি)
আকাশ --- চলে যাও আমার সামনে থেকে।
নিলা -- তুমি কিন্তু ভুল করছো আকাশ।
আকাশ -- ভুল তো এতো দিন করেছি,,
তোমাকে বিশ্বাস করে।
আর ভুল করতে চাই না।

নিলা -- আকাশ প্লিজ একবার,,,
বোঝার চেষ্টা করো।
আকাশ-- কি বুঝবো আমি আর,,,
কি বা বোঝার আছে।
আমি তোমার ব্যাপারে যা,,,
যা শুনেছি তা তো
অবিশ্বাস করারর মতো নয়।

ছিঃ আমার ভাবতেই ঘেন্না লাগে যে,,,
এতোদিন আমি তোমার সাথে,,
আমি প্রেম করেছি।

নিলা -- আকাশ অন্য কারো কথায়,,
তুমি আমাকে ভুল বুজতে পারো না।
আমাদের ৪ বছরের রিলেশন,,,
এটা তো খেলনা নয়।

আকাশ -- আমি তোমার মুখে আর কোনো,,,
কথা শুনতে চাই না। ।
তুমি এখন আমার,,,
বাসা থেকে বেরিয়ে যাও,,,
নইলে আমি বাসা থেকে বেরিয়ে যাবো।

নিলা -- আচ্ছা চলে যাচ্ছি।
তবে আজকের দিনটার জন্যে,,
একদিন তুমি খুব আবছুচ করবে,,,
তখন খুব দেরি হয়ে যাবে।
কথাগুলো বলেই চলে এলাম।

আমার এতো দিনের সম্পর্ক মিথ্যা,,,
অপবাধের কাছে হেরে গেলো।
নাকি আমাকে ছেরে দেওয়াটাই,,,
ছিলো ওর মুল উদ্দেশ্য ।
কি করেছি আমি সেটা তো,,,
এখনো জানতেই পারলাম না।
এতো অপবাদের পর,,
এখানে আর থাকা চলে না।

আজ থেকে আকাশ নামটা,,,
আমার জীবনে অতিত ।
হঠাৎ ছোট ভাই অভির ডাকে,,
বাস্তবে ফিরে এলাম।

অভি -- কিরে আপু ও দিকে,,,
তাকিয়ে কি দেখছিস।
প্লেন তো ল্যান্ড করেছে।
চল নামতে হবে।
নিলা -- ( চোখের পানি মুছে),,,
চলে এসেছি তাই না।

অভি -- হুম কিন্তু তোর চোখে,,,
পানি কেনো আপু।
নিলা-- ওও কিছু না।
৫ বছর পর বাংলাদেশে ফিরছি তো।
তাই একটু খারাপ লাগছে।
চল নামতে হবে।

আজ ৫ বছর পর দেশে ফিরছি।
দেশের মাটির টান টাই আলাদা,
বাতাসটা যেনো কতো আপন।
অভিকে নিয়ে গাড়িতে বসলাম,,,,
জানলার কাচ দিয়ে শহরটা দেখছি।
কতো বধলে গেছে।
৫ বছর আগের শহরটার,,,
সাথে কোনো মিল নেই।

এই তো হাতিরঝিল।
কতোটা বধলে গেছে,,
ঐ তো জায়গাটা এখনো আছে।
ওখানেই আমি বসতাম।
আর আকাশ দাড়িয়ে থাকতো।
আমি বাদাম খেতাম আর,,,
আকাশ বাদাম এর খোসা
ছুলে দিতো।

নিলা - আচ্ছা তুমি আমাকে বাদাম ছুলে,,,
দাও কিন্তু তুমি খেতে চাও না কেনো ?
আকাশ- কারন আমি আমার মিষ্টি,,,
নিলাটার বাদাম খাওয়া,,,
দেখতে ভালোবাসি।
খাওয়ার থেকে,,,
দেখাটা খুব বেশি মজা।

নিলা -- ছাই মজা।
তুমি কিচ্ছু বোঝো না ।
আকাশ -- বাবু,,,
নিলা -- হুম বলো।
আকাশ -- হাতটা একটু ধরতে দিবে।
নিলা -- কেনো ধরতে দিবো শুনি? ?
আকাশ --আগে হাতটা দাও না ।
নিলা-- ওকে এই নাও।

আকাশ আমার হাতটা ধরে,,,
একটা চুমো দিলো।
নিলা-- এই চুমো দিলা কেনো? ?
আকাশ -- হাতেই তো দিছি আর,,,
কোথাও তো দেইনি।
নিলা -- আর কোথাও দিতে চাইলে,,,
আমি বুঝি দিতে দিতাম।
আকাশ -- দিতে দিতা না? ?
নিলা-- নাহ।

আকাশ তাহলে বিয়ের পর কি,,,
আমাকে সব কিছু,,
জোর করে দিতে হবে।
নিলা -- কি????
খুব দুষ্ট হইছো না ।
দাড়াও তোমার মজা দেখাচ্ছি আমি।
আকাশ এই না বলেই দিলো,,,
দৌর আর আমি ওর
পিছন ছুটে বেরাচ্ছি ।

নিলা----- হা হা হা করে নিজের,,,
অজান্তেই হেসে উঠলাম ।
অভি বলল আপু তুই,,
ঠিক আছিস তো।
একা একা হাসছিস কেনো।
নিলা -- ও কিছু না।
অভি -- তোর যে কি হয়েছে বুঝিনা।

নিলা -- চুপ কর,,,
তুই ফুপুর কাছে ফোন দেয়।
এখানে আসার পর ফুপুর,,
সাথে কথা হয় নাই।
অভি -- তোর আর বলতে হবে না।
আমার কথা,,
বলা হয়ে গেছে ।

নিলা --ok fine ..তারপর বাসায় চলে এলাম।
বাবা মাকে কাছে পেয়ে খুব,,,
ভালো লাগছে।
মা আমার জন্যে অনেক,,,
কিছু রান্না করেছে।
ফ্রেস হয়ে ভাইকে নিয়ে খেতে বসলাম।
বাবার সাথে খেতে খেতে,,,,
আড্ডা দিতে লাগলাম।
ঠিক আগের মতো।

বাবা আমার বিয়ে নিয়ে,,,
কথা বলতে লাগলো।
বাবার কথাটা ইগনোর করে,,,
রুমে চলে এলাম।
আমার রুমটা আগের মতোই আছে ।
মা রুমটাকে গুছিয়ে রেখেছে।
আমার টেডি বিয়ারটা,,,
এখনো আছে দেখছি।

নীল টেডি বিয়ার টা ধরতেই,,,
আকাশ এর কথা
মনে পরে গেলো।
এই নীল টেডিটা আকাশ,,
আমাকে গিফ্ট করেছিলো।
তখন ছিলো আমাদের ভালোবাসার,,,
প্রথম বছর পূর্ন।

------- রাত ১২:00 টা-----------
নিলা -- হ্যালো
আকাশ -- I love u .
নিলা -- i love u too babu.
আমার খুব ঘুম পাইছে,,
আমি ঘুমাই।

আকাশ -- এই না,,
এখন বেলকুনিতে আসো।
নিলা -- তুমি পাগল হইছো,,
এতো রাতে বেলকুনিতে যাবো কেনো আমি।
বাইরে খুব শীত বাবু।

আকাশ -- কোনো কথা শুনবো না,,,,
আসতে বলছি আসবা।
নিলা -- ওকে ঠিক আছে আসছি।
বেলকুনিতে গিয়ে খুব অভাক হয়েছি।
আকাশ রাস্তায় কতোগুলো,,,
ক্যান্ডল জালিয়ে,,
একটা লাভ বানিয়েছে।
তার মাঝে একটা বড় চকলেট কেক।

আকাশ বললো আমায় নিচে নামতে,,,
আমি নিচে গেলাম।
নিলা -- বাবু তুমি কি করেছো এটা।
আকাশ -- আমার ভালোবাসার এক বছর,,
পূর্ন হলো আর সেটাকে।
স্মৃতি করে রাখছি।

নিলা -- তুমি পারোও বটে।
নিলা - আমার দশটা না পাঁচটা না,,,
একটা গার্ল ফ্রেন্ড।
তার জন্যে এইটুকুও পারবো না।
আসো কেক কাটি।

তারপর আকাশ আমার,,,
হাত ধরে কেক কাটলো।
আমি আকাশকে খাইয়ে দিলাম।
আকাশ আমাকে খাওয়ানোর জন্যে,,,
কেক আমার সামনে এগিয়ে।
দিয়ে নিজের মুখে দিয়ে ফেললো,,
আর আমি রেগে গিয়ে সব।
কেক ওর মুখে লাগিয়ে দিলাম,,
আর ও আমার মুখে।

আকাশ আমাকে জরিয়ে ধরে,,,
অনেক বার i love u বললো।
আমিও l love u to jan বললাম...
আর আমার প্রিয় নীলরং এর,,,
টেডি আমার হাতে দিলো।
সেই রাতটা খুব স্পেসাল ছিলো,,
আমাদের জীবনে।
আকাশ---চইলেও কখনো ভুলতে পরবো না,,
নিলা-- হুম কোনোদিন ভুলবো না।

কথা গুলো ভাবতেই ফুফুর ফোনের,,,
শব্দে বাস্তবে ফিরে এলাম।
ফুফুর সাথে ফোনে কথা বললাম।
তারপর কিছুক্ষন রেষ্ট নিলাম।
বিকালে ভাইকে নিয়ে বাহিরে বের হলাম।
শহরটা ঘুরে ঘুরে দেখতে রইলাম।
হঠাৎ বৃষ্টি নেমে গেলো।
শীতকালে বৃষ্টি ব্যাপার টা,,
ভালো লাগছে না।

আমি আর ভাই গাড়িতে গিয়ে বসলাম।
জানলার কাচ গরিয়ে বৃষ্টির পানি পরছে।
বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে রইলাম।
আর আকাশ এর কথা মনে পরে গেলো।

নিলা -- তোমার বাসার বেলকুনিটা,,,
আমার খুব পছন্দ।
আকাশ-- সত্যি
নিলা -- হুম সত্যি।
আকাশ -- i love u jan
নিলা-- i love u too jan...

আকাশ -- কি খাবা চা না কফি।
নিলা -- কিভাবে খাবো বৃষ্টি নেমে গেলো দেখো,,,
আমাকে তারাতারি যেতে হবে।
আকাশ -- সত্যি তো খুব বৃষ্টি নামছে,,,
এই বৃষ্টিতে যাাবে কিভাবে।
শোনো তুমি আন্টি কে ফোন করে,,,,
বলে দাও যে তুমি,,,
আমার কাছে আছো।
তাহলে তারা টেনশন করবে না।
নিলা -- ওকে।

আকাশ -- আচ্ছা আমি কফি বানিয়ে,,,
নিয়ে আসছি।
আমিও আকাশ এর পিছু পিছু গেলাম।
আকাশ খুব সুন্দর করে কফি বানায়।
আকাশ -- কি দেখছো ওভাবে।
নিলা -- তোমাকে।
আকাশ -- আগে বুঝি দেখোনি............

বাকি পর্বটা আগামীকাল দেওয়া হবে,,
সে পর্যন্ত আমাদের পাশে থাকুন।
ধন্যবাদ........😍😍আনিকা😍😍

Post has shared content
গাংগের ভিতর ভরা ঝোয়ার উথাল পাথাল ঢেউ।একলা আমি বইসা আছি খবর নেয় না কেউ।আসেনা কারো কি মন।কাটেনা একেলা জীবন।
আসেনা কারো কি মন কাটেনা একেলা জীবন।
Photo

Post has attachment
অামি বড় ।
Photo

ওরা কারা....?☺
ওরা ছাত্র-ছাত্রী😊😊
ওরা কি চায়.....?😕
ওরা পরিক্ষা না দিয়ে পাস করতে চায়। 😆😆

#ভাবুনী_SR😎😜

Post has attachment
Photo

Post has attachment

Post has attachment
Photo
Wait while more posts are being loaded