Post has attachment
Ame amar
PhotoPhotoPhoto
10/10/2017
3 Photos - View album

Post has attachment
Love you
Photo

Post has attachment
ভৈরব কিশোরগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত ব্যবসাকেন্দ্র। ভৈরব উপজেলার উত্তরে কুলিয়ারচর উপজেলা, পশ্চিমে নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলা, দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্চারামপুর উপজেলা এবং পুর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলা অবস্থিত। ভৈরবে ইউনিয়ন ৭টি, ৯টি ওয়ার্ড, ২৪টি মহল্লা, পৌরসভা ১টি, মৌজা ৩২টি, গ্রাম ৮৪টি। ব্রিটিশ আমল থেকে ভৈরব ব্যবসাকেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত। ভৈরবকে তাই অনেক সময় ভৈরব বাজার বলেও অভিহিত করা হয়। ভৈরব পৌরসভার বর্তমান মেয়র হাজী মোঃ শাহিন। তবে ভৈরব পৌরসভার উন্নতির পিছনে যার অবদান সবচেয়ে বেশী তিনি হচ্ছেন দুইবার নির্বাচিত সাবেক মেয়র এডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাস ।
ভৈরব উপজেলার ইউনিয়ন হচ্ছেঃ ১. শিমুলকান্দি ২. শ্রীনগর ৩. আগানগর ৪. সাদেকপুর ৫. শিবপুর ৬. কালিকাপ্রাসাদ ৭ . গজারিয়া ভৈরব উপজেলার মধ্যে উল্লেখযোগ্য গ্রামগুলো হচ্ছে শম্ভূপুর, চন্ডিবের, কমলপুর, শিমুলকান্দি, কান্দিপাড়া , শ্রীনগর, রাজাকাটা, তুলাকান্দি, চাঁদপুর, রসুলপুর, সাদেকপুর, লুন্দিয়া, শিবপুর, কালিকাপ্রাসাদ, বাঘাইকান্দি, মেন্দিপুর, ছাতিয়ানতলা চর, জাফরনগর । ভৈরব উপজেলার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাজার হচ্ছেঃ ১. ভৈরববাজার ২. ভোলাবাজার (বিনিবাজার), শম্ভুপুর ৩. শিমুলকান্দি বাজার ৪. গজারিয়া বাজার ৫. এতিমখানা বাজার, ছনছাড়া ৬. কালিকাপ্রসাদ বাজার ভৈরব উপজেলার মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থান হচ্ছে ভৈরব সেতু, ভৈরব সেতু পার্ক, মেঘনা নদী রেলওয়ে সেতু।

আঠারো শতকের রেনেলের মানচিত্রে ভৈরবের কোন অস্তিত্ব ছিল না। মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পলিবিধৌত বদ্বীপ এককালে উলুখাগড়ার বন নামে পরিচিত ছিল। মুক্তাগাছার জমিদার ভৈরব রায় তার জমিদারী সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে নতুন জেগে উঠা এই এলাকায় মানব বসতি গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে জমিদারের নামানুসারেই এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয় ভৈরব বাজার। আবার এই রকম মতও আছে যে ভৈরব মানে ভয়ংকর সেই জন্য এই নামকরন করা হয়েছে। হিন্দু জমিদার ভৈরবের বিভিন্ন অংশের নাম হিন্দু সংস্কৃতির ধারায় রেখে দেন। ভৈরবপুর,শম্ভূপুর, জগন্নাথপুর, চণ্ডিবের, শিবপুর, কালীপুর,কালিকাপ্রসাদ, ইত্যাদি পাড়া/মহল্লার নামে হিন্দু সংস্কারের প্রভাব সুস্পষ্ট। ভৈরবের আদি নাম ছিল উলুকান্দি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধের সময় তৎকালীন ভৈরব বাজারে পাক বাহিনী ঘাটি গড়ে তুলে। যুদ্ধের শেষ সময়ের দিকে তারা ভৈরব রেলওয়ে সেতু বোমা মেরে ভেঙ্গে ফেলে। প্রথম মুসলমান ব্যবসায়ী হিসেবে যিনি ভৈরব রায়ের জমিদারীতে আসেন তিনি হলেন শ্রীযুক্ত হাজী শেখ নূর মোহাম্মদ মিয়া। তিনি একজন তীক্ষ্ম বুদ্ধিসম্পন্ন ও সফল ব্যবসায়ী হিসেবে অচিরেই ভৈরবে তার আধিপত্য বিস্তার করেন। তিনি একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ছিলেন এবং সেই ব্রিটিশ আমলে তিনি হাতিতে করে চলাফেরা করতেন। জমিদার ভৈরব রায় তার জমিদারী সুপরিচালনা করার জন্য ভৈরব বাজারে রাজকাচারী ভবন প্রতিষ্ঠা করেন। যা এখন উপজেলা ভূমি অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
ব্রিটিশ শাসনামলে এবং পরবর্তীকালে পাকিস্তান শাসনামলে ভৈরবের অবিসংবাদিত কৃতি সন্তান হাজী শেখ নূর মোহাম্মদ মিয়ার নাতি প্রয়াত এম. এ. মান্নান গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ভূমিকা রেখেছেন। তিনি সর্বভারতীয় মুসলিম স্টুডেন্টস লীগের সেক্রেটারী হিসেবে স্বাধীকার আন্দোলনে অবদান রাখেন। তিনি ভৈরবের হাজী আসমত কলেজ, জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা, ভৈরব গার্লস স্কুল সহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। শিমুল কান্দির জমিদারের পুত্র রেবতি বর্মণ কলকাতাই পড়াশোনার জন্য গেলে সেখানে তিনি কমিউনিস্টের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। সেসময় তিনি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। তিনি বোমা তৈরির সারঞ্জাম সহ ব্রিটিশ পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। তখন তাঁকে ৫ বছরের জেল দেওয়া হয়। জেলে থাকার সময় ব্রিটিশরা তাঁর শরীরে Mycobacterium leprae জীবাণু ঢুকিয়ে দিলে পরবর্তীতে তিনি leprosy রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। জেল থেকে মুক্তির পর তিনি শিমুল কান্দি চলে আসেন। সেখানে তিনি কিছুকাল থাকার পর কলকাতাই চলে যান। ১৯৫৬ সালে ভৈরব পৌরসভা গঠিত হয়। এর আয়তন ১৫.৩১ বর্গ কি: মি: পৌরসভার নাগরিক ১,৩০৩৭৪, পুরুষ : ৫১.৯২% মহিলা ৪৮.০৮%। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি: মি: এ ২৩১০ জন। শিক্ষার হার ৫৩.৭৫%। বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহকুমার অধীনে ১৯০৬ সালে ১৫ জুন ভৈরব থানা ঘোষিত হয়। ১৯৮৩ সালে ১৫ এপ্রিল মানউন্নত থানায় রূপান্তর করা হয়।
২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে ভৈরবের মোট জনসংখ্যা ২,৪৬,৮২০ জন। পুরুষের সংখ্যা ১,২৭,৬২০ জন। আর নারীর সংখ্যা ১,১৯,২০০। পুরুষের অনুপাত মোট জনসংখ্যার ৫১% আর নারীর অনুপাত ৪৯%। সর্বমোট গৃহের সংখ্যা গ্রামে ২৮,৯৪২ টি এবং শহরে ১৭,৬৯২ টি। সর্বমোট জমির পরিমাণ ৩০,০৮০ একর। চাষযোগ্য জমির পরিমাণ ১৭,৬১৬ একর। সেচের আ
Photo
Wait while more posts are being loaded