Post has attachment
#আলহামদুলিল্লাহ!
আওলাদে রাসুল ﷺ , পীরে বাঙাল আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ ছাবের শাহ (মঃ)'র খেতাবতে হাজার হাজার আশেকে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর অংশগ্রহণে চট্টগ্রাম জামেয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন জুলুস ময়দানে সু-সম্পন্ন হয়েছে আজকের পবিত্র জুমার নামায। নামাযের পূর্বে তাকরির করেন আওলাদে রাসুল ﷺ শাহজাদা হযরতুলহাজ্ব আল্লামা হাফেজ ক্বারী শাহ সূফী সৈয়্যদ আহমদ শাহ মাদ্দাজিলুহুল আলী।

বিঃদ্রঃ আগামী সোমবার ৮ই অক্টোবর হুজুর কিবলাদ্বয়ের ছদারতে জুলুস ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে বিশাল দাওয়াতে খায়র কনফারেন্স, সকলের উপস্হিতি কাম্য।
PhotoPhotoPhotoPhotoPhoto
10/5/18
10 Photos - View album

এক গ্রামে একজন দরিদ্র কৃষক ছিলেন।
-
তিনি তাঁর পালিত দুধ থেকে দই ও মাখন তৈরি করে!!
শহরের নির্দিষ্ট দোকানে দোকানে বিক্রি করতেন।
প্রতি সপ্তাহের মতোই সেদিন কৃষকের স্ত্রী মাখন তৈরি করে কৃষককে দিলেন বিক্রি করতে।
-
কৃষক তা বিক্রি করার জন্য গ্রাম থেকে শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। মাখনগুলো গোল-গোল রোল আকৃতিতে রাখা ছিল। যার প্রত্যেকটির ওজন ছিল ১ কেজি করে। শহরে পৌঁছে কৃষক প্রতিবারের ন্যায় পূর্ব নির্ধারিত দোকানে মাখনগুলো দিয়ে পরিবর্তে চা চিনি তেল ও তার সংসারের অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি নিয়ে আসলেন।
-
কৃষক চলে যাওয়ার পরে!!
দোকানদার মাখনের রোলগুলো একটা একটা করে ফ্রিজে রাখার সময় ভাবলেন মাখনের ওজন সঠিক আছে কিনা আজকে একবার পরীক্ষা করে দেখা যাক।
-
মাখনের রোলগুলো ওজন করতেই উনি দেখলেন মাখনের ওজন আসলে ১ কেজি নয়, তা আছে ৯০০ গ্রাম করে!
-
পরের সপ্তাহে আবার কৃষক উক্ত দোকানে মাখন বিক্রি করতে গেলেন।
দোকানের সামনে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে দোকানদার কৃষকের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে করে বলতে লাগলেন,
"বেরিয়ে যাও আমার দোকান থেকে। এবার থেকে অন্য কোন দোকানদারের সাথে ব্যাবসা কর। আমার দোকানে আর কোনদিন পা রাখবে না।
৯০০ গ্রাম মাখন ১ কেজি বলে বিক্রি করেছো। ওজনে কম দেয়া লোকের সাথে আমি ব্যাবসা করতে চাইনা।
---
কৃষক বিনম্রভাবে কম্পিত স্বরে দোকানদারকে বললেন, ”দাদা! দয়া করে রাগ করবেন না।
আসলে আমি খুবই গরিব মানুষ। দাড়িপাল্লার বাটখারা কেনার মতো পয়সা আমার নেই।
তাই আপনার থেকে প্রতিবার যে এক কেজি করে চিনি নিয়ে যেতাম, সেটাই দাড়িপাল্লার একপাশে রেখে অন্য পাশে মাখনের রোল রেখে ওজন করে নিয়ে আসতাম।
_
এখন আপনার চিনিতে যদি ১০০ গ্রাম করে কম দিয়ে থাকেন, তাহলে আমি কি করে বুঝবো বলুন!!???//
..
শিক্ষণীয় বিষয়ঃ
"আপনি অপরকে যেটা দেবেন, সেটাই পরে আবার আপনার কাছে ফিরে আসবে। :)
সেটা সম্মান হোক বা ঘৃনা।

এক গুণবতীর উদহারণ........(শিক্ষনীয় পোষ্ট)

যুবতীর গুণের প্রশংসা শুনে তার প্রতি মুগ্ধ হয়ে না দেখেই বিয়ে করেন এক যুবক। স্ত্রীকে বাসরঘরে গিয়েই প্রথম দেখেন। কিন্তু স্ত্রীর ঘোমটা খুলতেই তিনি মনোবেদনায় বিষণ্ণ হয়ে পড়েন।

দেখেন, তার পরম কাঙ্খিত স্ত্রী রূপসী নয়, কালো। তাই তিনি স্ত্রীর কক্ষ ত্যাগ করেন। মনের দুঃখে স্ত্রীর কাছে আর ফিরে আসেন না। নাম তার আমের বিন আনাস। অবশেষে স্ত্রী নিজেই তার কাছে যান। প্রিয় স্বামীকে বলেন, ‘ওগো! তুমি যা অপছন্দ করছো, হয়তো তাতেই তোমার কল্যাণ নিহিত আছে, এসো।’ অতঃপর আমের স্ত্রীর কাছে যান এবং বাসর রাতযাপন করেন।

কিন্তু দিনের বেলা স্ত্রীর অসুন্দর চেহারার প্রতি তাকাতেই তার মন খারাপ হয়ে যায় আবার। মনের দুঃখে আমের এবার বাড়ি ছেড়ে দেন। চলে যান বহুদূরে, অন্য শহরে। এদিকে বাসর রাতেই যে তার স্ত্রী গর্ভধারণ করেছেন, এ খবর তিনি রাখেন না। আমের ভিনদেশে লাগাতার বিশটি বছর কাটান।

বিশ বছর পর তিনি নিজ শহরে ফেরেন। এসেই প্রথমে নিজ বাড়ির কাছের সেই প্রিয় মসজিদে ঢোকেন। ঢুকেই দেখেন এক সুদর্শন যুবক পবিত্র কোরআনের মর্মস্পর্শী দরস পেশ করছেন। আর বিশাল মসজিদ ভরা মানুষ পরম আকর্ষণে তা হৃদয়ে গেঁথে নিচ্ছে। তাঁর হৃদয়গ্রাহী দরস শুনে আমেরের অন্তর বিগলিত হয়ে যায়। আমের লোকদের কাছে এই গুণী মুফাসসিরের নাম জানতে চাইলে লোকেরা বলেন, ‘ইনি ইমাম মালেক।’

আমের আবার জানতে চান, ‘ইনি কার ছেলে?’ লোকেরা বললো, ‘এই এলাকারই আমের বিন আনাস নামের এক ব্যক্তির ছেলে। যিনি বিশ বছর আগে বাড়ি থেকে চলে গেছেন, আর ফিরে আসেননি।’ আবেগে উত্তাল আমের ইমাম মালেকের কাছে এসে বললেন, ‘আমাকে আপনার বাড়িতে নিয়ে চলুন। তবে আমি আপনার মায়ের অনুমতি ছাড়া আপনার ঘরে প্রবেশ করবো না। আমি আপনার ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকবো।

আপনি ভেতরে গিয়ে আপনার মাকে বলবেন, দরজায় একজন লোক দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি আমায় বলেছিলেন, তুমি যা অপছন্দ করছো, হয়তো তাতেই তোমার কল্যাণ নিহিত আছে।’ এ কথা শুনেই ইমাম মালেকের মা বললেন, ‘হে মালেক! দৌঁড়ে যাও, সম্মানের সঙ্গে উনাকে ভেতরে নিয়ে আসো, উনিই তোমার বাবা। দীর্ঘদিন দূরদেশে থাকার পর উনি ফিরে এসেছেন।’ এই হলেন সেই গুণবতী মা, যিনি ইমাম মালেক (রহ.)-এর মতো সন্তান গড়ে তোলার কারিগর।

তাই রূপবতী নারী দ্বারা নয়, গুণবতী নারীদের মাধ্যমেই পৃথিবী আলোকিত হয়।

Post has attachment
যুবক বিয়ে করার জন্য হন্যে হয়ে পাত্রী
খুঁজে চলছে, কিন্তু পাত্রী হতে হবে
দ্বীনদার। একজায়গায় এক দ্বীনদার
পাত্রীর সন্ধান পেল,
শর'য়ীভাবে পাত্রীকে দেখতে
পাত্রীদের বাড়ি গেল।
পাত্রীর সাথে কথাবার্তা চলার
একপর্যায়ে পাত্রী যুবককে উদ্দেশ্য করে
প্রশ্ন করল- 'আপনি কুরআনের কতটুকু মুখস্ত
করেছেন?'
যুবক বললেন একটু ও না। তবে সর্বদা
চেষ্টা করি,
যেন আল্লাহর একজন সৎকর্মশীল বান্দা
হতে পারি,
যুবক পাল্টা প্রশ্ন করে বসল- পাত্রীকে
আপনি কতটুকু মুখস্ত করেছেন?'
পাত্রী বললেন আমি আমপারা মুখস্ত
করেছি।
এবং উভয় ফ্যামিলির গার্জিয়ানদের
উদ্দোগে
এ পাত্রীর সাথেই যুবকের বিয়ে হয়ে
গেল।
তারা হয়ে গেল স্বামী-স্ত্রী।
কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই
স্বামী অনুভব করল যে, সে দুনিয়াতেই
যেন একটুকরো জান্নাতের মালিক হয়ে
গেছে।
স্ত্রী- ও অনুভব করল যে, তার স্বামী তখন
সত্য
বলেছে, সত্যিই সে একজন সৎকর্মশীল
বান্দা।
তার পর একদিন স্ত্রী, স্বামীকে, বলল-
'এই, আসুন না আমাকে কিছু কুরআন মুখস্ত
করিয়ে দিবেন?
স্বামী বলল- 'হ্যাঁ, চলো, আমরা উভয়েই
মুখস্ত করব। একে অপরকে মুখস্ত করিয়ে
দেবো।
যেই কথা সেই কাজ। তারা একে
অপরকে কুরআন মুখস্ত করিয়ে দিতে শুরু
করলেন,
উভয়ে একের পর এক সুরা মুখস্ত করতে
থাকল একে অপরকে শোনানোর
মাধ্যমে।
এভাবে একদিন তারা উভয়েই কুরআনের
হাফেজ ও হাফেজা হয়ে গেল! এবং
কিছুদিন পর স্বামী
তার স্ত্রীকে সাথে নিয়ে শ্বশুরালয়ে
গেল।
গিয়েই শ্বশুরকে অতি আহ্লাদে খবর
দিল- 'আব্বু, আপনার মেয়ে কোরআনে
হাফেজা হয়ে গেছে!
খবরটি শুনে শ্বশুর যারপরনাই আশ্চর্য হয়ে
গেলেন!
তিনি মেয়েজামাইকে কিছু না বলে
উঠে মেয়ের রুমে গিয়ে কিছু কাগজপত্র
নিয়ে আসলেন,
কাগজপত্র গুলো দেখে যুবকের চোখ তো
ছানাবড়া!
এ যে তার স্ত্রীর কুরআন হিফজের
প্রাতিষ্ঠানিক
সার্টিফিকেট! তার মানে তার স্ত্রী
বিয়ের আগে থেকেই কুরআনের
হাফেজা ছিল!
এইবার যুবক আসল ব্যাপার বুঝতে পারল।
আসলে তার স্ত্রী কুরান মুখস্ত করিয়ে
দেয়ার ভান
করে মূলত: তাকেই হাফেজ বানানোর
কৌশল অবলম্বন করেছিল!
স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতায় যুবকের দিল
ভরে গেল।
তার দু'চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ল ক'
ফোটা আনন্দ
অশ্রু........!!!
আল্লাহ্ পাক যেন আমাদের
প্রত্যেককে এমন দিনদার,
নেককার স্ত্রী ও স্বামী দান করেন,আমিন।
Photo

Post has attachment
আসসালামু আলাইকুম,,
বস্তুত তোমার প্রভুর প্রতিদানই শ্রেষ্ঠ এবং তিনিই শ্রেষ্ঠ রিযিকদাতা।
সূরা আল-মু'মিনূন ৭২
Photo

Post has attachment
"ইহুদী, খৃষ্টান ও মুসলিম"
নামে পরিচিত এই মূর্তিটি স্পেনের, মাদ্রিদ যাদুঘরে আছে।

একজন ইহুদী পর্যটক, কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ করলো মূর্তিটি সম্পর্কে। কর্তৃপক্ষ প্রত্যুত্তরে বললঃ
"আপনিতো উপরে দাঁড়িয়ে আছেন, এরপরও কেন অভিযোগ?"

ইহুদী আবার বললঃ
"হ্যাঁ, আমি সবার উপরে দাঁড়িয়ে আছি সত্য। কিন্তু যখন মুসলিমটি দাঁড়িয়ে যাবে তখন তো আমরা উপরের দু'জন পড়ে গিয়ে টুকরো টুকরো হয়ে যাব।"
-------------------------------------------------------------------------------

অপেক্ষা শুধু মুসলমানদের উঠে দাঁড়ানোর...

"বাজিছে দামামা বাঁধরে আমামা
শির উঁচু করি মুসলমান।
দাওয়াত এসেছে নয়া জমানার
ভাঙা কিল্লায় ওড়ে নিশান।
মুখেতে কলেমা হাতে তলোয়ার
বুকে ইসলামী জোশ দুর্বার
হৃদয়ে লইয়া এশক আল্লাহর
চল আগে চল বাজে বিষাণ।"
Photo

Post has attachment
#সুবহানাল্লাহ
২০০ বছরের গুনাহ মাফ -

“বনী ইসরাইলের এক ব্যক্তি যে তার দীর্ঘ হায়াতে কোন নেক কাজই করেনি। আল্লাহ পাকের নাফরমানীতে পুরো জিন্দেগী কাটিয়েছে। যখন তার ইন্তিকাল হলো, তখন তার প্রতিবেশী ও এলাকার লোকেরা ওই ব্যক্তিকে একটি আবর্জনাময় সতূপে নিক্ষেপ করলো। তার গোসল কাফন-দাফনের ব্যবস্থা এলাকাবাসী না করে তাকে ফেলে রাখলো। এদিকে মহান আল্লাহ পাক তিনি ওই যামানার জলীলুলক্বদর রসূল হযরত মূসা কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম এর নিকট ওহী করলেন, ‘হে আমার নবী ও রসূল হযরত মূসা আলাইহিস সালাম! অমুক এলাকায় অমুক গ্রামেএকজন লোক ইন্তিকাল করেছে, এলাকাবাসী তাকে ফেলে দিয়েছে। তার গোসল, কাফন দাফনের ব্যবস্থা কেউ করছে না। আপনি সেখানে যান, গিয়ে ওই ব্যক্তির গোসল-কাফন দাফনের ব্যবস্থা করুন!’
হযরত মূসা কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি সে এলাকায় গেলেন। এলাকাবাসীদেরকে বললেন, এখানে কি একজন লোক ইন্তিকাল করেছে? এলাকাবাসী বললো, হ্যাঁ, একজন লোক ইন্তিকাল করেছে, যে লোকটা দু’শ বছর হায়াতপেয়েছিলো। কিন্তু সে কোন নেক কাজ করেনি। মহান আল্লাহ পাকের নাফরমানীতে ইন্তিকাল অবধি দৃঢ় ছিলো। আমরা তাকে পছন্দ করিনা!কারণ, সে একটা বড় বদকার, বড় নাফরমানবান্দা।
হযরত মূসা আলাইহিস সালাম একথা শুনে আল্লাহ পাকের নিকট আরজ করলেন, “হে আল্লাহ তায়ালা ! এই লোকটা আপনার নাফরমান বান্দা, বড় গুনাহগার। এলাকারলোকেরা তাকে পছন্দ করেনা। কারণ, সে দু’শ বছর হায়াত পেয়েছিলো কিন্তু সে কোন নেক কাজ করেনি। পুরো জিন্দেগী নাফরমানীতে কাটিয়ে দিয়েছে।
তখন মহান আল্লাহ পাক বললেন, হ্যাঁ। তারপরও তাকেএকটা আমলের কারণে তার জীবনের সমস্ত গুনাহমাফ করে, জাহান্নাম হারাম করে, আমি জান্নাত ওয়াজিব করে দিয়েছি এবং আপনার মতো একজন জলীলুল ক্বদর রসূল আলাইহিস সালামকে পাঠিয়েছি তারগোছল, কাফন-দাফন করার জন্য।
তখন হযরত মুসা আলাইহিস সালাম বললেন, হে আল্লাহ পাক! আমাকে জানিয়ে দিন যে, এই লোকটা এমন
কী আমল করেছে যার কারণে তার দু’শত বছরের গুনাহখতা মাফ করে একজন জলীলুল ক্বদর রসূলকে পাঠিয়েছেন তার গোসল, কাফন-দাফনের জন্য! হে আল্লাহ তায়ালা! আপনি আমাকে সেই আমলটি জানিয়ে দিন। সেই আমল আমি নিজে করবো এবং আমার উম্মতকে শিক্ষা দিবো।
মহান আল্লাহ পাক বললেন, হে আমার রসূল হযরত মূসা আলাইহিস সালাম! আপনাকে আমি সেই আমলটির কথা জানাচ্ছি। তা
হচ্ছে, আপনার প্রতি নাযিলকৃত কিতাব ‘তাওরাত শরীফ’ লোকটা একদিন খুলেছিলো। খুলেই সে দেখতে পেলো,শেষ নবী হযরত মোহাম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাম মুবারক। দেখার সাথে সাথে সেই মুহাব্বত করে ঐ বান্দাটা ওই নাম মুবারক চুম্বন করলো, চোখে লাগালো এবং সাথে সাথে আমার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি দরূদ শরীফ পাঠ করলো।
আমি তার এই আমলকে পছন্দ করে নিলাম। কাজেই আমি তার এই ইবাদত কবূল করে তার দু’শ বছরের গুনাহখতা ক্ষমা করে আপনার মত একজন জলীলুল ক্বদর রসূল পাঠিয়েছি তার গোসল, কাফন-দাফনের জন্য। #সুবহানাল্লাহ!
= খায়িছুল কুবরা ১ম খ- ২৯
√ নুযহাতুল মাজালিস ২য় খন্ড ১৪২ পৃষ্ঠা ।
Photo

মাযহাব কী? কেন মানব?

ধরুন, আপনার কাঁধে ক্যামেরা। ঘাড়ে রেডিও। হাতে টেলিফোন। ক্যামন অবস্থা হবে? নিশ্চই বিরক্তিকর।

এ থেকে পরিত্রাণের উপায়? জ্বী, ঠিক ধরেছেন, মোবাইল ফোন। এক সেটেই কথা বলা, গান শোনা, ছবি তোলা। কত্ত সুবিধা! কত সহজ! একখানে সবকিছু।

ঠিক ইসলামও কয়েকটি জিনিষের সমন্বয়। কোর'আন, সুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াস।

কোর'আনে অনেক বিষয় স্পষ্ট নাও হতে পারে। আমাদের বোধশক্তির কারণে। যদিও ভিজে ও শুকনো সব কিছু কোর'আনে আছে। যেমন, কোর'আনে আছে, চুরি করলেই হাত কাটো।

কিন্তু হাত কোথায় কাটবে? কব্জি থেকে? না বাহু থেকে? এর সমাধান কই? এর সমাধান হাদিসে।

আবার হাদিসে অনেক জিনিষ স্পষ্ট নেই। যেমন ভাত খাওয়া। উপমাদেশে সুফিগণ ইসলাম আনলেন। নব মুসলিমরা পরল বিপাকে। কারণ, সুন্নাহ হচ্ছে রুটি খাওয়া। আরবে ভাত খায় না। এছাড়াও ভাত দিয়ে মদ হয়। নির্দিষ্ট সময় পানিতে চুবালে। আরেকটি বিষয় এদেশের মাটি, খাদ্যাভাস। হাজার বছর থেকে মানুষ ধান ফলায়। কারণ জলবায়ুই এমন।

তবে উপায়? উপায় ইজমা ও কিয়াস। তৎকালীন আলেমগণ একত্রিত হলেন। আলোচনা করলেন। সিদ্ধান্তে পৌঁছালেন। ঘোষণা আসল : ভাত খাওয়া যাবে। তবে এটি মুবাহ। যাতে পাপ নেই। আবার পূন্যও নেই।

যা-হোক, মোবাইলের কথায় আসি। মোবাইল সব কিছু সহজ করেছে। একত্রিত করেছে। ঠিক সেভাবে ইসলামের বিভিন্ন ক্ষেত্র ভিন্ন ভাবে চিন্তা করলে মাথায় কুলাবে না। কারণ আমরা কেউই এতটা জ্ঞানের অধিকারী নই। সবজান্তা সমশের নই।

ঠিক একারণেই সৃষ্টি হল মাযহাব। মাযহাব একটি প্যাকেজ। মোবাইলের মত। সমস্ত কিছু সুন্দর করে গুছানো। এরপর আমাদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

এখন যে কোনো একটি মাযহাব মানলেই হল। মাযহাব মানলে, কোর'আন, সুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াস সব মানা হবে। একস্থানেই সব সমাধান। কত্ত সহজ!

এখন প্রশ্ন, রাসুল সাল্লালাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম কি মাযহাব মেনেছেন? তিনি না মানলে আমরা মানব কেন?

'পয়েন্ট অভ ভিউ' বলে একটা কথা আছে। মানে, দৃষ্টিভঙ্গী। আচ্ছা, রাসুল-অতুল (দ) কি আমাদের মত মানুষ? দোষেগুনে মানুষ? যে তাঁকে মাযহাব মানতে হবে।

তিনি যদি আমাদের মত হন, তবে আমরাও তাঁর মত। কিন্তু আমাদের কাছে কি ওহী আসে? আল্লাহ কি আমাদের হাবীব ডেকেছেন?

আরে, মাযহাব মানে পথ, পদ্ধতি। প্রত্যেক পথের একটি মঞ্জিল থাকে। গন্তব্য থাকে। যেমন রংপুর বিশ্বরোড ধরলে ঢাকায় পৌঁছাব। আর রাসুল-অতুল (দ) নিজেই সেই গন্তব্য। মাযহাব হচ্ছে 'রংপুর বিশ্বরোড'।

এতকিছুর পরেও বলবেন, মানি না। কোর'আনের বাংলা আছে। আল-বানী ভার্সন হাদিস আছে। নিজেই রিসার্চ করুম। নিজেই মানুম।

কোনো সমস্যা নেই। নিজেই অনুসন্ধান করতে পারেন। আত্মপূজা করতে পারেন। শুধু জেনে যান আব্দুল হক মোহাদ্দেস দেহলবী কী বলেছেন। অনুসন্ধানকে ইজতেহা বলে। ইজতেহাদকারীকে মুজতাহিদ।

'একজন মুজতাহিদ কোর'আন ও সুন্নাহ সম্পর্কে পরিপুর্ণ জানবেন (এক ছটাকও বাকি থাকবে না)। তিনি আরবী ভাষা বিজ্ঞান জানবেন। পরিপূর্ণ ভাবে। এখ অবধি সমস্ত বিষয় সম্পর্কে তাকে নৈর্ব্যক্তি জ্ঞান রাখবে। এবং জটিল সমস্যার উৎস সপর্কে জানবে। তাঁর জীবন হবে নিষ্কলুষ। পাপহীন।'

এখন আমাকে বলুন, আরবী কতটুকুন জানেন? সিহাসিত্তার কতগুলো হাদিস মুখস্ত আপনার? আপনি কতটা পুণ্যবান? ইসলামের কতগুলো জটিল বিষয়ের সমাধান করেছেন?

ঠিকমত বিসমিল্লাহও পড়তে জানেন না! আর সহিহ সহিহ করেন! আল-বানি আর ইবনে তাইমিয়ার লাফালাফি শুধু অনলাইনেই পাবেন। এখান থেকেই ইসলাম শিখেছেন। এজন্যই আপনারা 'গুগল মুফতি'।

হাজার বছর ধরে কোটি মানুষ মাযহাব মানল। আর আপনারা মহাপণ্ডিত হয়ে গেলেন! এক ধাপে মুজতাহিদ!

এগুলো আসলে মানসিক রোগ। স্কিৎজোফ্রোনিক বলে। ইসলামের ভাষায় তাকফিরি। মানে, আমি ছাড়া সবাই ভুল। সব ভুল। এরকম করলে শুধু নফসের পূজাই হবে। আর নফসের পূজা মানে, জনাব ইবলিসের পূজা।

সত্য বলতে, মাযহাব না মানা ইসলাম না মানারই নামান্তর।

আমার বক্তব্য শেষ। বিবেক আপনার। বিবেচনা আপনার।

(লেখাগুলোর প্রচার জরুরী। ধন্যবাদ।)

আমাদের জীবনে চলার পথে ইদানিং আমরা খুব বেশী মোটিভেশনাল স্পিচ খুঁজি, যেন সফল হবার একমাত্র পথ হলো মোটিভেশনাল স্পিচ। এটা ছাড়া আমাদের জীবনে চলার কোন উপায় নেই। ইদানিং তাই মোটিভেশনাল স্পিকার বাজারে পাইকারী দরে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। এরা নাকি টাকা পয়সা দিয়েও বক্তব্য দেয়। ইদানীং আমিও কয়েকটা শুনে দেখলুম দেখি কোনভাবে যদি ইন্সপায়ার হতে পারি। মজার বিষয় আমার একটাই পুরো শুনা হয়না, এর আগেই ঘুমিয়ে পড়ি। ধুত্তুরিকা। আমারে দিয়া কিচ্ছু হপেনা। এ জীবন দিয়ে কি হপে?

সোলাইমান সুখন সাহেবের মুখ ত্যাড়া বেড়া করে বাংলায় কথা বলা শুনলাম, তারমতে ভাব নিতে পারলেই আপনি স্মার্ট। একটু ইংলিশ কইতে পারলেই আপনে সেই জিনিস। মাঝে মাঝে আমি ভাবি আমার পূর্বপুরুষ ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ কিংবা বিজ্ঞানী কুদরত এ খুদা কিংবা বিজ্ঞানী আইনষ্টাইন কার মোটিভেশনাল বক্তব্য শুনে এতো এতো বড় অবদান রাখলেন?

আসলে কারো জীবন আমাদের অনুপ্রানীত করেনা, অন্ততঃ সোলাইমান সুখন এর টা তো নয়ই, :/ কারন এ দুনিয়ার ৬০০ কোটি মানুষ ৬০০ কোটি রকম। আমাদের প্রত্যেকের সমস্যা ভিন্ন ভিন্ন।

মানুষ নিজেই তাঁর নিজের জন্য সবচেয়ে বড় ইন্সপায়ারেশন, কাউকে এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে ইন্সপায়ার করতে হয়না। যা আসার তা ভেতর থেকেই আসে, মানুষের ভেতরেই অমিত সম্ভাবনা, মানুষ নিজেই যখন ভাববে, ৩০০ কোটি কোষ নিয়ে তা মস্তিষ্ক গঠিত, প্রায় ৬ লাখ রকমের রঙ মানুষের চোখের রেটিনা ক্যাচ করতে পারে তখন তার জন্য স্পিচ এর দরকার হয়না।

বন্ধুরা, আমার এসব কথায় পেট ভরলোনা, মনের ভেতর খচখচানি রয়েই গেলো? তাহলে এবার আসুন, আপনাকে একজন মোটিভেশনাল স্পিকারের সাথে আলাপ করিয়ে দেই, আমি যখন খুব দুঃখে থাকি আমি ভাবতে থাকি এমন সময়ে তিনি কি করতেন, আমি যখন আনন্দে থাকি ভাবি এমন সময়ে তিনি কিভাবে উদযাপন করতেন, আমার মন আলোকিত হয়। আমার অন্তর আত্মা প্রশান্ত হয়।

তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ দঃ। আমার অসুখে বিসুখে আমি ভাবি কেমন ছিলো তাঁর আচরন এমন গভীর সংকটে, আমি জানতে চাই ঠিক সেই সময়ে। একটা মানুষকে যখন একঘরে করে দেয় তখন তিনি কিভাবে তার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেন কিংবা একজন মানুষ যখন সমাজ রাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত হন তখন কিভাবে তিনি আবার সেই দেশ জয় করেন, জানতে চাও? তাহলে সেই মোটিভেশনাল স্পিকারের জীবনী পড়ে দেখো।

রাসুল আমার ভালোবাসা, রাসুল আমার আলো আশা

রাসুল আমার প্রেম বিরহের মুল আলোচনা

রাসুল আমার কাজে কর্মে অনুপ্রেরণা।।

Post has attachment
কুরআন বাংলা অর্থসহ Full Quran
অ্যাপটিতে কুরআন এর ১১৪ টি সূরা বাংলা ও ইংলিশ অর্থসহ দেওয়া হয়েছে
ডাউনলোড লিংক= https://play.google.com/store/apps/details?id=com.appspoint.quranbangla
Photo
Wait while more posts are being loaded