Post has attachment

Post has attachment

#‎সিঁড়ি‬(Stair) সম্পর্কিত প্রয়োজনীয়
তথ্যাবলী
ইমারতের একতলা থেকে অপরতলায়
নিরাপদে,অনায়াসে এবং দ্রুত গমনাগমনের জন্য
কতগুলো ধাপের সাহায্যে যে পথ নির্মাণ করা হয়
তাকে সিড়ি বলে।এটা একটি স্থায়ী কাঠামো।এ
সিড়ি দালানের যে জায়গায় অবস্থান
করে তাকে সিড়িঘর বলে। এটি ইমারতের এমন
জায়গায় নির্মাণ করা উচিত যেন সহজে আলো-
বাতাস পাওয়া যায়,ভবনের আবাসিকবৃন্দ
স্বচ্ছন্দে প্রবেশ ও বের হতে পারে।
বসতবাড়িতে সিড়ির প্রস্থ ৯০ সেমি.
এবং পাবলিক
ভবনের জন্য ১.৫-১.৮ মিটার হওয়া উচিত।আর
ওঠা-নামার সুবিধার জন্য প্রতি ফ্লাইটে ১০-১২
টি ধাপ রাখা শ্রেয়।তবে ৩ টির কম ধাপ
রাখা উচিত নয়।সিড়ির হেডরুম
কমপক্ষে ২.১-২.৩ মিটার হওয়া উচিত।আর
ল্যান্ডিং এর চওড়া ফ্লাইটের চওড়ার কম
হওয়া উচিত নয়।
বিভিন্ন প্রকার সিড়ির তালিকা:
একমুখী সিড়ি,
ডগ্-লেগড সিঁড়ি,
ওপেন নিউয়েল সিড়ি ,
জিওমেট্রিক্যাল সিড়ি,
বৃত্তাকার সিড়ি,
বাইফারকেটেড সিড়ি,
সিঁড়ির ট্রেড ও রাইজারের মাঝে সম্পর্ক:
বিভিন্ন বিল্ডিং কোড দ্বারা নির্ধারিত নিয়ম-
কানুন মেনে সিড়ি স্ল্যাবের ট্রেড ও রাইজারের
মান
নির্ণয় করা হয়।যেহেতু স্ল্যাবের ঢাল সাধারণত
২৫ থেকে ৪০ ডিগ্রি এর
মধ্যে রাখতে হবে,সেহেতু
ট্রেড ও রাইজারের মধ্যকার সম্পর্ক
বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিম্নলিখিত নিয়ম
অনুসরণ করলে ট্রেড ও রাইজারের সন্তোষজনক
মান পাওয়া যায়।
আমেরিকান কোড অনুযায়ী(America n
Standard):
ট্রেড + রাইজার= ৪৪ সেমি.
ট্রেড x রাইজার= ৪০০-৪৫০ বর্গসেমি.
ইন্ডিয়ান কোড অনুযায়ী(Indian
Standard):
ট্রেড + ২ x রাইজ=৬০ সেমি.
ট্রেড x রাইজার= ৪০০-৪১০ বর্গসেমি.
AcI কোড অনুযায়ী ট্রেড ও রাইজারের সবোর্চ্চ
এবং সর্বনিম্ন মান হচ্ছে:
AcI কোড অনুযায়ী বসতবাড়িতে ব্যবহৃত
সিড়ি স্ল্যাবের রাইজারের পরিমাপ ১৫ হতে ১৮
সেমি এবং ট্রেডের পরিমাপ ২৩-২৭ সেমি।
পাবলিক বিল্ডিং এ ব্যবহৃত সিড়ি স্ল্যাবের
রাইজারের পরিমাপ ১৪-১৫ সেমি এবং ট্রেডের
পরিমাপ ২৫-৩০ সেমি হয়।
ওয়েস্ট স্ল্যাবের ওজন নির্ণয়ের পদ্ধতি:
সিড়ির স্ল্যাবকে ওয়েস্ট স্ল্যাব বলা হয়।
মনে করি, R=রাইজারের উচ্চতা, সেমি.
T=ট্রেডের প্রস্থ, সেমি.
S=ওয়েস্ট স্ল্যাবের পুরুত্ব, সেমি.
ওয়েস্ট স্ল্যাবের ওজন নির্ণয়ের সুত্র=
SxR2+T2x 24/T
সিড়ির ধাপের ওজন নির্ণয়ের পদ্ধতি:
ধাপের ওজন নির্ণয়ের সুত্র হলো W=১২R
কেজি/বর্গমিটার
এখানে, R=রাইজারের উচ্চতা
W=ওজন

ছাদ স্ল্যাবের উপড় লাইম কংক্রিটের কাজ
লাইম কংক্রিট কাজের একক:
জলছাদের গড় পুরুত্ব ৭.৫ সেমি থেকে ১২
সেমি পযর্ন্ত হতে পারে।জলছাদের কাজ
বর্গমিটারে করা হয়। কোন কোন
ক্ষেত্রে জলছাদের পরিমাণ ঘনমিটারে ধরা হয়।
লাইম কংক্রিট কাজের অনুপাত:
জলছাদের কাজে ২:২:৭
অনুপাতে চুন,সুরকী,খোয়া মিশানো হয়।
জলছাদের কাজের হিসাব:
পুরুত্ব উল্লেখ পূর্বক সমাপক পৃষ্টের ক্ষেত্রফলই
জলছাদের কাজের পরিমাণ ধরা হয়।
অর্থাৎ
প্যারাপ্যাটের ভিতরের পরিমাপ(দৈর্ঘ্য x প্রস্থ)
নির্ণয় পূর্বক কাজের পরিমাণ বর্গমিটারে হিসাব
করা হয়।ইমারতের নকশায় যে সমস্ত মাপ
দেওয়া থাকে সে অনুযায়ী মাপ নেওয়া হয়।
ফাঁকা অংশের পরিমাপ বাদ দেওয়ার নিয়ম:
যে কোন ফাঁকা অংশ,চিমনি স্টক এর গর্ত,রুফ লাইট
ইত্যাদি যার ক্ষেত্রফল ০.৪০ বর্গমিটার এর
বেশি না হলে পরিমাণ বাদ দেওয়া হয় না।
ঢাল প্রদান:
ছাদের ক্ষেত্রফল প্রতি ৪০ বর্গমিটারের জন্য
১০০ মিমি ব্যাসের রেইন ওয়াটার পাইপ প্রদান
করা হয়।বৃষ্টির পানির নির্গমনের দিকে ঢাল
প্রদান করা হয়।সমাপক পৃষ্ঠের ঢাল সর্বনিম্ন
১:৫০ এবং সর্বোচ্চ ১:৩৬ হবে।
ঘুন্ডি প্রদান:
প্যারাপেট ওয়াল এবং ছাদের সংযোগ স্থলে লাইম
কংক্রিট দ্বারা গোলকৃতি করে দেওয়াকে ঘুন্ডি বলে।
ঘুন্ডি প্রদান করার জন্য লাইম
কংক্রিটকে প্যারাপেটের অভ্যন্তরে প্রবেশ
করাতে হয়।সে কারণে প্যারাপেটের অর্ধপুরুত্ব
পর্যন্ত ইট কেটে বের করে নেওয়া হয়।
জলছাদের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় মালামালের
তালিকা:
১.এক নম্বর ইট
ভেঙ্গে সুরকি তৈরি করতে এবং প্রতি বর্গসেন্টিমিটারে ২৫
জালি বিশিষ্ঠ চালুনি অতিক্রম করবে।
২.অপদ্রব্য মুক্ত সদ্য পোড়ানো চুন
প্রতি বর্গসেন্টিমিটারে ২৫ জালি বিশিষ্ঠ
চালুনিতে চালাতে হবে।
৩.ইটের খোয়া লাগবে=১
ঘনমিটার,সুরকি লাগবে=০.৩৬ ঘনমিটার,চুন
লাগবে=০.১৮ ঘনমিটার।
১০০ বর্গফুটে মালামালের পরিমাণ:
খোয়া লাগে=৯০ cft
সুরকি লাগে=৪৫ cft
চুন লাগে= ৪০০ kg
Wait while more posts are being loaded