রহস্যময় কোয়ান্টাম জগৎ নিয়ে ধারাবাহিক লিখছে রাজীবুল ইসলাম। আজ দ্বিতীয় পর্বে থাকছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা: কোনো বস্তু কখন কোয়ান্টাম তত্ত্বের আওতায় আসে? কাদের ক্ষেত্রে কণা আর তরঙ্গ ধর্ম একসাথে বিচরণ করতে পারে বা স্রেফ পর্যবেক্ষণ করেই বস্তুর অবস্থা পাল্টে দেওয়া যায়? একটা মার্বেল কি উড়ুক্কু মৌমাছির ক্ষেত্রে এটা হয়না কেন? আসুন, রহস্যময় কোয়ান্টাম জগৎ আর রোজকার পরিচিত ক্লাসিক্যাল জগতের সীমারেখাটা কোথায়, সেই চুলচেরা বিশ্লেষণে যাওয়া যাক।

http://bigyan.org.in/2017/02/22/quantum-diary-2/

গণিতের উপপাদ্যের মজা হলো, কখন কোথায় কাজে লেগে যাবে, ঠিক নেই। আপাতদৃষ্টিতে দুটো আলাদা সমস্যা, পায়রার খুপড়ি দখল নিয়ে একটা প্রশ্ন আর নিমন্ত্রণবাড়িতে পরিচিতের সংখ্যা নিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন আরেকটা প্রশ্ন, দুইয়েরই উত্তর দেওয়া সম্ভব একটা সহজ উপপাদ্যের সাহায্যে। প্রশ্ন দুটি কি এবং কিভাবে একই উপপাদ্যের সাহায্যে তার উত্তর দেওয়া যায়, সেই গল্প বলছে নীলাব্জ চ্যাটার্জী।

http://bigyan.org.in/2017/02/13/pigeonhole/

Today I have joined hands with you.it's a very good effort to popularize science through Bengali. 

Post has shared content

Post has attachment
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর জনক মার্ভিন মিনস্কি কিছুদিন আগে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। কেমন ছিলেন মানুষটা? আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর মত যুগান্তকারী ধারণার জন্ম দিতে কি ধরণের মানসিকতার প্রয়োজন হয়? তার জীবন থেকে কিছু টুকরো তুলে ধরছে এম.আই.টি. মিডিয়া ল্যাব-এর সায়মিন্দু দাশগুপ্ত।

http://bigyan.org.in/2016/03/15/marvin-minsky/

Post has attachment

Post has attachment

এ এক অসাধারন প্রয়াস

Post has attachment
বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই ড্রসোফিলা (Drosophila) মাছি হয়ে উঠেছিল জীববিদ্যার গবেষণার জগতে এক দুর্দান্ত মডেল অর্গ্যানিজম। ১৯১০ সালে কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির থমাস হান্ট মর্গানের গবেষণাগারে আলফ্রেড স্ত্রাটভান্ট এবং কেলভিন ব্রিজেসের হাত ধরে আবিস্কার হয়েছিল জেনেটিক্সের একের পর এক সূত্র। মর্গানের ল্যাবরেটরি যা জগতে “ফ্লাই রুম” বলে পরিচিত তাকে কেন্দ্র করে সেই গবেষণা এবং বিজ্ঞানীদের জীবনের ইতিহাস আগেই তুলে ধরেছিলেন রবার্ট কোহলার তাঁর লেখা “লর্ড অফ দ্য ফ্লাইস” বইটিতে। কিন্তু এবার জীববিদ-চিত্রপরিচালক আলেক্সি গ্যাম্বিস সেই গল্প বললেন তাঁর তৈরী “দ্য ফ্লাই রুম” চলচিত্রের মাধ্যমে, একটু অন্যভাবে। কেলভিন ব্রিজেসের মেয়ে বেত্সী-র চোখ দিয়ে দেখালেন সেই “ফ্লাই রুম”-কে। বাবা ও মেয়ের বিজ্ঞান ও মানসিকতার জীবনের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া নিয়েই এই ছবি। ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োলজিকাল সায়েন্সেসে “দ্য ফ্লাই রুম”-এর প্রদর্শনীর সময় আমরা পেয়েছিলাম ছায়াছবির নির্মাতা আলেক্সি গ্যাম্বিসকে আর সেই সুযোগে তাঁরই একটি সাক্ষাতকার নিয়েছিলেন ধনঞ্জয় চতুর্বেদী। আলেক্সির মুখে শুনলাম তাঁর কাজ এবং সায়েন্স কমিউনিকেশনের বিভিন্ন মাধ্যমের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গীর কথা।

http://bigyan.org.in/2015/08/24/alexis-gambis/

Post has attachment
Wait while more posts are being loaded