Profile cover photo
Profile photo
এই মেঘ এই রোদ্দুর (স্বরচিত কবিতা পেইজ)
116 followers -
ছB, ছB,র ব্লগ, নেট কালেকটেড ছB
ছB, ছB,র ব্লগ, নেট কালেকটেড ছB

116 followers
About
Posts

Post has attachment
কুঁড়েঘর প্রকাশনী স্টল নং ৪১৭, ৪১৭ তে পাওয়া যাবে এই মেঘ এই রোদ্দুর :)
Photo
Add a comment...

Post has attachment
এ্যানিমেশন
Animated Photo
Add a comment...

Post has attachment
 
আমি আর আমার কবিতারা
কাজী ফাতেমা ছবি
=====================
আমি-
সেই অবহেলা সময় পার করে করে
বাধ্য হয়ে হাত ধরেছি আজ কবিতার।
 
তুমি-
দিনদিন অবাধ্যতাটা বেড়েই চলেছে
তীব্ররাগে ভালের চর্মে ভাঁজ পড়েছে।
 
আমি-
বেশ সুখ আর আনন্দে কেটে যাচ্ছে দিন
ব্যস্ততা, মুগ্ধতায় পাশে আছি কবিতার।
 
তুমি-
একা একা থাকায় অভ্যস্ত হতে হতেই
বিষন্ন মুখে হাসিও ভুলে যেতে বসেছো।
 
আমি-
সংসার কাজের ফাঁকে হাজার কথা হয়
হাসি-আনন্দে মনের দখলে কবিতার।
 
তুমি-
ক্যালকুলেটরটা হাতে বিছানায় শুয়ে
হিসাব কষে পার করো সুন্দর মুহুর্ত।
 
আমি-
তোমার দরজায় মাথা কুটে ব্যর্থ কিন্তু
অল্প স্পর্শে দরজা খুলে গেছে কবিতার।
 
তুমি-
জীবনটাকে একঘেয়ে বানিয়ে বানিয়ে
সুখ খুঁজো মরিচিকার পিছু দৌঁড়ে দৌঁড়ে।

আমি-
যতদুরেই যাই ফিরে আসি ছোট নীড়ে,
সখ্যতা গড়েছি কলম আর কবিতার।
 
তুমি-
ঘরের কোণে সুখ খুঁজে শুধু তাই কভু
তাকাওনি সবুজে, বাইরে খুঁজোনি সুখ।
 
আমি-
শত ব্যস্ততায় বন্ধুত্বতা টুটে না কভু
বন্ধু, বন্ধন অটুট আমার কবিতার।
(নভেম্বর ২০১৪)
Animated Photo
Add a comment...

Post has attachment
রহস্যে ভরা মানুষ
কাজী ফাতেমা ছবি
======================
এত রহস্যে ঘেরা আমার চারপাশ
সব রহস্য যেন আমায় ঘিলে খায়
বুঝতে গিয়েও ধাঁধায় আটকে যাই
শুনতে গিয়ে দেখি মিনমিনে সে স্বর
শুনা যাচ্ছেনা কেনো! কারোর কোন কথা!

তরুর ঝরে পড়া পাতা মর্মর সুরে
রহস্য যেনো আরো বেশী বাড়িয়ে দেয়,
যখন পথ চলি কেন যে মনে হয়
আমার পিছু পিছু কেউ আসছে যেনো
আমার চঞ্চল অতীত? বাড়ায় ব্যথা।

জগৎ সংসার একটা রহস্যের স্থান,
মানুষরা ভাল মানুষের ভান ধরে
ভয়ংকর মনে লুকিয়ে থাকে রহস্য
কখন কাকে দেবে ছোবল কিংবা মালা
এত রহস্য বুঝা হয়ে উঠে কষ্টকর.....

এইযে এত কিছু পেয়েও;ভোগ করেও
মানুষরা রহস্যের জালে আটকা পড়ে
কেউ ঠের পায় না, যখন বুঝতে পারে
ধাঁধায় আটকে গেছে, পথ খুঁজে পায়না
ডুবে রহস্যের অতলে; জীবন দুষ্কর।

গ্রহ উপগ্রহ নক্ষত্র রহস্যেতে ঘেরা
তেমনি সব মানুষ যেনো রহস্যাবৃত
গ্রহের রহস্য হতে বের হওয়া যায়
কিন্তু,
মানুষের রহস্যের জালেতে আটকিলে
বেরোবার পথ পাবে না কষ্মিনকালেও।
(9 November 2014 at 22:01)
 
Animated Photo
Add a comment...

Post has attachment
শালীনতায় সুখ বেশী
কাজী ফাতেমা ছবি
===================
মাথায় পড়েছিস্ হিজাব তুই
গিঁড়ার উপর টাইস
ভাবছিস্ বুঝি লাগছে তোকে
হেব্বি হেব্বি নাইস।

ঠ্যাং দুইটা তোর লাগছে যেনো
শয়তানেরি লাঠি
ফ্যাশন এতো করলে-ও যে
অঙ্গ হবে মাটি।
 
কানে লাগিয়ে মুঠোফোন
বলিস্ হ্যালো গাইস
ফাস্টফুডের খানা শেষে
ভাতকে বলিস রাইস।

মুসলিম হয়ে ভুলে গিয়ে
পাশ্চাত্যের ঢং ধরিস্
ক্যাট ওয়াকিং করে কন্যা
টিজ বিপদে পড়িস।
 
ওড়না ছাড়া এলোচুলে
জিন্স গেঞ্জি গায়ে
লাজ শরমের মাথা খেয়ে
উড়িস রঙ্গিন বায়ে।

নারীর সুন্দর কিসে জানিস
শালীন চলাফেরায়
লজ্জা নারীর ভূষন জানিস
সুন্দর যে এই ধরায়।

আল্লাহ্ তা'লার সুন্দর সৃষ্টি
পুরুষ এবং নারী
আলগা বেশভূষা চাল-চলন
লাগে বলি-হারী।

নারী ক্যান পুরুষের মতো
পালন করিস সুন্নত
টাইস পড়ে পা সাজিয়ে
আনিস টেনে লান্নত।
 
নারী তুই এমনিতে স্মার্ট
শাড়ি কি থ্রি-পিচে
পুরুষের বেশ ধরে ক্যান যে
দৌঁড়িস্ ফ্যাশন পিছে।
 
শালীন পোশাক পড়লে তবে
থাকবি নিরাপদে
সম্মান নিয়ে বাঁচবি মেয়ে
সম্মান পদে পদে।
(24 November 2014 at 23:27)
 
 
Animated Photo
Add a comment...

Post has attachment
হারিয়ে গেছে হৃদ্যতার চাবি
---------------কাজী ফাতেমা ছবি
এবার বুঝি সময় হলো
একা রাস্তা চলার
সময় হলো এবার তবে
একা কথা বলার।
 
দুনিয়াতে কেউ নই কারো
একা সবাই থাকি
একসাথে বাস করে-ও হয়
চোখে চোখে ফাঁকি।
 
স্বজনহারা একলা আমি
পার করি দিনরাতি
আঁধার কালোয় ঘরটি আমার
জ্বালায়না কেউ বাতি।
 
কেমন যেন মানুষগুলো
ভাবটি ধরে ন্যাকা
ভাল কথা বললে দেখি
উত্তরটা দেয় ব্যাঁকা।
 
সবাই চলে উল্টো পথে
রয় না ভাল'র পক্ষে
স্বার্থে আঘাত লাগলে-গুলি
চালায় ভাইয়ের বক্ষে।
 
জীবনটা তাই এলোমেলো
পাইনা খুঁজে ছন্দ
গুছাতে গেলে দেখি হায়!
মনে লাগে দ্বন্দ।
 
দ্বিধাদ্বন্দে দিন কেটে যায়
নিরানন্দে চিত্ত
কি করে বুঝাই এ মনরে
যুদ্ধ করি নিত্য।
 
নিশি রাতের একলা আমি
ভেবে মনটা সিক্ত
চারপাশে আমার ধূঁ ধূঁ মাঠ
বুকটা জুড়ে রিক্ত।
 
কে নিল ছিনিয়ে আমার
হৃদ্যতার ঐ চাবি
খুলতে হৃদয়.. চাবিটা চাই
এটাই আমার দাবি।
(29 December 2014 at 22:45)
 
Animated Photo
Add a comment...

Post has attachment
ফিরে যেতে চাই হারিকেন সন্ধ্যায়
কাজী ফাতেমা ছবি
===========================
বার বার ফিরে আসে তারা হেমন্ত বসন্ত দুপুরের ধূলিউড়া পথ ধরে
শিউলী সকাল, শিউলী মালা, ঢালায় শিউলী ফুলে সাজানো ভোর
শিশিরে ভেজানো দূর্বাঘাস, মেঠো পথ, নদীর তীরে বয়সী বটবৃক্ষ।

ফিরে আসে যে মনের কাছাকাছি বারবার, হাজারবার প্রতি সন্ধ্যায়
ফিরে আসে বর্ষায় ডুবা ধানক্ষেত, ছোট ডোবা, জলে থই থই পুকুর
একশত দুই রং দিয়ে বানানো কাগজের নৌকা, হাতের তোলা ঢেউ
ডুবে আবার ভাসে, ভাসতে ভাসতে ডুবে মাঝ পুকুরের স্বচ্চ জলে।

নির্মল বাতাসে দোলানো ধানের শিষ, সোনালী দিগন্ত জোড়া মাঠ
ঢেউ খেলানো বর্ষার জল, মাছ ধরার দৃশ্য, আবিদা-খেলার মা'র
মাঠে ছাগল চড়ানো দুপুর। ঘাস ফড়িংয়ের উড়াউড়ি তীক্ষ্ণ রোদ।

হুলো বিড়ালের মুখে ইঁদুর, খরগোসের জুতো খাওয়া টিভি শো,
সিরাজ হুজুর তার মাকে তীক্ত গালাগাল ভরা বিকেল, কান্নার সুর
সব ঘুরে ফিরে চলে আসে হেমন্ত-শীত সন্ধ্যায় শৈশব মাখা সুরে।

ছইবুল্লাহ চাচার ভুলভাল নামাযের সূরা, জীন বশিভুত করা গল্প
দীপ্তির বিভাস ছড়ানো রূপালী আলোর রাত, জোনাক উড়া ক্ষণ।

রাতির সাথে প্রগাঢ় বন্ধুত্বতা, ঝিঁঝির চরম আস্ফালন ভরা ডাক
রোজ ভোরের পিঠা পুলির আস্বাদ, উদয়াস্ত পর্যন্ত হই হুল্লোড়।

এক্কা-দোক্কা প্রহর, বউছি, ডাংগুলি, হা-ডু-ডু, ফুটবল, ক্রিকেট
নিভু নিভু আলো, গা ছমছম নিকষ আঁধার, কুয়াশা টুপটাপ শব্দ
ফিরে আসে বারবার অন্তরে জাজ্বল্যমান হয়ে, না ফেরানো বেলা।
কখনো ভোরে কখনো দুপুরে কখনো বিকেলে শান্ত পরিবেশে
ফিরে সেই হারিক্যান সন্ধ্যা, ফিরাতে জানায় নি:শব্দ আহুতি।
(24 November 2014 at 22:20)
 
Animated Photo
Add a comment...

Post has attachment
হারাতে মন চায়
কাজী ফাতেমা ছবি
===================
মাঝে মাঝে এমন হয়....
বিতৃষ্ণায় ভরে থাকে মন আমার
সব প্রিয় মুখগুলোর সামনে আনাগোনা
করতে ইচ্ছা হয় না।

ইচ্ছে হয় অনেক দূরে চলে যাই
পায়ে হেঁটে হেঁটে ক্লান্ত হয়ে
রাস্তার পাশের খালি বেঞ্চটায়
খানিকটা জিড়িয়ে নিয়ে আবার....
ঠিকানাহীন পথ ধরে হাঁটি।
হয় না কিছুই!

উল্টো পথ ধরে ফিরে আসতে হয়
সেই চির চেনা ঠিকানায়।

আচ্ছা আমি হারিয়ে গেলে
কেউ কি খুঁজবে আমায় অথবা
একটি নিখোঁজ সংবাদ বলে হবে মাইকিং।
খুঁজবে না হয়তো কেউ!
আর খুঁজেও পাবে না সে!

ম্যাসেজে যদি বলে মিসিং ডিয়ার
নট সেন্ড বলে আসবে উত্তর।
সে কি হতাশ হবে অথবা
ট্রাই এগেইন করবে হাজার বার!
খুঁজুক খুঁজুক সে অনন্তকাল ধরে....
ইচ্ছে করে হারালে কেউ
খুঁজে পাওয়ার সাধ্য আছে কার?
 6 September 2013
Animated Photo
Add a comment...

Post has attachment
আবারো উড়ুক সমাজে মানবতার বিজয় কেতন........
কাজী ফাতেমা ছবি
===============================
 
মানুষগুলো এমন হয়ে গেলো কেন!
ধীরে ধীরে হিংস্রতায় নিজেকে সঁপে দিচ্ছে,
পরশ্রীকাতর হয়ে উঠছে! বদলা নেয়ার মনোভাব কুরে কুরে
খায় ওদের মাথা। প্রতিশোধের আগুনে পুড়ে মরে অহর্নিশ,
মৃত্যুর বদলে মৃত্যু, কিলের বদলে লাথি, চড়ের বদলে ঘুষি!
মানবতা হেরে যাচ্ছে, মিশে যাচ্ছে মাটিতে।

কেউ ভুল করলে সেই একই ভুল অন্যরাও করে
ভুলে ভুলে প্রতিষ্ঠিত হয় মিথ্যা, আশ্রয় নেয় মিথ্যার
মিথ্যার বেসাতি সমাজের আনাচে কানাচে,
গঙ্গার জলে ন্যায়-নীতি, সত্য বিসর্জন দিয়ে,
বিশ্বাসঘাতক মীরজাফরে রূপ নেয় একেকটি মানুষ
সত্য রূপ নেয় সন্ত্রাসীদের একেকটি লাটিতে।

স্বার্থ ছাড়া এগোয় না কেউ এক পা,
হউক সে ভাই, কিংবা অতি আপনজন,
রক্ত চুষে খেয়ে ফেলে দেয় অহমিকার ডাস্টবিনে,
অসহায় আপনজনদের করুণ পরিণতি ফিরেও দেখে না।
ঘুষ খেয়ে অথবা দিয়ে কিনে বা বেচে দেয় ন্যায়ের মাথা,
অবশেষে, অবলীলায় ভেঙ্গে দেয় নিশ্চয়াত্মক স্বীকৃতি!

বেহায়া, বেলাল্লাপনা কীট কুট কুট করে খাচ্ছে সামাজিকতা, সংস্কৃতি,
সলজ্জ সমাজকে সঁপে দিচ্ছে মানুষ নির্লজ্জতার হাতে।
ইচ্ছে করলেই রুখা যেত, ইচ্ছে থাকলেই বাঁধা দেয়া যেত,
ইচ্ছে হলেই দমন করা যেত; দূর্নীতি, নির্লজ্জতা, অপসংস্কৃতি যত,
পারি না, আমরাও স্বার্থের জালে আবদ্ধ; বের হওয়া অসম্ভব-কঠিন
কারণ মস্তিষ্ক রূপ নিয়েছে বিকৃতি।

আত্মচেতনা, শুদ্ধতার আত্ম বলিদানে একেকটি মানুষ
ভিতরে গুমরে কেঁদে মরে, বাতাসে ভেসে বেড়ায় সে কান্নার সুর,
দু:খের রক্তে আকাশ রূপ নেয় গোধূলীর রক্তিম আভায়।
যৌবনের গরম রক্ত ধীরে ধীরে হিম হতে শুরু করলে
মানুষগুলো নিজ ভুল স্বীকারে বাস শুরু একাকীত্বে;
নুয়ে পড়ে সব অহংকার, আফসোস! সময়ে হয়নি আত্মসচেতন।

মিথ্যায়, অহমিকায় দাঁড়িয়ে এতকাল বসবাস করা মানুষগুলোর
চেহারায় ভেসে উঠে রক্তের কালসীটে আবরণ...
চেহারার উজ্জলতা হারানো মানুষেরা খুঁজে ফিরে সর্বদা মুক্তির পথ,
প্রায়চিত্তের পথ ক্ষীণ হতে হতে সত্যের সন্ধানীরা ক্রমে মুছে যায় কালচক্রে,
ফেরার পথটাই তো ছিল সরু, চেষ্টাও ছিল বৃথা।
তবুও ক্ষীণ আশা মনে, আবারো উড়ুক সমাজে মানবতার বিজয় কেতন।
 
Animated Photo
Add a comment...

Post has attachment
রিটায়ার্ড
কাজী ফাতেমা ছবি
===============
কর্মক্ষমতা শরীর থেকে কেড়ে নেয় সময়
বিগত দিনগুলো ছিল হায় কত না স্বপ্নময়;
শরীরে দাপটে চলেছি রঙ্গময় জীবন-যাপন,
কত আপন হয়েছে পর, পর হয়েছে আপন।
কাজের ফাঁকে আড্ডা,মশগুল কথা দেয়া-নেয়া
ধীরে ধীরে চলে গেল তরতরিয়ে হায় কাল-খেয়া।
অফিস ফাঁকি দিয়ে কত করে যাচ্ছি কেনাকাটা
সুযোগ ফেলে আড্ডা দিতে অফিসকে দেই টাটা।
কর্মক্লান্ত জীবনের শেষ অনুষ্ঠানে ভাষন দেয় সবে; কত অয়েল
অশ্রু ঝরায় কেহ নিরবে,ক্রেস্ট হাতে দিয়ে শেষ; ফেয়ারওয়েল।
একদা যেথায় ছিল সম্মানের স্থান;সেথা বসে অন্য কেহ
তুখোড় কর্মপ্রাণ,খই ফুটছে মুখে,বলিষ্ট তার দেহ;
সব হারিয়ে সেও একদিন পৌঁছে যাবে দোরগোড়ায় ষাটে
অকর্মণ্য দিবস তার হবে একদিন,মূল্যহীন চাকুরীর হাঁটে।
ওইতো সেদিনই স্যার স্যার বলে যে লোকটা পিছু ঘুরতো তেল নিয়ে
সামনে পেয়েও না চেনার ভান করে কি করে হায়! মুখটা নিল ঘুরিয়ে!
তেলের ড্রাম ব্যয় করে এখন হয়তো সে অন্য কারো পিছে
নিজের স্বার্থ হাছিলে যুগ যুগ ধরে তেলের ব্যবহারটাই মিছে।
তারও সময় ফুরিয়ে যাবে,বাড়ি ফিরবে সে একদিন মুখ করে নিচু
মিথ্যাই প্রশংসা সম্মুখে করবে তেলবাজরা,কটু মন্তব্য করবে তার পিছু।
কেউ থাকে না ঠাঁয় দাঁড়ায়ে,সকলেই কর্মজীবন শেষে ভীষণ টায়ার্ড
কর্মমুখর দিনগুলি বেঈমানি করে একদিন আমাকে দিয়ে দিবে রিটায়ার্ড।
(31 August 2014 at 22:22)
 
 
Animated Photo
Add a comment...
Wait while more posts are being loaded