Profile cover photo
Profile photo
Shimanta Sangbad
2 followers
2 followers
About
Posts

Post has attachment

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র আলহাজ মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেছেন, ইনফরমেশন সেন্টার অব ট্রান্সপারেন্সি আজ বিশ্বকে গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত করেছে। আর এই বিশ্ব গ্রামের অংশীদারিত্বে বাংলাদেশের অবস্থানকে কাঙ্খিত পর্যায়ে উন্নীত করতে হলে আইসিটি হাব-এর কোন বিকল্প নেই। গতকাল সকালে আগ্রাবাদ চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জ মিলনায়তনে 
চিটাগাং রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (সিআরআই) আয়োজিত ‘প্রমোটিং চিটাগং এজ এ আইসিটি হাব’ শীর্ষক স্টেক হোল্ডার ডায়ালগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং পিপিআরসি’র প্রধান নির্বাহী  ড. হোসেন জিল্লুর রহমান সভায় সভাপতিত্ব করে সঞ্চালনের দায়িত্ব পালন করেন। সভায় ডা. মঈনুল ইসলাম মাহমুদ, বিশ্ব ব্যাংক প্রতিনিধি জাহিদ হোসেন খান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নূরুল আলম নিজামী, সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত আলকরনস্থ কম্পিউটার ইনস্টিটিউটের পরিচালক আনিস আহমদসহ বিভিন্ন আইটি বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের আইটি শিক্ষার্থীরা আলোচনায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আরো বলেন, একটি নগরীকে আইসিটি হাব এ পরিণত করতে হলে- প্রতিযোগিতামূলক মূল্য কাঠামো, উচ্চমান সম্পন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আইটি’র ক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তি, সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা, আইসিটি উপযোগী সরকারি রাজস্বনীতি, অর্থনৈতিক সুপরিবেশ, রাজনৈতিক স্থিরতা, সাংস্কৃতিক অভিযোজন ক্ষমতা, গ্রহণযোগ্য বেতন কাঠামো, নিশ্চিত নেটওয়ার্ক, আইটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, নির্বিঘ্ন টেলি-কমিউনিকেশন ফ্যাসিলিটি ইত্যাদি নিশ্চিত করা আবশ্যক। তখনই আইসিটি’র মাধ্যমে আউট সোর্সিং ইনকাম বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে পারে। বিশ্বের ৫০ শতাংশ আউট সোর্সিং আয়ের বাজার দখল করে নিয়েছে ইন্ডিয়া, চীন, ফিলিপিনের মত দেশ। আমরাও এই মার্কেটের যোগ্য অংশীদার হতে পারি। বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম অপার সম্ভাবনাময় একটি নগরী। এজন্য চট্টগ্রামকে আইসিটি হাবের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। এটি এখন সময়ের দাবি। এ দাবি পূরণে সরকারকে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এই উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নে মেয়র চট্টগ্রামকে আইসিটি হাবে পরিণত করতে তার পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, আইটি খাতের উন্নয়ন ছাড়া বর্তমানে বিশ্বে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি সম্ভব নয়। বাংলাদেশে আইটি খাতে অনেক কিছু হলেও আমরা এখনো কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছুতে পারিনি। বিশেষ করে চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নভাবে যে কাজগুলো হচ্ছে তার মধ্যে সমন্বয় আনতে পারলে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারতাম। সবার জ্ঞান ও চর্চার পরিধি পরস্পরের মাঝে সমন্বয় সাধন করা জন্য একটি প্লাটফর্ম তৈরি করার উদ্দেশ্যে এই আয়োজন।  সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ ক্ষেত্রে সফলতা বয়ে আনা কঠিন কিছু নয়। সিআরআই এ ব্যাপারে আরো নানা উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে আলোচকরা তথ্য প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নগরীর আইটি সেবাদানকারী, সেবা গ্রহীতা এবং এই পর্যায়ের পেশাদার ও সাধারণ কিছু আইটি ব্যবহারকারীদের নিয়ে গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করতে হবে। এমনকি চট্টগ্রামে আইটি পার্ক প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে চট্টগ্রামে আইটির বিভিন্ন সেবা প্রদানসহ তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের জন্য নগরীর স্কুলের শিক্ষার্থীদের এই বিষয়ে উৎসাহী করে চট্টগ্রামকে আইটি জোন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার বিষয়ে বক্তারা মতামত দেন। এজন্য বক্তারা আইসিটি ফোরাম গঠনের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

Post has attachment

Post has attachment

Post has attachment
মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১২
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ কোটি ৬০
লক্ষ টাকার নেট ওয়ার্কিং চুক্তি স্বাক্ষর

গতকাল বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ভবনে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থানুকূল্যে হেকেপ-এর আওতায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস নেট ওয়ার্ক ইমপ্লিমেনটেশন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর  হয়। উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণ দেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এ কে আজাদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউজিসি’র সদস্য প্রফেসর ড. মুহিবুর রহমান। 
ইউজিসি’র সদস্য প্রফেসর ড. আকতার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি ড. মোখলেসুর রহমান। অনুষ্ঠানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য উপস্থিত ছিলেন। এ উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইউজিসির এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় । চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম আরিফ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে  স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে আধুনিক জ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে সুবিধা গ্রহণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষার অবসান ঘটলো। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ব ব্যাংকের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন এ প্রকল্প আগামী ডিসেম্বর ২০১২ এর মধ্যে বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সকল শিক্ষক, গবেষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা অতি সহজেই  বিশ্ব জ্ঞান ভান্ডারে প্রবেশ করতে সক্ষম হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ এ সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাঁদের জ্ঞান ভান্ডার পরিপূর্ণ করতে জ্ঞান চর্চায় ব্রতী হবেন উপাচার্য এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।বিজ্ঞপ্তি

Post has attachment

Post has attachment

Post has attachment

Post has attachment

Post has attachment
Wait while more posts are being loaded