Profile cover photo
Profile photo
EEE career
20 followers
20 followers
About
Communities and Collections
View all
Posts

Post has attachment
আজ আমরা #সুইসগিয়ার সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেস্টা করব । জব অথবা আমাদের দৈনন্দিন প্রায় সব কাজের সাথেয় সুইসগিয়ার অতপ্রত ভাবে জড়িত । ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেক্ট্রনিক্স এর সকল অপারেশন সুইসগিয়ারের মাধ্যমে হয়ে থাকে ।
সুইসগিয়ার নিয়ে যে বিষয়গুলো জানবো আজ সেগুলো হলোঃ
১। সুইসগিয়ার কাকে বলা হয় ?
২। সুইসগিয়ারের শ্রেণিবিভাগ কিভাবে হয় ?
৩। কি কি উপাদান নিয়ে সুইসগিয়ার গঠিত ?
৪। সুইসগিয়ার এবং প্রটেকটিভ ডিভাইসগুলোর কি কি গুনাবলী থাকা দরকার ।
১। সুইসগিয়ার কাকে বলে?
সুইসগিয়ার বলতে সাধারণত ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমে সুইসিং ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রণ, প্রটেকশন, পরিমাপ ও সিস্টেমে ভারসাম্য রক্ষাকারী সরঞ্জাম এবং ঐ সব সরঞ্জাম স্থাপনের কাঠামো, কক্ষ ও ওয়ারিং এর সমষ্টিকে বুঝায়।

২। আইসোলেটর
বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি বিশেষ করে ট্রান্সফরমারকে নো-লোড অবস্থায় বা সামান্য লোড অবস্থায় লাইন হতে বিচ্ছিন্ন করার জন্য আইসোলেটর ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ আইসোলেটর এক ধরনের সুইস, যা অফলাইনে অপারেটিং করা হয়।

৩। লাইটিং এরেস্টার
লাইটনিং এরেস্টার বা সারজ ডাইভারটার এক ধরনের ইলেকট্রিক্যাল প্রটেকটিভ ডিভাইস, যা পাওয়ার সিস্টেমে হাই ভোল্টেজকে বা সারজ ভোল্টেজকে সরাসরি মাটিতে প্রেরন করে।

৪। রিভার্স পাওয়ার রীলে
প্যারালেল অপারেশনে কোন অল্টারনেটরের ইনপুট কোন কারনে বন্ধ হলে বা অন্য কোন ত্রুটিতে ঐ অলটারনেটর যদি বাসবার হতে পাওয়ার নেয় অর্থাৎ উল্টাদিক হতে পাওয়ার নিয়ে অল্টারনেটরটি মোটর হিসাবে কাজ করে তখন যে রিলের মাধ্যমে প্রটেকশন দেয়া হয় তার নাম রিভার্স পাওয়ার রীলে। এ রকম অবস্থায় রিভার্স পাওয়ার রীলে এনারজাইজড হয় এবং ঐ অল্টারনেটরের সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করে সিস্টেমকে রক্ষা করে।
ছবি সহ আরো বিস্তারিত জানতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন.............
http://eeecareer.com/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0/?fbclid=IwAR1el_5SHv5gXP_bPmR6cnXLWufA8jmB6aygno7NPIkN8FZakGFcMAvFfOI
Add a comment...

Post has attachment
আজ আমরা #সুইসগিয়ার সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেস্টা করব । জব অথবা আমাদের দৈনন্দিন প্রায় সব কাজের সাথেয় সুইসগিয়ার অতপ্রত ভাবে জড়িত । ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেক্ট্রনিক্স এর সকল অপারেশন সুইসগিয়ারের মাধ্যমে হয়ে থাকে ।
সুইসগিয়ার নিয়ে যে বিষয়গুলো জানবো আজ সেগুলো হলোঃ
১। সুইসগিয়ার কাকে বলা হয় ?
২। সুইসগিয়ারের শ্রেণিবিভাগ কিভাবে হয় ?
৩। কি কি উপাদান নিয়ে সুইসগিয়ার গঠিত ?
৪। সুইসগিয়ার এবং প্রটেকটিভ ডিভাইসগুলোর কি কি গুনাবলী থাকা দরকার ।
১। সুইসগিয়ার কাকে বলে?
সুইসগিয়ার বলতে সাধারণত ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমে সুইসিং ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রণ, প্রটেকশন, পরিমাপ ও সিস্টেমে ভারসাম্য রক্ষাকারী সরঞ্জাম এবং ঐ সব সরঞ্জাম স্থাপনের কাঠামো, কক্ষ ও ওয়ারিং এর সমষ্টিকে বুঝায়।

২। আইসোলেটর
বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি বিশেষ করে ট্রান্সফরমারকে নো-লোড অবস্থায় বা সামান্য লোড অবস্থায় লাইন হতে বিচ্ছিন্ন করার জন্য আইসোলেটর ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ আইসোলেটর এক ধরনের সুইস, যা অফলাইনে অপারেটিং করা হয়।

৩। লাইটিং এরেস্টার
লাইটনিং এরেস্টার বা সারজ ডাইভারটার এক ধরনের ইলেকট্রিক্যাল প্রটেকটিভ ডিভাইস, যা পাওয়ার সিস্টেমে হাই ভোল্টেজকে বা সারজ ভোল্টেজকে সরাসরি মাটিতে প্রেরন করে।

৪। রিভার্স পাওয়ার রীলে
প্যারালেল অপারেশনে কোন অল্টারনেটরের ইনপুট কোন কারনে বন্ধ হলে বা অন্য কোন ত্রুটিতে ঐ অলটারনেটর যদি বাসবার হতে পাওয়ার নেয় অর্থাৎ উল্টাদিক হতে পাওয়ার নিয়ে অল্টারনেটরটি মোটর হিসাবে কাজ করে তখন যে রিলের মাধ্যমে প্রটেকশন দেয়া হয় তার নাম রিভার্স পাওয়ার রীলে। এ রকম অবস্থায় রিভার্স পাওয়ার রীলে এনারজাইজড হয় এবং ঐ অল্টারনেটরের সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করে সিস্টেমকে রক্ষা করে।
ছবি সহ আরো বিস্তারিত জানতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন.............
Add a comment...

Post has attachment
#ইলেকট্রিক্যাল_ভাইভা_প্রশ্ন_এবং_উত্তর
ভাইভা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।অনেকে ভাইভা তে গিয়ে ভয়ে সব ভুলে যান।যদি ভাইবার জন্য ভাল প্রস্তুতি থাকে তাহলে এমন ভয় পাওয়ার কথা না।আমার লেখাগুলো ভাল করে পড়ুন।প্রশ্ন গুলো খাতায় লিখে নোট করে রাখুন।নিজের টাইম লাইনে শেয়ার করে রাখুন।তাহলে দেখবেন কনফিডেন্ট পাবেন।আগে থেকেই এই ভাবে নিজে নিজে ভাইভার জন্য প্রস্তুতি নিন।
একদম সহজ ভাবে এবং অনেকগুলো প্রশ্নের উত্তর পাবেন এখানে, নিচের ছবিতে ক্লিক করে প্রশ্ন এবং উত্তরগুলো জেনে নিন ।.............
http://eeecareer.com/electrical-viva-bangla
Add a comment...

Post has attachment
আমরা যারা ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পরালিখা করি অথবা যারা এই সেক্টরের সাথে জরিত তাদের পি এফ আই (PFI) কথাটা বেশ পরিচিত । কি। পি এফ আই (PFI) এর পূর্ণ অর্থ পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট (PFI= power Factor Improvement) ।

। পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রভমেন্ট জানতে হলে আমাদের আরো কিছু বিষয় জানতে হবে সেগুলো হলো,

১। পাওয়ার ফ্যাক্টর কাকে বলে ?

২। পাওয়ার ফ্যাক্টর ল্যাগিং মানে কি ?

৩। পাওয়ার ফ্যাক্টর লিডিং মানে কি?

৪। এবং পাওয়ার ফ্যাক্টর ইউনিটি বলতে কি বোঝায় ?

৫। পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট পদ্ধতি ।

উপরের প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে পারবেন এই লিঙ্ক থেকে.......
Add a comment...

Post has attachment

Post has attachment
আজ একটু ভিন্নরকম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ( কর কমিশন ) নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে । ঢাকা কর অঞ্চল-৩ নতুন কিছু জনবল নিয়োগ প্রকাশ করেছে । এখানে ৯ টি পদে মোট ৪৬ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে ।
কর কমিশন এ যে পদগুলোতে আপনারা আবেদন করতে পারবেন
নিচের তালিকাতে খুব সহজ ভাবে যাতে আপনারা বুঝতে পারেন সেইভাবে পদের নাম, পদের সংখ্যা এবং বেতন কেমন হবে সেটি তুলে ধরা হয়েছে ।
বিস্তারিত এবং আবেদন প্রক্রিয়া জানতে নিচের লিংকে যান ..........
http://eeecareer.com/%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%A8/?fbclid=IwAR2_vPUH7mqMRn6Zq2PATxRTZclOHP9rY2x1lTemGZZbVBe7302hDH5L9Sk
Add a comment...

Post has attachment
#ম্যাগনেটিক_কন্টাক্টর বিষয়ে খুঁটিনাটি আলোচনা....



ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর নাম কম-বেশি

আমরা অনেকেই শুনেছি। আজ আমরা

ম্যাগ্নেটিক কন্টাক্টর নিয়ে

বিস্তারিত জানবো। ম্যাগ্নেটিক

কন্টাক্টর অনেক মজার একটি বিষয়।

Add a comment...

Post has attachment
#কপার_ক্যাবল_সাইজ_অনুযায়ী_কারেন্ট_বহন_ক্ষমতা!

চলুন এবার তাহলে কপার ক্যাবল সাইজ অনুযায়ী কারেন্ট বহন ক্ষমতা জেনে নেইঃ

১ . ৩ আর এম (RM) এর কপার তারের কারেন্ট বহন ক্ষমতা হচ্ছে ২২ আম্পিয়ার (A)।

২ . ৫ আর এম (RM) কপার তারের কারেন্ট বহন ক্ষমতা সাধারণত ৩০ আম্পিয়ার (A)।

৪. ০ আর এম (RM) এর কপার তারের সাধারণত কারেন্ট বহন ক্ষমতা ৩৯ আম্পিয়ার
Add a comment...

Post has attachment
#সকল_ফ্যাক্টর_নিয়ে_আজকের_আলোচনা.......

#পাওয়ার ফ্যাক্টর কাকে বলে?

পাওয়ার ফাক্টর: এ.সি সার্কিটে কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণের কোসাইন মানকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
অথবা
অ্যাকটিভ পাওয়ার ও আপাত পাওয়ারের অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
অথবা
কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণ ϴ হলে,পাওয়ার ফ্যাক্টর (pf) = Cosϴ
পাওয়ার ফ্যাক্টর তিন প্রকার৷যথা
①ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Lagging Power Factor) ②লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Leading Power Factor) ③ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর (Unity Power Factor)
ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর: এসি. সার্কিটে ক্যাপাসিটিভ লোডের চেয়ে ইন্ডাকটিভ লোড বেশী হলে, কারেন্ট ভোল্টেজের পরে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর : এ. সি সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোডের চেয়ে ক্যাপাসিটিভ লোড বেশী হলে, ভোল্টেজ কারেন্টের পরে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর: এ.সি সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোড ও ক্যাপাসিটিভ লোড সমান হলে, ভোল্টেজ ও কারেন্ট একসাথে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।

লোড ফ্যাক্টর, প্লান্ট ফ্যাক্টর, ডিমান্ড ফ্যাক্টর, ফরম ফ্যাক্টর, পিক ফ্যাক্টর এবং Q-ফ্যাক্টর নিয়ে ধারনা দিতে চলেছি । ইলেক্ট্রিক্যাল রিলেটেড কোন চাকুরীর জন্য ভাইভা দিতে গেলে এই সকল ফ্যাক্টরের নাম আমরা প্রায়ই শুনে থাকি । আজকে আমরা এই ফ্যাক্টরগুলো কাকে বলে এবং কিভাবে বের করতে হয় সেই সম্পর্কে জানার চেস্টা করবো । বিস্তারিত জানতে এই লিংকে যান... http://eeecareer.com/power-factor-bangla/

#শেয়ার করে নিজের কাছে রেখে দিন এবং অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন ।
Add a comment...

Post has attachment
দুইটা কমন প্রশ্ন যেটা বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায়, ভাইবা বোর্ডে, স্যারদের মুখে শোনা যায়।
১) Generator, Inverter এগুলোকে কেন KVA তে রেটিং করা হয়?
২) Generator কে KVA কিন্তু Motor কে কেন KW এ রেটিং দেয়া হয়???

প্রশ্ন দুটির সহজ ভাবে উত্তর নিচে থেকে জেনে নিন এবং শেয়ার করে নিজের কাছে রেখে দিন।
Add a comment...
Wait while more posts are being loaded