Profile cover photo
Profile photo
RABX HASAN
76 followers
76 followers
About
RABX's posts

Post has shared content

এলসি (LC) করার নিয়ম
এলসি (LC) খুলার নিয়ম কানুন
এলসি (LC) করার নিয়ম
বিশ্বায়নের এই যুগে প্রায় সব ধরনের ব্যাবসা বাণিজ্যই আন্তর্জাতিক। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ক্রেতা-বিক্রেতা কেউ কাউকে চিনেন না। সেক্ষেত্রে বিক্রেতার একটা ঝুঁকি থেকে যায়। এই ঝুঁকি এড়াতে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা এই এলসি বা ল্যাটার ওব ক্রেডিট চান।

বিদেশ থেকে কোনো পণ্য আমদানী করার চাইলে অবশ্যই ব্যাংকের মারফত এলসি করতে হবে। আন্তর্জাতিক বানিজ্যের ক্ষেত্রে একমাত্র বৈধ মাধ্যমই হল এলসি। এলসির মাধ্যমেই ব্যবসায়ীরা একদেশ থেকে অন্য দেশে পন্য আমদানি-রপ্তানি করে থাকে।

এলসি করতে যা যা প্রয়োজন
(১) এলসি করার জন্য একজন ব্যবসায়ীর প্রথমেই দরকার হবে একটি ট্রেড লাইসেন্স এবং এটি অবশ্যই আপটুডেট হতে হবে।

(২) সর্বশেষ অডিট রিপোর্ট

(৩) একটি গ্রহনযোগ্য আইআরসি (IRC-Import Registration Certificate)

(৪) স্থানীয় বাণিজ্য চেম্বার বা সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের থেকে সদস্যপদ সার্টিফিকেট

(৫) আয়কর ছাড়পত্র বা নতুন কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য আয়কর ঘোষণা পত্র

(৬) মূসক নিবন্ধন সনদপত্র

এলসির জন্য আবেদনের পূর্বে উল্লেখিত কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করে রাখতে হবে। এছাড়াও আরও কিছু নথিপত্র দরকার হবে

(১) এলসি আবেদন ফর্ম

(২) ইনডেন্ট / পারফর্মা ইনভয়েস (PI)/ ক্রয় আদেশ / ক্রয় চুক্তি .

(৩) যথাযথভাবে ও সঠিকভাবে কার্যকর চার্জ নথি

(৪) যথাযথভাবে সিল ও স্বাক্ষরিত এলসি অনুমোদন ফরম (LCAF)

(৫) বীমা সংক্রান্ত নোট

এসব কাগজপত্র সংগ্রহ করার পর যে ব্যাংকে এলসি করতে ইচ্ছুক সেই ব্যাংকের নিকট কাগজপত্র গুলো দাখিল করতে হবে। অবশ্যই সেই ব্যাংকে একটি একাউন্ট থাকতে হবে।ব্যাংক কাগজপত্র গুলো যাচাই করে দেখবে। এর জন্য কয়েকদিন সময় নিবে ব্যাংক। এলসির সমস্ত কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে ব্যাংক থেকে জানানো হবে।

ব্যাংকের সাথে এলসি বিষয়ক লেনদেন
প্রথম দিকে ব্যাংক এ পুরো টাকাটাই জমা দিতে হবে। ধরা যাক এলসি ভ্যলু ২০,০০০ ডলার। ব্যাংক এ আপনাকে ১৬ লাখ টাকা জমা দিতে হবে। তবে আস্তে আস্তে ব্যাংকের সাথে ব্যবসা বাড়লে তখন ১০-২০% মার্জিন দিয়ে এলসি খুলতে হবে। টাকার সাথে অন্যান্য কিছু ডকুমেন্টও দিতে হবে। যেমন:

আপনার কোম্পানীর সব কাগজ (ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ভ্রাট, আইআরসি)
ইনডেন্ট/পিআই এর ৩/৪ টি কপি।
সাপ্লায়ার কোম্পানীর ব্যাংক ক্রেডিট রিপোর্ট
ইন্সুরেন্স কভার নোট (যে কোন ইন্সুরেন্স কোম্পানীতে ইনডেন্ট দেখিয়ে ফি দিয়ে এটা নিত হবে)
এরপর ব্যাংক আপনাকে এলসির একটা কপি দেবে। অরিজিনালটা পাঠিয়ে দেবে বিদেশে সাপ্লাইয়ারের কাছে।

এলসির মাধ্যমে লেনদেন যেভাবে হবে
সকল ব্যাবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে দুটি পক্ষ থাকে একজন ক্রেতা আর একজন বিক্রেতা। এলসির মাধ্যমে লেনদেন প্রক্রিয়া হবে নিম্নরুপঃ

(১) ক্রেতা প্রথমে বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করবেন

(২) ক্রেতা যে ব্যাংকে এলসি করতে ইচ্ছুক সেই ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করবেন

(৩) ইস্যুকৃত এলসি ব্যাংক থেকে বিক্রেতার পরামর্শকারী ব্যাংকের নিকট পাঠাবেন

(৪) বিক্রেতার পরামর্শকারী ব্যাংক এলসির কাগজপত্র গুলো বিক্রেতার নিকট পাঠাবেন

(৫) কাগজপত্র গুলো দেখে বিক্রেতা সীপমেন্টের তারিখ ক্রেতাকে জানাবেন। এবং সাথে সাথে বিক্রেতা লেনদেনের সকল কাগজপত্র পরামর্শকারী ব্যাংককে দেখাবেন।

(৬) পরামর্শকারী ব্যাংক কাগজপত্র গুলো ক্রেতা যে ব্যাংকে এলসি করেছেন সেই ব্যাংকে পাঠাবেন।

(৭) কাগজপত্র গুলো পর্যালোচনা করে এলসি ইস্যুকৃত ব্যাংক লেনদেনের ছাড়পত্র পাঠাবেন পরামর্শ দানকারী ব্যাংকের নিকট পাঠাবেন। এবং সাথে সাথে একটি ছাড়পত্র ক্রেতার নিকট পাঠাবেন। পরামর্শ দানকারী ব্যাংকও একটি ছাড়পত্র বিক্রেতার নিকট পাঠাবেন।

ছাড়পত্র পাওয়ার পর ক্রেতা-বিক্রেতা লেনদেনের জন্য প্রস্তুত।

Back

আমদানি ও রপ্তানি সার্টিফিকেট
আমদানি ও রপ্তানি সার্টিফিকেট বানানোর নিয়ম কানুন
আমদানি ও রপ্তানি সার্টিফিকেট
আপনারা যদি কেউ মনে করেন দেশে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি কিংবা রপ্তানি করবেন কিন্তু কিভাবে আমদানি ও রপ্তানি সার্টিফিকেট বানাতে হয় জানেন না তারা বিস্তারিত জেনে নিন-

আমাদের দেশে আমদানি এবং রপ্তানি এই দুই কাজের জন্য সরকার বিশেষ দুই লাইসেন্স দিয়ে থাকে এক্ষেত্রে আপনি দেশে আমদানি এবং রপ্তানি যোগ্য যেকোনো পণ্য যেকোনো পরিমাণে আনতে বা বাইরে পাঠাতে পারবেন। আর এই লাইসেন্স করার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অনেক স্বচ্ছ এবং নিরাপদ। নিচে বিস্তারিত দেয়া হলো।

আমদানি-রপ্তানি নিবন্ধন সনদপত্রের জন্য যা যা লাগবে
১) ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি

২) টিআইএন সার্টিফিকেটের কপি

৩) স্মারকলিপি এবং অ্যাসোসিয়েশন এর নিবন্ধনের কপি (কোম্পানির যদি থাকে)

৪) অংশীদারি চুক্তি নিবন্ধন কপি (যদি অংশীদারি কারবার হয়)

৫) ব্যাংক সচ্ছলতা সার্টিফিকেট

৬) ট্রেজারি চালানের প্রধান কপি

৭) মালিকের তিন কপি ছবি (একক মালিকানাধীন হলে)

৮) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের তিন কপি ছবি (কোম্পানি হলে)

৯) কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর ঢাকা চেম্বার থেকে বা উদ্বেগ ব্যবসা এসোসিয়েশন থেকে সদস্যপদ সার্টিফিকেট

১০) উদ্যোক্তার জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট কপি

আমদানি নিবন্ধন ফি
শ্রেণী
বার্ষিক আমদানি মূল্য (টাকা)

নিবন্ধন ফি (টাকা)

নবায়ন ফি (টাকা)

পুরাতন নতুন পুরাতন নতুন পুরাতন নতুন পুরাতন
প্রথম ১ লাখ ৫ লাখ ১৮০০ ৫০০০ ১৭০০ ৩০০০
দ্বিতীয় ৫ লাখ ২৫ লাখ ৩০০০ ১০০০০ ২৩০০ ৬০০০
তৃতীয় ১৫ লাখ ৫০ লাখ ৪৮০০ ১৮০০০ ৩৫০০ ১০০০০
চতুর্থ ৫০ লাখ ১ কোটি ৯৫০০ ৩০০০০ ৬৭০০ ১৫০০০
পঞ্চম ১ কোটি ৫ কোটি ১৭৫০০ ৪৫০০০ ১১০০০ ২২০০০
ষষ্ঠ ১ কোটি বেশি ৫ কোটির বেশি ২৩০০০ ৬০০০০ ১৭০০০ ৩০০০০
রপ্তানি নিবন্ধন ফি
নিবন্ধন ফি (টাকা) নবায়ন ফি (টাকা)
৭০০০ ৫০০০
ইন্ডেন্টর (Indentor) নিবন্ধন ফি
নিবন্ধন ফি (টাকা) নবায়ন ফি (টাকা)
৪০০০০ ২০০০০
যোগাযোগের ঠিকানা
ফোন: +88-02-9551556, +88-02-9550289
ফ্যাক্স: +88-02-9550217
ঠিকানা: 111-113, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-1000.
ই-মেইল: controller.chief@yahoo.com

Back

Post has attachment
অনলাইনে কর পরিশোধ পদ্ধতি
অনলাইনে কর পরিশোধ সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে
অনলাইনে কর পরিশোধ পদ্ধতি
আয়কর, ভ্যাট এবং অন্যান্য শুল্ক অনলাইনে পরিশোধের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর ই-পেমেন্ট সার্ভিস চালু করেছে। এর মাধ্যমে যে কেউ ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, ক্যাশ কার্ড, বা অনলাইন ব্যাংকিং এর মাধ্যমে শুল্ক পরিশোধ করতে পারবেন। অন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও কর দেয়া যাবে। অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ও Q-Cash এর যৌথ ব্যবস্থাপনায় এ উদ্যোগটি নেয়া হয়েছে।

অনলাইনে কর পরিশোধ পদ্ধতি:
অনলাইনে কর পরিশোধ করার জন্য প্রথমে http://www.nbrepayment.gov.bd/ সাইটে যেতে হবে।

প্রয়োজনীয় তথ্য ও সুবিধাদি:

ইন্টারনেট সংযোগসহ কম্পিউটার
চালু ই-মেইল ঠিকানা
বিজনেস এরিয়া কোড
TIN, AIN, BIN (যটি প্রযোজ্য)
ডেবিট/ক্রডিট কার্ড/অনলাইন ব্যাংকিং এর প্রয়োজনীয় তথ্য
প্রথম ধাপ- রেজিস্ট্রেশন
http://www.nbrepayment.gov.bd/ গিয়ে “Register” বোতামে ক্লিক করতে হবে। এরপর নিচের ফরমের মত একটি ফরম পাওয়া যাবে।

এখানে নাম, ই-মেইল ঠিকানাসহ অন্যান্য তথ্য দিতে হবে। তারকা (×) চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে। এ সময় নাম ঠিকানাসহ অন্যান্য তথ্য সতর্কতার সাথে দিতে হবে। এসময় তৈরি করা পাসওয়ার্ড লিখে রাখা ভালো। কোন ঘরে তথ্য দেয়া সম্ভব না হলে পরে তথ্য জেনে নিয়ে পরে দেয়া যাবে। তবে তারকা (×) চিহ্নিত ঘর ফাঁকা রাখা যাবে না।

সবশেষে “I Agree and Create Account’” বোতামে ক্লিক করতে হবে। গ্রাহকের ই-মেইল ঠিকানায় একটি ই-মেইল পৌঁছে যাবে। ই-মেইলে পাঠানা লিংকে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। ইন বক্সে ই-মেইল না পেলে জাঙ্ক বা স্প্যাম ফোল্ডারে দেখা যেতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার পর লগ-ইন নেম এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা যাবে। লগ-ইন করার পর ‘E‐Payment’ লিংক দেখা যাবে এবং পর্দার ওপরে বাম কোণে নিজের নামসহ স্বাগত বার্তা দেখা যাবে।

দ্বিতীয় ধাপ-প্রোফাইল সম্পন্নকরণ
আয়কর, ভ্যাট এবং কাস্টমস শুল্কের জন্য আলাদা আলাদা প্রোফাইল ফরম পূরণ করতে হবে। কারো কেবল একটি ফরম প্রয়োজন হলে একটি ফরমই পূরণ করতে পারেন।

এখান থেকে যেসব কাজ করা যাবে:

নাম, ই-মেইল ঠিকানা ইত্যাদি আপডেট করা যাবে।
আয়কর অংশে করদাতার ধরন টিআইএন, নাম, ঠিকানা ইত্যাদি আপডেট করা যাবে।
ভ্যাট অংশে বিআইএন, নাম, ঠিকানা, টিআইএন ইত্যাদি আপডেট করা যাবে।
কাস্টমস অংশে এআইএন, নাম ঠিকানা ইত্যাদি আপডেট করা যাবে।
আপডেট সম্পন্ন হওয়ার পর একটি নিশ্চিতকরণ বার্তা প্রদর্শিত হবে।
২য় ধাপ সম্পন্ন করার পর অনলাইনে আয়করসহ অন্যান্য কর দেয়া যাবে।

নিজের আয়কর দেয়া
অনলাইনে আয়কর দিতে যেসব তথ্য প্রয়োজন হবে: ট্যাক্স জোন এবং ট্যাক্স সার্কেলের তথ্য, ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড কিংবা অনলাইন ব্যাংকিং এর তথ্য।

লগ-ইন করার পর করদাতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইউজার একাউন্ট হোম পেজে চলে যাবেন। এরপর ‘Update Your Profile’ সিলেক্ট করতে হবে। এখান থেকে Income Tax Info পেজে গিয়ে টিআইএন, পুরো নাম এবং ঠিকানা ইত্যাদি দিয়ে আপডেট করতে হবে। এ ধাপটি ঐচ্ছিক, না করলেও চলে।

এরপর ইউজার একাউন্ট হোমপেজ আসবে। এখান থেকে ‘Pay Income Tax’ বোতামে ক্লিক করে ড্রপ ডাউন লিস্ট ‘Pay Tax Online’ থেকে নির্বাচন করতে হবে। এরপর অনলাইন ট্যাক্স পেমেন্ট ফরম আসবে। ফরমটির সংশ্লিষ্ট ঘরে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই টিআইএন এবং পুরোনাম প্রদর্শিত হবে। ড্রপ ডাউন লিস্ট থেকে ট্যাক্স জোন এবং ট্যাক্স সার্কেল নির্বাচন করতে হবে। একাউন্ট কোড স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদর্শিত হবে।

এরপর কর দেবার পদ্ধতি বা পেমেন্ট টাইপ নির্বাচন করতে হবে। অগ্রীম কর দিতে চাইলে ড্রপ ডাউন লিস্ট থেকে Advance Tax’ নির্বাচন করতে হবে। কর বছর এবং করের টাকার পরিমাণ ফরমের নির্ধারিত স্থানে টাইপ করতে হবে। করদাতার ঠিকানা দেবার জন্যও একটি ঘর আছে। তবে ঠিকানা দেয়াটা ঐচ্ছিক।

তারকা (×) চিহ্নিত ঘরগুলো পূরণ করা বাধ্যতামূলক। সবশেষে সাবমিট বোতামে ক্লিক করতে হবে। এরপর একটি নতুন বার্তা প্রদর্শিত হবে। এখান থেকে ‘Next’ এ ক্লিক করতে হবে।

এরপর পর্দায় সোনালী ব্যাংকের ওয়েবসাইট প্রদর্শিত হবে। এখান থেকে অর্থ পরিশোধের ধরন নির্বাচন করে ‘Next’ বোতামে ক্লিক করতে হবে। তারপর একটি ই-চালান প্রদর্শিত হবে। এখানে নাম, টিআইএন, ট্যাক্স জোন, ট্যাক্স সার্কেল, অর্থের পরিমাণ ইত্যাদি তথ্য দেয়া থাকবে। সব তথ্য ঠিক থাকলে ‘Next’ বোতামে ক্লিক করতে হবে।

এরপর কিউ ক্যাশ ওয়েবসাইট আসবে। কাল্পনিক তথ্যযোগে এটি নমুনা দেয়া হল:

এবার কার্ডের তথ্য দিতে হবে। কী-বোর্ডে টাইপ করে নয়, পর্দায় একটি কী বোর্ডে ক্লিক করার মাধ্যমে এ তথ্য দিতে হবে। নিরাপত্তার জন্যই এ ব্যবস্থা করা হয়েছে। সব তথ্য পূরণ করা হলে ‘ওকে’ বোতামে ক্লিক করতে হবে। আর তিন মিনিটের মধ্যে এ ধাপটি সম্পন্ন করতে হবে। একবার ‘ওকে’ বোতামে ক্লিক করলে আর পেছনে ফেরা যাবে না।

সমস্ত তথ্য সহযোগে একটি বক্স প্রদর্শিত হবে। এখানে কার্ডের পাসওয়ার্ড বা অনলাইন ব্যাংকিং কোড প্রদান করে সাবমিট বোতামে ক্লিক করতে হবে। এরপর ই-চালান প্রদর্শিত হবে। চাইলে এটির প্রিন্ট নেয়া যাবে, ডাউনলোড নেয়া যাবে বা ই-মেইল হিসেবে নেয়া যাবে। সবশেষে ‘ফিনিশ’ বোতামে ক্লিক করতে হবে। এসময় লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার বার্তা প্রদর্শিত হবে।

Back

কপিরাইট
কিভাবে এবং কোথায় কপিরাইট করবেন
কপিরাইট করতে
মেধাসত্ত্ব আইনানুসারে নিজের লেখা, শিল্পকর্ম বা অন্যান্য সম্পদের সুরক্ষা তথা রয়্যালটিপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে কপিরাইট করিয়ে নেয়া ভালো। বাংলাদেশের আইন অনুসারে ছবি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর ৬০ বছর পর্যন্ত কপিরাইট কার্যকর থাকে। তবে সম্প্রচার সংক্রান্ত ক্ষেত্রে প্রাচারের পর ২৫ বছর পর্যন্ত কপিরাইট কার্যকর থাকে। আন্তর্জাতিক আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে ২০০০ সালে কপিরাইট আইন প্রণয়ন করা হয় এবং এরপর ২০০৫ সালে সেটিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়।

শিল্পকর্ম, বই, কম্পিউটার সফটওয়্যার, গান, চলচ্চিত্র ইত্যাদির কপিরাইট নিবন্ধন করতে হলে আপনাকে যেতে হবে আগারগাঁওয়ের নিবন্ধীকরণ অফিসে। এখান থেকে বিনামূল্যে কপিরাইট আবেদনের ফরম দেয়া হয়। এটির তিনটি কপি করে সেটা পূরণ করে জমা দিতে হয়, সাথে ৬০০ টাকার ট্রেজারী চালানও দিতে হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের অনুমোদিত শাখায় ট্রেজারী চালান জমা দেয়া যায়। এক্ষেত্রে কোড নম্বর হচ্ছে ১৩৪৩৭ ০০০০ ১৮৪১। বিভিন্ন ধরনের কপিরাইট আবেদনের ফি বিভিন্ন রকমের। বই নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বইয়ের দু’টি কপি জমা দিতে হয়। আবার যদি লেখক কপিরাইট নিতে চান সেক্ষেত্রে প্রকাশকের ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়, প্রচ্ছদে কোন শিল্পীর শিল্পকর্ম থাকলে ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পে সেটিরও ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়। সফটওয়্যার, বই বা এরকম কিছুর ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে সেটি তৈরি হয়েছে কিনা বা কেউ কপিরাইট করিয়েছে কিনা সেটা অনুসন্ধান করতে হয় এবং সে বাবদ ১৫০ টাকা জমা দিতে হয়। যাচাই বাছাই শেষে ৩০ দিনের মধ্যে সেটা জানানো হয়। চারুশিল্প বা স্থাপত্যকর্মের কপিরাইট নিতে হলে সেটা কোথায় ও কার দখলে আছে এবং কবে তৈরি করা হয়েছে সেসব তথ্য দিতে হয়।

কপিরাইট অফিস: বাংলাদেশ সরকারের কপিরাইট অফিসটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।

ঠিকানা:
জাতীয় গ্রন্থাগার ও আর্কাইভ ভবন (৩য় তলা)
৩২, এসএম মোরশেদ সরণী, আগারগাঁও, শেরে বাংলানগর, ঢাকা-১২০৭
ফোন: ৯১১৯৩৮০, ৯১১৯৬৩২।/p>

Back

ট্রেড লাইসেন্স
ট্রেড লাইসেন্স কি এবং কিভাবে নিতে হয়
ট্রেড লাইসেন্স কি?
ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করা আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ। যে কোন ব্যবসা করতে হলে আগে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়। ‘১৯৮৬ সালের মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন ট্যাক্সেশন বিধিমালার ৪৪(১) বিধি অনুসারে সিটি করপোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাইলে অবশ্যই ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। যদি কেউ তা না নিয়ে ব্যবসা করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে। মামলায় তাঁর জেল-জরিমানার বিধান আছে।’ শুধু যে আইনি বাধ্যবাধকতার জন্যই আপনাকে লাইসেন্স নিতে হবে, তা নয়।

একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নানা কাজে লাগে এই ট্রেড লাইসেন্স। যেমন, ব্যাংক ঋণ নিতে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব খুলতে, ব্যবসা সংক্রান্ত কাজে ব্যবসায়ীর বিদেশে যেতে ইত্যাদি কাজে ট্রেড লাইসেন্স অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অন্যদিকে এটা সিটি করপোরেশনের জন্য একটা রাজস্ব খাত। সিটি কর্পোরেশন ছাড়াও পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা হয়। আসুন জেনে ঢাকাতে কীভাবে এই লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হয়। সাধারণত তিন থেকে সাত কর্ম দিবসের মধ্যে লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

ফরম সংগ্রহ:
ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহের জন্য দুটি ভিন্ন ধরনের ফরম রয়েছে। ফরমগুলো ‘আই ফরম’ ও ‘কে ফরম’ নামে চিহ্নিত। প্রতিটি ফরমের দাম ১০ টাকা। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যদি ছোট বা সাধারণ হয়, তবে ‘ফরম আই’ আর বড় ব্যবসার ক্ষেত্রে ‘ফরম কে’ নিতে হয়। উত্তর সিটি করপোরেশনের পাঁচটি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পাঁচটি অঞ্চল রয়েছে। আপনার প্রতিষ্ঠানটি যে অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, ওই অঞ্চলের অফিস থেকেই লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।

লাইসেন্স ফি:
ট্রেড লাইসেন্সের ফী নির্ভর করে সাধারনত ব্যবসায়ের ও আকার ধরনের উপর। একমাত্র মালিকাধীন প্রতিষ্ঠানের জন্য এক প্রকার ফী, আবার যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের জন্য অন্য রকম। সাধারণত লাইসেন্স ফি সর্বনিম্ন ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ২৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য ফী কেমন হবে তা জানার একমাত্র উপায় হল রাজস্ব অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে জেনে নেওয়া। কেননা এই ফী রাজস্ব বোর্ড নির্ধারন করে দাখিলকৃত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে।

তবে একটি ফী নির্ধারিত তা হলো সাইনবোর্ড ফী। লাইসেন্স ফী যত হবে তার ৩০% হারে সাইনবোর্ড ফী দিতে হবে।

লাইসেন্স নবায়ন:
প্রতিটি ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ থাকে এক বছর। ১ বছর পর সেটি আবার নবায়ন করতে হয়। খেয়াল করে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করতে হবে। এজন্য বর্তমান ট্রেড লাইসেন্স সহ আঞ্চলিক কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে হয়। লাইসেন্স নবায়ন ফি এর পরিমাণ নতুন লাইসেন্স ফি এর সমান হয়। এবং ফি জমাদানের ব্যাংকের নাম ফরমে উল্লেখ করা থাকে।

প্রয়োজনীয় তথ্য সংযোজন:
ট্রেড লাইসেন্স এর আবেদন করলে প্রথমে প্রতিষ্ঠানের একটি নাম প্রস্তাব করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তখন দেখেন ওই নাম কাউকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে কিনা? বরাদ্দ দেয়া না হয়ে থাকলে ঐ নামে লাইসেন্স দেয়া হয়। ফলে অন্য কেউ ঐ নামে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ পায় না। ট্রেড লাইসেন্স আবেদন ফরমে নিচের তথ্যগুলো প্রদান করতে হয় –

আবেদনকারীর নাম, পিতা বা স্বামীর নাম, মাতার নাম, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা কারখানা অথবা কোম্পানির নাম ও ঠিকানা, ব্যবসা আরম্ভ করার তারিখ, ব্যবসার ধরন, অনুমোদিত বা পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ (লিমিটেড প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য), ব্যবসার স্থান নিজের বা ভাড়ায় এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডের বিবরণ।

ট্রেড লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
(১) সাধারণ ট্রেড লাইসেন্স – সত্যায়িত ভাড়ার রশিদ অথবা ভাড়ার চুক্তির কপি এবং হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের রশিদের কপি
(২) শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য ট্রেড লাইসেন্স

১ নাম্বার সিরিয়ালে উল্লেখ সবকিছু এবং
আসেপাসের কোন আপত্তি নেই এ রুপ ঘোষণা পত্র
অবস্থান মানচিত্র
ফায়ার সার্টিফিকেটের কপি
ডিসিসি'র নীতিমালা মেনে চলে এরুপ ৳ 150 জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে ঘোষণাপত্র
পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবি
(৩) ক্লিনিক বেসরকারী হাসপাতালের - স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছ থেকে অনুমতি পত্র

(৪) লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে -

প্রবন্ধ স্মারকলিপি
ইন কর্পোরেশন সার্টিফিকেট
(৫) প্রিন্টিং প্রেস ও আবাসিক হোটেলের ক্ষেত্রে - জেলা প্রশাসক ডিসি থেকে অনুমতিপত্র

(৬) নিয়োগ এজেন্সির ক্ষেত্রে - জনশক্তি লোকবল রপ্তানি ব্যুরো থেকে লাইসেন্স

(৭) অস্ত্র ও গোলাবারুদ সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানের জন্য - অস্ত্র লাইসেন্সের কপি

(৮)ড্রাগ এবং মাদক ক্ষেত্রে - ড্রাগ মাদকদ্রব্য লাইসেন্সের কপি

(৯) ট্রাভেলিং এজেন্সির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন

Back

ফ্লিল্যান্সিং পেশায়
পেশাজীবি হতে চাই
১. সব সময় নিজেকে প্রফেশনাল ভাবতে শিখুন: আপনি মনে করবেন যে আপনি বেকার নন,শুধু অফিসে বসে কাজ করলেই তাকে পেশা/চাকুরি বলে না। আপনি সব সময় ভাবুন যে আপনি পেশাজীবি এবং আপনার একটি সম্মানজনক পেশা আছে।

২. সব সোর্স থেকে উপদেশ গ্রহন করবেন না: আমরা প্রতিদিন যে কথাবার্তা শুনি বা বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় কিংবা জনসভায় যা শুনি তার সবগুলো আপনি উপদেশ হিসেবে গ্রহন করবেন না।

ভালো এবং খারাফের পার্থক্য নিশ্চিত করার পর ভালো টা গ্রহন করুন।অনেকে পত্র পত্রিকায় নিজেদের স্বার্থে অনেক কিছুই বলে/লিখে,তবে তার সব কটি পজেটিভ নয়।

৩. পরিবার এবং বন্ধুদের থেকে সাহায্য নিন

৪. একটি সময় ঠিক করুন,কতদিন এই পেশায় থাকবেন: মিনিমাম ৩ অথবা ৫ বছর প্রাথমিক ভাবে নিদ্দিষ্ট করুন যে আপনি আগামী ৫ বছর ফ্রিল্যান্সিং করবেন।

৫. সব অফার গ্রহন করবেন না: আপনি যখন ভালো পজিশনে থাকবেন তখন অনেক অফার পাবেন,তাই বলে সবগুলো গ্রহন করবেন না,কিছু অফার ছেড়ে দিন এবং বেছে যেকোন একটি ভালো সুযোগ গ্রহন করুন। কেননা ছোট এবং কম লাভজনক কাজে নিজেকে জড়িয়ে ফেললে পরে ভালো অফার পেলেও আপনি তা গ্রহন করতে পারবেন না বা সেই সুযোগ থাকবে না।

৬. যে কাজটি পারেন তাই করুন: ফ্রিল্যান্সিং এ অনেক কাজ রয়েছে,আপনি যেটা ভালো পারেন সব সময় সেটাই করুন,বার বার কাজ পাল্টাবেন না,এতে আপনি ততটা দক্ষতা অর্জন করতে কোনদিন পারবেন না।যে কোন একটা কাজেরই অভিঙ্গতা অর্জন করুন।



Home
More App From Developer



কিভাবে
পেমেন্ট পাব?
হ্যা, কাজটি যদি আপনি সফলভাবে করে দিতে পারেন তাহলে ক্লাইন্ট আপানকে সরাসরি পেমেন্ট করবে না। ক্লাইন্ট পেমেন্ট করবে সেই ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে যেখানে আপনার সাথে ক্লাইন্টের পরিচয় হয়েছে। মানে, আপনি যেই ওয়েবসাইট থেকে কাজটি পেয়েছিলেন, ক্লাইন্ট সেখানেই আপনাকে পেমেন্ট করবে। সেই ওয়েবসাইট আপনার অ্যাকাউন্টে মোট পেমেন্ট থেকে ১০% চার্জ কেটে রেখে দিয়ে বাকি টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে জমা করবে। এই ডলার আপনি বাংলাদেশী অনলাইন সাপোর্ট করে এমন যে কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন কোন রকমের ঝামেলা ছাড়াই। এবং এই ডলার আটোমেটিক আমাদের দেশীয় টাকায় কনভার্ট হয়েই আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।

অনেকেই তো বলে টাকা তুলতে গেলে নাকি পেপাল, মাস্টারকার্ড ইত্যাদি থাকতে হবে?

এক কথায় আমি বলব, না। ফ্রীল্যান্সিং যে টপ সাইট গুলো আছে সেখান থেকে আপনি সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই টাকা তুলতে পারবেন। এমনকি টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে ডলারে আসলেও আপনি ব্যাংকে ট্রান্সফার করার পর সেটি টাকায় কনভার্ট হয়ে যাবে। তাই পেমেন্ট নিয়ে ভয় পাওয়ার কোন কারন নেই।

তবে কিছু সাইট রয়েছে যেখান থেকে টাকা তুলে গেলে একটি মাস্টারকার্ড প্রয়োজন হবে। তবে, মাস্টারকার্ড পাওয়া তেমন কঠিন কিছুই না। Payoneer থেকে আপনারা চাইলে সম্পূর্ণ ফ্রীতেই একটি মাস্টারকার্ড পেতে পারেন। এটি নিয়ে পরে একদিন বিস্তারিত লিখব ইনশাআল্লাহ।

যাই হোক, ওডেস্ক/আপওয়ার্ক, ইল্যান্স, ফ্রীল্যান্সার ইত্যাদি টপ কোয়ালিটি ফ্রীল্যান্সিং সাইট থেকে আপনি সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা তুলতে পারবেন, তাই পেমেন্ট নিয়ে এত চিন্তিত হওয়ার কিছুই নেই।



Home
More App From Developer



অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
দিয়ে আয়
ধরুন আপনার জ্বর আসল। আপনি ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার আপনাকে দেখে বললেন অমুক হাসপাতাল থেকে আপনাকে এই টেস্টগুলো করিয়ে নিয়ে আসতে হবে। এখন, ভাবুন তো, ডাক্তার আপনাকে অমুক হাসপাতালের কথা কেন বললেন? টেস্ট তো যে কোন হাসপাতাল থেকেই করানো যেত! হ্যাঁ, ডাক্তার আপনাকে অমুক হাসপাতালের কথা এই জন্যই বলেছেন কারন সেই হাসপাতাল থেকে টেস্ট করালে আপনার টেস্ট এ যা টাকা আপনি হাসপাতালকে দিবেন তার কিছু অংশ ওই ডাক্তার পাবেন। এর মানে হচ্ছে ডাক্তার ওই হাসপাতালের একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে কাজ করেছেন। ঠিক এটাই হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং। এখানে, আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য অনলাইনে প্রচার চালিয়ে বিক্রি করে দিতে হয়। প্রতি বিক্রিতে ওই কোম্পানি আপনাকে কিছু কমিশন দেয়। আর এইভাবেও অনেকেই আয় করে চলেছেন। আশা করি এই বিষয়েও ধারনা পেয়েছেন।



Home
More App From Developer



ফরেক্স ট্রেডিং
ফরেক্স কিঃ
Forex হল Foreign Exchange এর সংক্ষিপ্ত রুপ। এটি একটি আন্তর্জাতিকবিকেনদ্রিক মুদ্রা বাজার। এই মার্কেটে বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় এর মাধ্যমে আয় করা যায়। অর্থাৎ আপনি একটি দেশের মুদ্রার বিপরীতে আরেকটি দেশেরমুদ্রা ক্রয় বা বিক্রয় এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। আপনি যখন একটি দেশের মুদ্রা দিয়ে আরেকটি দেশের মুদ্রা ক্রয় করবেন সেই দেশের মুদ্রার দাম আপনার ক্রয়কৃত দামের ঊর্ধ্বগতিক পার্থক্যই হচ্ছে আপনার লাভ। এই বাজারটি এত বড় যা নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ মার্কেটের চেয়ে কয়েক গুন বেশি ভলিয়াম এ দেনিক ট্রেড হয়। যার দৈনিক টার্ন-অভার এর পরিমান প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ইউ.এস ডলার এরও বেশি। বর্তমানে বিশ্বের ১৫-২০ ভাগ মানুষ ফরেক্সকেপেশা হিসেবে নিয়েছেন কেউ পার্টটাইম কেউবা ফুলটাইম পেশা হিসেবে। মূলত ফরেক্সও একধরনের আউটসোরসিং বিজনেস। যেখানে প্রফিট করতে হয় একটি ভালো সুশিক্ষার মাধ্যমে। না জেনে না বুঝে এই মার্কেটে নেমে পড়া মানে হচ্ছে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারা। প্রপার এডুকেশন ছাড়া আপনি এই মার্কেটে নিতান্তই একজন দর্শক। তাই ট্রেডার যদি হতে চান তাহলে আগে ভালোভাবে শিখে নিন তারপর শুরু করুন। ভয় কিংবা নেগেটিভ করছি না, কারন অল্প শিখে নেমে পড়ে যখন কোন কিছু বোঝার আগেই সব হারাবেন তখন হয়ত আপসোস ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না।

ফরেক্স এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ ১৮৭৬ সালে স্বর্ণ ভিত্তিক মুদ্রা ব্যবস্থা( gold exchange standard) চালু করা হয়েছিল।এই ব্যবস্থায় মুদ্রার মূল্যমান স্বর্ণের মানের উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়। ফলে মোট স্বর্ণের মূল্যর সমপরিমাণ কাগুজে মুদ্রা কোন দেশের জন্য রাখা হত। এই পদ্ধতি বেশ ভালই ছিল। কিন্তু স্বর্ণ এর আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে এই পদ্ধতির ত্রুটি ধরা পরে এবং একে বিদায় নিতে হয়। এই স্বর্ণ ভিত্তিক মুদ্রা ব্যবস্থা বাতিল করা হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুর সময় যখন ইউরোপীয় দেশগুলোতে তাদের বিশাল সব প্রকল্পগুলোকে বাস্তবায়িত করার মতো টাকা ছিলোনা। কারণ তাদের স্বর্ণের মজুদ ঐ পরিমাণ টাকা ছাপার জন্য খুবই অপ্রতুল ছিল। যদিও এই স্বর্ণ ব্যবস্থা বাতিল হয়ে গেছে, তবুও স্বর্ণ তার মূল্য এবং মুদ্রামানে নিজের অবস্থান ভালভাবেই ধরে রেখেছে।

পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত হয় যে, সকল মুদ্রার মান নির্দিষ্ট হবে এবং আমেরিকান ডলার হবে মুদ্রার জন্য নির্ধারিত সংরক্ষিত ভিত্তি যা স্বর্ণ এর বিপরীতে একমাত্র পরিমাপকৃত মুদ্রা। এই ব্যবস্থাকে বলা হয় ব্রেটন উডস ব্যবস্থা ( Bretton Woods System) যা ১৯৪৪ সালে কার্যকর হয়। ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দেয় যে তারা আর স্বর্ণের বিপরীতে ডলার এর বিনিময় এ আগ্রহী নয় যা বৈদেশিক সংরক্ষণ হিসেবে রাখা আছে। এর ফলে ব্রেটন উডস ব্যবস্থাও বাতিল হয়ে যায়।১৯৭৬ সালে এই ব্যবস্থা অকার্যকর হয় যার মাধ্যমে মূলত সর্বসম্মতভাবে পরিবর্তনশীল মুদ্রা ব্যবস্থার প্রচলন হয়েছিল।এর মাধ্যমেই আধুনিক বৈদেশিক মুদ্রার বাজারের প্রবর্তন হয় যা ১৯৯০ সালের দিকে বর্তমান যান্ত্রিক ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার রূপ নেয়।

ফরেক্স ট্রেড এর সুবিধা কি?
অনন্য আর্থিক বাজার থেকে এই বাজারের কিছু বহুমুখী সুবিধা আছে।

১। আগের দিনে শুধুমাত্র বিশাল ধনী অথবা ব্যাংকগুলো ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করার সুযোগ পেত। কিন্তু বর্তমানে সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে বিভিন্ন ফরেক্স ব্রোকারের আবির্ভাব ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির কারনে যে কেউই পৃথিবীর যে কোনো দেশ থেকে ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করতে পারে।

২। ফরেক্স ট্রেডিং আপনি বাসায় বসেই করতে পারবেন, বাইরে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আর তাই পরিবারকে প্রচুর পরিমানে সময় দিতে পারবেন।

৩৷ ফরেক্স মার্কেট পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মুদ্রা বাজার, এই বাজারে মুদ্রার দাম ভিবিন্ন দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে প্রতিনিয়ত নিজেই পরিবর্তন হয়৷ এই বাজারের মুদ্রার দামের উপর নির্ভর করে পৃথিবীর সব দেশের ব্যাংক সহ সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মুদ্রার দাম।

৪৷ একক কারো প্রতিনিধিত্ব এই বাজারে কোন রুপ প্রতিফলন তৈরি করতে পারে না৷ স্বয়ং বিল গেটস এর পুরো অর্থের সামর্থ্য নাই এই বাজারকে পরিবর্তন করার৷

৫৷ ফরেক্স মার্কেটে মন্দা বলে কিছু নেই। দামের ঊর্ধ্বগতি বা নিম্নগতি উভয় গতিতে প্রফিট করা যায়। কারন স্টক মার্কেটে আপনি শুধু buy করতে পারেন, ফরেক্স মার্কেটে buy বা sell উভয়ই করতে পারবেন।

৬৷ এখানে মধ্য কোন স্বত্বাধিকারী নেই তাই আপনি সরাসরি কেনা-বেচা করতে পারবেন৷৫৷ এটি গ্লোবাল মার্কেট তাই আপনি বিশ্বের যেকোন স্থান থেকে আপনার ট্রেড পরিচালনা করতে পারবেন।

৭৷ এটি একমাত্র বাজার যা সপ্তাহের সোম থেকে শুক্রুবার ২৪ ঘন্টায় খোলা থাকে চারটি ভিন্ন ভিন্ন সেশন এ৷ ফলে যে কোন পেশার মানুষ তাদের সুবিধা মত দিনে কিংবা রাতে যে কোন সময়ে ট্রেড করতে পারে৷ এবং শনি ও রবিবার এই মার্কেটের সকল লেনদেন বন্ধ থাকে বা ছুটি পালন করা হয়।

৮৷ এই মার্কেট এ আপনি স্বাধীন ইনভেস্টটর অর্থাr এই মার্কেটে সর্ব নিম্ন কিংবা সর্বচ্চ কোন ইনভেস্টমেন্ট বাধ্যবাদকতা নেই৷ ফলে আপনি আপনার সামর্থ্য মত যে কোন পরিমান ইনভেস্ট করে ট্রেড শুরু করতে পারেন।

৯৷ মূল ট্রেড শুরু করার পূর্বে আপনি ট্রেড করার জন্য প্রস্তুত কিনা সে প্রস্তুতিটা ও আপনি সেরে নিতে পারবেন ডেমো ট্রেড এর মাধ্যমে ভার্চুয়াল মানি দিয়ে।

১০৷ এই বাজারে আপনি আপনার সীমিত টাকা দিয়ে বিশাল পরিধিতে ট্রেড করার জন্য লিভারেজ সুবিধা পাবেন।

১১৷ এটি একটি স্পট ট্রেড বা কন্টিনিয়াস ফ্লো মার্কেট যেখানে আপনাকে কোন শেয়ার ক্রয় করে তা বিক্রির জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে না৷ অর্থাr আপনি মুহূর্তের মধ্যে আপনার ট্রেড সম্পূর্ণ করতে পারবেন।

১২৷ আপনার সকল লেনদেন আপনার ব্যক্তিগত একটি একাউন্ট এর মাধ্যমে পরিচালিত হবে যেখানে অন্য কারো এক্সেস এর কোন সুযোগ নেই৷ তাই আপনি ১০০% সিকিউর।

১৩৷ আপনি আপনার ডিপোজিট বা ইউথড্র যে কোন আন্তর্জাতিক বৈধ মাধ্যম ব্যবহার করে আপনি নিজেই করতে পারেন৷ কারো যদি আন্তর্জাতিক কোন মাধ্যম না থেকে সেই ক্ষেত্রে ব্রোকারদের পদত্ত ভিবিন্ন অপশনের মাধ্যমে ও সম্পূর্ণ করতে পারবেন।

উল্লেখ্য যে, একজন দক্ষ ও সফল ট্রেডার হতে হলে আপনাকে ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে,নিজেকে এই মার্কেটের যোগ্য করে তুলতে হবে। ফরেক্স মার্কেট থেকে যে কেউই কোন কিছু না জেনেও হয়ত প্রথম দিকে অনেক আয় করতে পারেন। মনে রাখবেন, ফরেক্স মার্কেট স্টক মার্কেটের মতই চ্যালেঞ্জিং। না জেনে হয়ত প্রাথমিকভাবে সফল হওয়া যাবে যেটা স্টক মার্কেটও অনেকে হয়। তবে দীর্ঘসময়ের জন্য টিকে থাকতে হলে ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে প্রচুর পড়াশোনা ছাড়া কোন বিকল্প নেই।



Home
More App From Developer


Wait while more posts are being loaded