Profile cover photo
Profile photo
Zillur Rahman
About
Zillur's posts

Post has attachment

Post has attachment

Post has attachment

Post has attachment
মোটর মালিক সমিতির নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের মধ্যে নানা রকম গুঞ্জন শুরু হয়েছে। মোটর মালিক সমিতি একটি অরাজনৈতিক সংগঠন হলেও প্রত্যেক নির্বাচনেই একাধিক প্যানেলে কোন না কোন দলের মৌন সমর্থন থাকে কোন কোন ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক মিছিল মিটিং পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা ভোটে প্রকাশ্য হস্তক্ষেপ করেন। ফলে বেশিরভাগ সময় নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলেরই বিজয় হয়।
জামাল মোটর মালিক সমিতির সভাপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাসহ বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশপ্রেমিক দল পূর্ণ প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। তাই আজকাল জামালের ব্যস্ততা অনেকগুণ বেড়ে গেছে। দিন যতই এগিয়ে আসতে লাগল নির্বাচনী তৎপরতা ততই বেড়ে চলল। জামাল লক্ষ্য করেছে তাকে দলীয়ভাবে মোটর মালিক সমিতির সভাপতি পদে মনোনয়ন দিলেও বেলায়েত সাহেব তাতে সন্তোষ্ট হতে পারেননি।
Photo

Post has attachment
রুপার বিয়ে-০১
ক’দিন থেকে রুপা অসুস্থ বোধ করছে, মাথাটা কেমন যেন ঝিমঝিম করছে, সবসময় একটা বমি বমি ভাব লেগেই আছে, সে লক্ষ্য করেছে তার শরীরে কিছু অস্বাভাবিক পরিবর্তনও শুরু হয়েছে। কাকে বলবে রুপা তার এই অসুস্থতার কথা? তার মনে হচ্ছে এটা যেন অন্যরকম অসুস্থতা, অন্যরকম কষ্ট, যার সঙে সে কোনদিনই পরিচিত না। তবে কি সেদিনের পর থেকে, সেদিন তমালের সঙে-
Photo

Post has attachment
মোটর মালিক সমিতির নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের মধ্যে নানা রকম গুঞ্জন শুরু হয়েছে। মোটর মালিক সমিতি একটি অরাজনৈতিক সংগঠন হলেও প্রত্যেক নির্বাচনেই একাধিক প্যানেলে কোন না কোন দলের মৌন সমর্থন থাকে কোন কোন ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক মিছিল মিটিং পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা ভোটে প্রকাশ্য হস্তক্ষেপ করেন। ফলে বেশিরভাগ সময় নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলেরই বিজয় হয়।
জামাল মোটর মালিক সমিতির সভাপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাসহ বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশপ্রেমিক দল পূর্ণ প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। তাই আজকাল জামালের ব্যস্ততা অনেকগুণ বেড়ে গেছে। দিন যতই এগিয়ে আসতে লাগল নির্বাচনী তৎপরতা ততই বেড়ে চলল। জামাল লক্ষ্য করেছে তাকে দলীয়ভাবে মোটর মালিক সমিতির সভাপতি পদে মনোনয়ন দিলেও বেলায়েত সাহেব তাতে সন্তোষ্ট হতে পারেননি। রাজনীতিতে ক্রমাগত বঞ্চনার কারণে তিনি নির্বাচনে খুব একটা সক্রিয় নন। অবশ্য রাজনীতিতে বেলায়েত সাহেবের যে অবস্থান তাতে তিনি আর কোনদিন মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার মতো অবস্থান করে নিতে পারবেন না। তারপরও প্রতিদ্বন্দ্বিকে কখনো ছোট ভাবতে হয় না। জামাল মুখে বেলায়েত সাহেবকে নির্বাচনে তাকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানালেও সে নিজে বেলায়েত সাহেবের উপর কোন বিষয়ে নির্ভর করল না। তবু জামাল বেলায়েত সাহেবকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল, বেলায়েত ভাই আমি আপনাদের হাত ধরে রাজনীতিতে এসেছি। ........
Photo

Post has attachment

Post has attachment
বিকেলবেলা জামাল রশিদ সাহেবকে মোটর সাইকেলে নিয়ে চলল আনন্দ নগরের উদ্দেশ্যে, কিছুদূর যাওয়ার পর রশিদ সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, ভাইজান আমরা কোথায় যাচ্ছি?
জামাল মৃদু হেসে বলল, বসে থাকুন না, দেখুন আপনাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছি?
রশিদ সাহেব আর কিছু বললেন না, মোটর সাইকেলে বসে রইলেন। জামাল মোটর সাইকেল নিয়ে সোজা আনন্দ নগর গিয়ে থামলো।
রশিদ সাহেব মোটর সাইকেল থেকে নেমে বললেন, এবার বুঝেছি।
জামাল বলল, রশিদ সাহেব বলুন তো কী বুঝেছেন?
আপনি আনন্দ নগর যে জায়গা কিনেছেন এটা সেই জায়গা।
হুঁম তা ঠিক আছে কিন্তু জানেন কি জায়গাটা আমি কী জন্য কিনেছি?
কী জন্য?
মনোযোগ দিয়ে শুনুন কাজটা আপনাকেই করতে হবে, এখানে একটা বাগান বাড়ি বানাবো, খামারবাড়ি। এই ধরুন চারপাশে কাঁটা তারের বেড়া থাকবে, গেট দিয়ে ভিতরে ঢুকতেই ফুটপাথ থাকবে। ফুটপাথের দু'পাশে থাকবে সারি সারি ফুলগাছ। বাগানের শেষ প্রান্তে নদীর ধারে থাকবে একটা দোতলা বাংলো, নীচতলা অফিস, ড্রাইভারের থাকার ব্যবস্থা, ড্রয়িং রুম, ডাইনিং রুম, পুরো একটা ফ্যামিলি থাকার ব্যবস্থা থাকবে। উপরে থাকবে একটা ভি.আই.পি রুম, দু'টা বেড রুম, দু'টা রুমের সঙ্গেই থাকবে এ্যটাচ্‌ড বাথ। বাথরুমে বসানো থাকবে টাইলস্‌ এবং অত্যাধুনিক স্যানিটারি ফিটিংস, বাথরুমে থাকবে গরম এবং ঠাণ্ডা পানির ব্যবস্থা। বিল্ডিংয়ের ছাদ হবে টাইল্‌স দিয়ে তৈরি, সেগুন কাঠের সিলিং, রুমে যে বাতিগুলো থাকবে সেগুলো থাকবে সিলিংয়ের কাঠ দিয়ে ঢাকা, কাঠের ফাঁক দিয়ে শুধু আলো বের হয়ে আসবে কিন্তু টিউব লাইট দেখা যাবে না। তাছাড়া সিলিংয়ের নীচে থাকবে বাজারের সব চেয়ে দামি লক্সারিয়াস ঝাড় বাতি, সম্ভব হলে সেগুলো বিদেশ থেকে আনাবেন। নদীর পাশে থাকবে একটা বেলকনি, যে বেলকনিতে দাঁড়িয়ে নীচের দিকে তাকালে দেখা যাবে নদী এবং উপরের দিকে তাকালে দেখা যাবে আকাশ। পূর্ণিমার রাতে যেন বেলকনিতে বসে জ্যোৎস্না উপভোগ করা যায় বলেই জামাল যেন হঠাৎ করেই থমকে গেল। এই কথাগুলো বোধহয় আগেও আপনাকে আমি
Photo

বিদ্যার কমতি থাকলেও বুদ্ধির কমতি মোটেই নেই। সমস্ত কিছুতেই যেন সে রাম বলতেই রহিম বুঝতে পারে। মেধা থাকা সত্ত্বেও সে উকিল হতে পারেনি বটে কিন্তু মহুরী হিসেবে অতি অল্প বয়সে সে যেন সমস্ত মহুরীর ওস্তাদের স্থান দখল করেছে। রৌমারীর চরে জন্মগ্রহণ করে তিন ভাই বোনের সংসারে খেয়ে না খেয়ে সে যখন প্রথম বিভাগে এস. এস. সি পাস করল তখন শুধু তাদের সংসারেই নয়, চর শৌলমারী গ্রামের ধু ধু বালুচরও যেন আনন্দাশ্রুতে সিক্ত হলো। কিন্তু অর্থাভাবে লেখাপড়ার সমাপ্তি ঘটল সে পর্যন্তই, অবশেষে দূরসম্পর্কীয় এক আত্মীয়ের মাধ্যমে মহুরীর চাকরি জুটল কুড়িগ্রাম শহরের এক স্বনামধন্য উকিল খালেক সাহেবের অফিসে। তার চেহারা আর বয়স দেখে উকিল সাহেব প্রথমে নাক ছিটকালেন কিন্তু পরক্ষণেই রফিকের আপাদমস্তক একবার তাকিয়ে বললেন, কাজ করতে পারবে তো?
রফিক বিনয়ের সাথে মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলেছিল, জি স্যার।

Post has attachment
শৈশব থেকেই জামাল অত্যন্ত চঞ্চল, চটপটে আর ডানপিটে ছিল। প্রতিদিন স্কুলে কোন বন্ধুর কান টেনে ধরা, গালে চড় দেয়া বা কারো বই ছিঁড়ে দেওয়া এসব ছিল তার নিত্যদিনের অভ্যাস। স্কুলে দেরিতে যাওয়া, টিফিন পিরিয়ডে স্কুল থেকে পালিয়ে বাসায় ফেরা, স্কুলের নাম করে সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখা, এসব শুরু হয়েছে সেই ক্লাস সিক্সে ভর্তির পর থেকে। পর পর দু’বার ফেল করার পর তৃতীয় বার এস.এস.সি পাস করল। কলেজে ভর্তির সঙ্গে সঙ্গে তার উশৃঙ্খলতা আরো অনেকগুণ বেড়ে গেল। সেই সঙ্গে যোগ হলো তারুণ্যের উচ্ছ্বলতা। একদিন জামাল, তার বন্ধু শরীফ ও আরিফ কলেজের মাঠে বসে চিনাবাদাম খাচ্ছিল। তখন পাশ দিয়ে দল বেঁধে যাচ্ছিল তাদের ক্লাশেরই মেয়েরা।
জামাল শরীফকে জিজ্ঞেস করল, শরীফ ঐ মেয়েটা কে রে?
কেন, পছন্দ হয়েছে না কি?
চেহারাটা সুন্দর, তাই না? জামাল জিজ্ঞেস করল।
আরিফ তিরস্কারের সুরে বলল, কথায় আছে না বেল পাকলে কাকের কী?
জামাল রাগের সুরে বলল, তুই কী বলতে চাচ্ছিস?
শরীফ বলল, আরিফ ঠিকই বলেছে, কোটিপতি ফয়সাল সাহেবের মেয়ে ব্রিলিয়াণ্ট, সুন্দরী এবং বাবার একমাত্র সন্তান। ঐশীকে তোর মতো হেট্রিক করে এস.এস.সি পাস করা জামাইর গলায় ঝুলাবেন না।
জামাল বলল, দেখ দোস্ত আমার পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে তামাশা করিস্ না, আমা
Photo
Wait while more posts are being loaded