Profile

Cover photo
The Daily Sangram
925 followers|79,918 views
AboutPostsPhotosVideos

Stream

The Daily Sangram

Shared publicly  - 
7
2
Banglar Nishan's profile photomajibul hoque's profile photo
 
মাএ ৮ টি আরো দরকার।
 ·  Translate
Add a comment...

The Daily Sangram

Shared publicly  - 
9
1
Jahanulislam Milon's profile photo
 
মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন : ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর হত্যাকান্ডের নেপথ্য নায়কদের শনাক্ত করা কোনো দুরূহ ব্যাপার ছিল না। বাংলাদেশ ও এর সেনাবাহিনীর প্রতিপক্ষ কে এবং কারা ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের অস্তিত্ববিরোধী, এ হত্যাকান্ডের বেনিফিশিয়ারি কে, কারা এ ঘটনার সাথে সাথেই অতিমাত্রায় তৎপরতা দেখিয়েছে ইত্যাদি বিশ্লেষণের মাধ্যমে ওই অপশক্তিকে শনাক্তকরণ দুরূহ নয়। বাংলাদেশের মানুষ জানে ঐতিহাসিকভাবে কারা তাদের শত্রু, কারা তাদের জ্বালাচ্ছে, তাদের শান্তি ও সমৃদ্ধিকে বারবার বাধাগ্রস্ত ও ব্যাহত করছে।
ক্ষমতাসীন সরকারের বক্তব্য হলো- সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্যই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। বিরোধী দলের অভিযোগ- প্রতিবেশী দেশের মিত্রদের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীকে দুর্বল করতে, গৃহযুদ্ধ সৃষ্টি করতে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে ভারতীয় সৈন্য পাঠিয়ে এ দেশকে ছায়ারাষ্ট্রে পরিণত করতে এ নির্মম হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে। অন্যদিকে ভারত এ ঘটনার পরপরই আইএসআইকে দায়ী করেছে। সাথে সাথে বাংলাদেশ সরকারের কিছু মন্ত্রী এবং ভারতীয় সাহায্যপুষ্ট সংবাদমাধ্যম ভারতের অভিযোগের অনুকূলে তথ্য প্রচারে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।
সরকারের উচিত, জাতীয় স্বার্থে কমপক্ষে সরকারি রেকর্ডে সংরক্ষণের জন্য পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চালিয়ে আমাদের সেই শত্রু চিহ্নিত করা, যে এ বিপর্যয় ঘটিয়েছে, যাতে বর্তমান সরকার এবং তার উত্তরসূরিরা এবং জনগণ এ ধরনের দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ব্যর্থ করতে সজাগ থাকে।
এটা বিশ্বাস করার সঙ্গত কারণ রয়েছে, যে শক্তি আমাদের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না, আমাদের স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি প্রত্যাশা করে না এবং আমাদের পঙ্গু ও অচল করার জন্য অবিরাম চক্রান্তে লিপ্ত, সেই এ অমানবিক হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। গণহত্যার মূল হোতাদের পরিচয় উন্মোচন করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সংসদে বলেছিলেন, তারাই এ ঘটনার চক্রান্ত পাকিয়েছে, যারা বাংলাদেশকে একটি করদ রাজ্যে এবং প্রধানমন্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রীতে নামিয়ে আনতে চায়। তারা আমাদের দেশপ্রেমিক সশস্ত্রবাহিনীকে নির্মূল করতে চায়।
রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষক-পর্যবেক্ষকদের অভিযোগ, বহুবিধ কূটচক্রান্ত ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে পিলখানায় এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। বিদ্রোহের নারকীয় রূপ এ সত্যকে উঘাটিত করে যে, এটা কেবল বিডিআর জওয়ানদের সমস্যা-সংশ্লিষ্ট দাবি কিংবা সেনা কর্মকর্তাবিরোধী অনুভূতির জন্যই ঘটেনি, ওই অজুহাতগুলোকে বরং ব্যবহার করা হয়েছে। বিডিআর সদর দফতরে যা ঘটেছে, তা স্বতঃস্ফূর্ত বিদ্রোহ ছিল না। এটা ছিল সেনাবাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করার আমাদের শত্রুদের চক্রান্তের অংশ। ঘটনার পর ভারতীয় নীতিনির্ধারকদের মন্তব্য ও বক্তব্য এবং সমর প্রস্তুতি, বিশেষত ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জির বাংলাদেশে শান্তি মিশন পাঠানোর প্রস্তাব এবং জঙ্গিদের এ ঘটনার সাথে জড়িয়ে ভারতীয় প্রচারমাধ্যমের প্রচারণা ভারতের সংশ্লিষ্টতার ব্যাপারে সন্দেহ জোরদার করে। এসব প্রস্তাব যদি বাস্তবায়ন হয়, তা কেবল বাংলাদেশকে ভারতের তাঁবেদারে পরিণত করার প্রক্রিয়াকেই জোরদার করবে। প্রস্তাবগুলো হলো : (১) বিডিআরের জন্য অর্থ প্রদান, (২) বাংলাদেশে যেকোনো ধরনের সাহায্য প্রদান, (৩) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভারতীয় সৈন্য প্রেরণ, (৪) বিডিআর পুনর্গঠনে সহযোগিতা।
ভারতীয় সৈন্য মোতায়েন : কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার (২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি টেলিফোনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে আলাপকালে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে প্রস্তাব দিয়ে বলেন, ভারত বিডিআরের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বাংলাদেশকে প্রদান করতে প্রস্তুত। একই দৈনিক জানিয়েছে, ভারতীয় কর্মকর্তাদের সাথে আলাপকালে প্রণব মুখার্জি জানিয়েছেন,পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বাংলাদেশকে যেকোনো সাহায্য প্রদানে ভারত প্রস্তুত রয়েছে। ‘যেকোনো ধরনের সহযোগিতা' বলতে বাংলাদেশে ভারতীয় সৈন্য পাঠানোর ভারতীয় ইচ্ছার প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা অভিযোগ করেছেন। এই দুটো স্বেচ্ছাপ্রণোদিত প্রস্তাবই এ অভিযোগ প্রমাণে স্বব্যাখ্যাত, ভারত এ বিপর্যয় থেকে ফায়দা লোটায় লিপ্ত ছিল। এ বিপর্যয় বাংলাদেশকে সুনামির মতো ঝাঁকুনি দিয়েছে। বাংলাদেশ এ সমস্যা সমাধানে কোনো দেশ থেকে আর্থিক কিংবা অন্য কোনো সহযোগিতা চায়নি। তাহলে প্রণব মুখার্জি কেন ‘বিডিআর'-এর জন্য অর্থ প্রদানের প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন? এমন বহু দেশ রয়েছে, যারা ভারতকে কয়েক বার ‘কিনতে পারে'। তাদের সাথে বাংলাদেশের গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও তাদের কেউই এমন প্রস্তাব প্রদান করেনি। ভারত বাস্তবে বাংলাদেশের মতোই দরিদ্র। প্রায় ৩৩ শতাংশ ভারতীয় এখনো অনেক বাংলাদেশীর তুলনায় দরিদ্রতর। এমন একটি রাষ্ট্র কেন বিডিআরের জন্য অর্থ প্রদানে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে? এটা কি স্বার্থবিহীন?
সৈন্য ছাড়া একটি সশস্ত্র বিদ্রোহ দমনের জন্য অন্য আর কোন ধরনের সাহায্য প্রয়োজন? পিলখানায় গণহত্যার সুযোগ ব্যবহার করে সাহায্যের নামে প্রণব মুখার্জি বাংলাদেশে ভারতীয় সৈন্য মোতায়েনের গোপন অভিলাষ প্রকাশ্যে নিয়ে এলেন। ভারত ১৯৭২ সালে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করেছিল। চাপের মুখে বাংলাদেশ থেকে সৈন্য প্রত্যাহারে বাধ্য হওয়ার প্রতি ইঙ্গিত করে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি জৈল সিং কলকাতা থেকে প্রকাশিত অধুনালুপ্ত সানডে (২৭ জুলাই, ১৯৮৭) সাময়িকীর সাথে সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ থেকে দ্রুত ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাহার সুবিবেচনা-প্রসূত ছিল না। এ ধরনের প্রত্যাহার ভারতের স্বার্থের পরিপন্থী ছিল বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, "We could not protect the interest of country withdrawing troops hurriedly." (দ্রুত সৈন্য প্রত্যাহার করে আমরা দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে পারিনি।)
ভারতীয় নীতিনির্ধারকেরা মনে করেন, বাংলাদেশকে ভারতের হাতের মুঠোয় রাখতে এ দেশে ভারতীয় সৈন্য স্থায়ীভাবে মোতায়েন রাখতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ভারত বিভিন্ন ধরনের চক্রান্ত এঁটে যাচ্ছে। আন্তঃসীমান্ত অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে দক্ষিণ এশীয় ‘যৌথ টাস্কফোর্স', ‘যৌথ সীমান্ত পাহারা' প্রভৃতির আড়ালে ভারত বাংলাদেশ ভূখন্ডে ভারতীয় সৈন্য মোতায়েনের চেষ্টা করছে। কলকাতার দৈনিক টেলিগ্রাফ (২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯) এক প্রতিবেদনে ভারতের মতলব আরো স্পষ্ট করেছে। নতুন দিল্লীকেন্দ্রিক ভারতীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে পত্রিকাটি জানিয়েছে, ভারত বাংলাদেশে ‘শান্তি মিশন' পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। বাংলাদেশ সম্মত হলে ঢাকা-কলকাতার মধ্যে চলাচলকারী বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী ট্রেন পাহারা দেয়ার জন্য ভারত তার সিআরপি, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স নতুবা বিএসএফ পাঠানোর প্রস্তাব বিবেচনা করবে। এর কারণ ব্যাখ্যা করে পত্রিকাটি লিখেছে, আগে বিডিআর মৈত্রী ট্রেনের নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। এখন ওদের ওপর সেনাবাহিনীর আস্থা নেই। আবার বিডিআরও সেনাবাহিনীকে বিশ্বাস করে না। এ কারণেই মৈত্রী ট্রেনের যাত্রী, ইঞ্জিন, মালামাল প্রভৃতি রক্ষার জন্য ভারত ভারতীয় সৈন্য পাঠাতে চায়।
সর্বপ্রথম খবর প্রচার : রয়টার, এপি, এএফপি, বিবিসি, ভয়েস অব আমেরিকা, সিএনএন, আল-জাজিরা, এমনকি বাংলাদেশী টিভি চ্যানেলগুলোকে পেছনে ফেলে ভারতীয় ব্যক্তি মালিকানাধীন টিভি চ্যানেল সিএনএন-আইবিএন বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ১৩ মিনিটে (২৫ মে) সর্বপ্রথম বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমদের নিহত হওয়ার খবর প্রচার করে। বাংলাদেশী কোনো টিভি বা রেডিও চ্যানেলই তাদের ঘরের এমন লোমহর্ষক নারকীয় ঘটনার খবর পায়নি। এমনকি পরবর্তী দিন অর্থাৎ ২৬ ফেব্রুয়ারি (২০০৯) বাংলাদেশের কোনো দৈনিক এমন খবর প্রকাশ করেনি। অর্থাৎ তারা এমন খবর পায়নি। প্রশ্ন- কার মাধ্যমে ভারতীয় টিভি চ্যানেলটি এমন স্পর্শকাতর অথচ যথার্থ খবরটি তাৎক্ষণিক সংগ্রহে ও প্রচারে সক্ষম হয়েছিল? এর সহজ উত্তর হতে পারে, জেনারেল শাকিল ও তার সহকর্মীদের হত্যার সময় বিডিআর সদর দফতরে সে দেশের কিলার কিংবা গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিল, যারা বিডিআর মহাপরিচালকের নিহত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছিল। পিলখানা হত্যাকান্ডে ভারতীয় সংশ্লিষ্টতা গোপন করার উদ্দেশ্যে ভারতীয় টিভি চ্যানেল সিএনএন-আইবিএন, এনটিভি এবং টেলিগ্রাফ, হিন্দুস্তান টাইমস, আনন্দবাজার পত্রিকা প্রভৃতি পিলখানা হত্যাকান্ডের জন্য প্রধান দুটি বিরোধী দল বিএনপি-জামায়াত চক্রকে দায়ী করে বলে মনে করা যায়। কিভাবে ভারতীয় টিভি চ্যানেল বা পত্রিকার সাংবাদিকেরা ভারতে বসে তাৎক্ষণিক জানতে পারেন যে, এ হত্যাকান্ডের সাথে বিএনপি-জামায়াত জড়িত ছিল? এমন আচরণ থেকে বোঝা যায়, তারা কী বলবে তা আগে থেকেই প্রস্তুত করা ছিল।
সমর প্রস্তুতি : বাংলাদেশে বিডিআর বিদ্রোহকে কেন্দ্র করে ভারতের সমর প্রস্তুতি নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করে বিদ্রোহ থেকে ফায়দা লোটার লক্ষ্য থেকেই এ বিদ্রোহ ঘটানো হয়। বিডিআর বিদ্রোহকে কেন্দ্র করে ভারতের সমর প্রস্তুতির বিবরণ হিন্দুস্তান টাইমস, দ্য টেলিগ্রাফসহ অন্যান্য সংবাদমাধ্যম বেশ গুরুত্ব সহকারে প্রচার করে। ২ মার্চ, ২০০৯ হিন্দুস্তান টাইমস লিখেছে, বাংলাদেশে মানবিক কারণে হস্তক্ষেপ করার জন্য ভারতীয় সৈন্যদের প্রস্তুত রাখা হয়। বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন আসামের জোড়হাট বিমান ঘাঁটিতে বেশ কিছু যুদ্ধবিমান প্রস্তুত ছিল। সেখানে ‘রেড অ্যালার্ট' জারি হয়। আগ্রা থেকে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত এক ব্রিগেড প্যারাস্যুট বাহিনী কলকাতার নিকটবর্তী কালাইকুন্ডায় আনা হয়। বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ গোলযোগ চলাকালে এ সমর প্রস্তুতির রহস্য কি? পিলখানার খুনিদের, বিশেষত মুখোশ পরিহিতদের উদ্ধার করাই কি লক্ষ্য ছিল, যারা রহস্যজনকভাবে বিডিআর সদর দফতরে প্রবেশ করে এ লোমহর্ষক হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিল। সাত বছর ধরে নেপালে মাওবাদী বিদ্রোহ কিংবা ২৬ বছর ধরে শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধের সময় ভারত কখনোই এমন সমর প্রস্তুতি নেয়নি। ভারত সুনিশ্চিত ছিল- যেকোনো মুহূর্তে ভারতীয় সৈন্য প্রেরণের জন্য বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রণ বা অনুরোধ আসবে! তথ্যাভিজ্ঞ মহল জানিয়েছে, ৫০তম ইনডিপেনডেন্ট প্যারাস্যুট ব্রিগেডের এক ব্যাটালিয়ন (এক হাজারের বেশি সদস্য) ২৮ ফেব্রুয়ারি আগ্রা থেকে বিরাটাকারের বিমানঘাঁটি কালাইকুন্ডায় রাতারাতি বিমানযোগে আনা হয়। পরিস্থিতি বিবেচনা করে আরো সৈন্য আনার প্রস্তুতি ছিল। বিডিআর জওয়ানদের কাছ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের চৌকিগুলো ক্রমাগতভাবে দখল করে নেয়ার প্রেক্ষাপটে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ উদ্যোগ নেয়া হয়।
দ্য টেলিগ্রাফ জানায়, ভারত শেখ হাসিনাকে উদ্ধার করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে সৈন্য প্রেরণে প্রস্তুত ছিল। ভারত অতিদ্রুততার সাথে এর প্রস্তুতি সম্পন্ন করে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্যারাস্যুট রেজিমেন্টকে রাতারাতি আগ্রা থেকে পশ্চিমবাংলায় আনা হয়। বিমানবাহিনীকে কলকাতা ও আসামের গৌহাটিতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়। (The Telegraph, Kolkata, India, 28 February, 2009.)
কিছু ভারতীয় নীতিনির্ধারক, গণমাধ্যম ও তাদের বাংলাদেশী সহযোগীরা পিলখানার হত্যাযজ্ঞকে জেএমবি ধরনের সন্ত্রাসী চক্রের সাথে জড়ানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তদন্তে এ ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে। বরং গ্রেফতারকৃত এবং সন্দেহভাজনদের অনেকেই একটি বিশেষ দলের সংশ্লিষ্ট। এসব চক্রের অনেকেই চাঁদাবাজি, চোরাচালান, সন্ত্রাস, হত্যা, অগ্নিসংযোগ এবং অন্যান্য অপরাধের সাথে জড়িত এবং বাংলাদেশে অবস্থা বেগতিক দেখলে এরা ভারতে পালিয়ে যায়। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে এরা গ্রেফতার এড়ানোর জন্য ভারতে আশ্রয় নেয়।
লেখকের "BDR Massacre: Target Bangladesh" শীর্ষক গ্রন্থের একটি অধ্যায়ের অংশবিশেষের অনুবাদ।
লেখক : আমেরিকা প্রবাসী সাংবাদিক ও গবেষক
 ·  Translate
Add a comment...
Have them in circles
925 people
md.nizam sunamgonj's profile photo

The Daily Sangram

Shared publicly  - 
6
2
majibul hoque's profile photo
 
তাতে কি হাসিনা খালেদারতো কেউ নাই।
 ·  Translate
Add a comment...
People
Have them in circles
925 people
md.nizam sunamgonj's profile photo
Contact Information
Contact info
Phone
+88029346448, +88029358862, +88029346362, +88028350013, +88028318128, +88028321073
Email
Fax
+88029337127, +88028350265, +88028315094
Address
423 Elephant Road Baro Mogbazar Dhaka – 1217 Bangladesh
Story
Tagline
A popular Bengali Daily Newspaper
Introduction
It is an oldest bangla daily newspaper. It publishes trusted Bangladesh and International news that includes business IT, ICT, health, weather, foreign affairs, education, family, sports, politics, economics, Islamic world History and Heritage and women rights news.