Profile cover photo
Profile photo
DevsTeam Institute
51 followers -
Community page of DevsTeam Institute, an skill development training institute.
Community page of DevsTeam Institute, an skill development training institute.

51 followers
About
Posts

Post has attachment
কাছের এবং দূরের, সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা... :-)
Photo

Post has attachment
কাজ পাচ্ছেন না?

কাভার লেটার লেখার কিলার উপায়!

ভাল স্বত্বেও ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে অনেকে কাজ পান না কেবল সঠিকভাবে কাভার লেটার বা অ্যাপ্লিকেশন লেখার কারণে। মনে রাখতে হবে, একটি কাভারলেটারই আপনার কাজ পাওয়া কিংবা না পাওয়ার অন্যতম প্রধান উপাদান। কাজ পেতে তাই অবশ্যই আপনাকে ভাল কাভার লেটার লিখতে হবে!

ভাল কাভার লেটার বলতে বোঝানো হচ্ছে, এমন কাভার লেটার যেটি প্রথম দেখাতেই একজন বায়ারের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে। এধরণের কাভার লেটার লেখার আগে আপনাকে মনে রাখতে হবে, সেটি অবশ্যই সংক্ষিপ্ত করবেন। প্রথমে বায়ারকে বোঝাতে হবে আপনি কাজটা বোঝেন, তারপর অল্প কথায় বলতে হবে: এই কাজ কোনো ব্যাপার না, আমি আগেও করেছি, এই দেখ [লিংক] বা স্যাম্পল (অ্যাটাচ করা ফাইলে)। শুধু এই লাইনটাই, ইংরেজিতে সবচেয়ে ভাল কাভার লেটার।

অনেকেই বলতে পারেন এত ছোট আবার কাভার লেটার হয় নাকি? হয়, কেন হবেনা? আমি যদি দুই লাইনেই তাঁকে সবকিছু বোঝাতে পারি কি দরকার আমার অনেক বড় কাভারলেটার লেখার? বড় বা লম্বা কাভার লেটারের কোন মানে নেই যদি বায়ার সেটি না পড়ে। একবার বায়ারের আসনে নিজেকে বসান, বা নিজেই বায়ার হয়ে যান আপনার কিছু প্রজেক্টের সাহায্যের জন্য। দেখেন কাদের কাভার লেটার পছন্দ হয়েছে, কাদের হয় নাই। ওখান থেকেই বুঝতে পারবেন আসলে কি করা উচিত, কি করা উচিৎ নয়।

লম্বা কাভার লেটার দিলে ক্লায়েন্ট পড়তে চায় না।

আপনি পড়বেন? আপনি যা চাইছেন, তা না দিয়ে যদি কেউ ইতিহাস বর্ণনা শুরু করে, তাহলে আপনি তাকে পছন্দ করবেন না এটাই স্বাভাবিক। উল্টো ভাববেন যে, আপনি যে কাজের জন্য পোস্ট দিয়েছেন তার কিছুই সে পড়ে নি।

সাধারণত: ৫ সেকেন্ডের ভিতরে আপনাকে বায়ারের মনোযোগ আকর্ষণ করতে হবে, তারপর অন্য কিছু পড়তে আগ্রহ পাবে। তাই প্রথম ২ লাইনেই আকর্ষণ করার চেষ্টা করুন।
Photo

Post has attachment
বাংলাদেশী সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট বেশতো (Beshto.com) ব্যবহার করেছেন কি?

১. হ্যাঁ
২. না
Photo

Post has attachment
From The Daily Sun:

"DevsTeam Institute, a web career training institute has teamed up with Elance to offer global standard training programmes for the IT freelancers. A memorandum of understanding (MoU) was signed between these two organisations at the auditorium of Bangladesh Association of Software & Information Services (BASIS) recently.

Country Manager of Elance Bangladesh, Saidur Mamun Khan and CEO of DevsTeam, Al-Amin Kabir signed the MoU on behalf of their respective organizations"

Details can be found on today's the Daily Sun: http://www.daily-sun.com/details_DevsTeam-teams-up-with-Elance_441_1_11_1_2.html
Photo

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) শিখতে চান?

ডেভসটিম ইনস্টিটিউট আয়োজন করছে ৩ মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ। ক্লাশ হবে প্রতি বুধ এবং বৃহষ্পতিবার, বিকাল সাড়ে ৫ টা থেকে ৮ টা পর্যন্ত।

নতুন ব্যাচের ক্লাশ শুরু হবে ২৭ মার্চ ২০১৩ থেকে। আগ্রহীরা অফিসে এসে ভর্তি হতে পারবেন। আরও জানতে: ০২৯৬৬২৬৪৪, ০১৯১১৪৬৪৭১০, ০১৭১১২৬৭৯১১

Post has attachment
বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের গড় ঘন্টামূল্য কত? সব মার্কেটপ্লেসগুলোর তথ্য নিয়ে একটি তথ্যচিত্র বানানোর চেষ্টা করছি আমরা। তার আগে দেখে নিতে পারেন কেবল ইল্যান্সে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সাররা প্রতি ঘন্টায় কত টাকা আয় করছেন!

বন্ধুরা, কোন কাজটি আপনার সবচেয়ে পছন্দের? মন্তব্যের মাধ্যমে জানান।

# পোস্টটি শেয়ার করে জানিয়ে দিন আপনার বন্ধুদেরকেও। :-)
Photo

Post has attachment
টেকিং ফ্রিল্যান্সিং টু নেক্সট হাইট
-মুনির হাসান

বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে গত কয়েকবছরে। এই অগ্রগতি সংখ্যায় এবং আয় দুটোতেই লক্ষনীয়। একটি সাধারন হিসাবে বলা যায়, ২০১২ সালে আমাদের ফ্রিল্যান্সাররা প্রতিদিন গড়ে এককোটি টাকা আয় করেছেন এবং পুরোটাই বৈদেশিক মুদ্রায়। তবে সংখ্যার ব্যপ্তি যতো বেড়েছে ঠিক ততোটা অগ্রগতি আমাদের নেই ঘন্টাপ্রতি আয় বা ফ্রিল্যান্সার প্রতি আয়ে। যদিও মোট আয় কয়েক গুন বেড়েছে।

ফ্রিল্যান্সারদের অন্যতম মার্কেটপ্লেস ওডেক্স ২০১১ সালের তুলনায় ২০১২ সালে প্রায় দ্বিগুন আয় হয়েছে। কিন্তু ঘন্টা প্রতি আয় সে অর্থে বাড়েনি।

ওডেক্সে ঘন্টা হিসাবে কাজে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের পরিসংখ্যান

একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ২০০৯ সালে ওডেক্সে মোট রেজিস্ট্রেশন করেছিল ১১,৮০১ জন, এর মধ্যে মোট কাজ করেছিল ৯৮৭৭৫ ঘন্টা এবং মোট উপার্জন হয়েছিল ৫৭৫৭৪৭ টাকা। ২০১০ সালে মোট রেজিস্ট্রেশন করেছিল ৩৭,২২৬ জন, মোট কাজ করেছিল ৪৯৫৩১৭ ঘন্টা এবং মোট উপার্জন হয়েছিল ২১৮৭০৩৭ টাকা। ২০১১ সালে মোট রেজিস্ট্রেশন করেছিল ৯৩,২২৬ জন, মোট কাজ করেছিল ১৬৮৫৯০৬ ঘন্টা এবং মোট উপার্জন হয়েছিল ৬৮৬৩১৫৩ টাকা। ২০১২ সালে রেজিস্ট্রেশন করেছিল ২১২৪২৮ জন, এর মধ্যে মোট কাজ করেছিল ৩৫০২৫৮৭ ঘন্টা এবং মোট উপার্জন হয়েছিল ১৩৭৮০১৬টাকা।

এ পরিসংখ্যান থেকে এটা খুব সহজেই উপলব্ধি করা যায়। ২০১২ সালে ঘন্টা প্রতি আয় মাত্র চার ডলারের সামান্য বেশি। ২০১১ সালে এটি ছিল ৪ ডলারের সামান্য কম। বাংলাদেশের অনেক ফ্রিল্রান্সার ঘন্টা প্রতি ২ ডলার, এমন কি এর চেয়েও কম রেটে কাজ করেন।

স্বাভাবিক ভাবে যখন কোন নতুন ক্লায়েন্ট এসব মার্কেপ্লেসে আসেন তখন তিনি বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের বেলায় এই বিষয়টা খেয়াল করেন। মানে তিনি লক্ষ করেন বাংলাদেশের কর্মীরা খুবই কম টাকায় কাজ করে থাকে। এতে তার মনে দুটো ভাবের উদয় হতে পারে। ওদের রেট কম ওরা ভাল কাজ পারে না, অথবা ওরা ওদের কাজের রেট সম্পর্কে জানে না। আমার ধারনায় হয়তো দ্বিতীয়টি সত্য।

আমাদের ফ্রিল্যান্সারদের এই কম রেটে কাজ করা নিয়ে ইদানিং আমি কিছুটা লক্ষ করছি। আমার ধারণা এর জন্য দায়ী কয়েকটি কারন হল- আত্মবিশ্বাসের অভাব, ওয়েব এবং মার্কেটরিসার্সের অভাবের ফলে বাজারদর মস্পর্কে সম্যক উপলব্ধি না থাকা এবং সর্বোপরি টাকায় কনভার্ট করলে ডলারে ৮০ টাকা পাওয়া যায়।

এই বিষয়ে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে ঢাকার ল্যাপটপ মেলায় আমরা একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিলাম। বিষয়বস্তু ছিল টেকিং ফ্রিল্যান্সিং টু নেক্সট হাইট। সেমিনারে আমার সঙ্গে ছিলেন খোরশেদুল আলম, এনায়েত রাজীব, নাসির উদ্দীন শামীম এবং মাহমুদুল হাসান সানি। সেখানে আলোচনয় ওডেক্সের বাংলাদেশ অ্যাম্বাসেডর বলেন-ঘন্টায় ২ ডলারে এখন ঢাকা শহরে রিক্সাও ভাড়া পাওয়া যায় না।

প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের ফ্রিল্যান্সাররা, যারা খুবই কম রেটে কাজ করেন এবং যার ফলে সামগ্রিকভাবে অন্যান্য ফ্রিল্যান্সারদেরও সমস্যা হয়। তাদের পক্ষে কি নিজেদের কাজের রেট বাড়ানো কঠিন?

আমরা যদি কম রেটের করণগুলো একটু বিশ্লেষন করি তাহলে মনে হয় এর থেকে উত্তরনের উপায় বের করতে পারব। প্রথমত আত্মবিশ্বাস কম। এর কারণ কি? একটি কারণ হল কাজ ঠিকমত না শেখে কাজে নেমে পড়া। যারা কিনা ফ্রিল্রান্সিং এর মানে করে কোন একটি মার্কেটপ্লেসেরেজিস্ট্রেশন করা এবং বিড করা তারা কখনোই সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারবে না। ফ্রিল্রান্সার হতে হলে দুটো দক্ষতা থাকতে হবে। প্রথমটি হল কারিগরি দক্ষতা। মানে যে কাজটি করতে চান সে সম্পর্কে বিষদ জানা এবং তার খুটিনাটি সম্পর্কে সম্মক অবহিত থাকা। ট্রিকস ও টেকনিকগুলো নখদর্পনে থাকা। এগুলো একদিনে অর্জিত হয় না। দীর্ঘ সময় নিয়ে মনোসংযোগ সহাকারে অনুশীলন আর প্রশিক্ষনের মাধ্যমে সেটা অর্জন করতে হয়। ইউটিউব আর গুগলের জামানায় কাজগুলো আর কঠিন নয়। ইচ্ছেটাই আসল।

যখন একজনের কাজের উপর দক্ষত থাকে তখন তার আত্মবিশ্বাস প্রবল হয়। এর প্রাবল্য বাড়ে যদি এর সাথে যুক্ত হয় বাজার জ্ঞান। বলা হয় ২০১১ সালে আউটসোর্সিং বাজার ছিল ৪০০ বিলিয়ন ডলার। এই বাজারে এক শতাংশ হল ৪ বিলিয়ন ডলার। ২০১২ সালে সকল সফটওয়ার কাম্পানী আর ফ্রিল্যান্সাররা মিলে আমাদের মোট আয় হল ১০০ মিলিয়নের চেয়েও কম। কাজেই আমর যদি ১ শতাংশের সিকিভাগও টার্গেট করি তাহলেও আমাদের বর্তমান আয়কে দশ গুন করতে হবে। এবং সকল বিশ্লেষন বলে এই মার্কেটের জন্য আমাদের কোন লড়াই করতে হবে না। কেবল নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে হবে।

কারিগরি দক্ষতা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কমিউনিকেশনের দক্ষতাও বাড়াতে হবে। অনেকের ভাষায় দখল না থাকায় কম রেট কোট করেন। ভাবেন কম রেট কররে ক্লায়েন্টের সঙ্গে দরাদরি করতে হবে না। এভাবে তার রেটের সাথে সস্তা কথা যুক্ত হয়ে যায়। আমাদের সংস্কৃতিতে আমরা কেন ভিনদেশী ভাষাকে শত্রু জ্ঞান করি। নে করি কে জানে। ফলে, আমাদের বন্ধু মহলে কেউ যদি ইংরেজি চর্চা করতে চায়, তাকে আমরা টিটকারি দেই। ফলে এখন রোমান হরফে বাংলাতে এসএমএসে আমরা যতোটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি, ততোটা ইংরেজিতে করি না। কিন্তু বিশ্ব আউটসোর্সিং বাজারে নিজেদের হিস্যা আদায় করে নিতে হলে ইংরেজি ভিন্ন আমাদের কোন উপায় নাই। কাজেই ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই ইংরেজিতে ভাল হতে হবে। আবার ও বলি এই ইউটিউব আর গুগলের জামানায় ইংরেজিতে জ্ঞান বাড়ানোর কাজটাও কঠিন নয়। শুধু কঠিন ইচ্ছা শক্তি থাকলেই হবে।

আমি খুব দু:খের সঙ্গে লক্ষ করেছি যে ওডেক্স এ বর্তমান যে আড়াই লক্ষ ফ্রিল্যান্সার একাউন্ট খুলেছেন তাদের মধ্যে ২ লক্ষ এখনো কোন কাজই করতে পারেনি। এর মধ্যে অনেকে হয়তো জোয়ারে একাউন্ট খুলেছে। কিন্তু এর মধ্যে যদি ১ লক্ষ ও কোন কাজ না পেয়ে থাকেন তাহলে সে দায় কার ? প্রথম ওই ফ্রিল্যান্সারের নিজের। কারণ তিনি ব্যপারটা ঠিক মত না বুঝে একাউন্ট খুলেছে। তারপর দক্ষ না হয়ে বিড করেছেন কাজ না পেয়ে কিছুদিন পরে হতাশ হয়ে মার্কেটপ্লেস ছেড়েছেন।

এখান থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু সহজ তরিকা আছে। আমি একটি তরিকা এখানে বলছি। ফ্রিল্রান্সার হিসাবে ক্যারিয়ার গড়তে হলে প্রথমেই বিশ্বাস করতে হবে যে আপনি কাজটা পারিন। এরপর একটা লিস্ট করতে হবে নিজের দক্ষতার। যেমন আমি ঠিক মত গুগল করতে পারি? আমি কি ইংরেজিতে ইমেইল বা মেসেজ লিখতে পারি? আমি কি একটা ইংরেজি লেকা স্পেসিফিকেশন পরে বুঝতে পারি কাজটা আসলে কি?

এখনে নিজেকে যাচাই করাটাও সহজ। অনেক ফোরাম আছে, ফেইসবুক গ্রুপ আছে যেখানে অন্য সকল ফ্রিল্যান্সাররা সহায়তা করেন। কাজেই প্রথমে নিজের পছন্দের কাজটা ঠিক করে সেই বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কমপক্ষে এক- দেড় মাস সময় না দিলে কখনোই নিজেকে চলনসই মাত্রায় নেওয়া যায় না। এর পর একাউন্ট খুলে বিভিন্ন কাজের স্পেসিফিকেশন পড়তে হবে। সে অনুযায়ী নিজেই কিছু স্যাম্পল কাজ করতে হবে। গ্রুপে এবং ফোরামে পোস্ট দিয়ে কাজটা ঠিকমত হলো কিনা সেটা বোঝা যাবে। যখন সে স্পেসিফিকেশন বুঝে কাজ করা যাচ্ছে তখনই কেবল কাজে বিড করতে হবে, তার আগে নয়। কমপক্ষে সাড়ে চার মাসের একটি লিড টাইম হাতে নিয়ে যদি নামা যায় তাহলে ফ্রিল্রান্সার হওয়ার চেষ্টা না করাই ভাল। নিজের জন্যও এটি যেমন ভাল হবে, তেমনি দেশেরও।

[প্রিয় পাঠক, লেখাটি লিখেছেন বাংলাদেশ ওপেনসোর্স নেটওয়ার্ক বা বিডিওএসএন সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান। লেখাটি মাসিক তথ্যপ্রযুক্তি ম্যাগাজিন সিনিউজের মার্চ-২০১৩ সংখ্যায় প্রকাশিত। ডেভসটিম ইনস্টিটিউটের ফলোয়ারদের জন্য পেইজেও কনটেন্টটি প্রকাশ করা হল।]
Photo

Post has attachment
গতকাল আমরা শেয়ার করেছিলাম বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা ইল্যান্সে ২০১২ সালে কত টাকা আয় করেছিল। আজ শেয়ার করলাম বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা এই মার্কেটপ্লেসটিতে কি নিয়ে কাজ করেন।

প্রিয় ফ্রিল্যান্সার ভাই: আপনি কোন ক্যাটেগরির কাজ করেন? জানাবেন কি?

# আর হ্যাঁ, পোস্টটি শেয়ার করে বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না কিন্তু!
Photo

Post has attachment
আগামী ১৭ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে প্রফেশনাল ইমেইল মার্কেটিং প্রশিক্ষণ। মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণে ক্লাশ হবে সপ্তাহে দুদিন। প্রতি রবি ও সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত। প্রশিক্ষণ ফি ৮ হাজার টাকা।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ইমেইল মার্কেটিংয়ে কাজের ক্ষেত্র অফুরন্ত! ইতিমধ্যে আমাদের পেইজে ইমেইল মার্কেটিংয়ে সফল শিক্ষার্থীদের গল্প হয়ত দেখেছেন। সফলদের সারিতে দাড়াতে চাইলে এক্ষুনি সিদ্ধান্ত নিন! আসন সংখ্যা সীমিত, আগ্রহীরা আমাদের অফিসে এসে ভর্তি হতে পারবেন!!

কোনো প্রশ্ন থাকলে: ০২-৯৬৬২৬৪৪, ০১৭১১-২৬৭৯১১
Photo

Post has attachment
ডেভসটিম ইনস্টিটিউট এবং ইল্যান্সের মধ্যকার সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইল্যান্সে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সারদের অবস্থান সম্পর্কিত তথ্যাদি তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩৩,০০০ ফ্রিল্যান্সার আছে যারা ইল্যান্সে নিবন্ধিত। ২০১২ তে ইল্যান্স.কম-এ প্রায় ১১ হাজার কাজে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা নিয়োগ পেয়েছেন, যা তার আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

বিভিন্ন কাজে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আয় নিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন সাইদুর মামুন খান। তিনি বলেন, সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা ইল্যান্স থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৬ কোটি টাকা) উপার্জন করেছেন।

২০১২ সালে যে কাজগুলোতে বাংলাদেশ থেকে সর্বোচ্চ আয় হয়েছে, সেগুলো হলো:

- পিএইচপি: ৫,৬০,০০০ ডলার
- এইচটিএমএল: ৩,৩০,০০০ ডলার
- মাইএসকিউএল: ২,৭৫,০০০ ডলার
- ওয়ার্ডপ্রেস: ২,৬৬,০০০ ডলার
- সিএসএস: ২,৬৩,০০০ ডলার
- ফটোশপ: ১,৪২,০০০ ডলার
- ডাটা এন্ট্রি: ১,০০,০০০ ডলার
- এন্ড্রয়েড: ৯৫,০০০ ডলার
- গ্রাফিক ডিজাইন: ৯১,০০০ ডলার
- ইন্টারনেট মার্কেটিং: ৮৭,০০০ ডলার

বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের আয়ের যে ব্যাপারটি মুখ্য থাকে, তা হলো ঘণ্টাপ্রতি আয়ের পরিমাণ।

বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের ইল্যান্সে ঘণ্টাপ্রতি গড় আয় প্রায় ৮ ডলার।

বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সারদের এ পরিসংখ্যানটি শেয়ার করে জানিয়ে দিন আপনার বন্ধুদের। :-)
Photo
Wait while more posts are being loaded