Profile

Cover photo
Ahmed Jalal
Worked at www.sheershanews.com
Attends Bangladesh University of Engineering and Technology
Lived in Bangladesh
871 followers|301,841 views
AboutPostsPhotosVideos

Stream

Ahmed Jalal

Shared publicly  - 
 
 
জাতীয় কাউন্সিলের আগে
.................
যেকোনো মুহুর্তে বরিশাল মহানগরের কমিটি
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল ঘিরে সারাদেশে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। আ’লীগের সবক’টি সাংগঠনিক কমিটি থেকে কাউন্সিলে যোগদান করার ব্যাপক প্রস্তুতিও চলছে। বরিশালেও এরকম পরিস্থিতি বিরাজমান। বিশেষ করে বরিশাল মহানগর আ’লীগ থেকে সম্মেলনে যোগদানের সকল ধরণের প্রস্তুতি হাতে নেয়া হয়েছে। সাংগঠনিকপন্থায় সুষ্ঠু সুন্দরভাবে কাউন্সিলে যোগদান ও সফলের চলছে প্রস্তুতি। শনিবার দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশকে বরিশাল মহানগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড.আফজালুল করিম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ২৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার কথা ছিলো পরে দিনক্ষণ পরিবর্তন করেছেন। বলেন,জননেত্রী ৩০ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবেন। দেশে ফেরার পর নেত্রীকে সর্বস্তরের জনগণ সংবর্ধনা দিবেন। জাতীয় কাউন্সিলের আগে যেকোনো মুহুর্তে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করবেন নেত্রী এরকম আশাবাদ ব্যক্ত করে এখানকার আওয়ামী রাজনীতির ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত একসময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা এ্যাড.আফজালুল করিম বলেন, নেত্রী শুধু বরিশাল নয় সমগ্র বাংলাদেশের রাজনীতির খোঁজ খবর রাখেন। সুতরাং যারা দলের দুর্দিনে শক্তভাবে রাজপথে জীবনবাজী রেখে লড়াই সংগ্রাম করেছিলো, যাদের এখানকার আওয়ামী রাজনীতিতে ত্যাগ আছে তারাই মূল্যায়িত হবেন। কিন্তু যারা উড়ে এসে জুড়ে বসার চেষ্টা করছেন,এটা রাজনীতির জন্য শুভ নয়। কারণ দলের ম্যানুফেস্টুর বাইরে কোনো রাজনীতি হতে পারে না, দল চলবে সাংগঠনিকপন্থায়। আর সাংগঠনিকপন্থায় মহানগর আ’লীগের রাজনীতি বিরাজমান থাকায় দল গতিশীল হচ্ছে। বরিশাল আ’লীগ রাজনীতির বলিষ্ট কন্ঠস্বর ও ত্যাগী এই নেতা বলেন, অসাংগঠনিকপন্থায় কখনো দলের সাংগঠনিক ভীত শক্তিশালী হয় না, বরংচ তা দলের জন্য মারাত্নক ক্ষতিকর বা হুমকিস্বরূপ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, যারা রাজনীতি করেন,যারা রাজনীতিক,যারা যোগ্য,ত্যাগী তারাই বরিশাল মহানগরের শীর্ষ পদে আসীন হবেন। দলের জন্য নিবেদিত ও সাংগঠনিক নেতা হিসেবে পরিচিত মহানগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে। দেশে মেঘা মেঘা প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এজন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এদেশের গণমানুষ উন্নয়নের নেত্রী হিসেবে ভূষিত করেছেন। দেশ পরিচালনায় দেশ বিদেশে প্রশংসিত হচ্ছেন জননেত্রী। তাঁর সুযোগ্য ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ’র সুনাম বেড়েছে। বলাবাহুল্য, ২০১৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর দলের সম্মেলনে অ্যাড. শওকত হোসেন হিরণ সভাপতি ও অ্যাড.আফজালুল করিমকে সাধারণ সম্পাদক করে বরিশাল মহানগর আ’লীগের কমিটি গঠণ করা হয়। ২০১৪ সালের ৯ এপ্রিল অ্যাড.শওকত হোসেন হিরণ না ফেরার দেশে চলে যান। প্রয়াত নেতা হিরণের অকাল প্রয়ানে প্রথমে দল কিছুটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে ধাবিত হচ্ছিল। এরইমধ্যে মহানগরের রাজনীতিতে নিবেদিত,রাজনীতিক,ত্যাগী ও সাংগঠনিক নেতাকর্মীরা দলকে গতিশীল করার চলমান প্রক্রিয়া ধরে রাখতে সক্ষম হন। দলের এসব সাংগঠনিক নেতাকর্মীদের আশাবাদ দলে কোনো ধরণের বিভাজন নেই, এখানে আ’লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সমন্বয়ক কমিটিও গঠনও করা হয়েছে। গতিশীল’র দিকে হেঁটে চলছে বরিশাল মহানগরের রাজনীতি এরকমই মন্তব্য একাধিক ত্যাগী নেতাকর্মীর। প্রসঙ্গত : আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হবে দলের জাতীয় কাউন্সিল। এরআগে ১০ ও ১১ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছিল।এখানে উল্লেখ্য যে জাতীয় কাউন্সিলের আগে যদি কোনো কারণবশত কমিটি গঠন না হয় সেক্ষেত্রে এডহক কমিটি গঠনের নিয়ম রয়েছে।
 ·  Translate
View original post
1
Add a comment...

Ahmed Jalal

Shared publicly  - 
 
বরিশালে ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার কোথায়? .............................
http://www.beshto.com/contentid/770412
বরিশাল আন্ডারওয়ার্ল্ডের ত্রাস শ্রমিক নেতা মশিউর রহমান কামাল সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল নিখোঁজ রহস্যে তিমিরেই ঢাকা পড়ে আছে। কেউ বলছেন, তিনি দেশের বাইরে ভারত কিংবা অন্য দেশে নিরাপদ আশ্রয়ে আছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ নিয়েও তার কোনো সন্ধান মিলেনি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বরিশাল অপরাধ জগতে অস্ত্র ব্যবসা এবং ভাড়ায় অস্ত্র সরবরাহসহ বড় ধরণের কিলিং মিশনে ডাক পড়তো ফাঁসি কামালের। তার অস্ত্র ভাণ্ডার বরিশাল নগরীসহ জেলা ও বিভাগের বিভিন্নস্থানে সরবরাহ হতো। বিশেষ করে ২০০৮ সালের পর ফের বেপরোয়া জীবনযাপন শুরু করে আসছিলো সে। নগরীর অন্ধকার জগতের নথুল্লাবাদ বাসস্টান্ড,বিএম কলেজ, কাশিপুর,বৈদ্যপাড়া এলাকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতো। যেন আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন। তার গড়ে ওঠা বাহিনীর অস্ত্র আর গোলা বারুদের কারণে বরিশাল নগরীতে প্রবেশ করতে পারছিলেন না বরিশাল মহানগর শ্রমিকলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মো: আফতাব হোসেন মিয়া। নগরীর প্রবেশদ্বার গড়িয়ারপাড়ে অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত ফাঁসি কামাল বাহিনীর তাণ্ডবে তাজ্জব বনে যান সচেতন মহল। পুলিশ দণ্ডায়মান থাকাবস্থায়ও অস্ত্রধারী ফাঁসি কামাল বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ মিশনে যুদ্ধাংদেহী পরিবেশে তৎকালীন সময়ে শ্রমিক নেতা আফতাব হোসেন রাজধানীতে ফিরে যেতে বাধ্য হয়ে ছিলেন। যাইহোক মহল বিশেষের প্রশ্ন অপরাধ জগত কাঁপানো ত্রাস কামাল ওরফে ফাঁসি কামাল নিখোঁজ থাকলেও দীর্ঘ সময়ে তার অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। কোথায় রক্ষিত আছে নানা ধরণের ছোট বড় মাঝারি সাইজের আগ্নেয়াস্ত্রসহ গোলাবারুদ। কার নিয়ন্ত্রণে সেসব অস্ত্রভাণ্ডার এরকম প্রশ্ন অভিজ্ঞমহলে ঘুরে ফিরে আসছে। যতদূর জানা যায়, মশিউর রহমান কামাল হোসেন সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল’র সঙ্গে গভীর সখ্যতা ছিলো বেশ কয়েক জনের। এরমধ্যে অন্যতম বিএম কলেজ ছাত্রলীগের ক্যাডার হিসেবে পরিচিত নানাবিধ অন্যায় অপকর্মের ফিরিস্তি রচনাকারী মঈন তুষারের সঙ্গে। বিএম কলেজে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অস্ত্র ভাণ্ডারের যোগান দিতো এই ফাঁসি কামাল। এসব অস্ত্রের মহড়ায় মঈন তুষার শুধু বিএম কলেজ ক্যাম্পাস নয় গোটা নগরজুড়ে শুরু করেছিলো তাণ্ডবলীলা। চাঁদাবাজী,দখল সন্ত্রাস,ব্লাকমেইল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সবই করতো। জনশ্র“তি রয়েছে অস্ত্রের গরমেই সেদিন বিএম কলেজে আহুত ছাত্রলীগের একাংশের এক সমাবেশে মঈন তুষার দাম্ভিকতার সুরে বরিশাল আওয়ামী লীগের রাজনীতির অভিভাবক হিসেবে পরিচিত এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে নিয়ে কুরূচিপূর্ন বক্তব্য দিয়েছিলো। আর এতে আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম বিতর্কের ঝড় তুলেছিলো। গোটা বরিশাল আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে নিন্দা আর নিন্দা। পাশাপাশি তুষারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও তোলা হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে ভুল বক্তব্য দেয়ার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন তুষার। বরিশাল আওয়ামী লীগের অভিভাবকের ক্ষমা চেয়ে নিয়ে সে যাত্রায় রক্ষা পায়। এরপর আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে তুষার। এখানকার আওয়ামী লীগের অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর চড়াউ হয়। আধিপত্য বিস্তারে রক্তের হোলিখেলায় মত্ত। বেশ কয়েকজন যুবলীগ নেতাকর্মী এবং সাবেক ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের টার্গেট করে অস্ত্রের মহড়া চলে বেশ কিছুদিন। যেন হন্য হয়ে খুঁজছিলো টার্গেটকৃত নেতাদের। এদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এক সময়ের ছাত্রলীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগ’র প্রচার সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, ছাত্রলীগের সাবেক শীর্ষ পর্যায়ের নেতা তারিক বিন ইসলামসহ আরো বেশ কয়েকজন। এদের মধ্যে তারিক বিন ইসলামকে পেয়ে লাঞ্চিত করেছিলো তুষার বাহিনী। অপরাধ জগতে চষে বেড়াতো,দিনে দুপুরে মহড়ায় আতঙ্কিত ছিলো সাধারণ নারী পুরুষ। বিএম কলেজে’র পুরো ক্যাম্পাস যেন জিম্মিদশায় রেখেছিলো। তুষার ও তার সহযোগীরা অধ্যক্ষকে প্রকাশ্যে ক্যম্পাসে লাঞ্চিত করে পুরো দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়,ধিক্কার জানিয়েছিল কুলঙ্গার ছাত্র বলে । যতসব অন্যাঢ অপকর্মে অবৈধপন্থায় অগাধ বিত্ত বৈভবের মালিকও বনে যেতে সক্ষম হন তুষার। এখনও সে নিজে আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন জাহির করতে ভালোবাসেন। তার চারিপাশে রয়েছে অপরাধী চক্র। সংঘবদ্ধ কিলার চক্রও রয়েছে। নাশকতার আগুনের নাশকতাকারী দেশদ্রোহীরাও রয়েছে। এরমধ্যে একজন রয়েছেন বিএম কলেজ ছাত্রদল ক্যাডার সাইফুল ইসলাম শাহীন। তুষার এবং শাহীনের গভীর সখ্যতার বিশেষ একটি কারণ তা হলো অস্ত্র বিকিকিনি,ভাড়ায় চালিত আর দখল সন্ত্রাস। তাদের একটা আস্তানাও গড়ে ওঠেছে। প্রথমে আস্তানা ছিলো ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ্ব সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টুর বাসভবনে। সেখানে অপরাধী চক্রের আনাগোনায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে এলাকাবাসী। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে মিডিয়ার সাইনবোর্ডের আস্তানা খুলে সদর রোডে। অবশ্য জেলা প্রশাসন থেকে মঈন তুষার’র মিডিয়া সম্পর্কিত ৩২ পৃষ্ঠার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে তুষারের অপরাধ জগতের বিষয়গুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রতিবেদনে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, মঈন তুষার কখনো সাংবাদিকতা করেননি,তার পেশা ভিন্ন। এখানেই প্রশ্ন তিনি যদি সাংবাদিকতা না ই করে থাকেন তাহলে তিনি কিভাবে সম্পাদক বনে যান। বেশ সম্পাদক বনে গেলেন,তদন্ত প্রতিবেদনেও পরিস্কার হলো কিন্তু তারপরও কি উল্টো রথে? কিন্তু কেন? অপরাধীর মূলৎপাটনে কেন গড়িমসি? জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তো এই বাংলাদেশ’র রুপ রেখা বাস্তবায়ন করে পথ বেয়ে চলছেন না, তিনি সকল ধরণের নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাতে বলেছেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারাও তো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রুপকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকায় এগিয়ে চলছেন। যা বলতে চেয়েছিলাম, বরিশাল অপরাধ জগতের ভয়ঙ্কর ত্রাস কামাল হোসেন সরদার নিখোঁজ রয়েছেন কিন্তু তার অস্ত্র ভাণ্ডার এখন কার দখলে জনমনে এরকম নানা প্রশ্ন ধুমায়িত হচ্ছে। অনুসন্ধানী একটি সূত্র বলছে, ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার’র একটি অংশ মঈন তুষারের কাছে রক্ষিত আছে। এটা না হতে পারে,আবার হতেও পারে। কারণ কথিত রয়েছে তৎকালীন সময়ে ফাঁসি কামালের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রেখে অস্ত্র ভাণ্ডারের বড় একটি অংশ ব্যবহার করতো তুষার বাহিনী। এই ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। কার কার কাছে কোথায় কোথায় রক্ষিত আছে তার অস্ত্রভাণ্ডার। শান্তিপ্রিয় নারী পুরুষ বলছে, ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার করা না হলে অশুভ শক্তি পিছু ছাড়ছে না। প্রসঙ্গত : নগরীর বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা মশিউর রহমান কামাল সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল। ২০১৪ সালে নিখোঁজ হন বরিশাল জেলা টেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন ওরফে ফাঁসি কামাল। তার ব্যপারে গুঞ্জন আছে যে, তিনি ভারতে পালিয়ে আছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছে, ২০১৪ সালের গত ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়িক কাজে ময়মনসিংহ যাওয়ার পর বেলা ১২টার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর নিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায় নি। কামালের ছোট ভাই মোঃ জসিম উদ্দিন জানান, আত্মীয়স্বজনের বাসাসহ সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করেও কামালের সন্ধান পাওয়া যায়নি। নগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বৈদ্যপাড়া এলাকার মৃত: আলী আহম্মেদ মিয়ার ছেলে ৫ ছেলে ২ মেয়ের মধ্যে সবার বড় মশিউর রহমান কামাল। ২০০০ সালে নগরীর সিঅ্যান্ডবি সড়কে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হন। ওই হত্যা মামলার আসামি মশিউর রহমান কামালকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেয় নিন্ম আদালত। পরে উচ্চাদালতে থেকে তিনি বেকসুর খালাস পান। সেই থেকে তার নাম হয়ে যায় ফাঁসি কামাল। লেখক : নির্বাহী ও বার্তা প্রধান, দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশ।
 ·  Translate
বরিশাল আন্ডারওয়ার্ল্ডের ত্রাস শ্রমিক নেতা মশিউর রহমান কামাল সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল নিখোঁজ রহস্যে তিমিরেই ঢাকা পড়ে আছে। কেউ বলছেন, তিনি দেশের বাইরে ভারত কিংবা অন্য দেশে নিরাপদ আশ্রয়ে আছেন। পরিবারের...
1
1
Add a comment...

Ahmed Jalal

Shared publicly  - 
 
 
বরিশালে ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার কোথায়?
.............................
বরিশাল আন্ডারওয়ার্ল্ডের ত্রাস শ্রমিক নেতা মশিউর রহমান কামাল সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল নিখোঁজ রহস্যে তিমিরেি ঢাকা পড়ে আছে। কেউ বলছেন, তিনি দেশের বাইরে ভারত কিংবা অন্য দেশে নিরাপদ আশ্রয়ে আছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ নিয়েও তার কোনো সন্ধান মিলেনি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বরিশাল অপরাধ জগতে অস্ত্র ব্যবসা এবং ভাড়ায় অস্ত্র সরবরাহসহ বড় ধরণের কিলিং মিশনে ঢাক পড়তো ফাঁসি কামালের। তার অস্ত্র ভাণ্ডার বরিশাল নগরীসহ জেলা ও বিভাগের বিভিন্নস্থানে সরবরাহ হতো। বিশেষ করে ২০০৮ সালের পর ফের বেপরোয়া জীবনযাপন শুরু করে আসছিলো সে। নগরীর অন্ধকার জগতের নথুল্লাবাদ বাসস্টান্ড,বিএম কলেজ, কাশিপুর,বৈদ্যপাড়া এলাকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতো। যেন আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন। তার গড়ে ওঠা বাহিনীর অস্ত্র আর গোলা বারুদের কারণে বরিশাল নগরীতে প্রবেশ করতে পারছিলেন না বরিশাল মহানগর শ্রমিকলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মো: আফতাব হোসেন মিয়া। নগরীর প্রবেশদ্বার গড়িয়ারপাড়ে অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত ফাঁসি কামাল বাহিনীর তাণ্ডবে তাজ্জব বনে যান সচেতন মহল। পুলিশ দণ্ডায়মান থাকাবস্থায়ও অস্ত্রধারী ফাঁসি কামাল বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ মিশনে যুদ্ধাংদেহী পরিবেশে তৎকালীন সময়ে শ্রমিক নেতা আফতাব হোসেন রাজধানীতে ফিরে যেতে বাধ্য হয়ে ছিলেন। যাইহোক মহল বিশেষের প্রশ্ন অপরাধ জগত কাঁপানো ত্রাস কামাল ওরফে ফাঁসি কামাল নিখোঁজ থাকলেও দীর্ঘ সময়ে তার অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। কোথায় রক্ষিত আছে নানা ধরণের ছোট বড় মাঝারি সাইজের আগ্নেয়াস্ত্রসহ গোলাবারুদ। কার নিয়ন্ত্রণে সেসব অস্ত্রভাণ্ডার এরকম প্রশ্ন অভিজ্ঞমহলে ঘুরে ফিরে আসছে। যতদূর জানা যায়, মশিউর রহমান কামাল হোসেন সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল’র সঙ্গে গভীর সখ্যতা ছিলো বেশ কয়েক জনের। এরমধ্যে অন্যতম বিএম কলেজ ছাত্রলীগের ক্যাডার হিসেবে পরিচিত নানাবিধ অন্যায় অপকর্মের ফিরিস্তি রচনাকারী মঈন তুষারের সঙ্গে। বিএম কলেজে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অস্ত্র ভাণ্ডারের যোগান দিতো এই ফাঁসি কামাল। এসব অস্ত্রের মহড়ায় মঈন তুষার শুধু বিএম কলেজ ক্যাম্পাস নয় গোটা নগরজুড়ে শুরু করেছিলো তাণ্ডবলীলা। চাঁদাবাজী,দখল সন্ত্রাস,ব্লাকমেইল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সবই করতো। জনশ্র“তি রয়েছে অস্ত্রের গরমেই সেদিন বিএম কলেজে আহুত ছাত্রলীগের একাংশের এক সমাবেশে মঈন তুষার দাম্ভিকতার সুরে বরিশাল আওয়ামী লীগের রাজনীতির অভিভাবক হিসেবে পরিচিত এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে নিয়ে কুরূচিপূর্ন বক্তব্য দিয়েছিলো। আর এতে আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম বিতর্কের ঝড় তুলেছিলো। গোটা বরিশাল আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে নিন্দা আর নিন্দা। পাশাপাশি তুষারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও তোলা হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে ভুল বক্তব্য দেয়ার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন তুষার। বরিশাল আওয়ামী লীগের অভিভাবকের ক্ষমা চেয়ে নিয়ে সে যাত্রায় রক্ষা পায়। এরপর আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে তুষার। এখানকার আওয়ামী লীগের অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর চড়াউ হয়। আধিপত্য বিস্তারে রক্তের হোলিখেলায় মত্ত। বেশ কয়েকজন যুবলীগ নেতাকর্মী এবং সাবেক ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের টার্গেট করে অস্ত্রের মহড়া চলে বেশ কিছুদিন। যেন হন্য হয়ে খুঁজছিলো টার্গেটকৃত নেতাদের। এদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এক সময়ের ছাত্রলীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগ’র প্রচার সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, ছাত্রলীগের সাবেক শীর্ষ পর্যায়ের নেতা তারিক বিন ইসলামসহ আরো বেশ কয়েকজন। এদের মধ্যে তারিক বিন ইসলামকে পেয়ে লাঞ্চিত করেছিলো তুষার বাহিনী। অপরাধ জগতে চষে বেড়াতো,দিনে দুপুরে মহড়ায় আতঙ্কিত ছিলো সাধারণ নারী পুরুষ। বিএম কলেজে’র পুরো ক্যাম্পাস যেন জিম্মিদশায় রেখেছিলো। তুষার ও তার সহযোগীরা অধ্যক্ষকে প্রকাশ্যে ক্যম্পাসে লাঞ্চিত করে পুরো দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়,ধিক্কার জানিয়েছিল কুলঙ্গার ছাত্র বলে । যতসব অন্যাঢ অপকর্মে অবৈধপন্থায় অগাধ বিত্ত বৈভবের মালিকও বনে যেতে সক্ষম হন তুষার। এখনও সে নিজে আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন জাহির করতে ভালোবাসেন। তার চারিপাশে রয়েছে অপরাধী চক্র। সংঘবদ্ধ কিলার চক্রও রয়েছে। নাশকতার আগুনের নাশকতাকারী দেশদ্রোহীরাও রয়েছে। এরমধ্যে একজন রয়েছেন বিএম কলেজ ছাত্রদল ক্যাডার সাইফুল ইসলাম শাহীন। তুষার এবং শাহীনের গভীর সখ্যতার বিশেষ একটি কারণ তা হলো অস্ত্র বিকিকিনি,ভাড়ায় চালিত আর দখল সন্ত্রাস। তাদের একটা আস্তানাও গড়ে ওঠেছে। প্রথমে আস্তানা ছিলো ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ্ব সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টুর বাসভবনে। সেখানে অপরাধী চক্রের আনাগোনায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে এলাকাবাসী। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে মিডিয়ার সাইনবোর্ডের আস্তানা খুলে সদর রোডে। অবশ্য জেলা প্রশাসন থেকে মঈন তুষার’র মিডিয়া সম্পর্কিত ৩২ পৃষ্ঠার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে তুষারের অপরাধ জগতের বিষয়গুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রতিবেদনে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, মঈন তুষার কখনো সাংবাদিকতা করেননি,তার পেশা ভিন্ন। এখানেই প্রশ্ন তিনি যদি সাংবাদিকতা না ই করে থাকেন তাহলে তিনি কিভাবে সম্পাদক বনে যান। বেশ সম্পাদক বনে গেলেন,তদন্ত প্রতিবেদনেও পরিস্কার হলো কিন্তু তারপরও কি উল্টো রথে? কিন্তু কেন? অপরাধীর মূলৎপাটনে কেন গড়িমসি? জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তো এই বাংলাদেশ’র রুপ রেখা বাস্তবায়ন করে পথ বেয়ে চলছেন না, তিনি সকল ধরণের নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাতে বলেছেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারাও তো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রুপকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকায় এগিয়ে চলছেন। যা বলতে চেয়েছিলাম, বরিশাল অপরাধ জগতের ভয়ঙ্কর ত্রাস কামাল হোসেন সরদার নিখোঁজ রয়েছেন কিন্তু তার অস্ত্র ভাণ্ডার এখন কার দখলে জনমনে এরকম নানা প্রশ্ন ধুমায়িত হচ্ছে। অনুসন্ধানী একটি সূত্র বলছে, ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার’র একটি অংশ মঈন তুষারের কাছে রক্ষিত আছে। এটা না হতে পারে,আবার হতেও পারে। কারণ কথিত রয়েছে তৎকালীন সময়ে ফাঁসি কামালের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রেখে অস্ত্র ভাণ্ডারের বড় একটি অংশ ব্যবহার করতো তুষার বাহিনী। এই কামাল হোসেন সরদার ও ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। কার কার কাছে কোথায় কোথায় রক্ষিত আছে তার অস্ত্রভাণ্ডার। শান্তিপ্রিয় নারী পুরুষ বলছে, ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার করা না হলে অশুভ শক্তি পিছু ছাড়ছে না। প্রসঙ্গত : নগরীর বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা মশিউর রহমান কামাল সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল। ২০১৪ সালে নিখোঁজ হন বরিশাল জেলা টেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন ওরফে ফাঁসি কামাল। তার ব্যপারে গুঞ্জন আছে যে, তিনি ভারতে পালিয়ে আছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছে, ২০১৪ সালের গত ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়িক কাজে ময়মনসিংহ যাওয়ার পর বেলা ১২টার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর নিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায় নি। কামালের ছোট ভাই মোঃ জসিম উদ্দিন জানান, আত্মীয়স্বজনের বাসাসহ সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করেও কামালের সন্ধান পাওয়া যায়নি। নগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বৈদ্যপাড়া এলাকার মৃত: আলী আহম্মেদ মিয়ার ছেলে ৫ ছেলে ২ মেয়ের মধ্যে সবার বড় মশিউর রহমান কামাল। ২০০০ সালে নগরীর সিঅ্যান্ডবি সড়কে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হন। ওই হত্যা মামলার আসামি মশিউর রহমান কামালকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেয় নিন্ম আদালত। পরে উচ্চাদালতে থেকে তিনি বেকসুর খালাস পান। সেই থেকে তার নাম হয়ে যায় ফাঁসি কামাল। লেখক : নির্বাহী ও বার্তা প্রধান, দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশ।
 ·  Translate
View original post
1
Add a comment...

Ahmed Jalal

Shared publicly  - 
 
বরিশালে ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার কোথায়?
.............................
বরিশাল আন্ডারওয়ার্ল্ডের ত্রাস শ্রমিক নেতা মশিউর রহমান কামাল সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল নিখোঁজ রহস্যে তিমিরেি ঢাকা পড়ে আছে। কেউ বলছেন, তিনি দেশের বাইরে ভারত কিংবা অন্য দেশে নিরাপদ আশ্রয়ে আছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ নিয়েও তার কোনো সন্ধান মিলেনি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বরিশাল অপরাধ জগতে অস্ত্র ব্যবসা এবং ভাড়ায় অস্ত্র সরবরাহসহ বড় ধরণের কিলিং মিশনে ঢাক পড়তো ফাঁসি কামালের। তার অস্ত্র ভাণ্ডার বরিশাল নগরীসহ জেলা ও বিভাগের বিভিন্নস্থানে সরবরাহ হতো। বিশেষ করে ২০০৮ সালের পর ফের বেপরোয়া জীবনযাপন শুরু করে আসছিলো সে। নগরীর অন্ধকার জগতের নথুল্লাবাদ বাসস্টান্ড,বিএম কলেজ, কাশিপুর,বৈদ্যপাড়া এলাকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতো। যেন আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন। তার গড়ে ওঠা বাহিনীর অস্ত্র আর গোলা বারুদের কারণে বরিশাল নগরীতে প্রবেশ করতে পারছিলেন না বরিশাল মহানগর শ্রমিকলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মো: আফতাব হোসেন মিয়া। নগরীর প্রবেশদ্বার গড়িয়ারপাড়ে অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত ফাঁসি কামাল বাহিনীর তাণ্ডবে তাজ্জব বনে যান সচেতন মহল। পুলিশ দণ্ডায়মান থাকাবস্থায়ও অস্ত্রধারী ফাঁসি কামাল বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ মিশনে যুদ্ধাংদেহী পরিবেশে তৎকালীন সময়ে শ্রমিক নেতা আফতাব হোসেন রাজধানীতে ফিরে যেতে বাধ্য হয়ে ছিলেন। যাইহোক মহল বিশেষের প্রশ্ন অপরাধ জগত কাঁপানো ত্রাস কামাল ওরফে ফাঁসি কামাল নিখোঁজ থাকলেও দীর্ঘ সময়ে তার অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। কোথায় রক্ষিত আছে নানা ধরণের ছোট বড় মাঝারি সাইজের আগ্নেয়াস্ত্রসহ গোলাবারুদ। কার নিয়ন্ত্রণে সেসব অস্ত্রভাণ্ডার এরকম প্রশ্ন অভিজ্ঞমহলে ঘুরে ফিরে আসছে। যতদূর জানা যায়, মশিউর রহমান কামাল হোসেন সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল’র সঙ্গে গভীর সখ্যতা ছিলো বেশ কয়েক জনের। এরমধ্যে অন্যতম বিএম কলেজ ছাত্রলীগের ক্যাডার হিসেবে পরিচিত নানাবিধ অন্যায় অপকর্মের ফিরিস্তি রচনাকারী মঈন তুষারের সঙ্গে। বিএম কলেজে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অস্ত্র ভাণ্ডারের যোগান দিতো এই ফাঁসি কামাল। এসব অস্ত্রের মহড়ায় মঈন তুষার শুধু বিএম কলেজ ক্যাম্পাস নয় গোটা নগরজুড়ে শুরু করেছিলো তাণ্ডবলীলা। চাঁদাবাজী,দখল সন্ত্রাস,ব্লাকমেইল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সবই করতো। জনশ্র“তি রয়েছে অস্ত্রের গরমেই সেদিন বিএম কলেজে আহুত ছাত্রলীগের একাংশের এক সমাবেশে মঈন তুষার দাম্ভিকতার সুরে বরিশাল আওয়ামী লীগের রাজনীতির অভিভাবক হিসেবে পরিচিত এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে নিয়ে কুরূচিপূর্ন বক্তব্য দিয়েছিলো। আর এতে আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম বিতর্কের ঝড় তুলেছিলো। গোটা বরিশাল আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে নিন্দা আর নিন্দা। পাশাপাশি তুষারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও তোলা হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে ভুল বক্তব্য দেয়ার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন তুষার। বরিশাল আওয়ামী লীগের অভিভাবকের ক্ষমা চেয়ে নিয়ে সে যাত্রায় রক্ষা পায়। এরপর আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে তুষার। এখানকার আওয়ামী লীগের অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর চড়াউ হয়। আধিপত্য বিস্তারে রক্তের হোলিখেলায় মত্ত। বেশ কয়েকজন যুবলীগ নেতাকর্মী এবং সাবেক ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের টার্গেট করে অস্ত্রের মহড়া চলে বেশ কিছুদিন। যেন হন্য হয়ে খুঁজছিলো টার্গেটকৃত নেতাদের। এদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এক সময়ের ছাত্রলীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগ’র প্রচার সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, ছাত্রলীগের সাবেক শীর্ষ পর্যায়ের নেতা তারিক বিন ইসলামসহ আরো বেশ কয়েকজন। এদের মধ্যে তারিক বিন ইসলামকে পেয়ে লাঞ্চিত করেছিলো তুষার বাহিনী। অপরাধ জগতে চষে বেড়াতো,দিনে দুপুরে মহড়ায় আতঙ্কিত ছিলো সাধারণ নারী পুরুষ। বিএম কলেজে’র পুরো ক্যাম্পাস যেন জিম্মিদশায় রেখেছিলো। তুষার ও তার সহযোগীরা অধ্যক্ষকে প্রকাশ্যে ক্যম্পাসে লাঞ্চিত করে পুরো দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়,ধিক্কার জানিয়েছিল কুলঙ্গার ছাত্র বলে । যতসব অন্যাঢ অপকর্মে অবৈধপন্থায় অগাধ বিত্ত বৈভবের মালিকও বনে যেতে সক্ষম হন তুষার। এখনও সে নিজে আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন জাহির করতে ভালোবাসেন। তার চারিপাশে রয়েছে অপরাধী চক্র। সংঘবদ্ধ কিলার চক্রও রয়েছে। নাশকতার আগুনের নাশকতাকারী দেশদ্রোহীরাও রয়েছে। এরমধ্যে একজন রয়েছেন বিএম কলেজ ছাত্রদল ক্যাডার সাইফুল ইসলাম শাহীন। তুষার এবং শাহীনের গভীর সখ্যতার বিশেষ একটি কারণ তা হলো অস্ত্র বিকিকিনি,ভাড়ায় চালিত আর দখল সন্ত্রাস। তাদের একটা আস্তানাও গড়ে ওঠেছে। প্রথমে আস্তানা ছিলো ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ্ব সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টুর বাসভবনে। সেখানে অপরাধী চক্রের আনাগোনায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে এলাকাবাসী। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে মিডিয়ার সাইনবোর্ডের আস্তানা খুলে সদর রোডে। অবশ্য জেলা প্রশাসন থেকে মঈন তুষার’র মিডিয়া সম্পর্কিত ৩২ পৃষ্ঠার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে তুষারের অপরাধ জগতের বিষয়গুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রতিবেদনে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, মঈন তুষার কখনো সাংবাদিকতা করেননি,তার পেশা ভিন্ন। এখানেই প্রশ্ন তিনি যদি সাংবাদিকতা না ই করে থাকেন তাহলে তিনি কিভাবে সম্পাদক বনে যান। বেশ সম্পাদক বনে গেলেন,তদন্ত প্রতিবেদনেও পরিস্কার হলো কিন্তু তারপরও কি উল্টো রথে? কিন্তু কেন? অপরাধীর মূলৎপাটনে কেন গড়িমসি? জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তো এই বাংলাদেশ’র রুপ রেখা বাস্তবায়ন করে পথ বেয়ে চলছেন না, তিনি সকল ধরণের নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাতে বলেছেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারাও তো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রুপকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকায় এগিয়ে চলছেন। যা বলতে চেয়েছিলাম, বরিশাল অপরাধ জগতের ভয়ঙ্কর ত্রাস কামাল হোসেন সরদার নিখোঁজ রয়েছেন কিন্তু তার অস্ত্র ভাণ্ডার এখন কার দখলে জনমনে এরকম নানা প্রশ্ন ধুমায়িত হচ্ছে। অনুসন্ধানী একটি সূত্র বলছে, ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার’র একটি অংশ মঈন তুষারের কাছে রক্ষিত আছে। এটা না হতে পারে,আবার হতেও পারে। কারণ কথিত রয়েছে তৎকালীন সময়ে ফাঁসি কামালের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রেখে অস্ত্র ভাণ্ডারের বড় একটি অংশ ব্যবহার করতো তুষার বাহিনী। এই কামাল হোসেন সরদার ও ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। কার কার কাছে কোথায় কোথায় রক্ষিত আছে তার অস্ত্রভাণ্ডার। শান্তিপ্রিয় নারী পুরুষ বলছে, ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার করা না হলে অশুভ শক্তি পিছু ছাড়ছে না। প্রসঙ্গত : নগরীর বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা মশিউর রহমান কামাল সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল। ২০১৪ সালে নিখোঁজ হন বরিশাল জেলা টেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন ওরফে ফাঁসি কামাল। তার ব্যপারে গুঞ্জন আছে যে, তিনি ভারতে পালিয়ে আছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছে, ২০১৪ সালের গত ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়িক কাজে ময়মনসিংহ যাওয়ার পর বেলা ১২টার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর নিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায় নি। কামালের ছোট ভাই মোঃ জসিম উদ্দিন জানান, আত্মীয়স্বজনের বাসাসহ সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করেও কামালের সন্ধান পাওয়া যায়নি। নগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বৈদ্যপাড়া এলাকার মৃত: আলী আহম্মেদ মিয়ার ছেলে ৫ ছেলে ২ মেয়ের মধ্যে সবার বড় মশিউর রহমান কামাল। ২০০০ সালে নগরীর সিঅ্যান্ডবি সড়কে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হন। ওই হত্যা মামলার আসামি মশিউর রহমান কামালকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেয় নিন্ম আদালত। পরে উচ্চাদালতে থেকে তিনি বেকসুর খালাস পান। সেই থেকে তার নাম হয়ে যায় ফাঁসি কামাল। লেখক : নির্বাহী ও বার্তা প্রধান, দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশ।
 ·  Translate
1
1
Add a comment...

Ahmed Jalal

Shared publicly  - 
 
ছাত্রদল ক্যাডার শাহীনের গোপন সন্ধি’র আস্তানা? ..................http://www.beshto.com/contentid/770044

বরিশাল বিএম কলেজ ছাত্রদল ক্যাডার হিসেবে পরিচিত সাইফুল ইসলাম শাহীন। চতুর এই শাহীনের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডসহ এন্তার অভিযোগ রয়েছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও প্রচণ্ড প্রতাপশালী হিসেবে নিজেকে জাহির করেন তিনি। নিজেকে রক্ষায় নানা ফন্দি ফিকিরে শেষ পর্যন্ত সাইনবোর্ডধারী একটি আস্তানায় আসন গেড়ে বসেন তিনি। নিজেকে প্রথম বরিশাল মিডিয়ার বহুল বিতর্কিত সাইনবোর্ডধারী একটি আস্তানায় অর্থ ও সমাঝোতার ভিত্তিতে স্থান করে নেয়। এরপর থেকে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে শাহীন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। মূলত: ছাত্রদল ক্যাডার শাহীনের সঙ্গে অন্ধকার জগতের ফিরিস্তি রচনা করে নিজেকে শুদ্ধি করতে মিডিয়ার রক্ষাকবজ হিসেবে বিএম কলেজে অধ্যক্ষকে লাঞ্চিতসহ বহুবিধ অপকর্মে দেশজুড়ে সমালোচিত এক ছাত্রলীগ ক্যাডারের সঙ্গে গোপন সন্ধিতে বুনিবনা হয়। প্রথমদিকে তাদের আস্তানা ছিলো ব্রাউন কম্পাউণ্ড রোডে বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ্ব সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টুর বাসভবনের একটি ফ্লাটে।। কিন্তু সেখানে ক্যাডার বাহিনীর আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলো। একপর্যায়ে স্থানীয় সচেতন মহলের চাপেরমুখেই ব্রাউন কম্পাউন্ডের আস্তানা গুটিয়ে নিয়ে অন্যত্র অবস্থান করে। সাইনবোর্ড মিডিয়া আর সবাই ধোয়া তুলশি পাতা হয়ে গেলেন। একইসঙ্গে অন্যায় অপকর্ম করে সহসাই পাড় পেয়ে যাওয়াও সম্ভব এরকম মনোভাবেই তাদের আস্তানায় বরিশাল নগরীর অন্ধকার জগতের নানা বিষয় নিয়ে গোপন আলোচনা চলে আসছে। ওই আস্তানায় বসেই নীল নকশা আঁকা হয়। ব্লাকমেইলের ফাঁদ,দখল সন্ত্রাস, কিলিং মিশন,অস্ত্র বিকিকিনিসহ নানাবিধ ছঁক একে বাস্তবায়নের পথ বেয়ে চলছে অশুভ শক্তি। কি বিস্ময়কর নানা অপকর্মের অনুঘটক ছাত্রলীগ ক্যাডার আর ছাত্রদল ক্যাডারের গোপন সন্ধি’র মিশন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও ত্রাসের রাম রাজত্ব চালাচ্ছে সাইফুল ইসলাম শাহীন। তিনি বসবাস করেন নগরীর ফিশারী রোডে। একটি সূত্র বলছে, শাহীনের বিরুদ্ধে রয়েছে সর্বহারা কানেকশন। অস্ত্রবিকিকিনি এবং ভাড়ায় অস্ত্র সরবরাহ’র অভিযোগ রয়েছে। আর এসব কাজ দুই ক্যাডার একাট্টা হয়ে করে আসার বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া যায় না। কারণ তাদের সন্ধির মিশনই অপতৎপতরা। বিগত সময়ে বিএম কলেজ ছাত্রলীগ ক্যাডারের অন্তহীন অপকর্মই তার প্রমাণ। যাইহোক অশুভ শক্তির সাইনবোর্ডের সঙ্গে একাট্টা হয়ে নিজের অন্ধরকারজগত আড়াল করতে এবং অপকর্মগুলো বহাল রাখতে মত্ত শাহীন ? জামায়াত শিবিরের সঙ্গেও তার সখ্যতা থাকাটা বিচিত্র কিছু না, অর্থাৎ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে যে সম্পূক্ত এটা স্পষ্ট। নাশকতাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সূত্র বলছে, , গত ১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নগরীর ফিশারী রোড এলাকায় অস্ত্রের মহড়া প্রদর্শন করে শাহীনের নেতৃত্বে বরিশাল ল’ কলেজের ছাত্র ওবায়দুল হক রাসেলকে কুপিয়ে জখম করেছে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। স্থানীয়রা বাচাঁতে এগিয়ে আসলে ’থ্রি-নট-থ্রি’ অস্ত্র দিয়ে ফায়ারিং করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে শাহীন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। এতে করে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় স্থানীয়দের মাঝে। এ বিষয়ে থানায় একটি মামলাও দায়ের হয়েছে। কিন্তু চতুর শাহীন চলেন ম্যানেজ প্রক্রিয়ায়। সঙ্গে আছে সাইনবোর্ড। পরিচয় দিয়ে ফাঁয়দা লুটেন তিনি নাকি মিডিয়ার মালিক। হতবাক! স্বাধের বরিশালে সংবাদ পত্রের ইতিহাসে এলাহীকাণ্ডে পরিণত। বিএমপির কয়েক অসাধু পুলিশদের সঙ্গে এই চক্রটির রয়েছে গভীর সখ্যতা। এরফলে বরিশাল নগরীতে গড়ে ওঠা এই অশুভ শক্তির অনেক অন্যায় অপকর্মই থাকে ধামাচাপা। কেউ প্রতিবাদ করলে উল্টো নির্যাতনের খড়গ নয়তবা নানা কারিশমায় ফাঁসিয়ে দেয়ার চক্রান্তে লিপ্ত। এরফলে প্রতিবাদের বাণীও নিরবে নিভৃত্তে কাঁদে। নগরীর শান্তি প্রিয় নারী পুরুষ ছাত্রদল ক্যাডার সাইফুল ইসলাম শাহীন ও তার সাঙ্গপাঙ্গ এবং তার সন্ধি মিশনের আস্তানায় অথাৎ অশুভ শক্তির বিষয়টিতে অভিজ্ঞমহল গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় আছেন। এজন্য অভিজ্ঞ ও সচেতন মহল একাট্টা অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে বরিশালে সরকারের দায়িত্বশীল শীর্ষ কর্মকর্তাদের হস্থক্ষেপ কামনা করেছন। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশু দৃষ্টি কামনা বলে মনে করছেন অভিজ্ঞমহল। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে তাঁদের ভাষ্য, এসব অশুভ শক্তি বার বার অন্যায় অপকর্ম করে কৌশলীপন্থায় ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় পাড় পেয়ে গিয়ে ফের আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে দেশবিরোধেী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকবে। এ কারণে এখনই সময় অশুভ শক্তির লাগাম টেনে ধরা।
 ·  Translate
বরিশাল বিএম কলেজ ছাত্রদল ক্যাডার হিসেবে পরিচিত সাইফুল ইসলাম শাহীন। চতুর এই শাহীনের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডসহ এন্তার অভিযোগ রয়েছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও প্রচণ্ড প্রতাপশালী হিসেবে নিজেকে...
1
Add a comment...

Ahmed Jalal

Shared publicly  - 
 
 
ছাত্রদল ক্যাডার শাহীনের
গোপন সন্ধি’র আস্তানা?
...................................
নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশাল বিএম কলেজ ছাত্রদল ক্যাডার হিসেবে পরিচিত সাইফুল ইসলাম শাহীন। চতুর এই শাহীনের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডসহ এন্তার অভিযোগ রয়েছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও প্রচণ্ড প্রতাপশালী হিসেবে নিজেকে জাহির করেন তিনি। নিজেকে রক্ষায় নানা ফন্দি ফিকিরে শেষ পর্যন্ত সাইনবোর্ডধারী একটি আস্তানায় আসন গেড়ে বসেন তিনি। নিজেকে প্রথম বরিশাল মিডিয়ার বহুল বিতর্কিত সাইনবোর্ডধারী একটি আস্তানায় অর্থ ও সমাঝোতার ভিত্তিতে স্থান করে নেয়। এরপর থেকে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে শাহীন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। মূলত: ছাত্রদল ক্যাডার শাহীনের সঙ্গে অন্ধকার জগতের ফিরিস্তি রচনা করে নিজেকে শুদ্ধি করতে মিডিয়ার রক্ষাকবজ হিসেবে বিএম কলেজে অধ্যক্ষকে লাঞ্চিতসহ বহুবিধ অপকর্মে দেশজুড়ে সমালোচিত এক ছাত্রলীগ ক্যাডারের সঙ্গে গোপন সন্ধিতে বুনিবনা হয়। প্রথমদিকে তাদের আস্তানা ছিলো ব্রাউন কম্পাউণ্ড রোডে বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ্ব সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টুর বাসভবনের একটি ফ্লাটে।। কিন্তু সেখানে ক্যাডার বাহিনীর আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলো। একপর্যায়ে স্থানীয় সচেতন মহলের চাপেরমুখেই ব্রাউন কম্পাউন্ডের আস্তানা গুটিয়ে নিয়ে অন্যত্র অবস্থান করে। সাইনবোর্ড মিডিয়া আর সবাই ধোয়া তুলশি পাতা হয়ে গেলেন। একইসঙ্গে অন্যায় অপকর্ম করে সহসাই পাড় পেয়ে যাওয়াও সম্ভব এরকম মনোভাবেই তাদের আস্তানায় বরিশাল নগরীর অন্ধকার জগতের নানা বিষয় নিয়ে গোপন আলোচনা চলে আসছে। ওই আস্তানায় বসেই নীল নকশা আঁকা হয়। ব্লাকমেইলের ফাঁদ,দখল সন্ত্রাস, কিলিং মিশন,অস্ত্র বিকিকিনিসহ নানাবিধ ছঁক একে বাস্তবায়নের পথ বেয়ে চলছে অশুভ শক্তি। কি বিস্ময়কর নানা অপকর্মের অনুঘটক ছাত্রলীগ ক্যাডার আর ছাত্রদল ক্যাডারের গোপন সন্ধি’র মিশন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও ত্রাসের রাম রাজত্ব চালাচ্ছে সাইফুল ইসলাম শাহীন। তিনি বসবাস করেন নগরীর ফিশারী রোডে। একটি সূত্র বলছে, শাহীনের বিরুদ্ধে রয়েছে সর্বহারা কানেকশন। অস্ত্রবিকিকিনি এবং ভাড়ায় অস্ত্র সরবরাহ’র অভিযোগ রয়েছে। আর এসব কাজ দুই ক্যাডার একাট্টা হয়ে করে আসার বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া যায় না। কারণ তাদের সন্ধির মিশনই অপতৎপতরা। বিগত সময়ে বিএম কলেজ ছাত্রলীগ ক্যাডারের অন্তহীন অপকর্মই তার প্রমাণ। যাইহোক অশুভ শক্তির সাইনবোর্ডের সঙ্গে একাট্টা হয়ে নিজের অন্ধরকারজগত আড়াল করতে এবং অপকর্মগুলো বহাল রাখতে মত্ত শাহীন ? জামায়াত শিবিরের সঙ্গেও তার সখ্যতা থাকাটা বিচিত্র কিছু না, অর্থাৎ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে যে সম্পূক্ত এটা স্পষ্ট। নাশকতাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সূত্র বলছে, , গত ১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নগরীর ফিশারী রোড এলাকায় অস্ত্রের মহড়া প্রদর্শন করে শাহীনের নেতৃত্বে বরিশাল ল’ কলেজের ছাত্র ওবায়দুল হক রাসেলকে কুপিয়ে জখম করেছে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। স্থানীয়রা বাচাঁতে এগিয়ে আসলে ’থ্রি-নট-থ্রি’ অস্ত্র দিয়ে ফায়ারিং করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে শাহীন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। এতে করে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় স্থানীয়দের মাঝে। এ বিষয়ে থানায় একটি মামলাও দায়ের হয়েছে। কিন্তু চতুর শাহীন চলেন ম্যানেজ প্রক্রিয়ায়। সঙ্গে আছে সাইনবোর্ড। পরিচয় দিয়ে ফাঁয়দা লুটেন তিনি নাকি মিডিয়ার মালিক। হতবাক! স্বাধের বরিশালে সংবাদ পত্রের ইতিহাসে এলাহীকাণ্ডে পরিণত। বিএমপির কয়েক অসাধু পুলিশদের সঙ্গে এই চক্রটির রয়েছে গভীর সখ্যতা। এরফলে বরিশাল নগরীতে গড়ে ওঠা এই অশুভ শক্তির অনেক অন্যায় অপকর্মই থাকে ধামাচাপা। কেউ প্রতিবাদ করলে উল্টো নির্যাতনের খড়গ নয়তবা নানা কারিশমায় ফাঁসিয়ে দেয়ার চক্রান্তে লিপ্ত। এরফলে প্রতিবাদের বাণীও নিরবে নিভৃত্তে কাঁদে। নগরীর শান্তি প্রিয় নারী পুরুষ ছাত্রদল ক্যাডার সাইফুল ইসলাম শাহীন ও তার সাঙ্গপাঙ্গ এবং তার সন্ধি মিশনের আস্তানায় অথাৎ অশুভ শক্তির বিষয়টিতে অভিজ্ঞমহল গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় আছেন। এজন্য অভিজ্ঞ ও সচেতন মহল একাট্টা অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে বরিশালে সরকারের দায়িত্বশীল শীর্ষ কর্মকর্তাদের হস্থক্ষেপ কামনা করেছন। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশু দৃষ্টি কামনা বলে মনে করছেন অভিজ্ঞমহল। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে তাঁদের ভাষ্য, এসব অশুভ শক্তি বার বার অন্যায় অপকর্ম করে কৌশলীপন্থায় ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় পাড় পেয়ে গিয়ে ফের আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে দেশবিরোধেী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকবে। এ কারণে এখনই সময় অশুভ শক্তির লাগাম টেনে ধরা।
 ·  Translate
View original post
1
Add a comment...

Ahmed Jalal

Shared publicly  - 
 
জাতীয় কাউন্সিলের আগে
.................
যেকোনো মুহুর্তে বরিশাল মহানগরের কমিটি
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল ঘিরে সারাদেশে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। আ’লীগের সবক’টি সাংগঠনিক কমিটি থেকে কাউন্সিলে যোগদান করার ব্যাপক প্রস্তুতিও চলছে। বরিশালেও এরকম পরিস্থিতি বিরাজমান। বিশেষ করে বরিশাল মহানগর আ’লীগ থেকে সম্মেলনে যোগদানের সকল ধরণের প্রস্তুতি হাতে নেয়া হয়েছে। সাংগঠনিকপন্থায় সুষ্ঠু সুন্দরভাবে কাউন্সিলে যোগদান ও সফলের চলছে প্রস্তুতি। শনিবার দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশকে বরিশাল মহানগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড.আফজালুল করিম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ২৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার কথা ছিলো পরে দিনক্ষণ পরিবর্তন করেছেন। বলেন,জননেত্রী ৩০ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবেন। দেশে ফেরার পর নেত্রীকে সর্বস্তরের জনগণ সংবর্ধনা দিবেন। জাতীয় কাউন্সিলের আগে যেকোনো মুহুর্তে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করবেন নেত্রী এরকম আশাবাদ ব্যক্ত করে এখানকার আওয়ামী রাজনীতির ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত একসময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা এ্যাড.আফজালুল করিম বলেন, নেত্রী শুধু বরিশাল নয় সমগ্র বাংলাদেশের রাজনীতির খোঁজ খবর রাখেন। সুতরাং যারা দলের দুর্দিনে শক্তভাবে রাজপথে জীবনবাজী রেখে লড়াই সংগ্রাম করেছিলো, যাদের এখানকার আওয়ামী রাজনীতিতে ত্যাগ আছে তারাই মূল্যায়িত হবেন। কিন্তু যারা উড়ে এসে জুড়ে বসার চেষ্টা করছেন,এটা রাজনীতির জন্য শুভ নয়। কারণ দলের ম্যানুফেস্টুর বাইরে কোনো রাজনীতি হতে পারে না, দল চলবে সাংগঠনিকপন্থায়। আর সাংগঠনিকপন্থায় মহানগর আ’লীগের রাজনীতি বিরাজমান থাকায় দল গতিশীল হচ্ছে। বরিশাল আ’লীগ রাজনীতির বলিষ্ট কন্ঠস্বর ও ত্যাগী এই নেতা বলেন, অসাংগঠনিকপন্থায় কখনো দলের সাংগঠনিক ভীত শক্তিশালী হয় না, বরংচ তা দলের জন্য মারাত্নক ক্ষতিকর বা হুমকিস্বরূপ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, যারা রাজনীতি করেন,যারা রাজনীতিক,যারা যোগ্য,ত্যাগী তারাই বরিশাল মহানগরের শীর্ষ পদে আসীন হবেন। দলের জন্য নিবেদিত ও সাংগঠনিক নেতা হিসেবে পরিচিত মহানগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে। দেশে মেঘা মেঘা প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এজন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এদেশের গণমানুষ উন্নয়নের নেত্রী হিসেবে ভূষিত করেছেন। দেশ পরিচালনায় দেশ বিদেশে প্রশংসিত হচ্ছেন জননেত্রী। তাঁর সুযোগ্য ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ’র সুনাম বেড়েছে। বলাবাহুল্য, ২০১৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর দলের সম্মেলনে অ্যাড. শওকত হোসেন হিরণ সভাপতি ও অ্যাড.আফজালুল করিমকে সাধারণ সম্পাদক করে বরিশাল মহানগর আ’লীগের কমিটি গঠণ করা হয়। ২০১৪ সালের ৯ এপ্রিল অ্যাড.শওকত হোসেন হিরণ না ফেরার দেশে চলে যান। প্রয়াত নেতা হিরণের অকাল প্রয়ানে প্রথমে দল কিছুটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে ধাবিত হচ্ছিল। এরইমধ্যে মহানগরের রাজনীতিতে নিবেদিত,রাজনীতিক,ত্যাগী ও সাংগঠনিক নেতাকর্মীরা দলকে গতিশীল করার চলমান প্রক্রিয়া ধরে রাখতে সক্ষম হন। দলের এসব সাংগঠনিক নেতাকর্মীদের আশাবাদ দলে কোনো ধরণের বিভাজন নেই, এখানে আ’লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সমন্বয়ক কমিটিও গঠনও করা হয়েছে। গতিশীল’র দিকে হেঁটে চলছে বরিশাল মহানগরের রাজনীতি এরকমই মন্তব্য একাধিক ত্যাগী নেতাকর্মীর। প্রসঙ্গত : আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হবে দলের জাতীয় কাউন্সিল। এরআগে ১০ ও ১১ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছিল।এখানে উল্লেখ্য যে জাতীয় কাউন্সিলের আগে যদি কোনো কারণবশত কমিটি গঠন না হয় সেক্ষেত্রে এডহক কমিটি গঠনের নিয়ম রয়েছে।
 ·  Translate
1
1
Add a comment...

Ahmed Jalal

Shared publicly  - 
 
 
বরিশালে ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার কোথায়? .............................
http://www.beshto.com/contentid/770412
বরিশাল আন্ডারওয়ার্ল্ডের ত্রাস শ্রমিক নেতা মশিউর রহমান কামাল সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল নিখোঁজ রহস্যে তিমিরেই ঢাকা পড়ে আছে। কেউ বলছেন, তিনি দেশের বাইরে ভারত কিংবা অন্য দেশে নিরাপদ আশ্রয়ে আছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ নিয়েও তার কোনো সন্ধান মিলেনি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বরিশাল অপরাধ জগতে অস্ত্র ব্যবসা এবং ভাড়ায় অস্ত্র সরবরাহসহ বড় ধরণের কিলিং মিশনে ডাক পড়তো ফাঁসি কামালের। তার অস্ত্র ভাণ্ডার বরিশাল নগরীসহ জেলা ও বিভাগের বিভিন্নস্থানে সরবরাহ হতো। বিশেষ করে ২০০৮ সালের পর ফের বেপরোয়া জীবনযাপন শুরু করে আসছিলো সে। নগরীর অন্ধকার জগতের নথুল্লাবাদ বাসস্টান্ড,বিএম কলেজ, কাশিপুর,বৈদ্যপাড়া এলাকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতো। যেন আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন। তার গড়ে ওঠা বাহিনীর অস্ত্র আর গোলা বারুদের কারণে বরিশাল নগরীতে প্রবেশ করতে পারছিলেন না বরিশাল মহানগর শ্রমিকলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মো: আফতাব হোসেন মিয়া। নগরীর প্রবেশদ্বার গড়িয়ারপাড়ে অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত ফাঁসি কামাল বাহিনীর তাণ্ডবে তাজ্জব বনে যান সচেতন মহল। পুলিশ দণ্ডায়মান থাকাবস্থায়ও অস্ত্রধারী ফাঁসি কামাল বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ মিশনে যুদ্ধাংদেহী পরিবেশে তৎকালীন সময়ে শ্রমিক নেতা আফতাব হোসেন রাজধানীতে ফিরে যেতে বাধ্য হয়ে ছিলেন। যাইহোক মহল বিশেষের প্রশ্ন অপরাধ জগত কাঁপানো ত্রাস কামাল ওরফে ফাঁসি কামাল নিখোঁজ থাকলেও দীর্ঘ সময়ে তার অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। কোথায় রক্ষিত আছে নানা ধরণের ছোট বড় মাঝারি সাইজের আগ্নেয়াস্ত্রসহ গোলাবারুদ। কার নিয়ন্ত্রণে সেসব অস্ত্রভাণ্ডার এরকম প্রশ্ন অভিজ্ঞমহলে ঘুরে ফিরে আসছে। যতদূর জানা যায়, মশিউর রহমান কামাল হোসেন সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল’র সঙ্গে গভীর সখ্যতা ছিলো বেশ কয়েক জনের। এরমধ্যে অন্যতম বিএম কলেজ ছাত্রলীগের ক্যাডার হিসেবে পরিচিত নানাবিধ অন্যায় অপকর্মের ফিরিস্তি রচনাকারী মঈন তুষারের সঙ্গে। বিএম কলেজে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অস্ত্র ভাণ্ডারের যোগান দিতো এই ফাঁসি কামাল। এসব অস্ত্রের মহড়ায় মঈন তুষার শুধু বিএম কলেজ ক্যাম্পাস নয় গোটা নগরজুড়ে শুরু করেছিলো তাণ্ডবলীলা। চাঁদাবাজী,দখল সন্ত্রাস,ব্লাকমেইল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সবই করতো। জনশ্র“তি রয়েছে অস্ত্রের গরমেই সেদিন বিএম কলেজে আহুত ছাত্রলীগের একাংশের এক সমাবেশে মঈন তুষার দাম্ভিকতার সুরে বরিশাল আওয়ামী লীগের রাজনীতির অভিভাবক হিসেবে পরিচিত এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে নিয়ে কুরূচিপূর্ন বক্তব্য দিয়েছিলো। আর এতে আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম বিতর্কের ঝড় তুলেছিলো। গোটা বরিশাল আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে নিন্দা আর নিন্দা। পাশাপাশি তুষারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও তোলা হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে ভুল বক্তব্য দেয়ার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন তুষার। বরিশাল আওয়ামী লীগের অভিভাবকের ক্ষমা চেয়ে নিয়ে সে যাত্রায় রক্ষা পায়। এরপর আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে তুষার। এখানকার আওয়ামী লীগের অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর চড়াউ হয়। আধিপত্য বিস্তারে রক্তের হোলিখেলায় মত্ত। বেশ কয়েকজন যুবলীগ নেতাকর্মী এবং সাবেক ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের টার্গেট করে অস্ত্রের মহড়া চলে বেশ কিছুদিন। যেন হন্য হয়ে খুঁজছিলো টার্গেটকৃত নেতাদের। এদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এক সময়ের ছাত্রলীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগ’র প্রচার সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, ছাত্রলীগের সাবেক শীর্ষ পর্যায়ের নেতা তারিক বিন ইসলামসহ আরো বেশ কয়েকজন। এদের মধ্যে তারিক বিন ইসলামকে পেয়ে লাঞ্চিত করেছিলো তুষার বাহিনী। অপরাধ জগতে চষে বেড়াতো,দিনে দুপুরে মহড়ায় আতঙ্কিত ছিলো সাধারণ নারী পুরুষ। বিএম কলেজে’র পুরো ক্যাম্পাস যেন জিম্মিদশায় রেখেছিলো। তুষার ও তার সহযোগীরা অধ্যক্ষকে প্রকাশ্যে ক্যম্পাসে লাঞ্চিত করে পুরো দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়,ধিক্কার জানিয়েছিল কুলঙ্গার ছাত্র বলে । যতসব অন্যাঢ অপকর্মে অবৈধপন্থায় অগাধ বিত্ত বৈভবের মালিকও বনে যেতে সক্ষম হন তুষার। এখনও সে নিজে আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন জাহির করতে ভালোবাসেন। তার চারিপাশে রয়েছে অপরাধী চক্র। সংঘবদ্ধ কিলার চক্রও রয়েছে। নাশকতার আগুনের নাশকতাকারী দেশদ্রোহীরাও রয়েছে। এরমধ্যে একজন রয়েছেন বিএম কলেজ ছাত্রদল ক্যাডার সাইফুল ইসলাম শাহীন। তুষার এবং শাহীনের গভীর সখ্যতার বিশেষ একটি কারণ তা হলো অস্ত্র বিকিকিনি,ভাড়ায় চালিত আর দখল সন্ত্রাস। তাদের একটা আস্তানাও গড়ে ওঠেছে। প্রথমে আস্তানা ছিলো ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ্ব সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টুর বাসভবনে। সেখানে অপরাধী চক্রের আনাগোনায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে এলাকাবাসী। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে মিডিয়ার সাইনবোর্ডের আস্তানা খুলে সদর রোডে। অবশ্য জেলা প্রশাসন থেকে মঈন তুষার’র মিডিয়া সম্পর্কিত ৩২ পৃষ্ঠার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে তুষারের অপরাধ জগতের বিষয়গুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রতিবেদনে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, মঈন তুষার কখনো সাংবাদিকতা করেননি,তার পেশা ভিন্ন। এখানেই প্রশ্ন তিনি যদি সাংবাদিকতা না ই করে থাকেন তাহলে তিনি কিভাবে সম্পাদক বনে যান। বেশ সম্পাদক বনে গেলেন,তদন্ত প্রতিবেদনেও পরিস্কার হলো কিন্তু তারপরও কি উল্টো রথে? কিন্তু কেন? অপরাধীর মূলৎপাটনে কেন গড়িমসি? জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তো এই বাংলাদেশ’র রুপ রেখা বাস্তবায়ন করে পথ বেয়ে চলছেন না, তিনি সকল ধরণের নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাতে বলেছেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারাও তো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রুপকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকায় এগিয়ে চলছেন। যা বলতে চেয়েছিলাম, বরিশাল অপরাধ জগতের ভয়ঙ্কর ত্রাস কামাল হোসেন সরদার নিখোঁজ রয়েছেন কিন্তু তার অস্ত্র ভাণ্ডার এখন কার দখলে জনমনে এরকম নানা প্রশ্ন ধুমায়িত হচ্ছে। অনুসন্ধানী একটি সূত্র বলছে, ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার’র একটি অংশ মঈন তুষারের কাছে রক্ষিত আছে। এটা না হতে পারে,আবার হতেও পারে। কারণ কথিত রয়েছে তৎকালীন সময়ে ফাঁসি কামালের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রেখে অস্ত্র ভাণ্ডারের বড় একটি অংশ ব্যবহার করতো তুষার বাহিনী। এই ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। কার কার কাছে কোথায় কোথায় রক্ষিত আছে তার অস্ত্রভাণ্ডার। শান্তিপ্রিয় নারী পুরুষ বলছে, ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার করা না হলে অশুভ শক্তি পিছু ছাড়ছে না। প্রসঙ্গত : নগরীর বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা মশিউর রহমান কামাল সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল। ২০১৪ সালে নিখোঁজ হন বরিশাল জেলা টেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন ওরফে ফাঁসি কামাল। তার ব্যপারে গুঞ্জন আছে যে, তিনি ভারতে পালিয়ে আছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছে, ২০১৪ সালের গত ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়িক কাজে ময়মনসিংহ যাওয়ার পর বেলা ১২টার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর নিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায় নি। কামালের ছোট ভাই মোঃ জসিম উদ্দিন জানান, আত্মীয়স্বজনের বাসাসহ সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করেও কামালের সন্ধান পাওয়া যায়নি। নগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বৈদ্যপাড়া এলাকার মৃত: আলী আহম্মেদ মিয়ার ছেলে ৫ ছেলে ২ মেয়ের মধ্যে সবার বড় মশিউর রহমান কামাল। ২০০০ সালে নগরীর সিঅ্যান্ডবি সড়কে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হন। ওই হত্যা মামলার আসামি মশিউর রহমান কামালকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেয় নিন্ম আদালত। পরে উচ্চাদালতে থেকে তিনি বেকসুর খালাস পান। সেই থেকে তার নাম হয়ে যায় ফাঁসি কামাল। লেখক : নির্বাহী ও বার্তা প্রধান, দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশ।
 ·  Translate
বরিশাল আন্ডারওয়ার্ল্ডের ত্রাস শ্রমিক নেতা মশিউর রহমান কামাল সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল নিখোঁজ রহস্যে তিমিরেই ঢাকা পড়ে আছে। কেউ বলছেন, তিনি দেশের বাইরে ভারত কিংবা অন্য দেশে নিরাপদ আশ্রয়ে আছেন। পরিবারের...
View original post
1
Add a comment...

Ahmed Jalal

Shared publicly  - 
 
বরিশালে ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার কোথায়? .............................
http://www.beshto.com/contentid/770206
বরিশাল আন্ডারওয়ার্ল্ডের ত্রাস শ্রমিক নেতা মশিউর রহমান কামাল সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল নিখোঁজ রহস্যে তিমিরেই ঢাকা পড়ে আছে। কেউ বলছেন, তিনি দেশের বাইরে ভারত কিংবা অন্য দেশে নিরাপদ আশ্রয়ে আছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ নিয়েও তার কোনো সন্ধান মিলেনি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বরিশাল অপরাধ জগতে অস্ত্র ব্যবসা এবং ভাড়ায় অস্ত্র সরবরাহসহ বড় ধরণের কিলিং মিশনে ঢাক পড়তো ফাঁসি কামালের। তার অস্ত্র ভাণ্ডার বরিশাল নগরীসহ জেলা ও বিভাগের বিভিন্নস্থানে সরবরাহ হতো। বিশেষ করে ২০০৮ সালের পর ফের বেপরোয়া জীবনযাপন শুরু করে আসছিলো সে। নগরীর অন্ধকার জগতের নথুল্লাবাদ বাসস্টান্ড,বিএম কলেজ, কাশিপুর,বৈদ্যপাড়া এলাকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতো। যেন আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন। তার গড়ে ওঠা বাহিনীর অস্ত্র আর গোলা বারুদের কারণে বরিশাল নগরীতে প্রবেশ করতে পারছিলেন না বরিশাল মহানগর শ্রমিকলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মো: আফতাব হোসেন মিয়া। নগরীর প্রবেশদ্বার গড়িয়ারপাড়ে অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত ফাঁসি কামাল বাহিনীর তাণ্ডবে তাজ্জব বনে যান সচেতন মহল। পুলিশ দণ্ডায়মান থাকাবস্থায়ও অস্ত্রধারী ফাঁসি কামাল বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ মিশনে যুদ্ধাংদেহী পরিবেশে তৎকালীন সময়ে শ্রমিক নেতা আফতাব হোসেন রাজধানীতে ফিরে যেতে বাধ্য হয়ে ছিলেন। যাইহোক মহল বিশেষের প্রশ্ন অপরাধ জগত কাঁপানো ত্রাস কামাল ওরফে ফাঁসি কামাল নিখোঁজ থাকলেও দীর্ঘ সময়ে তার অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। কোথায় রক্ষিত আছে নানা ধরণের ছোট বড় মাঝারি সাইজের আগ্নেয়াস্ত্রসহ গোলাবারুদ। কার নিয়ন্ত্রণে সেসব অস্ত্রভাণ্ডার এরকম প্রশ্ন অভিজ্ঞমহলে ঘুরে ফিরে আসছে। যতদূর জানা যায়, মশিউর রহমান কামাল হোসেন সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল’র সঙ্গে গভীর সখ্যতা ছিলো বেশ কয়েক জনের। এরমধ্যে অন্যতম বিএম কলেজ ছাত্রলীগের ক্যাডার হিসেবে পরিচিত নানাবিধ অন্যায় অপকর্মের ফিরিস্তি রচনাকারী মঈন তুষারের সঙ্গে। বিএম কলেজে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অস্ত্র ভাণ্ডারের যোগান দিতো এই ফাঁসি কামাল। এসব অস্ত্রের মহড়ায় মঈন তুষার শুধু বিএম কলেজ ক্যাম্পাস নয় গোটা নগরজুড়ে শুরু করেছিলো তাণ্ডবলীলা। চাঁদাবাজী,দখল সন্ত্রাস,ব্লাকমেইল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সবই করতো। জনশ্র“তি রয়েছে অস্ত্রের গরমেই সেদিন বিএম কলেজে আহুত ছাত্রলীগের একাংশের এক সমাবেশে মঈন তুষার দাম্ভিকতার সুরে বরিশাল আওয়ামী লীগের রাজনীতির অভিভাবক হিসেবে পরিচিত এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে নিয়ে কুরূচিপূর্ন বক্তব্য দিয়েছিলো। আর এতে আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম বিতর্কের ঝড় তুলেছিলো। গোটা বরিশাল আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে নিন্দা আর নিন্দা। পাশাপাশি তুষারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও তোলা হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে ভুল বক্তব্য দেয়ার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন তুষার। বরিশাল আওয়ামী লীগের অভিভাবকের ক্ষমা চেয়ে নিয়ে সে যাত্রায় রক্ষা পায়। এরপর আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে তুষার। এখানকার আওয়ামী লীগের অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর চড়াউ হয়। আধিপত্য বিস্তারে রক্তের হোলিখেলায় মত্ত। বেশ কয়েকজন যুবলীগ নেতাকর্মী এবং সাবেক ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের টার্গেট করে অস্ত্রের মহড়া চলে বেশ কিছুদিন। যেন হন্য হয়ে খুঁজছিলো টার্গেটকৃত নেতাদের। এদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এক সময়ের ছাত্রলীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগ’র প্রচার সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, ছাত্রলীগের সাবেক শীর্ষ পর্যায়ের নেতা তারিক বিন ইসলামসহ আরো বেশ কয়েকজন। এদের মধ্যে তারিক বিন ইসলামকে পেয়ে লাঞ্চিত করেছিলো তুষার বাহিনী। অপরাধ জগতে চষে বেড়াতো,দিনে দুপুরে মহড়ায় আতঙ্কিত ছিলো সাধারণ নারী পুরুষ। বিএম কলেজে’র পুরো ক্যাম্পাস যেন জিম্মিদশায় রেখেছিলো। তুষার ও তার সহযোগীরা অধ্যক্ষকে প্রকাশ্যে ক্যম্পাসে লাঞ্চিত করে পুরো দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়,ধিক্কার জানিয়েছিল কুলঙ্গার ছাত্র বলে । যতসব অন্যাঢ অপকর্মে অবৈধপন্থায় অগাধ বিত্ত বৈভবের মালিকও বনে যেতে সক্ষম হন তুষার। এখনও সে নিজে আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন জাহির করতে ভালোবাসেন। তার চারিপাশে রয়েছে অপরাধী চক্র। সংঘবদ্ধ কিলার চক্রও রয়েছে। নাশকতার আগুনের নাশকতাকারী দেশদ্রোহীরাও রয়েছে। এরমধ্যে একজন রয়েছেন বিএম কলেজ ছাত্রদল ক্যাডার সাইফুল ইসলাম শাহীন। তুষার এবং শাহীনের গভীর সখ্যতার বিশেষ একটি কারণ তা হলো অস্ত্র বিকিকিনি,ভাড়ায় চালিত আর দখল সন্ত্রাস। তাদের একটা আস্তানাও গড়ে ওঠেছে। প্রথমে আস্তানা ছিলো ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ্ব সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টুর বাসভবনে। সেখানে অপরাধী চক্রের আনাগোনায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে এলাকাবাসী। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে মিডিয়ার সাইনবোর্ডের আস্তানা খুলে সদর রোডে। অবশ্য জেলা প্রশাসন থেকে মঈন তুষার’র মিডিয়া সম্পর্কিত ৩২ পৃষ্ঠার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে তুষারের অপরাধ জগতের বিষয়গুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রতিবেদনে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, মঈন তুষার কখনো সাংবাদিকতা করেননি,তার পেশা ভিন্ন। এখানেই প্রশ্ন তিনি যদি সাংবাদিকতা না ই করে থাকেন তাহলে তিনি কিভাবে সম্পাদক বনে যান। বেশ সম্পাদক বনে গেলেন,তদন্ত প্রতিবেদনেও পরিস্কার হলো কিন্তু তারপরও কি উল্টো রথে? কিন্তু কেন? অপরাধীর মূলৎপাটনে কেন গড়িমসি? জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তো এই বাংলাদেশ’র রুপ রেখা বাস্তবায়ন করে পথ বেয়ে চলছেন না, তিনি সকল ধরণের নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাতে বলেছেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারাও তো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রুপকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকায় এগিয়ে চলছেন। যা বলতে চেয়েছিলাম, বরিশাল অপরাধ জগতের ভয়ঙ্কর ত্রাস কামাল হোসেন সরদার নিখোঁজ রয়েছেন কিন্তু তার অস্ত্র ভাণ্ডার এখন কার দখলে জনমনে এরকম নানা প্রশ্ন ধুমায়িত হচ্ছে। অনুসন্ধানী একটি সূত্র বলছে, ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার’র একটি অংশ মঈন তুষারের কাছে রক্ষিত আছে। এটা না হতে পারে,আবার হতেও পারে। কারণ কথিত রয়েছে তৎকালীন সময়ে ফাঁসি কামালের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রেখে অস্ত্র ভাণ্ডারের বড় একটি অংশ ব্যবহার করতো তুষার বাহিনী। এই কামাল হোসেন সরদার ও ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। কার কার কাছে কোথায় কোথায় রক্ষিত আছে তার অস্ত্রভাণ্ডার। শান্তিপ্রিয় নারী পুরুষ বলছে, ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার করা না হলে অশুভ শক্তি পিছু ছাড়ছে না। প্রসঙ্গত : নগরীর বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা মশিউর রহমান কামাল সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল। ২০১৪ সালে নিখোঁজ হন বরিশাল জেলা টেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন ওরফে ফাঁসি কামাল। তার ব্যপারে গুঞ্জন আছে যে, তিনি ভারতে পালিয়ে আছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছে, ২০১৪ সালের গত ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়িক কাজে ময়মনসিংহ যাওয়ার পর বেলা ১২টার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর নিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায় নি। কামালের ছোট ভাই মোঃ জসিম উদ্দিন জানান, আত্মীয়স্বজনের বাসাসহ সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করেও কামালের সন্ধান পাওয়া যায়নি। নগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বৈদ্যপাড়া এলাকার মৃত: আলী আহম্মেদ মিয়ার ছেলে ৫ ছেলে ২ মেয়ের মধ্যে সবার বড় মশিউর রহমান কামাল। ২০০০ সালে নগরীর সিঅ্যান্ডবি সড়কে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হন। ওই হত্যা মামলার আসামি মশিউর রহমান কামালকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেয় নিন্ম আদালত। পরে উচ্চাদালতে থেকে তিনি বেকসুর খালাস পান। সেই থেকে তার নাম হয়ে যায় ফাঁসি কামাল। লেখক : নির্বাহী ও বার্তা প্রধান, দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশ
 ·  Translate
1
Add a comment...

Ahmed Jalal

Shared publicly  - 
 
 
বরিশালে ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার কোথায়?
.............................
বরিশাল আন্ডারওয়ার্ল্ডের ত্রাস শ্রমিক নেতা মশিউর রহমান কামাল সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল নিখোঁজ রহস্যে তিমিরেি ঢাকা পড়ে আছে। কেউ বলছেন, তিনি দেশের বাইরে ভারত কিংবা অন্য দেশে নিরাপদ আশ্রয়ে আছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ নিয়েও তার কোনো সন্ধান মিলেনি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বরিশাল অপরাধ জগতে অস্ত্র ব্যবসা এবং ভাড়ায় অস্ত্র সরবরাহসহ বড় ধরণের কিলিং মিশনে ঢাক পড়তো ফাঁসি কামালের। তার অস্ত্র ভাণ্ডার বরিশাল নগরীসহ জেলা ও বিভাগের বিভিন্নস্থানে সরবরাহ হতো। বিশেষ করে ২০০৮ সালের পর ফের বেপরোয়া জীবনযাপন শুরু করে আসছিলো সে। নগরীর অন্ধকার জগতের নথুল্লাবাদ বাসস্টান্ড,বিএম কলেজ, কাশিপুর,বৈদ্যপাড়া এলাকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতো। যেন আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন। তার গড়ে ওঠা বাহিনীর অস্ত্র আর গোলা বারুদের কারণে বরিশাল নগরীতে প্রবেশ করতে পারছিলেন না বরিশাল মহানগর শ্রমিকলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মো: আফতাব হোসেন মিয়া। নগরীর প্রবেশদ্বার গড়িয়ারপাড়ে অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত ফাঁসি কামাল বাহিনীর তাণ্ডবে তাজ্জব বনে যান সচেতন মহল। পুলিশ দণ্ডায়মান থাকাবস্থায়ও অস্ত্রধারী ফাঁসি কামাল বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ মিশনে যুদ্ধাংদেহী পরিবেশে তৎকালীন সময়ে শ্রমিক নেতা আফতাব হোসেন রাজধানীতে ফিরে যেতে বাধ্য হয়ে ছিলেন। যাইহোক মহল বিশেষের প্রশ্ন অপরাধ জগত কাঁপানো ত্রাস কামাল ওরফে ফাঁসি কামাল নিখোঁজ থাকলেও দীর্ঘ সময়ে তার অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। কোথায় রক্ষিত আছে নানা ধরণের ছোট বড় মাঝারি সাইজের আগ্নেয়াস্ত্রসহ গোলাবারুদ। কার নিয়ন্ত্রণে সেসব অস্ত্রভাণ্ডার এরকম প্রশ্ন অভিজ্ঞমহলে ঘুরে ফিরে আসছে। যতদূর জানা যায়, মশিউর রহমান কামাল হোসেন সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল’র সঙ্গে গভীর সখ্যতা ছিলো বেশ কয়েক জনের। এরমধ্যে অন্যতম বিএম কলেজ ছাত্রলীগের ক্যাডার হিসেবে পরিচিত নানাবিধ অন্যায় অপকর্মের ফিরিস্তি রচনাকারী মঈন তুষারের সঙ্গে। বিএম কলেজে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অস্ত্র ভাণ্ডারের যোগান দিতো এই ফাঁসি কামাল। এসব অস্ত্রের মহড়ায় মঈন তুষার শুধু বিএম কলেজ ক্যাম্পাস নয় গোটা নগরজুড়ে শুরু করেছিলো তাণ্ডবলীলা। চাঁদাবাজী,দখল সন্ত্রাস,ব্লাকমেইল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সবই করতো। জনশ্র“তি রয়েছে অস্ত্রের গরমেই সেদিন বিএম কলেজে আহুত ছাত্রলীগের একাংশের এক সমাবেশে মঈন তুষার দাম্ভিকতার সুরে বরিশাল আওয়ামী লীগের রাজনীতির অভিভাবক হিসেবে পরিচিত এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে নিয়ে কুরূচিপূর্ন বক্তব্য দিয়েছিলো। আর এতে আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম বিতর্কের ঝড় তুলেছিলো। গোটা বরিশাল আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে নিন্দা আর নিন্দা। পাশাপাশি তুষারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও তোলা হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে ভুল বক্তব্য দেয়ার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন তুষার। বরিশাল আওয়ামী লীগের অভিভাবকের ক্ষমা চেয়ে নিয়ে সে যাত্রায় রক্ষা পায়। এরপর আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে তুষার। এখানকার আওয়ামী লীগের অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর চড়াউ হয়। আধিপত্য বিস্তারে রক্তের হোলিখেলায় মত্ত। বেশ কয়েকজন যুবলীগ নেতাকর্মী এবং সাবেক ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের টার্গেট করে অস্ত্রের মহড়া চলে বেশ কিছুদিন। যেন হন্য হয়ে খুঁজছিলো টার্গেটকৃত নেতাদের। এদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এক সময়ের ছাত্রলীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগ’র প্রচার সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, ছাত্রলীগের সাবেক শীর্ষ পর্যায়ের নেতা তারিক বিন ইসলামসহ আরো বেশ কয়েকজন। এদের মধ্যে তারিক বিন ইসলামকে পেয়ে লাঞ্চিত করেছিলো তুষার বাহিনী। অপরাধ জগতে চষে বেড়াতো,দিনে দুপুরে মহড়ায় আতঙ্কিত ছিলো সাধারণ নারী পুরুষ। বিএম কলেজে’র পুরো ক্যাম্পাস যেন জিম্মিদশায় রেখেছিলো। তুষার ও তার সহযোগীরা অধ্যক্ষকে প্রকাশ্যে ক্যম্পাসে লাঞ্চিত করে পুরো দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়,ধিক্কার জানিয়েছিল কুলঙ্গার ছাত্র বলে । যতসব অন্যাঢ অপকর্মে অবৈধপন্থায় অগাধ বিত্ত বৈভবের মালিকও বনে যেতে সক্ষম হন তুষার। এখনও সে নিজে আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন জাহির করতে ভালোবাসেন। তার চারিপাশে রয়েছে অপরাধী চক্র। সংঘবদ্ধ কিলার চক্রও রয়েছে। নাশকতার আগুনের নাশকতাকারী দেশদ্রোহীরাও রয়েছে। এরমধ্যে একজন রয়েছেন বিএম কলেজ ছাত্রদল ক্যাডার সাইফুল ইসলাম শাহীন। তুষার এবং শাহীনের গভীর সখ্যতার বিশেষ একটি কারণ তা হলো অস্ত্র বিকিকিনি,ভাড়ায় চালিত আর দখল সন্ত্রাস। তাদের একটা আস্তানাও গড়ে ওঠেছে। প্রথমে আস্তানা ছিলো ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ্ব সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টুর বাসভবনে। সেখানে অপরাধী চক্রের আনাগোনায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে এলাকাবাসী। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে মিডিয়ার সাইনবোর্ডের আস্তানা খুলে সদর রোডে। অবশ্য জেলা প্রশাসন থেকে মঈন তুষার’র মিডিয়া সম্পর্কিত ৩২ পৃষ্ঠার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে তুষারের অপরাধ জগতের বিষয়গুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রতিবেদনে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, মঈন তুষার কখনো সাংবাদিকতা করেননি,তার পেশা ভিন্ন। এখানেই প্রশ্ন তিনি যদি সাংবাদিকতা না ই করে থাকেন তাহলে তিনি কিভাবে সম্পাদক বনে যান। বেশ সম্পাদক বনে গেলেন,তদন্ত প্রতিবেদনেও পরিস্কার হলো কিন্তু তারপরও কি উল্টো রথে? কিন্তু কেন? অপরাধীর মূলৎপাটনে কেন গড়িমসি? জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তো এই বাংলাদেশ’র রুপ রেখা বাস্তবায়ন করে পথ বেয়ে চলছেন না, তিনি সকল ধরণের নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাতে বলেছেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারাও তো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রুপকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকায় এগিয়ে চলছেন। যা বলতে চেয়েছিলাম, বরিশাল অপরাধ জগতের ভয়ঙ্কর ত্রাস কামাল হোসেন সরদার নিখোঁজ রয়েছেন কিন্তু তার অস্ত্র ভাণ্ডার এখন কার দখলে জনমনে এরকম নানা প্রশ্ন ধুমায়িত হচ্ছে। অনুসন্ধানী একটি সূত্র বলছে, ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার’র একটি অংশ মঈন তুষারের কাছে রক্ষিত আছে। এটা না হতে পারে,আবার হতেও পারে। কারণ কথিত রয়েছে তৎকালীন সময়ে ফাঁসি কামালের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রেখে অস্ত্র ভাণ্ডারের বড় একটি অংশ ব্যবহার করতো তুষার বাহিনী। এই কামাল হোসেন সরদার ও ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। কার কার কাছে কোথায় কোথায় রক্ষিত আছে তার অস্ত্রভাণ্ডার। শান্তিপ্রিয় নারী পুরুষ বলছে, ফাঁসি কামালের অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার করা না হলে অশুভ শক্তি পিছু ছাড়ছে না। প্রসঙ্গত : নগরীর বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা মশিউর রহমান কামাল সরদার ওরফে ফাঁসি কামাল। ২০১৪ সালে নিখোঁজ হন বরিশাল জেলা টেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন ওরফে ফাঁসি কামাল। তার ব্যপারে গুঞ্জন আছে যে, তিনি ভারতে পালিয়ে আছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছে, ২০১৪ সালের গত ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়িক কাজে ময়মনসিংহ যাওয়ার পর বেলা ১২টার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর নিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায় নি। কামালের ছোট ভাই মোঃ জসিম উদ্দিন জানান, আত্মীয়স্বজনের বাসাসহ সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করেও কামালের সন্ধান পাওয়া যায়নি। নগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বৈদ্যপাড়া এলাকার মৃত: আলী আহম্মেদ মিয়ার ছেলে ৫ ছেলে ২ মেয়ের মধ্যে সবার বড় মশিউর রহমান কামাল। ২০০০ সালে নগরীর সিঅ্যান্ডবি সড়কে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হন। ওই হত্যা মামলার আসামি মশিউর রহমান কামালকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেয় নিন্ম আদালত। পরে উচ্চাদালতে থেকে তিনি বেকসুর খালাস পান। সেই থেকে তার নাম হয়ে যায় ফাঁসি কামাল। লেখক : নির্বাহী ও বার্তা প্রধান, দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশ।
 ·  Translate
View original post
1
Add a comment...

Ahmed Jalal

Shared publicly  - 
 
 
ছাত্রদল ক্যাডার শাহীনের
গোপন সন্ধি’র আস্তানা?
...................................
নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশাল বিএম কলেজ ছাত্রদল ক্যাডার হিসেবে পরিচিত সাইফুল ইসলাম শাহীন। চতুর এই শাহীনের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডসহ এন্তার অভিযোগ রয়েছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও প্রচণ্ড প্রতাপশালী হিসেবে নিজেকে জাহির করেন তিনি। নিজেকে রক্ষায় নানা ফন্দি ফিকিরে শেষ পর্যন্ত সাইনবোর্ডধারী একটি আস্তানায় আসন গেড়ে বসেন তিনি। নিজেকে প্রথম বরিশাল মিডিয়ার বহুল বিতর্কিত সাইনবোর্ডধারী একটি আস্তানায় অর্থ ও সমাঝোতার ভিত্তিতে স্থান করে নেয়। এরপর থেকে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে শাহীন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। মূলত: ছাত্রদল ক্যাডার শাহীনের সঙ্গে অন্ধকার জগতের ফিরিস্তি রচনা করে নিজেকে শুদ্ধি করতে মিডিয়ার রক্ষাকবজ হিসেবে বিএম কলেজে অধ্যক্ষকে লাঞ্চিতসহ বহুবিধ অপকর্মে দেশজুড়ে সমালোচিত এক ছাত্রলীগ ক্যাডারের সঙ্গে গোপন সন্ধিতে বুনিবনা হয়। প্রথমদিকে তাদের আস্তানা ছিলো ব্রাউন কম্পাউণ্ড রোডে বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ্ব সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টুর বাসভবনের একটি ফ্লাটে।। কিন্তু সেখানে ক্যাডার বাহিনীর আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলো। একপর্যায়ে স্থানীয় সচেতন মহলের চাপেরমুখেই ব্রাউন কম্পাউন্ডের আস্তানা গুটিয়ে নিয়ে অন্যত্র অবস্থান করে। সাইনবোর্ড মিডিয়া আর সবাই ধোয়া তুলশি পাতা হয়ে গেলেন। একইসঙ্গে অন্যায় অপকর্ম করে সহসাই পাড় পেয়ে যাওয়াও সম্ভব এরকম মনোভাবেই তাদের আস্তানায় বরিশাল নগরীর অন্ধকার জগতের নানা বিষয় নিয়ে গোপন আলোচনা চলে আসছে। ওই আস্তানায় বসেই নীল নকশা আঁকা হয়। ব্লাকমেইলের ফাঁদ,দখল সন্ত্রাস, কিলিং মিশন,অস্ত্র বিকিকিনিসহ নানাবিধ ছঁক একে বাস্তবায়নের পথ বেয়ে চলছে অশুভ শক্তি। কি বিস্ময়কর নানা অপকর্মের অনুঘটক ছাত্রলীগ ক্যাডার আর ছাত্রদল ক্যাডারের গোপন সন্ধি’র মিশন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও ত্রাসের রাম রাজত্ব চালাচ্ছে সাইফুল ইসলাম শাহীন। তিনি বসবাস করেন নগরীর ফিশারী রোডে। একটি সূত্র বলছে, শাহীনের বিরুদ্ধে রয়েছে সর্বহারা কানেকশন। অস্ত্রবিকিকিনি এবং ভাড়ায় অস্ত্র সরবরাহ’র অভিযোগ রয়েছে। আর এসব কাজ দুই ক্যাডার একাট্টা হয়ে করে আসার বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া যায় না। কারণ তাদের সন্ধির মিশনই অপতৎপতরা। বিগত সময়ে বিএম কলেজ ছাত্রলীগ ক্যাডারের অন্তহীন অপকর্মই তার প্রমাণ। যাইহোক অশুভ শক্তির সাইনবোর্ডের সঙ্গে একাট্টা হয়ে নিজের অন্ধরকারজগত আড়াল করতে এবং অপকর্মগুলো বহাল রাখতে মত্ত শাহীন ? জামায়াত শিবিরের সঙ্গেও তার সখ্যতা থাকাটা বিচিত্র কিছু না, অর্থাৎ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে যে সম্পূক্ত এটা স্পষ্ট। নাশকতাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সূত্র বলছে, , গত ১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নগরীর ফিশারী রোড এলাকায় অস্ত্রের মহড়া প্রদর্শন করে শাহীনের নেতৃত্বে বরিশাল ল’ কলেজের ছাত্র ওবায়দুল হক রাসেলকে কুপিয়ে জখম করেছে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। স্থানীয়রা বাচাঁতে এগিয়ে আসলে ’থ্রি-নট-থ্রি’ অস্ত্র দিয়ে ফায়ারিং করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে শাহীন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। এতে করে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় স্থানীয়দের মাঝে। এ বিষয়ে থানায় একটি মামলাও দায়ের হয়েছে। কিন্তু চতুর শাহীন চলেন ম্যানেজ প্রক্রিয়ায়। সঙ্গে আছে সাইনবোর্ড। পরিচয় দিয়ে ফাঁয়দা লুটেন তিনি নাকি মিডিয়ার মালিক। হতবাক! স্বাধের বরিশালে সংবাদ পত্রের ইতিহাসে এলাহীকাণ্ডে পরিণত। বিএমপির কয়েক অসাধু পুলিশদের সঙ্গে এই চক্রটির রয়েছে গভীর সখ্যতা। এরফলে বরিশাল নগরীতে গড়ে ওঠা এই অশুভ শক্তির অনেক অন্যায় অপকর্মই থাকে ধামাচাপা। কেউ প্রতিবাদ করলে উল্টো নির্যাতনের খড়গ নয়তবা নানা কারিশমায় ফাঁসিয়ে দেয়ার চক্রান্তে লিপ্ত। এরফলে প্রতিবাদের বাণীও নিরবে নিভৃত্তে কাঁদে। নগরীর শান্তি প্রিয় নারী পুরুষ ছাত্রদল ক্যাডার সাইফুল ইসলাম শাহীন ও তার সাঙ্গপাঙ্গ এবং তার সন্ধি মিশনের আস্তানায় অথাৎ অশুভ শক্তির বিষয়টিতে অভিজ্ঞমহল গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় আছেন। এজন্য অভিজ্ঞ ও সচেতন মহল একাট্টা অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে বরিশালে সরকারের দায়িত্বশীল শীর্ষ কর্মকর্তাদের হস্থক্ষেপ কামনা করেছন। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশু দৃষ্টি কামনা বলে মনে করছেন অভিজ্ঞমহল। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে তাঁদের ভাষ্য, এসব অশুভ শক্তি বার বার অন্যায় অপকর্ম করে কৌশলীপন্থায় ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় পাড় পেয়ে গিয়ে ফের আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে দেশবিরোধেী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকবে। এ কারণে এখনই সময় অশুভ শক্তির লাগাম টেনে ধরা।
 ·  Translate
View original post
1
Add a comment...

Ahmed Jalal

Shared publicly  - 
 
ছাত্রদল ক্যাডার শাহীনের
গোপন সন্ধি’র আস্তানা?
...................................
নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশাল বিএম কলেজ ছাত্রদল ক্যাডার হিসেবে পরিচিত সাইফুল ইসলাম শাহীন। চতুর এই শাহীনের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডসহ এন্তার অভিযোগ রয়েছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও প্রচণ্ড প্রতাপশালী হিসেবে নিজেকে জাহির করেন তিনি। নিজেকে রক্ষায় নানা ফন্দি ফিকিরে শেষ পর্যন্ত সাইনবোর্ডধারী একটি আস্তানায় আসন গেড়ে বসেন তিনি। নিজেকে প্রথম বরিশাল মিডিয়ার বহুল বিতর্কিত সাইনবোর্ডধারী একটি আস্তানায় অর্থ ও সমাঝোতার ভিত্তিতে স্থান করে নেয়। এরপর থেকে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে শাহীন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। মূলত: ছাত্রদল ক্যাডার শাহীনের সঙ্গে অন্ধকার জগতের ফিরিস্তি রচনা করে নিজেকে শুদ্ধি করতে মিডিয়ার রক্ষাকবজ হিসেবে বিএম কলেজে অধ্যক্ষকে লাঞ্চিতসহ বহুবিধ অপকর্মে দেশজুড়ে সমালোচিত এক ছাত্রলীগ ক্যাডারের সঙ্গে গোপন সন্ধিতে বুনিবনা হয়। প্রথমদিকে তাদের আস্তানা ছিলো ব্রাউন কম্পাউণ্ড রোডে বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ্ব সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টুর বাসভবনের একটি ফ্লাটে।। কিন্তু সেখানে ক্যাডার বাহিনীর আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলো। একপর্যায়ে স্থানীয় সচেতন মহলের চাপেরমুখেই ব্রাউন কম্পাউন্ডের আস্তানা গুটিয়ে নিয়ে অন্যত্র অবস্থান করে। সাইনবোর্ড মিডিয়া আর সবাই ধোয়া তুলশি পাতা হয়ে গেলেন। একইসঙ্গে অন্যায় অপকর্ম করে সহসাই পাড় পেয়ে যাওয়াও সম্ভব এরকম মনোভাবেই তাদের আস্তানায় বরিশাল নগরীর অন্ধকার জগতের নানা বিষয় নিয়ে গোপন আলোচনা চলে আসছে। ওই আস্তানায় বসেই নীল নকশা আঁকা হয়। ব্লাকমেইলের ফাঁদ,দখল সন্ত্রাস, কিলিং মিশন,অস্ত্র বিকিকিনিসহ নানাবিধ ছঁক একে বাস্তবায়নের পথ বেয়ে চলছে অশুভ শক্তি। কি বিস্ময়কর নানা অপকর্মের অনুঘটক ছাত্রলীগ ক্যাডার আর ছাত্রদল ক্যাডারের গোপন সন্ধি’র মিশন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও ত্রাসের রাম রাজত্ব চালাচ্ছে সাইফুল ইসলাম শাহীন। তিনি বসবাস করেন নগরীর ফিশারী রোডে। একটি সূত্র বলছে, শাহীনের বিরুদ্ধে রয়েছে সর্বহারা কানেকশন। অস্ত্রবিকিকিনি এবং ভাড়ায় অস্ত্র সরবরাহ’র অভিযোগ রয়েছে। আর এসব কাজ দুই ক্যাডার একাট্টা হয়ে করে আসার বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া যায় না। কারণ তাদের সন্ধির মিশনই অপতৎপতরা। বিগত সময়ে বিএম কলেজ ছাত্রলীগ ক্যাডারের অন্তহীন অপকর্মই তার প্রমাণ। যাইহোক অশুভ শক্তির সাইনবোর্ডের সঙ্গে একাট্টা হয়ে নিজের অন্ধরকারজগত আড়াল করতে এবং অপকর্মগুলো বহাল রাখতে মত্ত শাহীন ? জামায়াত শিবিরের সঙ্গেও তার সখ্যতা থাকাটা বিচিত্র কিছু না, অর্থাৎ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে যে সম্পূক্ত এটা স্পষ্ট। নাশকতাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সূত্র বলছে, , গত ১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নগরীর ফিশারী রোড এলাকায় অস্ত্রের মহড়া প্রদর্শন করে শাহীনের নেতৃত্বে বরিশাল ল’ কলেজের ছাত্র ওবায়দুল হক রাসেলকে কুপিয়ে জখম করেছে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। স্থানীয়রা বাচাঁতে এগিয়ে আসলে ’থ্রি-নট-থ্রি’ অস্ত্র দিয়ে ফায়ারিং করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে শাহীন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। এতে করে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় স্থানীয়দের মাঝে। এ বিষয়ে থানায় একটি মামলাও দায়ের হয়েছে। কিন্তু চতুর শাহীন চলেন ম্যানেজ প্রক্রিয়ায়। সঙ্গে আছে সাইনবোর্ড। পরিচয় দিয়ে ফাঁয়দা লুটেন তিনি নাকি মিডিয়ার মালিক। হতবাক! স্বাধের বরিশালে সংবাদ পত্রের ইতিহাসে এলাহীকাণ্ডে পরিণত। বিএমপির কয়েক অসাধু পুলিশদের সঙ্গে এই চক্রটির রয়েছে গভীর সখ্যতা। এরফলে বরিশাল নগরীতে গড়ে ওঠা এই অশুভ শক্তির অনেক অন্যায় অপকর্মই থাকে ধামাচাপা। কেউ প্রতিবাদ করলে উল্টো নির্যাতনের খড়গ নয়তবা নানা কারিশমায় ফাঁসিয়ে দেয়ার চক্রান্তে লিপ্ত। এরফলে প্রতিবাদের বাণীও নিরবে নিভৃত্তে কাঁদে। নগরীর শান্তি প্রিয় নারী পুরুষ ছাত্রদল ক্যাডার সাইফুল ইসলাম শাহীন ও তার সাঙ্গপাঙ্গ এবং তার সন্ধি মিশনের আস্তানায় অথাৎ অশুভ শক্তির বিষয়টিতে অভিজ্ঞমহল গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় আছেন। এজন্য অভিজ্ঞ ও সচেতন মহল একাট্টা অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে বরিশালে সরকারের দায়িত্বশীল শীর্ষ কর্মকর্তাদের হস্থক্ষেপ কামনা করেছন। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশু দৃষ্টি কামনা বলে মনে করছেন অভিজ্ঞমহল। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে তাঁদের ভাষ্য, এসব অশুভ শক্তি বার বার অন্যায় অপকর্ম করে কৌশলীপন্থায় ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় পাড় পেয়ে গিয়ে ফের আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে দেশবিরোধেী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকবে। এ কারণে এখনই সময় অশুভ শক্তির লাগাম টেনে ধরা।
 ·  Translate
1
1
Add a comment...
Work
Occupation
Journalist
Employment
  • www.sheershanews.com
    staff reporter
  • www.bestnewsbd.com
    special correspondent
  • Daily Shadhinmot Barisal Bureau cheif · Barisal
Places
Map of the places this user has livedMap of the places this user has livedMap of the places this user has lived
Previously
Bangladesh - Ahmed Jalal.(Journalist) - Dhaka - Dhaka
Education
  • Bangladesh University of Engineering and Technology
    present
Basic Information
Gender
Male