Profile cover photo
Profile photo
Dhaka Web Host Ltd.
15 followers -
Best web hosting which ensures uptime, security, backup and instant customer service
Best web hosting which ensures uptime, security, backup and instant customer service

15 followers
About
Communities and Collections
Posts

Post has attachment

Post has attachment

Post has attachment
ফেসবুক মেসেঞ্জারের দারুণ ৩ টিপস জেনে নিন
ফেসবুকে মেসেঞ্জার এখন অনেকেই ব্যবহার করছেন। তবে এ মেসেঞ্জারের এমন সব ফিচার আছে যা এখনও অধিকাংশ মানুষ ব্যবহার করেন না। আর এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন তিনটি টিপস। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
১. ভোটের মাধ্যমে গ্রুপ ডিসিশন
বন্ধুদের মাঝে অনেকেই বিভিন্ন ছোটখাট বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন। এ ক্ষেত্রে ফেসবুকের বন্ধুরা একত্রে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাইলে ভোটেরও ব্যবস্থা করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আপনারা ভোটের মাধ্যমে সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কোথায় দেখা করবেন, কোথায় খাওয়া-দাওয়া করবেন, কোথায় বেড়াতে যাবেন কিংবা কোন নাটকটি দেখবেন।
এ জন্য আপনার মেসেঞ্জারে গ্রুপ কনভারসেশনেই ভোট নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। মেসেঞ্জারে মেসেজ লেখার সময় More থেকে Polls এ ট্যাপ করুন। এরপর সম্ভাব্য উত্তরগুলো তৈরি করে Submit এ ক্লিক করুন। এরপর আপনার মেসেঞ্জারেই বন্ধুদের কাছে সে ভোটের অপশনগুলো চলে যাবে।
২. গোপন মেসেজ পাঠানো
এনক্রিপশন হলো নিরাপদে মেসেজ পাঠানোর নির্ভরযোগ্য উপায়। আপনি যদি চান আপনাদের মেসেজ অন্য কারো হাতে না পড়ুক তাহলে এ পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। এটি ব্যবহার করে আপনি নির্দিষ্ট দুটি ডিভাইস ঠিক করে দিতে পারবেন। ফেসবুক মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ একই ধরনের এন্ড-টু-এন্ড মেসেজিং ব্যবহার করে। এ পদ্ধতি ব্যবহারের ক্ষেত্রে হ্যাকাররা কোনোভাবেই আপনার মেসেজ পড়তে পারবেন না, এমনটাই দাবি করে ফেসবুক। পদ্ধতিটি চালু করার জন্য Me আইকনে যান। এরপর ট্যাপ করুন Secret Conversations এ।
৩. খেলা
ফুটবল আপনার প্রিয়? কোনো বন্ধুর সঙ্গে এটি খেলতে চান? এ জন্য উপায় রয়েছে ফেসবুক মেসেঞ্জারে। এ জন্য মেসেঞ্জারের ইমোজি কিবোর্ড থেকে সকার বল আইকন নিয়ে কোনো বন্ধুকে পাঠিয়ে দিন। এরপর বলটি ট্যাপ করে ফাঁকা জায়গাতেই ধরে রাখুন। আপনার বন্ধুও বলটি সেভাবেই দেখতে পাবেন। আর আপনার বন্ধুও একইভাবে খেলায় আপনার সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন।
ফেসবুকে ক্যান্ডি ক্র্যাশ খেলার রিকোয়েস্ট অনেকেই দেখেছেন। এটি ছাড়াও আপনি দাবা খেলতে পারেন ফেসবুকে। এ ক্ষেত্রে ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহার করে গেমটি খেলতে চাইলে তার ব্যবস্থাও রয়েছে। এ জন্য মেসেজ অপশন ওপেন করুন। সেখানে আপনার টাইপ করতে হবে @fbchess play. এরপর আপনি একটি দাবা খেলার বোর্ড দেখতে পাবেন। যার পরের পদক্ষেপের মাধ্যমে শুরু হবে খেলা। এ ক্ষেত্রে A থেকে H পর্যন্ত পাশাপাশি এবং 1 থেকে 8 পর্যন্ত ওপরে-নিচে ঘরগুলো রয়েছে, যার নম্বরগুলো দেখে পরবর্তী মুভের জন্য নির্দেশ পাঠাতে হবে। আপনি যদি @fbchess Pe4 টাইপ করেন তাহলে pawn চলে যাবে e4 ঘরে
Photo
Add a comment...

Post has attachment
আমরা যারা ডোমেইন-হোস্টিং বুঝি না- ও বিপদে পড়ি, তারা কিভাবে এই ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসবো?

নিজের একটি ব্লগ বা অন্য কোনো ওয়েবসাইট অনলাইনে লাইভ থাকার মজাই আলাদা। অনেকে নিজের নামে ওয়েবসাইট খুলতে পছন্দ করেন। বেশ কিছু মানুষ আছেন যারা ব্লগ সাইট খোলেন নিজের মেধা ও জানা-অজানা তথ্য গুলোকে বিশ্বের সকলের মাঝে তুলে ধরার জন্য। তবে যারা ব্লগ সাইট খোলেন, তাদের ভেতর অধিকাংশ মানুষ আশা করেন ব্লগ থেকে বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে টাকা উপার্জন করবেন। ইন্টারনেট থেকে সরাসরি টাকা উপার্জন এর জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান “ব্যবসায়িক” ওয়েবসাইট বা “সেবা বিক্রয়” ওয়েবসাইট খোলেন। আপনি যে ধরনের ওয়েবসাইট এর মালিক বা খুলতে আগ্রহী হোন না কেন, আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট ইন্টারনেট এ পাবলিশ/লাইভ করার জন্য যে দুইটা জিনিস প্রথম লাগবে, সেগুলো হলোঃ

ইউনিক ডোমেইনঃ
ডোমেইন হলো ওয়েবসাইট এর নাম-ঠিকানা। যেকোনো ইন্টারনেট ভিজিটর,ব্রাউজার এ আপনার ওয়েবসাইট এর নির্দিষ্ট ডোমেইন প্রবেশকরিয়ে, আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন। ওয়েবসাইট এর বিষয় ভিত্তিক “ডোমেইন” নাম নির্বাচন করে ওয়েবসাইট তৈরি অনেক ভিজিটর পাওয়া যায়। আর এই ক্ষেত্রে সহজ সরল ডোমেইন নাম বেছে নেওয়া উচিত।

হোস্টিং সার্ভিসঃ
আপনার ওয়েবসাইট কে একটি নির্দিষ্ট হোস্টিং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এর মাধ্যমে হোস্ট করে, আপনার ওয়েবসাইট কে ইন্টারনেট এ লাইভ করে বিশ্বের সকলের কাছে উন্মুক্ত করাই হলো পরবর্তী ধাপ। যেকোনো ওয়েবসাইট মালিক এর জন্য সবচেয়ে ভালো “ওয়েব হোস্টিং” বেছে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “হোস্টিং সার্ভার” ই মূলত আপনার ওয়েবসাইট এর ভেতরের তথ্য গুলোকে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে থাকে এবং ভিজিটরদের চাহিদা মতো ইন্টারনেট এ উপস্থাপন করে। ফলে ভিজিটর রা সহজে নিজের পছন্দ মতো তথ্য বেছে নিতে পারেন।
ইন্টারনেট এ “ডোমেইন” রেজিস্ট্রেশন এর সময় যেসব সুবিধা ও অসুবিধায় আপনারা অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন, তার কিছুটা এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করছিঃ
নতুন কিমবা পুরাতন যে কোনো ওয়েবসাইট এর জন্য ডোমেইন নাম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।নতুন ওয়েবসাইট তৈরির সময় যথোপযুক্ত “ডোমেইন নাম” নির্বাচনে ওয়েবসাইট মালিকেরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, আপনার পছন্দের ডোমেইন টি অন্য কোনো ওয়েবসাইট ব্যাবহার করছে। এ ক্ষেত্রে হতাস না হয়ে, ডোমেইন নাম এর শেষের অংশের “ডট কম”এর পরিবর্তে অন্যান্য টি এল ডি যেমনঃ ডট নেট, ডট ওআরজি, ডট ইন এই সব দিয়ে আপনার ডোমেইন নাম রেজিস্ট্রেশন এর চেষ্টা করুন।এতে ভালো ফলাফল পাওয়া যেতে পারে।
ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এর জন্য দেশী-বিদেশী বহু কোম্পানি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দিয়ে থাকে। বিদেশী ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে গো ডেডী, নেম চিপ, নেম কোম্পানি অন্যতম। এইসব বিদেশী ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান এর গ্রাহক সেবার মান অত্যন্ত উন্নতমানের।কিন্তু এদের কাছ থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করতে হলে আপনাকে তার মূল্য ডলার দিয়ে পরিশোধ করতে হবে। প্রয়োজন হবে পেপাল, মানি বুকারস বা ইন্টারন্যাশনাল ভিসা/মাস্টার কার্ডের। ফলে বাংলাদেশ থেকে বিদেশী ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান গুলোর কাছ থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করা অত্যন্ত কষ্টকর। তবে এইসব বিদেশী ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান গুলোর থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করতে পারলে ভালো।বিদেশী কোম্পানি থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এর পুরো পদ্ধতি টি নিজে নিজে করতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়। অন্য কারো মাধ্যমে এই সব সাইট থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করলে পরবর্তীতে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়।বিশেস করে অন্যের ভিসা/মাস্টার কার্ড দিয়ে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করলে, কিছু দিন পরে কার্ডের মালিকানার কাগজপত্র ঠিকঠাক দিতে না পারলে, আপনার ওয়েবসাইট এর ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আমাদের বাংলাদেশি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে ভিসা/ মাস্টার কার্ড বা ডলার দিয়ে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এর ঝামেলা নাই। এই ব্যাপারে আমাদের বাংলাদেশি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান গুলো অনেক ভালো। এখানে খুব সহজেই ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করা যায়। বাংলাদেশি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান গুলোতে আরো বড় বড় সমস্যা আছে যেগুলো কখনো কখনো আপনার মাথা খারাপ করে দিতে পারে। বেশ কিছু বাংলাদেশি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান আছে যারা ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এর পূর্ণ কন্ট্রোল প্যানেল দেননা বা দিতে চান না। তারা বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে, আপনাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে আপনার ডোমেইন এর কন্ট্রোল প্যানেল নিজেদের কাছে রেখে দেন এবং পরবর্তী তে কারনে অকারনে আপনার কাছ থেকে মোটা টাকা দাবি করবেন। এদের কাছ থেকে সাবধান। টাকা না দিলে এরা আপনার কেনা ডোমেইন এর রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দেয় অথবা ভালো ডোমেইন হলে অন্য কার কাছে বিক্রি করে দেয়। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান এর কাছ থেকে ডোমেইন নিলে, তারা আপনার শখের ডোমেইন এর পুনঃ রেজিস্ট্রেশন মুল্য নির্ধারিত মূল্যের দ্বিগুণ বা তিনগুন বেশি দাবী করবে। আপনি দেশী কিমবা বিদেশী যে কোম্পানির কাছ থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করুন না কেন, ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এর পুরো প্রক্রিয়া নিজে নিজে করার চেষ্টা করুন অথবা বিশ্বস্ত কারো সাহায্য নিন।ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করার আগে জেনে নিন, সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান আপনাকে ডোমেইন এর পূর্ণ কন্ট্রোল প্যানেল দিবেন কিনা? যদি না দেন,তবে ঐ সব প্রতিষ্ঠান এড়িয়ে চলুন। এক্তা বিষয় লক্ষণীয় যে, বাংলাদেশে যতগুলো ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান আছে, তারা সবাই বিদেশী কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে “ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা”র রিসেলার একাউন্ট নিয়ে নিজস্ব নাম ব্যাবহার করে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দেয়।
বাংলাদেশি অনেক প্রতিষ্ঠান আছে, যারা তাদের ওয়েবসাইট এ সস্তায় ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করার সুযোগ দেয়। আমার ব্যক্তিগত অভিমত, “এদের এড়িয়ে চলুন”। লোভে পড়ে এদের কাছ থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করলে দেখা যাবে, আপনার সাধের ডোমেইন এর রেজিস্ট্রেশন কিছুদিন পর বাতিল হয়ে গেছে অথবা অন্য কন সমস্যা দেখা দিয়েছে। সব চেয়ে বর কথা এরা আপনার ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এর পূর্ণ কন্ট্রোল প্যানেল দিতে চাইবে না। পূর্ণ কন্ট্রোল প্যানেল দিলেও আপনি পরে সমস্যায় পড়তে পারেন।
ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এর সময় আপনার নাম, ঠিকানা, আপনার ই-মেইল ও আপনার মোবাইল নাম্বার ব্যাবহার করুন। এতে আপনি কিছুটা নিরাপদ থাকবেন। অন্য কারো ই-মেইল কখনো ব্যাবহার করবেন না।
বাংলাদেশি অনেক ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান আছে, যারা “প্রিমিয়াম ডোমেইন” বিক্রি করেন। তারা বলেন, “প্রিমিয়াম ডোমেইন” নাকি তারা ৪০০-৮০০ টাকার মধ্যে বিক্রি করেন। আসলে বাস্তবে “প্রিমিয়াম ডোমেইন” নামে কোনো ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা বাংলাদেশে নেই। অতএব এদের কাছ থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন। বিদেশী ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান গুলোতে, নামকরা দামি ডোমেইন গুলোকে “প্রিমিয়াম ডোমেইন” হিসেবে বিক্রি করে। যার এক একটার দাম পঞ্চাশ-ষাট হাজার টাকারও বেশি।
বাংলাদেশি অনেক ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান আছে, যারা ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এর সাথে বিনামুল্যে “প্রাইভেসি প্রটেকশন” সেবা প্রদান করে। এ ধরনের ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান এর কাছ থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করা উচিত।
ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এর পর্ব শেষ হলে, ভালো ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি থেকে হোস্টিং নেওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

ভালো ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি থেকে হোস্টিং না নিলে যে সব সমস্যা হতে পারে তার কিছুটা আপনাদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছিঃ
হোস্টিং কোম্পানির সার্ভার ভালো না হলে, আপনার ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হবে না। আস্তে আস্তে লোড হবে। এতে আপনার ওয়েবসাইট এর ভিজিটররা বিরক্ত হবে এবং আপনার ওয়েবসাইট এর জনপ্রিয়তা হ্রাস পাবে।
ভালো ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি থেকে হোস্টিং না নিলে, প্রায় সার্ভার “ডাউন” থাকবে এবং মাঝে মাঝে “সার্ভার এরর” দেখাবে।
সার্ভার এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হবে। ফলে ভাইরাস ও হ্যাকার দ্বারা আপনার ওয়েবসাইট আক্রান্ত হতে পারে। এর ফলাফল অত্যন্ত মারাত্মক।
হোস্টিং কোম্পানি ভালো না হলে তাদের সার্ভার এর ব্যাকআপ সার্ভিসও ভালো হয় না। এতে আপনার ওয়েবসাইট এর গুরুত্বপূর্ণ ফাইল হারিয়ে যেতে পারে। এমন কি আপনার পুরো ওয়েবসাইট সার্ভার থেকে হারিয়ে যেতে পারে। বুঝে দেখুন, কি ভয়ংকর ব্যাপার।
হোস্টিং কোম্পানি ভালো না হলে, তাদের কাস্টোমার সার্ভিস ভালো হয় না। তাদের ওয়েবসাইট এ “সাপোর্ট টিকেট” ও মোবাইল সেবা প্রায় বন্ধ থাকে। ফলে তাদের কাছ থেকে সরাসরি কোনো সাহায্যও পাওয়া যায় না। হোস্টিং কোম্পানি ভালো হলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে কাস্টোমার এর সমস্যার সমাধান করে।
হোস্টিং কোম্পানি থেকে হোস্টিং প্যাকেজ নির্বাচনের সময় কিছু সাবধানতা মেনে চললে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। এতে আপনি ও আপনার ওয়েবসাইট নিরাপদ থাকবেন। অযথা বাড়তি ঝামেলায় পরবেন না।
ওয়েবসাইট হোস্টিং কোম্পানি গুলো শেয়ারড, রিসেলার, ভিপিএস, ক্লাউড, ডেডিকেটেড হোস্টিং নামে বিভিন্ন ধরনের হোস্টিং প্যাকেজ বিক্রি করে। আপনার ওয়েবসাইট এর ধরন ও ভিজিটর এর উপর ভিত্তি করে হোস্টিং প্যাকেজ বাছাই করা উচিত। সাধারন ব্লগ সাইট বা ছোটো খাটো ওয়েবসাইট গুলো শেয়ারড হোস্টিং দিয়ে ভালোই চলে। তবে বড় বড় ব্যবসায়ীরা ই-কমার্স ওয়েবসাইট, ই-মেইল মার্কেটিং, ভিওআইপি সার্ভিস এর জন্য বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভিপিএস, ক্লাউড, ডেডিকেটেড হোস্টিং ব্যবহার করেন। এসব হোস্টিং এ প্রচুর টাকা খরচ হয়। তবে এই সব হোস্টিং প্যাকেজ এ সেবার মান সবচেয়ে ভালো। আমাদের মতো সাধারন ব্যবহারকারী দের জন্য শেয়ারড হোস্টিং প্যাকেজ এ বিভিন্ন ক্যাটাগরির হোস্টিং প্যাকেজ থাকে। চাহিদা মতো বেছে নিলেই ভালো। কারন শেয়ারড হোস্টিং এর সার্ভার গুলো আজকাল অনেক উন্নত মানের।
ওয়েবসাইট এর জন্য হোস্টিং সব সময় বড় বড় হোস্টিং কোম্পানি গুলোর কাছ থেকে নেওয়া উচিত, যাদের হোস্টিং সেবার সুনাম রয়েছে। গ্রীন হোস্টিং, হোস্ট গেটর, হোস্ট পাপা, আই পেইজ এরা হোস্টিং ব্যবসায় অত্যন্ত সুনাম ধারী প্রতিষ্ঠান। এদের অতুলনীয় হোস্টিং সেবা ও ডেডিকেটেড “কাস্টমার সাপোর্ট” আপনার ওয়েবসাইটকে ইন্টারনেট এ নিরাপদ ও সবসময় অনলাইন এ রাখবে। তবে এইসব হোস্টিং প্রতিষ্ঠান থেকে হোস্টিং নিলে, খরচ অত্যন্ত বেশি পড়বে। বিদেশী হোস্টিং প্রতিষ্ঠান গুলো অনেক ব্য্যবহুল। ডলার এর মাধ্যমে এদের হোস্টিং বিল পরিশোধ করতে হয়। বাংলাদেশ থেকে ডলার এর মাধ্যমে এদের হোস্টিং বিল পরিশোধ করতে অনেক ঝামেলা। পেপাল, মানি বুকারস বা ইন্টারন্যাশনাল ভিসা/মাস্টার কার্ড ছাড়া এই সব হোস্টিং প্রতিষ্ঠানএ হোস্টিং বিল পরিশোধ করা যায় না। আর অন্যের কাছ থেকে ডলার কিনে তারপর হোস্টিং এর বিল দেওয়ার ঝামেলা যে কত বেশি তা বলে শেষ করা যাবে না। ডলার বাটপার এর হাতে পড়লে তো পুরো টাকা শেষ। এই দিক থেকে চিন্তা করলে আমাদের দেশীয় ওয়েব হোস্টিং প্রতিষ্ঠান গুলো অনেক ভালো। বিল পরিশোধ এর এতো রকমের ঝামেলা আমাদের দেশীয় ওয়েব হোস্টিং প্রতিষ্ঠান গুলোতে নেই বললেই চলে।
বিদেশী ভালো হোস্টিং প্রতিষ্ঠান থেকে রিসেলারহোস্টিং নিয়ে, আমাদের বাংলাদেশি হোস্টিং প্রতিষ্ঠানও আজকাল ভালো হোস্টিং সেবা দেওয়ার চেস্টা করছে। কাস্টোমার এর চাহিদার কথা বিবেচনা করে তারাও বেশ ভালো হোস্টিংসার্ভিসের নিশ্চয়তা দেয়। আসল কথা হল ওয়েবসাইট হোস্টিংএ সমস্যা থাকবেই। কখনো তা “সার্ভার” এর সমস্যা কখনো বা ওয়েবসাইট এর মালিকের ভুলের কারনে হয়। তাই নতুনদের জন্য বাংলাদেশী হোস্টিং সার্ভিসে ওয়েবসাইট হোস্ট করা সুবিধাজনক। কারন, সে কোন সমস্যার সমাধান এর জন্য সরাসরি বাংলায় কাস্টোমার কেয়ার এর নাম্বারে কথা বলে সমাধান পাবার মজাই আলাদা । বাংলাদেশী হোস্টিং কোম্পানি গুলো তুলনামূলক কম টাকায় হোস্টিং সেবা প্রদান করে। আর হোস্টিং বিল পরিশোধ করতে বেশি বেগ পেতে হয় না।
সার্ভার এর “আপ-টাইম” ওয়েব হোস্টিং এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বেশির ভাগ বাংলাদেশী হোস্টিং কোম্পানি কাস্টোমারকে লোভ দেখানোর জন্য কম টাকায় হোস্টিং সেবা দিয়ে থাকে। প্রকৃতপক্ষে কম টাকার হোস্টিং সেবায় সার্ভার এর “আপ-টাইম” সমস্যা বেশি হয়। প্রায় সময় সার্ভার ডাউন থাকার কারনে, ওয়েবসাইট ঠিকমতো লোড হয় না। এটা আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বাংলাদেশি কিমবা বিদেশী যে হোস্টিং কোম্পানি থেকে হোস্টিং নেন না কেন, সার্ভার এর সাধারন স্ট্যাটাস কেমন থাকবে তা নিশ্চিত হয়ে হোস্টিং নেওয়া উচিত। আজকাল অনেক বিদেশী হোস্টিং কোম্পানিতেও সার্ভার এর “আপ-টাইম” সমস্যা হয়। তাই যদি বিদেশী হোস্টিং কোম্পানি থেকে হোস্টিং নেওয়ার ইচ্ছা থাকে তবে অবশ্যই নামকরা হোস্টিং কোম্পানি থেকে হোস্টিং নেওয়া উচিত।
হোস্টিং এর ক্ষেত্রে “ডিস্ক স্পেস” ও “ব্যান্ডউইথ” শব্দ দুইটি বেশি শোনা যায়। আমাদের অনেকের ধরনা ১জিবি হোস্টিং এর থেকে ২জিবি হোস্টিং ভালো, ৫জিবি হোস্টিং আরো ভালো। আসলে এই ধারনাটি সম্পূর্ণ ভুল। ১জিবি, ২জিবি, ৫জিবি- এগুলো সব “ডিস্ক স্পেস”। অনেকটা আপনার মেমোরি কার্ড এর মতন। “ডিস্ক স্পেস” এ আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর তথ্য সংরক্ষণ করে রাখবেন। আপনি আপনার মেমোরি কার্ড এ কি পরিমান তথ্য রাখবেন তার উপর ভিত্তি করে আপনার মেমোরি কার্ড কিনেন। ঠিক তেমনি হোস্টিং এর ক্ষেত্রে সেই নিয়মটি মেনে “ডিস্ক স্পেস” বাছাই করে হোস্টিং প্যাকেজ নির্বাচন করুন। ওয়েবসাইট এর আকার ও ওয়েবসাইট এর ভেতরের তথ্য যদি বেশি হয় তবে “ডিস্ক স্পেস” বেশি নিতে হবে আর ওয়েবসাইট এর আকার ও ওয়েবসাইট এর ভেতরের তথ্য যদি কম হয় তবে “ডিস্ক স্পেস” কম নিতে হবে। “ব্যান্ডউইথ” সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। “ব্যান্ডউইথ” জত বেশি হবে তত ভালো। লিমিটেড “ব্যান্ডউইথ” এর হোস্টিং প্যাকেজ নির্বাচন করা উচিত নয়। অনেকে ২০জিবি, ৫০জিবি কিমবা ১০০জিবি “ব্যান্ডউইথ” দিয়ে কম টাকায় হোস্টিং প্যাকেজ কিনে। পরবর্তীতে ওয়েবসাইট এ ভিজিটর বেশি আসলে তারা বিপদে পড়ে। অতএব ২০জিবি, ৫০জিবি কিমবা ১০০জিবি এর ফাঁদে পা না দিয়ে যারা আন-লিমিটেড “ব্যান্ডউইথ” দিবে তাদের কাছ থেকে হোস্টিং কিনুন। এতে আপনি নিশ্চিন্ত থাকবেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মাসিক হোস্টিং প্যাকেজ গুলোতে আন-লিমিটেড “ব্যান্ডউইথ” সুবিধা থাকে। আমার মতে সেগুলো সবচেয়ে ভালো। কোনো কোনো হোস্টিং কোম্পানি আন-লিমিটেড “ডিস্ক স্পেস” এর সুবিধা দেয়। এদের কাছ থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন। কারন এদের হোস্টিং এর মান খুব নিন্ম মানের হয়।
উন্নত সিপিউ ও র‍্যাম সম্রিধ্য সার্ভার থেকে ওয়েবসাইট হোস্ট করা উচিত। এতে ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হয়। আপনার ওয়েবসাইট এর ভিজিটররা ও খুশি হবে। অনেক হোস্টিং কোম্পানি তাদের কাস্টোমারের সুবিধার কথা চিন্তা করে বাড়তি সিপিউ ও র‍্যাম ওয়েবসাইট হোস্টিং এ যোগ করার সুযোগ দেয়। এতে করে শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বেশি সুযোগ পায় ও তারাতাড়ি লোড হয়। এই ধরনের “ভেলু এডেড সার্ভিস” শুধুমাত্র নামকরা হোস্টিং কোম্পানি গুলোর কাছে পাওয়া যায়। এদের কাছ থেকে হোস্টিং নেওয়া উচিত।
হোস্টিং এর ক্ষেত্রে “ডেডিকেটেড কাস্টোমার সার্ভিস” অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ। যে সব হোস্টিং কোম্পানির কাস্টোমার সাপোর্ট দিনে ২৪ ঘন্টা ও বছরে ৩৬৫ দিন খোলা থাকে, তাদেরকে বাছাই করুন আপনার ওয়েবসাইট কে হোস্ট করার জন্য। ই-মেইল, চ্যাট, মোবাইল, সাপোর্ট টিকেট এর সুবিধা আছে এমন হোস্টিং কোম্পানি থেকে হোস্টিং নিবেন। যাতে আপনার ওয়েবসাইট এর যে কোনো সমস্যাই আপনি হোস্টিং কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। সরাসরি যোগাযোগ এর সুযোগ থাকলে আরো ভালো। বাংলাদেশি অনেক হোস্টিং কোম্পানি আছে যারা সার্ভার এ সামান্য সমস্যা দেখা দিলে “ই-মেইল, চ্যাট, মোবাইল, সাপোর্ট টিকেট” কাস্টোমার এর সাথে সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। অতএব হোস্টিং কোম্পানি গুলোর মিষ্টি কথায় না ভুলে বুঝে শুনে হোস্টিং কোম্পানি বাছাই করুন।
আজকাল অনেক হোস্টিং কোম্পানি আছে যারা নিত্য নতুন ফাঁদ পেতে ১০০০-১৫০০ টাকার ভেতর একসাথে “ডোমেইন” রেজিস্ট্রেশন ও হোস্টিং এর সুবিধা দেয়। তারা বিভিন্ন সস্তা হোস্টিং প্যাকেজ বানিয়ে শুধু মুনাফা বাড়ানোর চিন্তা করে। সাবধানে এই সব হোস্টিং প্যাকেজ এড়িয়ে চলুন। এই সব হোস্টিং কোম্পানির সেবার মান ভালো হয় না। আপনিই একটা সহজ হিসাব করুন- একটা “ডোমেইন” রেজিস্ট্রেশন করতে খরচ হয় ৮৫০-১০০০ টাকা। তাহলে বাকি ৫০০-৬০০ টাকার হোস্টিং কতটুকু ভালো হবে? বাকিটা আপনাদের বিবেচনায় ছেড়ে দিলাম।
বাৎসরিক হিসেবে হোস্টিং না নিয়ে মাসিক হিসেবে হোস্টিং প্যাকেজ বাছাই করুন। এর সুবিধা আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন। মাসিক হিসেবে হোস্টিং প্যাকেজ নিলে, আপনার যদি কোনো হোস্টিং কোম্পানি ভালো না লাগে তাহলে আপনি সহজেই অন্য হোস্টিং কোম্পানিতে সরে আসতে পারবেন। খরচও ও সাশ্রয় হবে। আর যেহেতু আপনি মাসিক কাস্টোমার, সেহেতু হোস্টিং কোম্পানি গুলো আপনাকে ভালো সার্ভিস দেওয়ার জন্য অব সময় চেষ্টা করবে।
যেসব হোস্টিং কোম্পানিতে দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ভিত্তিতে অটোম্যাটিক সার্ভার ব্যাকআপ এর সুবিধা দেয় তাদের কাছ থেকে হোস্টিং সেবা নেওয়া উচিত। এতে করে আপনার ভুলের কারনেও যদি আপনার ওয়েবসাইট থেকে মুল্যবান তথ্য হাড়িয়ে যায়, হোস্টিং কোম্পানি তাদের নিজস্ব সার্ভার ব্যাকআপ থেকে আপনার হারিয়ে যাওয়া তথ্য আপনাকে ফিরিয়ে দিতে পারবে। বেঝে দেখুন, এটা আপনার জন্য কত বড় সুবিধা।
অনেক বাংলাদেশি হোস্টিং কোম্পানি আজকাল মুল্য ফেরত গ্যারান্টি দেয়। তাদের মধ্যে কয়টি হোস্টিং কোম্পানি আপনাকে খারাপ হোস্টিং সেবার জন্য মুল্য ফেরত দিবে সেটা আপনারাই বিবেচনা করে দেখবেন। ৪০%, ৫০% মুল্য ছাড়ের ফাঁদে দয়া করে পা দিবেন না। এটা আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সহজ কথায়, ভালো ভালো হোস্টিং কোম্পানিতে মুল্য ছাড়ের প্রয়োজন হয় না। হোস্টিং প্যাকেজ এর মূল্য দেখে আপনি সহজেই হোস্টিং সেবার মান বুঝতে পারবেন।
বিদেশি বড় বড় হোস্টিং কোম্পানিতে শর্ত সাপেক্ষে মাসিক ১ পয়সা বা ১ ডলার দিয়ে হোস্টিং সেবা দেয়। ভালো করে শর্ত পড়ে দেখবেন, হোস্টিং বাবদ ১ম মাসে ১ পয়সা বা ১ ডলার এবং পরবর্তী মাসে ৭-১০ ডলার মাসিক হোস্টিং বিল লিখা আছে। অতএব ভালো করে সব কিছু পড়ে হোস্টিং কোম্পানির প্যাকেজ নির্বাচন করবেন। আজকাল বাংলাদেশি কিছু হোস্টিং কোম্পানি এই বাটপারি শুরু করেছে। বুঝতেই পারছেন কাস্টোমার ধরার জন্য দেশি-বিদেশি সব হোস্টিং কোম্পানিই এই রকম ধাপ্পাবাজি করে। এই সব ব্যাপারে সাবধান থাকবেন।
Photo
Add a comment...

Post has attachment
৪০০ টাকার কমে কিনুন নতুন কম্পিউটার!

৪০০ টাকার কমে নতুন কম্পিউটার এনেছে যুক্তরাজ্যের প্রতিষ্ঠান রাস্পবেরি পাই। গত বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানটির বানানো কম্পিউটারের নতুন সংস্করণ ‘রাস্পবেরি পাই জিরো’ অনলাইনে ছাড়ার একদিনের মধ্যে এগুলো বিক্রি হয়ে যায়। এ সাফল্যে আপ্লুত রাস্পবেরি ফাউন্ডেশনের প্রধান এবেন আপটন জানান, শিগগিরই বাজারে আসছে আরো পাঁচ ডলার দামের কম্পিউটার।

রাস্পবেরি পাই এক ধরনের কমমূল্যের ক্রেডিট কার্ড সাইজের সিঙ্গেল বোর্ড কম্পিউটার। এ কম্পিউটারের প্রসেসর, র‍্যাম এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি একটি বোর্ডের মধ্যেই থাকে। এর অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্সের মতো।
কম্পিউটার শিক্ষাকে সহজলভ্য করার জন্য ইংল্যান্ডের রাস্পবেরি পাই ফাউন্ডেশন এই বিশেষ ধরনের কম্পিউটার তৈরি করে। স্বল্পমূল্যে ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটার বাজারে এনে এরই মধ্যে ভীষণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আর এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাজারে এসেই বাজিমাত করল রাস্পবেরি পাই জিরো।

প্রতিষ্ঠানটির বানানো ‘রাস্পবেরি পাই জিরো’ কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য হলো ১ গিগাহার্জের এআরএম১১ সিঙ্গেল কোর প্রসেসর, ৫১২ মেগাবাইট এসডি র‍্যাম। এ ছাড়া আছে একটি মাইক্রো এসডি কার্ড স্লট, মিনি এইচডিএমআই পোর্ট যার সাহায্যে একে ডিসপ্লের সঙ্গে যুক্ত করা যাবে। রাস্পবেরি পাই জিরোর দৈর্ঘ্য মাত্র ৬৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৩০ মিলিমিটার। জনপ্রিয় বিভিন্ন অ্যাপ যেমন- স্ক্র্যাচ, মাইনক্রাফট, সনিক পাই প্রভৃতি পাওয়া যাবে এতে।

কয়েকটি অনলাইন স্টোর থেকে রাস্পবেরি পাই জিরো বিক্রি হয়েছে। যদিও বিক্রির প্রথম দিনেই শেষ হয়ে গেছে রাস্পবেরি পাই। এর পাশাপাশি রাস্পবেরি পাই ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত ম্যাগাজিন ম্যাগপাই-এর সঙ্গে বিনামূল্যে পাওয়া যাবে এটি।

Photo
Add a comment...

Post has attachment
কিভাবে সেরা এন্ট্রি লেভেল ডিজিটাল ক্যামেরা খুঁজে পাবেন?
ভালো ছবি তুলতে হলে কী করে ক্যামেরা কিনতে হবে তা জানা থাকলে ভালো। বাজারে অনেক ক্যামেরা রয়েছে, ছোট পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরা থেকে অনেক দামী পেশাদার (প্রফেশনাল) ক্যামেরা। সঠিক ক্যামেরা বাছাই করা নির্ভর করে ক্যামেরার সাথে আপনার চাহিদার সমন্বয়ের উপর।

আমি কোন ক্যামেরা কিনবো?

আপনি কোন ক্যামেরা কিনবেন তা নির্ভর করছে আপনি ক্যামেরা দিয়ে কী করবেন তার উপর। আপনি যদি মাঝেমধ্যে পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং কোনো অনুষ্ঠানের ছবি তুলতে চান, তবে তা করার জন্য অনেক এন্ট্রি লেভেল ক্যামেরা পাবেন। আপনি যদি কেবল একবার ব্যাবহারের জন্য কোনো ক্যামেরা খুঁজেন, তবে অনেক কমদামী ক্যামেরা পাবেন যাতে আপনার বেশি টাকাও খরচ হবে না অথচ ভালো ছবিও তুলতে পারবেন।

ক্যানন (Canon)

ক্যামেরা বিক্রির শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ক্যাননের সাশ্রয়ী আলট্রা-কমপ্যাক্ট ক্যামেরা থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য ব্যবহৃত ক্যামেরা পর্যন্ত অসংখ্য মডেলের ক্যামেরা রয়েছে। সেরা পকেট ক্যামেরাগুলো ক্যাননের তৈরি, এবং মানুষ এগুলোর হাল্কা-পাতলা গঠন বেশ পছন্দ করে। ক্যানন এলফ (Canon Elph) এক ধরনের ক্যামেরা ফোনেরই সেট-আপ, এবং এতে ১০X জুম রয়েছে, যা দুই হাতের বেশি দূরত্বের ছবি তোলার জন্য যথেষ্ট। ক্যামেরা স্পীড পশুপাখি ও বাচ্চাদের ছবি তোলার জন্য যথেষ্ট দ্রুত। এই ক্যামেরাটি সকল আলট্রা-কমপ্যাক্ট ক্যামেরার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফিচার সমৃদ্ধ মডেল, এবং সবসময় বহন করার জন্য আপনার পকেটে এঁটে যাবে।

ক্যাননের ক্যামেরাগুলো এদের তীক্ষ্ণ রেজুলেশান এবং স্বয়ংক্রিয় সেটিং-এর জন্য বিখ্যাত, যা ছবি তোলা অনেক সহজ করে দিয়েছে। কমপ্যাক্ট ডিজিটাল ক্যামেরা রিভিউয়ে ক্যানন সবার উপরে।

নিকন (Nikon)

নিকন ক্যামেরা বাজারে জনপ্রিয় ক্যামেরাগুলোর অন্যতম এবং সৌখিন ফটোগ্রাফারদের পছন্দ। আপনি অ্যাকশন শট নিতে চাইলে নিকন সমসাময়িক সেরা ক্যামেরাগুলোর মধ্যে অন্যতম। অন্যান্য ব্র্যান্ডের চাইতে এর শাটার স্পীড বেশি এবং ম্যানুয়াল শুটিং শুরু করার জন্য দারুন। আপনি সহজেই স্বল্প আলো, অ্যাকশন, লং-শটের জন্য সেটিং পরিবর্তন করতে পারবেন। কিছু ডিজিটাল ক্যামেরা রিভিউ নিকনকে সেরা ডিজিটাল ক্যামেরা বলে উল্লেখ করেছে।

পানিরোধী ক্যামেরা

আপনি যদি পানিরোধী ডিজিটাল ক্যামেরা খুঁজে থাকেন, তবে পেনটেক্স (Pentax) দিচ্ছে সবচেয়ে বেশী সংখ্যক দীর্ঘস্থায়ী ক্যামেরার বিকল্প, যা সব ধরনের আবহাওয়ায় ছবি তোলার উপযোগী। আপনি সমুদ্র সৈকত বা পানির নিচে ছবি তুলতে চাইলে, এর জন্য অনেক ভালো ভালো ক্যামেরা রয়েছে। একটি পানিরোধী ক্যামেরা ক্রুজ শীপ, ঝড়বৃষ্টির দিনে, অথবা যেখানে ভিজে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে এমন জায়গার জন্য আদর্শ। প্রফেশনাল ফটোগ্রাফাররা দীর্ঘস্থায়িত্ব ও সকল আবহাওয়া উপযোগী মডেলের জন্য পেনটেক্স পছন্দ করেন।

জুম ক্যামেরা

আপনি যদি দূর থেকে ছবি তুলতে চান, তবে ভালো জুমের ক্যামেরা থাকা জরুরী। সনি কমপ্যাক্ট সিস্টেমের ক্যামেরা তৈরি করে থাকে, যাদেরকে বিভিন্ন রিভিউয়ে সেরা জুম ক্যামেরা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে আপনি প্রকৃতি, বন্যপ্রাণী, এবং বিল্ডিংয়েরও ভালো অ্যাকশন শট নিতে পারবেন। এদের কিছু উঁচু মানের ক্যামেরা বাজারে প্রফেশনাল ডিজিটাল ক্যামেরার মতোই ভালো।

সস্তা ক্যামেরা

আপনি যদি বাজারের সেরা সস্তা ক্যামেরা কিনতে চান, তবে লুমিক্স (Lumix)-এর মত ভালো আর কিছু হতে পারে না। যারা নতুন ক্যামেরা কিনছেন এবং নির্ধারিত ফলাফল পেতে বিভিন্ন ফাংশনের ব্যাবহার শিখতে চাচ্ছেন তাঁদের জন্য এই ব্র্যান্ডের ক্যামেরা সবচেয়ে ভালো। লুমিক্স ক্যামেরা দিয়ে আপনি প্যানারমিক ছবি, দূরের এবং কাছের ছবি তুলতে পারবেন। পরিবর্তনযোগ্য লেন্স এবং ম্যানুয়াল সেটিংয়ে পরিবর্তনের সুযোগের কারণে স্বল্পমূল্য সত্ত্বেও লুমিক্স অন্যান্য এন্ট্রি-লেভেল ডিএসএলআর (DSLR)-এর সমতুল্য।

স্যামসাং ক্যামেরা

প্রযুক্তি শিল্পে স্যামসাং শীর্ষস্থানীয়দের একটি, এবং তাদের ক্যামেরা আপনাকে হতাশ করবে না। স্যামসাং-এর সেরা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর ওয়াই-ফাই (Wi-fi) সুবিধা। বেতার অ্যাক্সেসের মাধ্যমে আপনি আপনার ক্যামেরা থেকে সরাসরি স্মার্টফোন, ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ কম্পিউটারে ছবি স্থানান্তর করতে পারবেন। এতে সহজেই আপনি ছবি শেয়ার করতে পারবেন। ঝকঝকে ছবির জন্য স্যামসাং সেরা, এবং গ্রাহক রিভিউয়ে সবসময় উপরের দিকে থাকে।

ডিজিটাল ক্যামেরা কেনা

আপনার চাহিদা অনুযায়ী ভালো ক্যামেরা কেনার চাবিকাঠি হচ্ছে কোন বিষয়গুলো আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ তা খুঁজে বের করা।

রেজুলেশন

এটি নির্ধারণ করবে আপনার ছবি কতটা ঝকঝকে হবে। কিছু ক্যামেরার রেজুলেশন এতোটা ভালো যে তা রঙগুলোকে ফুটিয়ে তোলে, যা আপনার ছবিকে জীবন্ত করে তোলে। অন্যান্য কামেরায় কিছুটা কম রেজুলেশন থাকায় তাতে মোটামুটি ছবি ওঠে কিন্তু তা খুব ভেশি ভালো হয় না। মূল বিষয় হচ্ছে ক্যামেরার মেগাপিক্সেল কত তা দেখতে হবে। যত বেশী মেগাপিক্সেল ততো ঝকঝকে ছবি।

লেন্স

আপনি কোন ধরনের ছবি তুলতে পারবেন তা নির্ভর করে লেন্সের প্রস্থ ও দৈর্ঘ্যের উপর। ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স দিয়ে আপনি অনেক বড় ছবি তুলতে পারবেন, যেমন আকাশ বা শহরের ল্যান্ডস্কেপের ছবি। টেলিফটো লেন্স খেলাধুলার ছবি এবং পোট্রেট ও এমন পরিস্থিতি যেখানে অনেক দূর থেকে ছবি তোলা লাগবে সেসব ক্ষেত্রে উপযুক্ত। অধিকাংশ ডিজিটাল ক্যামেরার সাথে একটি স্ট্যান্ডার্ড অ্যাঙ্গেল লেন্স থাকে। সাধারণ ক্যামেরার অসুবিধা হচ্ছে ভালো ছবি তোলার জন্য আপনি চাইলেই লেন্স পরিবর্তন করতে পারবেন না। ডিএসএলআর (DSLR) ক্যামেরায় ভালো অ্যাঙ্গেল ও রেজুলেশনের জন্য লেন্স পরিবর্তন করতে পারবেন।

সেরা কমপ্যাক্ট ডিজিটাল ক্যামেরা খুঁজে পেতে, অনেক ভালো ভালো বিকল্প রয়েছে, যা আপনাকে স্বল্পমূল্যে ভালো ক্যামেরা কিনতে সাহায্য করবে। সাধারণ পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরা থেকে শুরু করে অনেক দামী ডিএসএলআর (DSLR) ক্যামেরার মধ্যে সঠিক ক্যামেরাটি বাছাইয়ের মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন অনেক বছরের স্মৃতি। আপনি ব্রিজ ক্যামেরা বা আপনার পকেটে এঁটে যাবে এমন সাধারণ ক্যামেরা যাই খুঁজুন না কেনো, এমন একটি ক্যামেরা আছে যা আপানার চাহিদা মেটাতে পারে। আপনার চাহিদা পূরণ করে এবং সহজে ভালো ছবি তোলার জন্য ম্যানুয়াল ও অটোম্যাটিক উভয় সেটিং-ই রয়েছে, এমন ক্যামেরা খুঁজে বের করুন। অনেক ভালো ভালো ব্র্যান্ড রয়েছে, যেখানে প্রত্যেকেই নতুন ব্যাবহারকারিদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করছে।
Photo
Add a comment...

Post has attachment
কিভাবে সেরা এন্ট্রি লেভেল ডিজিটাল ক্যামেরা খুঁজে পাবেন?

ভালো ছবি তুলতে হলে কী করে ক্যামেরা কিনতে হবে তা জানা থাকলে ভালো। বাজারে অনেক ক্যামেরা রয়েছে, ছোট পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরা থেকে অনেক দামী পেশাদার (প্রফেশনাল) ক্যামেরা। সঠিক ক্যামেরা বাছাই করা নির্ভর করে ক্যামেরার সাথে আপনার চাহিদার সমন্বয়ের উপর।

আমি কোন ক্যামেরা কিনবো?

আপনি কোন ক্যামেরা কিনবেন তা নির্ভর করছে আপনি ক্যামেরা দিয়ে কী করবেন তার উপর। আপনি যদি মাঝেমধ্যে পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং কোনো অনুষ্ঠানের ছবি তুলতে চান, তবে তা করার জন্য অনেক এন্ট্রি লেভেল ক্যামেরা পাবেন। আপনি যদি কেবল একবার ব্যাবহারের জন্য কোনো ক্যামেরা খুঁজেন, তবে অনেক কমদামী ক্যামেরা পাবেন যাতে আপনার বেশি টাকাও খরচ হবে না অথচ ভালো ছবিও তুলতে পারবেন।

ক্যানন (Canon)

ক্যামেরা বিক্রির শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ক্যাননের সাশ্রয়ী আলট্রা-কমপ্যাক্ট ক্যামেরা থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য ব্যবহৃত ক্যামেরা পর্যন্ত অসংখ্য মডেলের ক্যামেরা রয়েছে। সেরা পকেট ক্যামেরাগুলো ক্যাননের তৈরি, এবং মানুষ এগুলোর হাল্কা-পাতলা গঠন বেশ পছন্দ করে। ক্যানন এলফ (Canon Elph) এক ধরনের ক্যামেরা ফোনেরই সেট-আপ, এবং এতে ১০X জুম রয়েছে, যা দুই হাতের বেশি দূরত্বের ছবি তোলার জন্য যথেষ্ট। ক্যামেরা স্পীড পশুপাখি ও বাচ্চাদের ছবি তোলার জন্য যথেষ্ট দ্রুত। এই ক্যামেরাটি সকল আলট্রা-কমপ্যাক্ট ক্যামেরার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফিচার সমৃদ্ধ মডেল, এবং সবসময় বহন করার জন্য আপনার পকেটে এঁটে যাবে।

ক্যাননের ক্যামেরাগুলো এদের তীক্ষ্ণ রেজুলেশান এবং স্বয়ংক্রিয় সেটিং-এর জন্য বিখ্যাত, যা ছবি তোলা অনেক সহজ করে দিয়েছে। কমপ্যাক্ট ডিজিটাল ক্যামেরা রিভিউয়ে ক্যানন সবার উপরে।

নিকন (Nikon)

নিকন ক্যামেরা বাজারে জনপ্রিয় ক্যামেরাগুলোর অন্যতম এবং সৌখিন ফটোগ্রাফারদের পছন্দ। আপনি অ্যাকশন শট নিতে চাইলে নিকন সমসাময়িক সেরা ক্যামেরাগুলোর মধ্যে অন্যতম। অন্যান্য ব্র্যান্ডের চাইতে এর শাটার স্পীড বেশি এবং ম্যানুয়াল শুটিং শুরু করার জন্য দারুন। আপনি সহজেই স্বল্প আলো, অ্যাকশন, লং-শটের জন্য সেটিং পরিবর্তন করতে পারবেন। কিছু ডিজিটাল ক্যামেরা রিভিউ নিকনকে সেরা ডিজিটাল ক্যামেরা বলে উল্লেখ করেছে।

পানিরোধী ক্যামেরা

আপনি যদি পানিরোধী ডিজিটাল ক্যামেরা খুঁজে থাকেন, তবে পেনটেক্স (Pentax) দিচ্ছে সবচেয়ে বেশী সংখ্যক দীর্ঘস্থায়ী ক্যামেরার বিকল্প, যা সব ধরনের আবহাওয়ায় ছবি তোলার উপযোগী। আপনি সমুদ্র সৈকত বা পানির নিচে ছবি তুলতে চাইলে, এর জন্য অনেক ভালো ভালো ক্যামেরা রয়েছে। একটি পানিরোধী ক্যামেরা ক্রুজ শীপ, ঝড়বৃষ্টির দিনে, অথবা যেখানে ভিজে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে এমন জায়গার জন্য আদর্শ। প্রফেশনাল ফটোগ্রাফাররা দীর্ঘস্থায়িত্ব ও সকল আবহাওয়া উপযোগী মডেলের জন্য পেনটেক্স পছন্দ করেন।

জুম ক্যামেরা

আপনি যদি দূর থেকে ছবি তুলতে চান, তবে ভালো জুমের ক্যামেরা থাকা জরুরী। সনি কমপ্যাক্ট সিস্টেমের ক্যামেরা তৈরি করে থাকে, যাদেরকে বিভিন্ন রিভিউয়ে সেরা জুম ক্যামেরা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে আপনি প্রকৃতি, বন্যপ্রাণী, এবং বিল্ডিংয়েরও ভালো অ্যাকশন শট নিতে পারবেন। এদের কিছু উঁচু মানের ক্যামেরা বাজারে প্রফেশনাল ডিজিটাল ক্যামেরার মতোই ভালো।

সস্তা ক্যামেরা

আপনি যদি বাজারের সেরা সস্তা ক্যামেরা কিনতে চান, তবে লুমিক্স (Lumix)-এর মত ভালো আর কিছু হতে পারে না। যারা নতুন ক্যামেরা কিনছেন এবং নির্ধারিত ফলাফল পেতে বিভিন্ন ফাংশনের ব্যাবহার শিখতে চাচ্ছেন তাঁদের জন্য এই ব্র্যান্ডের ক্যামেরা সবচেয়ে ভালো। লুমিক্স ক্যামেরা দিয়ে আপনি প্যানারমিক ছবি, দূরের এবং কাছের ছবি তুলতে পারবেন। পরিবর্তনযোগ্য লেন্স এবং ম্যানুয়াল সেটিংয়ে পরিবর্তনের সুযোগের কারণে স্বল্পমূল্য সত্ত্বেও লুমিক্স অন্যান্য এন্ট্রি-লেভেল ডিএসএলআর (DSLR)-এর সমতুল্য।

স্যামসাং ক্যামেরা

প্রযুক্তি শিল্পে স্যামসাং শীর্ষস্থানীয়দের একটি, এবং তাদের ক্যামেরা আপনাকে হতাশ করবে না। স্যামসাং-এর সেরা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর ওয়াই-ফাই (Wi-fi) সুবিধা। বেতার অ্যাক্সেসের মাধ্যমে আপনি আপনার ক্যামেরা থেকে সরাসরি স্মার্টফোন, ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ কম্পিউটারে ছবি স্থানান্তর করতে পারবেন। এতে সহজেই আপনি ছবি শেয়ার করতে পারবেন। ঝকঝকে ছবির জন্য স্যামসাং সেরা, এবং গ্রাহক রিভিউয়ে সবসময় উপরের দিকে থাকে।

ডিজিটাল ক্যামেরা কেনা

আপনার চাহিদা অনুযায়ী ভালো ক্যামেরা কেনার চাবিকাঠি হচ্ছে কোন বিষয়গুলো আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ তা খুঁজে বের করা।

রেজুলেশন

এটি নির্ধারণ করবে আপনার ছবি কতটা ঝকঝকে হবে। কিছু ক্যামেরার রেজুলেশন এতোটা ভালো যে তা রঙগুলোকে ফুটিয়ে তোলে, যা আপনার ছবিকে জীবন্ত করে তোলে। অন্যান্য কামেরায় কিছুটা কম রেজুলেশন থাকায় তাতে মোটামুটি ছবি ওঠে কিন্তু তা খুব ভেশি ভালো হয় না। মূল বিষয় হচ্ছে ক্যামেরার মেগাপিক্সেল কত তা দেখতে হবে। যত বেশী মেগাপিক্সেল ততো ঝকঝকে ছবি।

লেন্স

আপনি কোন ধরনের ছবি তুলতে পারবেন তা নির্ভর করে লেন্সের প্রস্থ ও দৈর্ঘ্যের উপর। ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স দিয়ে আপনি অনেক বড় ছবি তুলতে পারবেন, যেমন আকাশ বা শহরের ল্যান্ডস্কেপের ছবি। টেলিফটো লেন্স খেলাধুলার ছবি এবং পোট্রেট ও এমন পরিস্থিতি যেখানে অনেক দূর থেকে ছবি তোলা লাগবে সেসব ক্ষেত্রে উপযুক্ত। অধিকাংশ ডিজিটাল ক্যামেরার সাথে একটি স্ট্যান্ডার্ড অ্যাঙ্গেল লেন্স থাকে। সাধারণ ক্যামেরার অসুবিধা হচ্ছে ভালো ছবি তোলার জন্য আপনি চাইলেই লেন্স পরিবর্তন করতে পারবেন না। ডিএসএলআর (DSLR) ক্যামেরায় ভালো অ্যাঙ্গেল ও রেজুলেশনের জন্য লেন্স পরিবর্তন করতে পারবেন।

সেরা কমপ্যাক্ট ডিজিটাল ক্যামেরা খুঁজে পেতে, অনেক ভালো ভালো বিকল্প রয়েছে, যা আপনাকে স্বল্পমূল্যে ভালো ক্যামেরা কিনতে সাহায্য করবে। সাধারণ পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরা থেকে শুরু করে অনেক দামী ডিএসএলআর (DSLR) ক্যামেরার মধ্যে সঠিক ক্যামেরাটি বাছাইয়ের মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন অনেক বছরের স্মৃতি। আপনি ব্রিজ ক্যামেরা বা আপনার পকেটে এঁটে যাবে এমন সাধারণ ক্যামেরা যাই খুঁজুন না কেনো, এমন একটি ক্যামেরা আছে যা আপানার চাহিদা মেটাতে পারে। আপনার চাহিদা পূরণ করে এবং সহজে ভালো ছবি তোলার জন্য ম্যানুয়াল ও অটোম্যাটিক উভয় সেটিং-ই রয়েছে, এমন ক্যামেরা খুঁজে বের করুন। অনেক ভালো ভালো ব্র্যান্ড রয়েছে, যেখানে প্রত্যেকেই নতুন ব্যাবহারকারিদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করছে।
Photo
Add a comment...

Post has attachment

স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ বেশিক্ষণ থাকে না—এ সমস্যা রীতিমতো সর্বজনীন। এর মধ্যেও কিছু ফোনে বেশি সময় চার্জ থাকে। ব্যাটারির দিক দিয়ে সেরা পাঁচ স্মার্টফোনের একটা তালিকা দিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক অনলাইন পোর্টাল ‘সিনেট’।
সিনেটের পরীক্ষায় শীর্ষস্থানটি পেয়েছে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস ৭ পরিবার। এস ৭-এ চার্জ থাকে ১৬ ঘণ্টা, এস ৭ এজে ১৯ ঘণ্টা আর সবচেয়ে বেশি ২১ ঘণ্টা চার্জ থাকে এস ৭ অ্যাকটিভ ফোনে। দ্বিতীয় স্থানেও স্যামসাং। দামে কম হলেও গ্যালাক্সি জে থ্রি স্মার্টফোনে চার্জ থাকে ১৫ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। তৃতীয় স্থানটি হুয়াওয়ের। মেট ৮ ফোনে আঙুলের ছাপ শনাক্ত করার প্রযুক্তি রয়েছে। এর ক্যামেরাও বেশ শক্তিশালী। এই ফোনের ব্যাটারি চলে টানা সাড়ে ১৫ ঘণ্টা। ওয়ান প্লাস থ্রি ফোন আছে চতুর্থ স্থানে। দামের দিক থেকে মাঝারি অবস্থানের এই সেটে আছে শক্তিশালী প্রসেসর। তারপরও এর ব্যাটারির চার্জ থাকে ১৪ ঘণ্টা ১৭ মিনিট। ১৪ ঘণ্টা টানা চলার ক্ষমতা নিয়ে পঞ্চম স্থানটি দখল করেছে শাওমি মি-৫ স্মার্টফোন। দুটি সিমকার্ড ব্যবহার করা যায় এতে।সিনেট
১. এস ৭ অ্যাকটিভ ২১:০০ ঘণ্টা
২. গ্যালাক্সি জে থ্রি ১৫:৪০ ঘণ্টা
৩. হুয়াওয়ে মেট ৮ ১৫:৩০ ঘণ্টা
৪. ওয়ান প্লাস থ্রি ১৪:১৭ ঘণ্টা
৫. শাওমি মি-৫ ১৪:০০ ঘণ্টা
Add a comment...

Post has attachment
এই ১৫টি ভাইরাস আপনার পিসিতে নেই তো?

প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কম্পিউটার ভাইরাস। কীভাবে আপনার পিসিতে এইসব ভাইরাস প্রবেশ করে ধ্বংসলীলা চালায় তা হয়তো বুঝতেও পারবেন না আপনি।সিকিউরিটি যতই শক্তিশালী হোক, সব ছত্রভঙ্গ করে দিচ্ছে এই সব ভাইরাস। ভাইরাসের আক্রান্তে ক্ষতি হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এমনি সব ভাইরাসের আতঙ্কে রাষ্ট্র থেকে আমজনতা। জেনে নিন কম্পিউটার জগতে এমন কিছু বিপজ্জনক ভাইরাসের কথা। ০১. জিউস: ২০০৭ সালে জিউস ম্যালওয়ারের খোঁজ মেলে। কম্পিউটারে এই ভাইরাস ইনস্টল হলে আপনা আপনি ইন্টারনেট থেকে আপডেট নিতে থাকে। সাইবার ক্রাইমের দুনিয়ায় এই ভাইরাস ভয়ঙ্কর। ব্যাঙ্ক বা বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি করার ক্ষমতা রয়েছে এই ভাইরাসের। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০০৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৭০ হাজার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আক্রান্ত হয়েছে। এমন কী জিউসের নজরে নাসাও বাদ যায়নি। ০২. জিউস গেমওভার: জিউস পরিবারের এক সদস্য জিউস গেমওভার। এই ম্যালওয়ারও বাণিজ্যিক সফটওয়ারগুলিতে প্রভাবিত করে। ক্রেডিট কার্ড নম্বর, পাসওয়ার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করতে ওস্তাদ জিউস গেমওভার। বিশ্বের এক লক্ষ কম্পিউটা আক্রান্ত জিউস গেমসওভার ভাইরাসে। ০৩. কনফিকার: ২০০৮ সালে প্রথম লক্ষ্য করা যায় কনফিকার ভাইরাসকে। সাধারণত উইনডোজ অপারেটিং সিস্টেমকে ক্ষতি করে। এমন কী কম্পিউটারে অ্যান্টি ভাইরাস থাকলেও তাকে ডিজেবল করে খুব সহজেই বাসা বাঁধতে পারে। ০৪. ক্রাইপ্টোলকার: খুব পরিচিত ম্যালওয়ার ক্রাইপ্টোলকার। কম্পিউটারে এই ভাইরাস ঢুকলে সিস্টেম লক করে দেয়। যতক্ষণ না ক্রাইপ্টোলকারের অরজিনাল সিরিয়াল কি দেওয়া হচ্ছে সিস্টেম খোলা যাবে না। ০৫. কোয়াকবট: পাসওয়ার্ড চুরি করার জুরি নেই কোয়াকবটের। ২০১১ সালে খোঁজ মেলে এই ভাইরাসের। নেটব্যাঙ্কিং, কম্পিউটার লগইনের মতো মূল্যবান পাসওয়ার্ড চুরি করার ক্ষমতা রাখে কোয়াকবট। ০৬. সাইকিপট: সাইকিপট এক প্রকার ট্রোজান হর্স ভাইরাস। ২০০৭ সালে এই ভাইরাস ধরা পড়ে। পাসওয়ার্ড সম্পর্কিত তথ্য চুরি করার দুরন্ত ক্ষমতা রয়েছে সাইকিপটের। ০৭. স্যান্ডওয়ার্ম: সম্প্রতি স্যান্ডওয়ার্মের খোঁজ পাওয়া গেলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ২০০৯ সাল থেকেই এর অস্তিত্ব রয়েছে। সাধারণত মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড ও অ্যাডব সফটওয়ারে ক্ষতি করে থাকে। ০৮. ব্ল্যাকপস: উইনডোজ অপারেটিং পয়েন্ট অফ সেল (পিওএস) সিস্টেমে যদি ক্রেডিট ও ডেভিট কার্ড ব্যবহার করা হয়, তার তথ্য খুব সহজেই চুরি করতে পারে ব্ল্যাকপস। ০৯. কলার: অ্যান্ড্রয়েড ট্রোজান ভাইরাস এটি। ২০১৪ সালে সনাক্ত করা যায়। মোবাইলে ব্রাউজিং করার সময় অনায়াসে ঢুকে যেতে পারে কোলার ভাইরাস। পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইট থেকে আসার সম্ভবনা থাকে বেশি। ১০. আইলাভইউ: নাম আইলাভইউ হলেও কাজে কিন্তু ভয়ঙ্কর। এই ভাইরাস আক্রান্ত হলে পুরোপুরি কম্পিউটার বিকল করে দেয়। দেখা গেছে সারা বিশ্বে আইলাভইউ ভাইরাসে কম্পিউটার আক্রান্ত হয়ে প্রায় এক হাজার কোটি ডলার গচ্চা দিতে হয়েছে। ১১. কোড রেড: ২০০১ সালে সনাক্ত হয় কোড রেড ভাইরাস। ইআই ডিজিটাল সিকিউরিটির দুই কর্মী এই ভাইরাসের সন্ধান পায়। কম্পিউটারে মেমরি ক্ষতি করে এই ভাইরাস। ১২. মেলিসা: ১৯৯৯ সালে ডেভিড এল স্মিথ মেলিসা ভাইরাস তৈরি করেন। ওয়ার্ড ডকুমেন্টের ক্ষতি করে এটি। ১৩. স্টাক্সনেট: সাইবার যুদ্ধে অন্যতম অস্ত্র স্টাক্সনেট ভাইরাস। মনে করা হয়, আমেরিকা ও ইজরায়েল ডিফেন্সের যৌথ উদ্যোগে এই ভাইরাস তৈরি করা হয়েছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বানচাল করার জন্য। যদিও সরকারিভাবে বিষয়ে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ১৪. মাইডুম: আইলাভইউ ভাইরাস আসার আগে মাইডুম ছিল জনপ্রিয় ইমেল ভাইরাস। উইনডোজ কম্পিউটারেরই সাধারণত ক্ষতি করে। ১৫. ফ্ল্যাশব্যাক: ফ্ল্যাশব্যাক একটি ট্রোজান ভাইরাস সাধারণত ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষতি করে। ২০১৪ সালে ২২ হাজার ম্যাক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফ্ল্যাশব্যাক আক্রমণে। -
Photo
Add a comment...

Post has attachment
Wait while more posts are being loaded