Profile cover photo
Profile photo
Daffodil International University
1,651 followers -
Daffodil International University is a private university located at Dhanmondi.
Daffodil International University is a private university located at Dhanmondi.

1,651 followers
About
Posts

Post has attachment
Exclusive career counselling session titled "Sustainability in Career" by Mr. Sabur Khan

Mr. Md. Sabur Khan (Honorable Chairman, Jobsbd.com & Daffodil Family) is going to conduct a exclusive career counselling session titled "Sustainability in Career" at 7th session of "Inspire Young" program organized by Jobsbd.com along with British Council and powered by BSDI.

Date: 25th September, 2017
Location: British Council Auditorium, 5 Fuller Road, Dhaka-1000, Bangladesh

Online Registration: https://goo.gl/EgHNxJ

You are invited to join the session to hear from the expert and step forward yourself in the competitive world.
Photo
Add a comment...

Post has attachment
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-প্রথম আলো সুডোকু চ্যাম্পিয়নশিপ ২০১৭

এবার সুডোকোর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে লড়বে বাংলাদেশ৷ আগামী ১৫ থেকে ১৯ অক্টোবর ভারতের বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠেয় ১২তম ওয়ার্ল্ড সুডোকু চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য বাংলাদেশ দল নির্বাচন করতে এই সুডোকু চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন৷
প্রথম আলোর আয়োজনে এতে সহযোগিতা করছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিআইএস বিভাগ৷

বিস্তারিত: http://www.prothom-alo.com/sudoku
Photo
Add a comment...

Post has attachment

Post has attachment
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বাংলাদেশে প্রথম বারের মত ডিপার্টমেন্ট অব এন্টারপ্রিনিউরশিপ স্প্রিং সেমিষ্টার ২০১৫ থেকে চালু হয়েছে । চার বছর মেয়াদী এ প্রোগ্রামটি ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদন প্রাপ্ত। নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করার লক্ষ্য নিয়ে, বেকার না থেকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার উদ্দেশ্য এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে একজন তরুণ—তরুণী স্বীয়, মেধা মনন ও শ্রম দিয়ে তার অস্তিত্বকে কেবল সুসংহত করবে না বরং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কল্যাণে দৃঢ়তার সাথে ও ন্যায় নিষ্ঠার সাথে উদ্যোক্তা হিসাবে যাতে গড়ে উঠতে পারেন সে জন্যেই এ প্রোগ্রামটি চালু করা হয়েছে ।
Add a comment...

Post has attachment
Achievement
Daffodil International University has achieved World Congress of IT (WCIT) 2017 Merit Award for it's digitalisation.

In presence of Honorable Prime Minister, Economics Minister, ICT Minister of Taiwan and few hundred dignitaries, WITSA president, Ms. Yovvone Chiu handed the award over tonight at Gala dinner to Mr. Md. Sabur Khan, Chairman, BoT, Daffodil International University.

WCIT 2017 Taiwan were integrated by Honorable President of Taiwan.
Add a comment...

Post has attachment
​​ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি : সবুজ ক্যাম্পাসে আর কী চাই?

জাদুর শহর ঢাকায় শুধু রাশি রাশি মানুষই থাকে না, থাকে ধুলি-ধোঁয়া, প্যাঁ-পোঁ, ভ্যাঁ-ভোঁ আর কার্বন-সীসায় ভরা বাতাস। এখানে জীবন মানেই যন্ত্রণা। তবু কীসের আশায়, কীসের নেশায় প্রতি বছর মানুষ আসে ঢাকায়? পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি বছর শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির উদ্দেশ্যে এ শহরে শিক্ষার্থী প্রবেশ করে প্রায় ছয় লাখ। কোনো না কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিও হয়ে যায় তারা; তারপরই শুরু হয় এক নিদারুণ কষ্টকর জীবন। তারা না পায় থাকার জায়গা, না পায় পড়ার পরিবেশ। কোনোমতে মেসে, হোস্টেলের ছোট্ট এক রুমে গাদাগাদি করে শুধু মাথা গোঁজার ঠাঁই করে নেয়! ফলে সেমিস্টার শেষে দেখা যায়, সিজিপিএ শুধু কমছে আর কমছে। প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল করতে না পেরে হতাশায় কত তরুণ যে বিপথে পা বাড়ায় তার খবর রাখে ক’জন!

অথচ কথা ছিল নির্বিঘ্ন এক শিক্ষাজীবন হবে এই শিক্ষার্থীদের। ক্যাম্পাসের নাগালেই থাকবে বসবাসের হোস্টেল। সবুজে ছাওয়া ক্যাম্পাসে থাকবে মস্ত বড় খেলার মাঠ। এমন এক ক্যাম্পাস কি স্বপ্নই থেকে যাবে শিক্ষার্থীদের? শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের ক্যাম্পাসে আরো কী কী থাকতে পারে তা নিয়ে একটি জরিপ হতেই পারে, তাই না?

কখনো কখনো স্বপ্নও সত্যি হয়। আপনি যদি কখনো ঢাকার অদূরে আশুলিয়ায় অবস্থিত ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে যান তবে দেখতে পাবেন এই স্বপ্নের বাস্তব রূপায়ণ। প্রায় ১০০ একর জমির ওপর নির্মিত সুবিস্তৃত এ ক্যাম্পাস আম, জাম, কাঠাল, পেয়ারাসহ নানা বৃক্ষে ঘেরা এক ছায়াসুনিবিড় শান্তির নীড়। আছে পাখির কলতান আর নির্মল বাতাস। ছোট্ট একটা চিড়িয়াখানাও আছে এই ক্যাম্পাসে। শিক্ষার্থীরা সারাক্ষণ উন্মুখ হয়ে থাকে এ ক্যাম্পাসে আসার জন্য। এখানে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে চারটি পৃথক ছাত্রাবাস। চিকিৎসা সেবার জন্য রয়েছে কার্ডিওকেয়ার হাসপাতাল। আছে সবুজ ঘাসে ঢাকা বিশাল এক খেলার মাঠ। এছাড়া ইনডোর স্টেডিয়ামে রয়েছে শিক্ষার্থীদের জন্য নানা ধরণের খেলাধুলার সুযোগ। তাদের জন্য রয়েছে ব্যাডমিন্টন, বাস্কেটবল ও বিলিয়ার্ড খেলার ব্যবস্থা। এছাড়া গলফ মাঠ, জিমনেশিয়াম আর সুইমিং পুল তো আছেই। আরো আছে সাইক্লিংয়ের ব্যবস্থা। পড়াশোনার জন্য রয়েছে গ্রন্থাগার। গবেষণার জন্য রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরি। বিদেশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে আলাদা থাকার ব্যবস্থা ও গবেষণার সমস্ত উপকরণসহ উপযুক্ত পরিবেশ। নিরাপত্তা নিয়ে নেই ভাবনা। সবুজ এই ক্যাম্পাসে চাইলেই নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়া যায়। যেকোনো ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য রয়েছে সুবৃহৎ অডিটোরিয়াম। এখানে সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করে শিক্ষার্থীরাই। ফলে সহশিক্ষা কার্যক্রমের পাঠ হাতে কলমে শিখতে পারে তারা।

পৃথিবীর খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো—যেমন বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে প্রথম স্থানে থাকা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়—সবগুলোই মূল শহর থেকে দূরে অবস্থিত। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসও তেমনি ঢাকার পাশেই আশুলিয়ায় অবস্থিত। তবে যাতায়াত নিয়ে নেই কোনো বিড়ম্বনা। রয়েছে ২৫টি অত্যাধুনিক বাস। আরো ১০০টি বাস খুব শিঘ্রই চালু হবে। অভিবাবকদের জন্যও রয়েছে আলাদা বাসের ব্যবস্থা।

এখানকার প্রতিটি শ্রেণীকক্ষ ডিজিটাইজড। পুরো ক্যাম্পাস সিসি ক্যামেরার অওতাভুক্ত। ফলে যতক্ষণ শিক্ষার্থীরা এই ক্যাম্পাসে অবস্থান করে, ততক্ষণ অভিভাবকরা থাকেন চিন্তামুক্ত। এখানে রয়েছে স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ক্যান্টিন। অপেক্ষাকৃত অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে স্বল্পমূল্যে খাবারের ব্যবস্থা। এখানে শিক্ষাভবন ও প্রশাসনিক ভবন আলাদা। আছে নিজস্ব শহীদ মিনার। এই ক্যাম্পাসে ভর্তি হলে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ২০ শতাংশ শিক্ষাবৃত্তি।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করছে শিক্ষার্থীদেরকে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্যাম্পাস উপহার দিতে এবং যুগপোযোগী, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে ড্যাফোডিলকে একটি ব্যতিক্রমধর্মী শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে। এই মহতী উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আপনাকে পাশে চায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস সম্পর্কে আপনার মতামত জানাতে অংশ নিন এই জরিপে।

​অনলাইন জরিপ: ​​
https://goo.gl/6JkHfn
Add a comment...

Post has attachment
Seminar on "Awareness on CHIKUNGUNYA" organize by Department of Public Health in association of DIU Health Club is going to be held on 29 July 2017 at 2.30 PM at 52 Milonayton, Daffodil Tower, 4/2 Sobhanbag, Dhanmondi, Dhaka-1207.
চিকুনগুনিয়া জ্বর (CHIKUNGUNYA FEVER) : কারণ ও করণীয়
কারণঃ
চিকুনগুনিয়া জ্বর একটি মশাবাহিত সংক্রামক রোগ। চিকুনগুনিয়া নামক ভাইরাসের সংক্রমণে রোগটি হয়। এ ভাইরাসের বাহক এডিস মশা। স্ত্রী মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাসটি মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। সংক্রমণের ৩ – ৭ দিনের মধ্যেই সাধারণত উপসর্গ দেখা দেয়। এ রোগটির মূল লক্ষণ জ্বর ও জয়েন্টে বা গিঁটে ব্যাথা।
সংক্রমণঃ
চিকুনগুনিয়া ভাইরাস প্রথমে রোগী থেকে মশায় এবং পরে মশা থেকে সুস্থ্য মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। একটি মশা একাধিক মানুষকে এ রোগে আক্রান্ত করতে পারে। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় – খুব ভোরে এবং পড়ন্ত বিকেলে কামড়ায়। এ মশা পরিষ্কার পানিতে, অতি ক্ষুদ্র জলাশয়ে ডিম পাড়ে এবং বংশ বিস্তার করে। ডিম ছাড়ার ৭ – ১২ দিনের মধ্যে তা পূর্ণাঙ্গ মশায় পরিণত হয় এবং রোগ বিস্তার করতে পারে। একটি স্ত্রী মশা সাধারণত ২ – ৩ সপ্তাহ বেঁচে থাকে এবং ৩০০ টি পর্যন্ত ডিম পাড়ে। এডিস মশার উড়ন্ত মণ্ডল ছোট পরিসরের হওয়ায় কোনো একটি এলাকায় রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। একই পরিবারের একাধিক ব্যাক্তি এ রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা থাকে। এ রোগটির উপসর্গ দেখা দেয়ার ৭ (সাত) দিন পর্যন্ত চিকুনগুনিয়া ভাইরাস রোগী থেকে কামড়ের মাধ্যমে মশার শরীরে প্রবেশ করে এবং আক্রান্ত মশা সুস্থ্য মানুষকে কামড়ালে তার চিকুনগুনিয়া জ্বর হয়। বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে এডিস মশার সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং চিকুনগুনিয়া জ্বরের প্রকোপ দেখা দিতে পারে।
চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু জ্বরঃ
চিকুনগুনিয়া জ্বরের লক্ষণের সাথে ডেঙ্গু জ্বরের যথেষ্ট মিল রয়েছে। তবে ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষতিকর প্রভাব চিকুনগুনিয়া জ্বর থেকে অনেকগুণ বেশি। তাই এ রোগ হলে ডেঙ্গু জ্বর হয়নি, সেটি নিশ্চিত করা একান্ত প্রয়োজন। চিকুনগুনিয়া জ্বরের মাত্রা ডেঙ্গু জ্বর থেকে বেশি হয়ে থাকে। সাধারণত ডেঙ্গু জ্বরে জয়েন্টে বা গিঁটে তীব্র ব্যাথা হয় না। তবে ডেঙ্গু জ্বরে মাংসপেশীতে প্রচণ্ড ব্যাথা হয়। রক্তপাত ডেঙ্গু জ্বরের একটি অন্যতম লক্ষণ। জ্বরের প্রথম সপ্তাহে রক্ত পরীক্ষা করে চিকুনগুনিয়া শনাক্ত করা যায়।
কাদের ঝুঁকি বেশিঃ
চিকুনগুনিয়া জ্বরে আক্রান্ত বয়স্কদের ( ৬৫ বৎসর), শিশুদের ( ১ বৎসর) এবং গর্ভবতী মহিলাদের ঝুঁকি বেশি থাকে। এছাড়াও যারা অন্যান্য অসংক্রামক ব্যাধিতে (যেমন উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ইত্যাদি) আক্রান্ত ও যাদের সংক্রামক ব্যাধি আছে (যেমন যক্ষা, নিউমোনিয়া, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি) তাদের ঝুঁকি অন্য রোগীদের তুলনায় বেশি। সাম্প্রতিক গবেষনায় দেখা গেছে, যে এ রোগে পুরুষদের চেয়ে মহিলারা বেশি আক্রান্ত হন।
প্রতিরোধঃ
চিকুনগুনিয়া জ্বর দিনের বেলায় এডিস মশার কামড়ে হয়ে থাকে। বাসা বাড়িতে মশা নিধনের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পেলেও, এ রোগের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং কর্মস্থলে মশা নিধনের প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়াও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ অনেক মানুষই দিনের অধিকাংশ সময় ঘরের বাইরে থাকেন। ঘরে ও বাইরে সকল স্থানে মশার বংশবিস্তার রোধ, মশা নিধন ও নিজেকে মশার কামড় থেকে রক্ষায় সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ চিকুনগুনিয়া জ্বর প্রতিরোধের প্রধান উপায়। এ ব্যাপারে যা করণীয়ঃ
১. ফুল গাছের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, টায়ার, ডাবের খোসা, এসি ও ফ্রীজের নিচে বা অন্য কোন স্থানে পানি জমিয়ে না রাখা।
২. বাড়ির আঙিনা ও নির্মাণাধীন ভবনের পানির চৌবাচ্চা নিয়মিত পরিষ্কার রাখা।
৩. বাসার আশে পাশের ঝোপ-ঝাড় নষ্ট করা।
৪. মশা নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার।
৫. দিনে মশার কামড় থেকে রক্ষায় সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ।
৬. দিনের বেলায়ও ঘুমানোর সময় মশারী ব্যবহার।
উপসর্গসমূহঃ
১. উচ্চমাত্রার জ্বর ( ১০৪° – ১০৫° ফা.), যা হঠাৎ করে শুরু হয় এবং সাধারণ জ্বরের মত ঘাম দিয়ে ছাড়ে না। সাধারণত পাঁচ থেকে সাতদিন পর্যন্ত এ জ্বর থাকে।
২. একাধিক জয়েন্টে বা গিঁটে (শরীরের দু’পাশে) মাঝারী থেকে তীব্র ব্যাথা।
৩. জ্বরের প্রথম থেকে তৃতীয় দিনের মধ্যেই সাধারণত মুখ, ঘাড় এবং পিঠে র‍্যাশ হয়।
৪. মাথা ব্যাথা, মাংস পেশী ব্যাথা।
৫. বমি বমি ভাব ও খাবারে অরুচি।
৬. মুখে ঘা হতে পারে।
৭. অবসাদ ও অনিদ্রা।
৮. অন্যান্য লক্ষণ সমূহ উচ্চমাত্রার জ্বরের উপসর্গ হিসেবে দেখা দিয়ে থাকে।
চিকিৎসাঃ
চিকুনগুনিয়া জ্বর প্রতিরোধের কোন ভ্যাকসিন নাই। চিকুনগুনিয়া ভাইরাস নিরাময়েও কোন ঔষধ নাই, যে কারনে রোগটির চিকিৎসা উপসর্গ নির্ভর। যা করণীয়ঃ
১. সমস্যা তীব্র না হলে বাসায় চিকিৎসা করা যেতে পারে।
২. জ্বর নিয়ন্ত্রনে রাখার ও ব্যাথা কমানোর জন্য প্যারাসিটামল খাওয়া যায়।
৩. প্রচুর পানি পান ও তরল খাদ্য গ্রহণ করা।
৪. শরীর ঠান্ডা পানিতে নিয়মিত মুছে জ্বরের মাত্রা স্বাভাবিক রাখা।
৫. গিঁটের ব্যাথা উপশমে ঠান্ডা পানির ছেক। হালকা ব্যায়াম উপকারী হতে পারে।
৬. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেয়া প্রয়োজন।
৭. ডাক্তারের পরামর্শ ব্যাতিরেকে ব্যাথা নিরাময়ের জন্য এসপিরিন বা ব্যাথানাশক ঔষধ সেবন করা যাবে না।
কখন হাসপাতালে যাবেনঃ
১. রক্তচাপ কমে গেলে।
২. প্রস্রাবের পরিমাণ কম হলে।
৩. শরীরের কোথাও রক্তপাত শুরু হলে।
৪. চিকিৎসার পরেও প্রচণ্ড ব্যাথা থাকলে এবং জ্বর না কমলে।
৫. যদি রোগী বেশি ঝুঁকিতে থাকেন বা জটিলতা দেখা দেয়।
লক্ষ্যনীয়ঃ
১. চিকুনগুনিয়া জ্বর সাধারণত ৭-১০ দিনে ভাল হয়ে যায়।
২. জ্বর সেরে যাওয়ার পরেও জয়েন্ট বা গিঁটে ব্যথা থাকতে পারে।
৩. এ রোগে মৃত্যু ঝুঁকি খুবই কম।
৪. রোগ নির্ণয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
৫. সমস্যা তীব্র হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
৬. এ রোগে একবার আক্রান্ত হলে, মানুষের শরীরে রোগটির প্রতিরোধ ক্ষমতার সৃষ্টি হয় তাই পুণরায় আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কম থাকে।
Add a comment...

Post has attachment
Registration is going on.....
Photo
Add a comment...

Post has attachment
Department of Electrical Electronic Engineering of Daffodil International University (DIU) is now accredited by Institution of Engineers, Bangladesh (IEB).
Photo
Add a comment...

Post has attachment
Wait while more posts are being loaded