Profile

Cover photo
Zobaen Sondhi
Worked at College
Attends University of Dhaka
Lives in Bangladesh
85 followers|30,849 views
AboutPostsPhotosYouTube

Stream

Pinned

Zobaen Sondhi

Shared publicly  - 
 
অপ্রিয় রোজনামচা
============

১৯৯৮ সাল থেকে ইন্টারনেটে সময় কাটানো রীতিমতো অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। একসময় অরকুট ছাড়া এই দুনিয়ায় বেঁচে থাকা মনে হতো প্রায় অসম্ভব। এরপর ভিবুলেটিন কিংবা পানবিবি নির্ভর বেশকিছু ফোরামেও সময় কাটিয়েছি অনেকবছর। ইয়াহু চ্যাটরুমেও অনেক মজার স্মৃতি রয়েছে, বাঙলা ব্লগেও কেটে গেল আরও ক'টা বছর। টুইটারে প্রথমদিকে যে একাউন্ট খুলেছিলাম সেটা লক হয়ে যাবার পর আর কোনভাবেই রিকভারি করতে পারি নি। অগত্যা পরে আবারও নতুন করে টুইটারে একাউন্ট খুলতে হয়েছিল।

এরপর ২০০৬ এ ফেসবুকে। প্রথমদিকে ফেসবুকে বন্ধুই খুঁজে পেতাম না। আমার স্পষ্ট মনে আছে ফেসবুকে প্রথম যাকে রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিলাম তিনি লন্ডনে থাকেন। তাঁর নাম রম্য। প্রথম প্রথম ভাবতাম তিনি পুরুষ, তাঁর সাথে চ্যাটও হতো মাঝে মাঝে। এরপর একদিন জানলাম তিনি নারী, এবং বুয়েট থেকে পাস করা স্থপতি। বাঙলা ব্লগে যাঁদের সাথে পরিচয় (পক্ষ-বিপক্ষ উভয়ই) তাদের গণহারে ফেসবুক ফ্রেন্ডসলিস্টে যুক্ত করার পিছনেও ছিল একটা বিশেষ কারণ।

সেসময় ফেসবুকের ফ্রেন্ডসলিস্টে বাঙালি বন্ধু যুক্ত করার মতো লোকজন খুঁজে পাওয়াই ছিল দুস্কর। তাই বাধ্য হয়ে ব্লগে বিরুদ্ধমতের হবার পরও অনেককে সেসময় ফ্রেন্ডসলিস্টে যুক্ত করতে হয়েছিল শখের বসে। প্রথমদিকে ব্লগার বন্ধু ছাড়া অন্যদের লেখাগুলো বাংলিশে হওয়াতে আমার ভীষণ মেজাজ খারাপ হতো, এ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া করতাম। 'কেন তারা বাঙলায় লিখে না', এটা ছিল আমার লেখার মূল উপজীব্য। আইটি'র লোক না হয়েও নসিহত দিতাম অভ্র ব্যবহার করে সহজেই যেন বাঙলায় লেখালেখি করেন সকলে।

২০০৭-০৮ এর দিকে ব্লগপাড়ায় 'ছাগু' হিসেবে পরিচিতরা ফেসবুকে রীতিমতো ভয়ঙ্কররূপে আবির্ভূত হলো। তখনো ফেসবুকের পলিসি সম্পর্কে সম্যক অবগত ছিলাম না। একদিন দেখলাম আমার প্রফাইল নেই, একেবারেই হাওয়া। কোনভাবেই লগিন বা একাউন্ট রিকভারি করতে পারলাম না। যদিও সেসময় ফেসবুকে তেমনটা লেখা ছিল না। যা ছিল সেগুলো হলো বিভিন্ন ব্লগে লেখার অনুলিপি, কমেন্টগুলোর কপি পেস্ট কিংবা ব্যক্তিগত কথামালার বিচ্ছিন্ন অনুভূতির একটি লেখচিত্র।

আবারও একাউন্ট খুলতে বাধ্য হলাম। ততোদিনে অরকুট ভূত ঘাড় থেকে নেমে গেছে। ফেসবুকে বাঙালিদের পদচারণাও দ্রুতবেগে বাড়তে শুরু করেছে। এদিকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষও ঘন ঘন তাদের ফিচার আপডেট করা শুরু করে দিয়েছে। আগে যেমন নিউজফিড নামক জিনিসটা বার বার রিফ্রেশ করে দেখতে হতো, সেটা রিফ্রেশ করার কষ্ট থেকে মুক্তি পেলাম। এরপর আসল টিকার এর সুবিধা। এই সুবিধা আসার পর বেশ ক'দিনতো আমি কারুর ওয়ালেই যেতাম না। টিকারের দিকে তাকিয়ে থাকতাম আর দেখতাম কে কোথায় কী করছে।

এদিকে আগে যাত্রা শুরু করলেও প্রথম সামাজিক সাইট টুইটার ইউজার ফ্রেন্ডলি না হওয়ায় ফেসবুকের চেয়ে পিছিয়ে পড়ার কারণে টুইটারও দ্রুত তাদের ফিচার ডেভেলপ করতে লাগল। টুইটারে ফিচার চেঞ্জ হওয়ায় আবারও টুইটারে একাউন্ট খুলে ফেললাম। এবার আর প্রথমবারের মতো পুরো নাম ব্যবহার না করে একটি ইউনিক নাম সবগুলো সামাজিক সাইটে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম। তখনো টাম্বলার, গুগলপ্লাসের আগমন ঘটে নি। এরপর টাম্বলারেও হানা দিলাম, গুগলপ্লাসেতো অটো একাউন্ট তৈরি করে দিয়েছে গুগলমামা। তাই এখানে আর তেমন ঝামেলা হয় নি।

অতিসম্প্রতি ফেসবুক ও টুইটার থেকে বের হয়ে যাওয়া কিছু তরুণ প্রোগ্রামার পরীক্ষামূলকভাবে আরও একটি সামাজিক যোগাযোগের সাইট তৈরি করে মাঠে নেমেছে 'এলো' নাম নিয়ে। বিজ্ঞাপনমুক্ত, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও শক্তিশালী ফিচারযুক্ত করে এরা মাঠে নামার ঘোষণাও দিয়েছে। তবে এলোতে কেউ ইচ্ছে করলেই নিজের প্রোফাইল বা একাউন্ট খুলতে পারবে না। এলোর এই পলিসিটা সিকিউরিটির দিক দিয়ে ভাল মনে হলেও এটা বেশ বিড়ম্বনারও বটে। তবে ফেসবুকে যেভাবে চিট-বাটপারি আর ফেক আইডির ছড়াছড়ি শুরু হয়েছে, সেটা থেকে মুক্তির জন্য এলোর এই পলিসিটাকে স্বাগত জানাতেই হয়। সৌভাগ্যক্রমে এলোর ফাউন্ডার মেম্বারদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় কর্তাব্যক্তির নিকট থেকে ইমেলে এলোতে যোগদানের নিমন্ত্রণ পাই এবং একমাস অপেক্ষা করার পর সেই নিমন্ত্রণ গ্রহণ করি। দূর্ভাগ্য কিংবা সৌভাগ্য যেভাবেই অভিহিত করি না কেন, বাংলাদেশে এলোর প্রথমসারির সদস্য হিসেবে নিজেকে সেখানে যুক্ত করতে পেরেছি সেটাতেই অন্যরকম এক অনুভূতি কাজ করে। বিশেষ করে এলোর শীর্ষস্থানীয় কর্তাব্যক্তি নিজেই যখন মেইলে জানিয়ে দেন যে, আমি নাকী বিডিতে তাদের প্রথম সদস্য! এলো এখনো তাদের বেটা ভার্সন থেকে ফাইনাল ভার্সন রিলিজ দেয় নি। ওরা কাজ করছে হয়তো। তাই ফেসবুকেই নিয়মিত রয়ে গিয়েছিলাম।

একটা সময় ফেসবুকের উপর এতোটাই আসক্ত হয়ে গিয়েছিলাম যে, মনে হতো এ থেকে বুঝি আর পরিত্রাণ মিলবে না। অনেকবারই ফেসবুক ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে সেটা আর ছাড়তে পারতাম না। শতাধিকবার আইডি ডিএকটিভেট করেছি, মাঝে মাঝে টেম্পুরারি আইডিও খুলেছিলাম। সেসবের কোন হদিস পরবর্তীতে আর পাই নি, কিংবা হয়তো খোঁজ রাখার প্রয়োজনবোধ করি নি। আবার ঘুরে ফিরে ভার্চুয়াল বন্ধুদের টানে ফেসবুকে নিয়মিত হতে হয়েছে। একান্ত বাধ্য না হয়ে ব্যক্তিগত জীবনে কখনো কোনদিন কারুর কোন ক্ষতিসাধন আমার দ্বারা হয়ে উঠে নি। মুখে রাগ করলেও বাস্তবে ক্ষতি করতে আমি পারি নি। বিবেক নামক জিনিসটির কারণে আমি তা পারি নি। ভার্চুয়াল জগতে বহুচরিত্রের মানুষের দেখা পেয়েছি এই ক্ষুদ্র জীবনে। এদের কেউ কেউ নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য যে কাউকে মৃত্যু ঝুঁকির মধ্যেও ঠেলে দিতে কুণ্ঠিত হোন না। আবার কেউ কেউ মুখে বলেন তিনি ফেইমসিকার নন, অথচ এরাই আবার নিজেকে ফেমাস করার জন্য নানান ত্বরিকা নিয়ে যতোসব আগডুম-বাগডুম কথার বোলচালে টাইমলাইনে ফ্রেন্ডসলিস্ট বাড়ানো, ফলোয়ার বাড়ানোর সুপ্ত বাসনা চরিতার্থ করেন। রিয়েল লাইফে চার আনা কিছু করার ক্ষমতা না থাকলেও ভার্চুয়াল জগতে এঁরা একেকজন অসুরসম।

যাঁরা মনে করেন আমি হয়তো অন্য কোন আইডি ব্যবহার করে ফেসবুকে রয়েছি, তাঁদের জ্ঞাতার্থে স্পষ্টীকরণ করে দিচ্ছি- গত মার্চ মাসের ১৩ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত আমি ফেসবুকের একটা শব্দও দেখি নি। আমার ৪টি (একটি আইডির পাসওয়ার্ড-মেইল হারিয়ে ফেলেছি আগেই যেটা লকড হয়ে গেছে বছর দেড়েক আগেই, অন্য ৩টির মধ্যে বাঙলা নামের আইডিটা আগেই ডিএকটিভ করে রেখেছি, একটি ফেক নামে ছিল সেটায় গত ৬ মাসের মধ্যে লগিন করি নি একবারও, আর মূল আইডিটা ডিএকটিভেট করে ফেলেছি ১৩ মার্চ ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে) আইডির একটিও কার্যকর নেই। কোন আইডিতেই আমি ফেসবুকে লগিন করি নি। তাই ফেসবুকে কী হলো না হলো তা নিয়ে আমার কোনই কৌতুহল নেই। নির্মোহ সত্য বললাম- যাঁরা বিশ্বাস করার করবেন, যাঁরা বিশ্বাস করবেন না তাঁদের বিশ্বাস করার কোন প্রয়োজনও নেই।

কারণে হোক অকারণে হোক ফেসবুকে দীর্ঘসময় থাকার কল্যাণে বেশকিছু ভাল বন্ধুও জুটেছিল। এঁদের কারুর কারুর সাথে সম্পর্কটা এতোটাই আত্মিক হয়ে উঠেছিল যে, এঁদের ব্যক্তি কিংবা সামাজিক জীবনেও ক্রমশ একটি অংশ হয়ে উঠেছিলাম। ভার্চুয়াল এবং বাস্তব জীবনে বন্ধুতার ক্ষেত্রে সব মানুষেরই কিছু নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দের বিষয় থাকে। বন্ধুতায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে ব্যাপার, তা হলো অপরজনের কাছে সে কতোখানি গুরুত্ব পাচ্ছে সেটা মূল্যায়ন করা। নিজের ক্ষেত্রেও আমি সেভাবে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করেছি।

ধরা যাক কোন ঘনিষ্ঠ ফেসবুক বন্ধুর ওয়ালে বন্ধুকে উদ্দেশ্য করে আপনি একটি মন্তব্য করলেন। বন্ধুটির সাথে হয়তো কোন রাজনৈতিক বা দর্শনগত চিন্তা নিয়ে একটি সুস্থ বিতর্কে কিংবা ফান করার উদ্দেশ্যেই আপনি তার সাথে বাহাসে লিপ্ত হলেন। এই বাহাসতো আর এমন নয় যে সম্পদ দখলের লড়াই; যাতে বন্ধুতা নষ্ট হবে। কিন্তু আপনি যখন দেখলেন আপনার সেই বন্ধুর ফ্রেন্ডসলিস্টের একজন কেউ আপনার করা মন্তব্যটাকে লুফে নিয়ে সরাসরি আপনাকেই আক্রমণ করে যাচ্ছেন, এমনকী সেই বন্ধুর ফ্রেন্ডসলিস্টের সেই ব্যক্তি আপনার বন্ধুকেই সরাসরি ট্যাগ করে বলে বসলেন "অমুক কুত্তার বাচ্চাকে ফ্রেন্ডসলিস্ট থেকে লাথি দিয়ে বের করে দাও না কেন"? এমনকী সেই ব্যক্তি কর্তৃক 'কুত্তার বাচ্চা' (এখানে আপনাকে নয়, আপনার জন্মদাত্রী মা'কে গালি দেয়া হয়েছে) সম্বোধন কিংবা 'লাথি মেরে বের করে দাও' জাতীয় শব্দচয়ন করার পরও আপনার বন্ধু যখন নির্লিপ্ত থাকেন তখন বন্ধু হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে? আপনি আপনার বন্ধুত্বের দাবি নিয়ে যখন বন্ধুর নিকট এর ব্যাখ্যা দাবি করলেন তখন সেই বন্ধু  অপমানকর মন্তব্যযুক্ত সেই পোস্টটি স্রেফ অনলি মি করে রেখে কিংবা আপনার কাছে যুক্তি উপস্থাপন করলেন, "আমি মন্তব্যটি অনেক পরে খেয়াল করেছি" তখন আপনি হয়তো বন্ধুতার কারণে বিষয়টি ইগনোর করলেন। কিন্তু আদতেই কি আপনি মন থেকে এই অপমানের বোঝা নামাতে পারবেন?

এরপর আপনার বন্ধুটি দাবি করে বসলেন, যে আপনাকে 'কুত্তার বাচ্চা' সম্বোধন কিংবা সেই বন্ধুকে লাথি মেরে বের করে দিতে পরামর্শ দেয়া লোকটি তার আপন কেউ নয় এবং তাকে তিনি ঠিকমতো চিনেনই না। আপনি আপনার বন্ধুর কথাকে বন্ধুতার খাতিরে না হয় মেনেই নিলেন। কিন্তু আপনি যখন জানলেন আপনাকে গালি দেয়া সেই লোকটির সাথে আপনার বন্ধুর রীতিমতো দহরম মহরম, তার ওয়ালে নিয়মিত মন্তব্য করা, হাস্যরসে আড্ডা দিচ্ছেন; তখন আপনার বন্ধুর ভাষ্যমতে "লোকটি তার আপন কেউ নয়" এবং তাকে তিনি "ঠিকমতো চিনেনই না" যুক্তিটি কী ধোপে টিকবে?

আবার যখন দেখলেন আপনার বন্ধুর ওয়ালে সেই ব্যক্তির উপস্থিতি কিংবা সেই ব্যক্তির ওয়ালে আপনার বন্ধুর উপস্থিতিকে আপনি যাতে দেখতে না পান সেজন্য সেই ব্যক্তি কর্তৃক আপনাকে ব্লক করে রাখা হয়েছে, তখন আপনার অনুভূতি কেমন হবে? আপনাকে আপনার জন্মদাত্রী মা'কে সংশ্লিষ্ট করে গালি দেয়া হলেও আপনার বন্ধুটি কিন্তু এতে অপমানিতবোধ করেন নি। তিনি সেই গালিবাজ ব্যক্তিটিকে ত্যাগ না করে তার সাথেই বরং দহরম মহরম বজায় রেখেছেন। তখন আপনার কিছুই করণীয় নেই, কারণ আপনার সাথে যে তাঁর বন্ধুতা রয়েছে! বন্ধুতার দাবিতে আপনি তাঁর কাছে এর কৈফিয়ত চাওয়ার অধিকার রাখেন, বন্ধুর ভাষ্যমতে "লোকটি তাঁর আপন কেউ নয় এবং তাকে তিনি ঠিকমতো চিনেনই না" সত্যি হয়ে থাকলে তাকেই বরং ফ্রেন্ডসলিস্ট থেকে বের করে দেয়া কিংবা তার সাথে যোগাযোগ সম্পূর্ণ ত্যাগ করাই সত্যিকার বন্ধুতার পরিচায়ক হতো। সত্যিকার বন্ধু হলে এটাই হওয়া উচিত। তাই নয় কী?

বন্ধুতায় এরকম হাজারো হাজারো যুক্তি ও শর্ত থাকে। যারা বলে বন্ধুতায় শর্ত থাকে না, তারা আদতে বন্ধুতার অর্থই বোঝে না। বন্ধুতা কী জিনিস সেটা বুঝতে আইনস্টাইনও হওয়া লাগে না। অপরের দুঃখ, কষ্ট যে অনুভব করতে পারে সেই প্রকৃত বন্ধু; যে বুঝতে পারে না সে কখনো বন্ধু নয়, আবার শত্রুও নয়। তাকে বরং ৩য় লিঙ্গের মানুষের মতো কিংবা ক্লীব হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

অগণিতবার ফেসবুক ছাড়ার ঘোষণা দিয়েও ফেসবুক ছাড়তে পারি নি বলে যারা মনে করেন ফেসবুক ছাড়া সম্ভব নয়। ফেসবুক ছাড়ার কোন কারণও ছিল না প্রকৃতপক্ষে। কিন্তু কোন কোন বন্ধুর নির্মম আচরণে ফেসবুকে থাকার আনন্দটা ফিকে হয়ে যাচ্ছিল ক্রমাগত। আমার শত্রুদের আমি ভাল চিনি, শত্রুদের গালি, অপমান ধর্তব্যের বিষয় নয়। কারণ শত্রুরা তাদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য নানান কূটকৌশল, মিথ্যাচার ও অশ্লীল বাক্যচয়ন করে প্রতিনিয়ত বাজে কথার তীর ছুঁড়বেই। কিন্তু একজন বন্ধুর নিকট থেকে সামান্যতম অপমান বা আঘাত প্রত্যাশা করি না কখনোই। একইভাবে বন্ধুর 'সামান্য পরিচিত কিংবা অঘনিষ্ঠ' কেউ যখন অপমান অপদস্থ করবে তখন তাকে ত্যাগ বা এর ন্যায়বিচার না করে বরং তাকেই উৎসাহ দেয়া হলে বন্ধুতা নষ্ট না করে নিজেকে বরং গুটিয়ে নেয়াই অধিক উত্তম। তবুও বন্ধুতা নষ্ট না করে, নিজেকে কষ্ট দিয়ে সরে থাকা নিজের কাছে আত্মতৃপ্তির।

ফেসবুকে কেবলই পোস্ট শেয়ার নয়, ফেসবুককে আমি নিয়মিত রোজনামচা বা ডায়েরি লেখার একটা মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতাম। রোজনামচাগুলো কখনোই পাবলিকলি কিংবা ফ্রেন্ডস অনলি হিসেবে পোস্ট হতো না। সেগুলো সবসময় অনলি মি করা থাকতো। অনলাইনে নিয়মিত (তারিখ অনুযায়ী) রোজনামচা লেখার আর কোন মাধ্যমের খোঁজ আমার জানা নেই। এই গুগলেও নেই বলে জানি। কারণ এখানে অনলি মি হিসেবে লেখার কোন অপশন রাখা হয় নি। একমাত্র ফেসবুকেই এই অপশনটা ছিল বলে ফেসবুকের উপর অনেক ক্ষোভ-অভিমান থাকলেও পুরোপুরি ফেসবুক ছাড়তে পারি নি এতোকাল।

কিন্তু গত প্রায় ২ মাসে রোজনামচা লেখা হয় নি একবারও। নিজ অভিজ্ঞান, অনুভূতি প্রকাশের ইচ্ছে থাকার পরও কোন উপায় না থাকায় সেটুকুও লিখতে পারি নি। আমার ইচ্ছা-অনিচ্ছার কোন মূল্যায়ন কারুর কাছ থেকে আশাও আর করি না। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এখন ভরসা। একটা আলাদা ফাইল খুলে তারিখ উল্লেখ করে এখন থেকে সেখানেই লিখতে হবে। কিন্তু এভাবে রোজনামচা লেখার মধ্যে রিয়েলিটির ছোঁয়া থাকবে না। কারণ এমএস ওয়ার্ডে যে কোন সময় লিখেই সেখানে তারিখ উল্লেখ করা যায়। এতে সত্য মিথ্যা যাচাই করার কোন সুযোগ থাকবে না, যা ফেসবুকে ছিল। কারণ ফেসবুকে নিজের ইচ্ছেমতো তারিখ বসানোর উপায় নেই। স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সেখানে তারিখ ও সময় উল্লেখ হয় বলে সেখানে লেখা রোজনামচা বাস্তবিকঅর্থেই প্রামাণিক দলিল হিসেবে প্রতিপাদ্য হবার সুযোগ রয়েছে। যা এমএস ওয়ার্ডে প্রমাণের সুযোগ নেই।

ভার্চুয়াল জগতে ফেসবুকের বিকল্প (অনলি মি হিসেবে সংরক্ষণ করা) আর কোন সামাজিক মাধ্যমের খোঁজ আমি জানি না। কেউ যদি একটা খোঁজ দিতে পারতেন আমি চিরকৃতজ্ঞ থাকতাম। নিজেকে গুটিয়ে নিলেও অন্ততপক্ষে ব্যক্তিগত রোজনামচাগুলো যেন নিয়মিত লিখে রেখে যেতে পারি এমন একটা মাধ্যমের সন্ধান চাই আমি। কেউ জানলে দয়া করে ইমেলে জানাবেন। চিরকৃতজ্ঞ থাকবো আমি।

যেহেতু বন্ধু বলে দাবিদাররা চান ভার্চুয়াল জগতে আমার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাক, তাই তাঁদের আকাঙ্খার প্রতি সম্মান দেয়াও আমার কর্তব্যর একটি অংশ। বন্ধুতা রক্ষায় যতো ত্যাগ করতে হয় সবগুলো ত্যাগ স্বীকারেই আমি প্রস্তুত। ভার্চুয়াল কিংবা বাস্তব না হোক, অন্তরেই থাক এই বন্ধুতা। তবুও বন্ধুতা বহাল থাক। ভাল থাকুক বন্ধুতা। বন্ধুরা ভাল থাকুক, দীর্ঘায়ু হোক সবাই।
 ·  Translate
1

Zobaen Sondhi

Shared publicly  - 
 
Romeo & Laili <3
Couple of the nature.
1

Zobaen Sondhi

Shared publicly  - 
 
Aajkal Paon Zamin Par Nahin Padte-Ghar
Listen Aajkal Paon Zamin Par Nahin Padte Song from Ghar
1

Zobaen Sondhi

Shared publicly  - 
 
Kya Yahi Pyar Hai-Rocky
Listen Kya Yahi Pyar Hai Song from Rocky
1

Zobaen Sondhi

Shared publicly  - 
 
Indian fan Sudhir was not attacked in Dhaka, says press photographer who witnessed the incident


Amid Indian media reports that Team India’s number one fan Sudhir Gautam was attacked by Bangladeshi supporters outside the stadium after Sunday’s ODI, a press photographer, who was there, has dismissed the allegations.
Print Friendly and PDF
0
 


15
 

801
 


Indian media had reported that Sudhir was “attacked” near the VIP gate of Sher-e-Bangla National Cricket Stadium after the match on Sunday night.

Sudhir, who has devoted his life to Sachin Tendulkar, is the most visible and famous fan of Indian cricket team.

He makes his presence felt by painting his body and face with tri-colour, representing Indian flag.

The media reports claimed that Sudhir was mobbed by Bangladesh supporters as soon as he came out of the stadium.

bdnews24.com’s photojournalist Asif Mahmud Ove, who was present there, however, said the Indian fan was not physically assaulted.

He had even clicked a photo of Sudhir boarding an autorickshaw near the stadium.

“After the match around 11:45pm when Sudhir was coming out of the stadium through VIP gate, some Bangladesh fans surrounded him shouting Bhua, Bhua (fake).

“Some also taunted him chanting Mauka, Mauka (opportunity),” the photo journalist said.

Star Sports had made the ‘Mauka Mauka’ advertisement campaign ahead of India’s match against Pakistan in the last World Cup.

As the advertisement became popular, the sports channel came up with new such ‘Mauka advertisements’ before India’s every World Cup match.

Some Indian fans had even circulated on YouTube their self-created Mauka videos. Alleging that Indian videos were offensive to Bangladesh, counter videos were also circulated at that time.

“Sudhir was waiting for an autorickshaw, when a group of Bangladesh fans jeered him. Seeing the crowd around him, some police personnel, who was on duty there, cordoned him and put him into an autorickshaw,” Ove recalled.

At that time, some fans chased the three-wheeler shouting Bhua Bhua.”

Kolkata-based Anandabazar Patrika, quoting Sudhir, reported that a group of Bangladesh supporters attacked the Indian fan.

It further claimed that stones were also pelted targeting the autorickshaw he had hired.

“I have not seen him being physically assaulted,” Ove said.

Almost all the Indian media, however described the incident as “attack.”

But Mirpur police said there was no incident of attack on any Indian fan.

Deputy Commissioner of Dhaka Metropolitan Police’s Mirpur division Quayumuzzaman told bdnews24.com that strong police presence was there in the stadium and its surrounding areas.

“I am not aware of any incident of attack on anyone in the area,” he said.

Here the news link :
================

http://bdnews24.com/bangladesh/2015/06/22/indian-fan-sudhir-was-not-attacked-in-dhaka-says-press-photographer-who-witnessed-the-incident
Amid Indian media reports that Team India’s number one fan Sudhir Gautam was attacked by Bangladeshi supporters outside the stadium after Sunday’s ODI, a press photographer, who was there, has dismissed the allegations.
1
In his circles
250 people
Have him in circles
85 people
Iswar Kona's profile photo
Aniruddha Roychoudhury's profile photo
Abdur razzak shipon's profile photo
Farzana kabir Khan's profile photo
Shiji Sejuti's profile photo
Tasnia Falguni's profile photo
Makshod Sikder's profile photo
Azmery Sikrity's profile photo
Ekramul Haque's profile photo

Zobaen Sondhi

Shared publicly  - 
 
জীবনের গল্প অনেকইতো শোনালে, জীবনকে কখনো প্রকৃতির কাছে সমর্পণ করেছিলে? জোনাকীর আলো দেখেছো, কখনো কী শুনেছো জোনাকীর কান্না? 
 ·  Translate
1

Zobaen Sondhi

Shared publicly  - 
 
সুঁচ হয়ে বিঁধেছো তুমি
ফালা হয়ে খুন করবে বলে
মানুষ তুমি পারলে কীভাবে
বিনা স্বার্থে কেবল খেলাচ্ছলে! 
 ·  Translate
1

Zobaen Sondhi

Shared publicly  - 
 
ভর দো ঝুলি মেরি...
(আদনান শমি খান)
 ·  Translate
Tauqeer Gillani
Bhar Do Jholi Meri By Adnan Sami | Salman Khan - Bajrangi Bhaijaan
1

Zobaen Sondhi

Shared publicly  - 
 
Bahon Mein Chale Aao-Anamika
 ·  Translate
Listen Bahon Mein Chale Aao Song from Anamika
1

Zobaen Sondhi

Shared publicly  - 
 
Bheegi Bheegi Raaton Mein-Ajanabee
Listen Bheegi Bheegi Raaton Mein Song from Ajanabee
1

Zobaen Sondhi

Shared publicly  - 
 
মরি উপায় কি যে বল না
মরার দেশে ভাল লাগে না
মরায় মরায় যুক্তি করে জিন্দা ধরে খায়
মরায় করে রাজ্য শাসন মরায় দেশ চালায়
মরার দাস অনুদাস হইল যে জন
খাতির পেল সে-জনা।

মরার দেশে প্রেম পিরিতি বাজার দরের মাল
টাকায় করে বেচা কেনা প্রেমিক বেসামাল
মরার শহর জোড়া শপিং মলে
জিন্দা দেখ ক'জনা।

মরা মেরে জিন্দা করে জিন্দারই শাসন
তারে বলি জ্যান্তে মরা মরেছে ক'জন
অরূপ রাহী প্রেমের মরা
মানুষ করে ভজনা।
মরার দেশে ভাল লাগে না


গানের দলঃ লীলা
কথা, সুর ও কন্ঠঃ অরূপ রাহী
 ·  Translate
leela ensemble
মরার দেশে ভাল লাগে না ।। লোকায়ত।। লীলা।।
1
People
In his circles
250 people
Have him in circles
85 people
Iswar Kona's profile photo
Aniruddha Roychoudhury's profile photo
Abdur razzak shipon's profile photo
Farzana kabir Khan's profile photo
Shiji Sejuti's profile photo
Tasnia Falguni's profile photo
Makshod Sikder's profile photo
Azmery Sikrity's profile photo
Ekramul Haque's profile photo
Education
  • University of Dhaka
    present
Basic Information
Gender
Male
Relationship
Married
Work
Employment
  • College
Places
Map of the places this user has livedMap of the places this user has livedMap of the places this user has lived
Currently
Bangladesh
Links