Profile cover photo
Profile photo
Skills and Training Enhancement Project (STEP)
186 followers
186 followers
About
Posts

‘স্কিলস কম্পিটিশন ২০১৮’ এর বিভিন্ন পর্বের প্রতিযোগিতা আয়োজনে করণীয় প্রসঙ্গে।

স্কিলস এ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (STEP) কর্তৃক সরকারি-বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় এবারও ‘স্কিলস কম্পিটিশন ২০১৮’ আয়োজন করা হচ্ছে। উক্ত কম্পিটিশন দেশের ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং এর শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশে সহায়ক হবে এবং কারিগরি শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রকল্প দপ্তর মনে করে।
২। স্কিলস কম্পিটিশন ২০১৮-এর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ নি¤œরূপ:
১. প্রতিযোগিতার নাম ‘স্কিলস কম্পিটিশন ২০১৮’। আয়োজনের সম্ভাব্য সময়কাল সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে এপ্রিল ২০১৯।
২. প্রতিযোগিতার তিনটি পর্ব - (১) প্রতিষ্ঠান পর্যায়, (২) আঞ্চলিক পর্যায় এবং (৩) জাতীয় পর্যায়। এছাড়া শুরুতেই একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
৩. প্রকল্প কর্তৃক নির্বাচিত ১৬২টি সরকারি-বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং এর সকল টেকনোলজিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীগণ একক অথবা দলগতভাবে প্রতিষ্ঠান পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের সেরা তিনটি প্রকল্প (একক/দলগত) আঞ্চলিক পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। প্রতিটি আঞ্চলিক পর্বের প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে ৩-৫টি সেরা উদ্ভাবন জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে (অঞ্চল ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানসমূহের তালিকা ও চূড়ান্ত পর্বের জন্য প্রকল্প সংখ্যা দ্রষ্টব্য)।
৪. ‘স্কিলস কম্পিটিশন ২০১৮’ এ মূলত উদ্ভাবনী কার্যক্রম ও সৃজনশীল চিন্তার প্রদর্শনী হবে। খোঁজা হবে সেরা উদ্ভাবন বা প্রকল্প।
৫. দেশ, সময় ও বর্তমান বাজারের চাহিদার প্রতি সবিশেষ গুরুত্ব দিয়ে মেধা, মনন ও সৃজনশীলতার ভিত্তিতে সেরা উদ্ভাবন নির্বাচন করা হবে।
৬. অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যেককে সনদ প্রদান এবং জাতীয় পর্যায়ে সেরা তিন প্রকল্পকে বিশেষ সম্মাননা ও আকর্ষণীয় পুরষ্কার প্রদান করা হবে।
৭. প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। প্রত্যেক আগ্রহী প্রতিষ্ঠান ও তাঁর প্রতিযোগীদেরকে www.skillscompetition.com.bd ঠিকানায় নির্ধারিত রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পুরন করতে হবে। মনে রাখতে হবে, একজন প্রতিযোগীকে নাম রেজিস্ট্রেশন করার পর তা স্ব স্ব বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যক্ষের দ্বারা অবশ্যই অনুমোদন সাপেক্ষে আগামী ২৮ অক্টোবর ২০১৮ তারিখ দুপুর ২.০০টার মধ্যে www.skillscompetition.com.bd এই ঠিকানায় জমা দিতে হবে।
৮. প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীগণকে প্রতি বছরের ন্যায় নিজ নিজ দায়িত্ব ও খরচে প্রকল্প তৈরি ও প্রদর্শন করতে হবে।
৯. ১৬২টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে একই দিনে (৩ নভেম্বর ২০১৮) একই সাথে প্রথম পর্বের প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে হবে।
১০. প্রতিযোগিতার ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে www.skillscompetition.com.bd এই সাইটের Institute Evaluation ট্যাবের মাধ্যমে আপলোড করতে হবে। একই সাথে ফলাফলের স্বাক্ষরিত কপি স্ক্যান করে প্রকল্পের মেইল (step.dte@gmail.com)-এ প্রেরণ করতে হবে এবং সিসি দিতে হবে প্রতিযোগিতার নিজস্ব মেইল (info@skillscompetition.com.bd) ও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা আয়োজনকারী প্রতিষ্ঠানকে।
১১. প্রাতিষ্ঠানিক পর্বের প্রতিযোগিতায় একটি প্রতিষ্ঠানে মোট কতটি প্রকল্প অংশগ্রহণ করেছে তার তথ্য ও ছবিও প্রেরণ করতে হবে। পরবর্তীতে বিলের সাথেও তথ্য ও ছবির কপি সংযুক্ত করতে হবে।
১২. দ্বিতীয় পর্বের প্রতিযোগিতা আয়োজনের সুবিধার্থে ভৌগলিক অবস্থান ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যার ভিত্তিতে গোটা দেশকে বরাবরের মত এবারও ১৩টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে (কপি সংযুক্ত)।
১৩. প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিযোগীদের উদ্ভাবনী প্রদর্শনী বা প্রকল্প পরিশীলিত অবয়বে আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে।
১৪. আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতা একই দিনে (২৪ নভেম্বর ২০১৮) ১৩টি ভ্যেনুতে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। এ পর্বের প্রতিযোগিতার ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে WWW.SKILLSCOMPETITION.COM.BD এই সাইটের জবমরড়হধষ ঊাধষঁধঃরড়হ ট্যাবের মাধ্যমে আপলোড করতে হবে। একই সাথে ফলাফলের স্বাক্ষরিত কপি স্ক্যান করে প্রকল্পের মেইল (step.dte@gmail.com) এ প্রেরণ করতে হবে এবং সিসি দিতে হবে প্রতিযোগিতার নিজস্ব মেইল (info@skillscompetition.com.bd) এ।
১৫. আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা উপলক্ষে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা ও করণীয় বিষয়ে একই দিন স্ব স্ব অঞ্চলে একটি করে র‌্যালি ও সেমিনার আয়োজন করতে হবে।
১৬. আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় বিজয়ী/সেরা প্রকল্পসমূহের (জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত প্রতিযোগী/দলের) তালিকা WWW.SKILLSCOMPETITION.COM.BD এই ওয়েব ঠিকানায় প্রকাশ করা হবে এবং সকল অধ্যক্ষ মহোদয়কে ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।
১৭. জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ঢাকায় ২০১৯ সালের মার্চ-এপ্রিলে (সম্ভাব্য) জাকজমকপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট অতিথিবর্গ ও স্টেকহোল্ডারগণ এতে উপস্থিত থাকবেন। এ উপলক্ষে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা ও করণীয় বিষয়ে একাধিক সেমিনার/ওয়ার্কশপ, র‌্যালি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।
১৮. পুরো প্রতিযোগিতা জুড়ে গণমাধ্যমের সরব উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। প্রতিযোগিতার মিডিয়া পার্টনার হিসেবে আছে দেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল চ্যানেল আই, সহযোগী হিসেবে থাকবে দৈনিক প্রথম আলো প্রত্রিকা, ক্যারিয়ার পার্টনার হিসেবে কাজ করবে বিডিজবস.কম ও বাংলাদেশ এম্লয়ার্স ফেডারেশন এবং আইটি পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে “মাইক্রোএ্যাড”। চ্যানেল আই, প্রথম আলো, বিডিজবস.কম, বাংলাদেশ এম্লয়ার্স ফেডারেশন ও মাইক্রোএ্যাড-এর লোগো (সংযুক্ত) সকল প্রতিষ্ঠানের (১৬২টি) যোগাযোগ সরঞ্জামাদিতে বিশেষকরে ব্যানার, ফেস্টুন, লিফলেট ইত্যাদিতে ব্যবহার করতে হবে।
১৯. প্রতিযোগিতা বিষয়ে যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগের নম্বর: ৮১৮১৪৫৬-৭, ০১৭১১৫৭৬৯৫০, ০১৭২০২৮০৫২৭ এবং ০১৭১৫৬৮৮৮২৯। step.dte@gmail.com এবং info@skillscompetition.com.bd ঠিকানায় ইমেইল করা যাবে। প্রয়োজনে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.step-dte.gov.bdWWW.SKILLSCOMPETITION.COM.BD

৩। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট পর্যায়ে (প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে) করণীয়:
১. ‘স্কিলস কম্পিটিশন ২০১৮’ নামে একটি ফাইল খুলতে হবে। প্রতিযোগিতা সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্রের একটি কপি অবশ্যই উক্ত ফাইলে শুরু থেকেই সংরক্ষণ করতে হবে।
২. দু’টি কমিটি গঠন করতে হবে। (ক) আয়োজক কমিটি এবং (খ) মূল্যায়ন কমিটি। আয়োজক কমিটির প্রধান হবেন সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষ মহোদয়। কমিটি হবে ৩-৫ সদস্য বিশিষ্ট। বিভাগীয় প্রধানদের মধ্য থেকে সিনিয়রিটির ভিত্তিতে সদস্য নির্ধারণ করতে হবে। সদস্য-সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন উপাধ্যক্ষ মহোদয়। অপরদিকে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি মূল্যায়ন কমিটিও গঠণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষসহ উক্ত কমিটির সদস্য হিসেবে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, চেম্বার অব কমার্স, স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা শিল্পকারখানার প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
৩. নির্দিষ্ট দিনে প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে যথাশীঘ্র প্রস্তুতি ও যোগাযোগ শুরু করতে হবে। প্রতিযোগিতার তথ্য ও নিয়মকানুন ক্লাসরুম, হোস্টেল ও নোটিশ বোর্ড, ইমেইল, ফেসবুকের মাধ্যমে গুরুত্বের সাথে ব্যাখ্যাসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাতে হবে (প্রয়োজনে এই চিঠির কপি নোটিশবোর্ডে দেয়া যেতে পারে)। এছাড়া আগ্রহী প্রতিযোগীদের সময়মত রেজিস্ট্রেশন করা, পূরণকৃত ফর্মের হার্ডকপি সময়মত সংগ্রহ করা ও সংরক্ষণ করা, আবেদনকারীগণের তথ্য কেন্দ্রীয় কমিটি/প্রকল্পকে অবহিত করা, পুরো আয়োজন সম্পর্কে সময় সময় কর্তৃপক্ষকে অবহিত রাখা, প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে প্রতিযোগিতার ফলাফল প্রকাশ ও কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদন প্রদান করা ইত্যাদি দায়িত্ব পালন করতে হবে।
৪. প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে প্রতিযোগিতা আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের জন্য প্রকল্প উপস্থাপনের সংখ্যার বিপরীতে বরাদ্দ দেয়া হবে। ১-৫টি প্রকল্প উপস্থাপনকারী প্রতিষ্ঠান ৩০,০০০.০০ (ত্রিশ হাজার) টাকা, ৬-১০টি ৪০,০০০.০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা এবং ১১ ও তদুর্ধ সংখ্যক প্রকল্প উপস্থাপনকারী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০,০০০.০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা বরাদ্ধ দেয়া হবে।
৫. মূল্যায়ন কার্যক্রম ও মূল্যায়ন কমিটির সম্মানী ৫,০০০.০০ টাকা, নির্বাচিত ৩টি প্রকল্প আঞ্চলিক পর্যায়ে অংশগ্রহণের জন্য ৫,০০০.০০ টাকা এবং অবশিষ্ট টাকার অর্ধেক স্টল নির্মাণ ও ডেকোরেশনসহ প্রতিযোগিতা আয়োজনের কাজে এবং বাকী অর্ধেক যোগাযোগ, ফোন, ফটোকপি, নাস্তা, প্রচারণা ইত্যাদি খাতে ব্যয় করতে হবে। উল্লিখিত প্রত্যেকটি খাতের খরচের একটি সমন্বিত ব্যয় বিবরণী, বিল-ভাউচারসমূহের একটি করে কপি এবং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকৃত উদ্ভাবনের তালিকা ও ছবি প্রতিযোগিতার পরবর্তী সাত কর্ম দিবসের মধ্যে প্রকল্প দপ্তরে প্রেরণ করতে হবে এবং মূল কপিসমূহ হিসাব নিরীক্ষার জন্য স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে।
৬. এ অর্থ শুধুমাত্র প্রকল্পের স্টাইপেন্ড প্রাপ্ত ১০৬টি সরকারি-বেসরকারি ইনস্টিটিউটের অনুকূলে সিডি এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ট্রান্সফার করা হবে। অর্থ দেয়া হবে অনুষ্ঠান শেষে সম্পূর্ণ খরচের বিল-ভাউচারের হিসাব প্রকল্প অফিসে জমা দেয়ার অব্যবহিত পরে। এ জন্য সিডি এ্যাকাউন্টের নম্বর বিল-ভাউচারের সাথে পাঠাতে হবে। গ্রান্ট প্রাপ্ত ৪৫টি ইনস্টিটিউট প্রাপ্ত গ্রান্টের অর্থ হতে বরাদ্ধের সমপরিমান অর্থ উপরে বর্ণিত বিভাজন অনুযায়ী ব্যয় করতে পারবে।
৭. প্রতিযোগিতা আয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার/জেলা প্রশাসক মহোদয় এবং তাঁদের প্রতিনিধিদেরকে সম্পৃক্ত করতে হবে।
৮. স্ব স্ব পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে/বিপুল সংখ্যক লোকসমাগমের উপযুক্ত স্থানে যেমন-খেলার মাঠ, অডিটোরিয়াম ইত্যাদি স্থানে প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করতে হবে।
৯. প্রকল্প দপ্তর প্রত্যাশা করে যে, আগ্রহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রত্যেক টেকনোলজি/বিভাগ থেকে কমপক্ষে একটি দল (একক/দলগত) প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে।
১০. ‘স্কিলস কম্পিটিশন ২০১৮’ এ অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলে বা প্রতিটি উদ্ভাবনী প্রকল্পের বিপরীতে সর্বোচ্চ তিনজন প্রতিযোগী অন্তর্ভূক্ত হতে পারবে। তবে একই প্রতিযোগী একাধিক বার (একক/দলগত যাই হোক না কেন) অংশগ্রহণ করতে পারবে না। কেউ একাধিক গ্রুপে (একক কিংবা দলগত) রেজিস্ট্রেশন করলে তা বাতিল হয়ে যাবে। ‘স্কিলস কম্পিটিশনে’ ইতোপূর্বে প্রদর্শীত কোন প্রকল্প এই প্রতিযোগিতায় প্রদর্শন করা যাবে না।
১১. আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা আয়োজনে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সকল প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আয়োজক প্রতিষ্ঠানকে সক্রিয় সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।

৪। আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা আয়োজনে করণীয়:
১. আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার আয়োজক হিসেবে নির্বাচিত (গ্রান্ট প্রাপ্ত সরকারি) পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসমূহের প্রত্যেকটিকে (১৩টি) ‘স্কিলস কম্পিটিশন ২০১৮ - আঞ্চলিক পর্ব’ নামে একটি আলাদা ফাইল খুলতে হবে। প্রতিযোগিতার এই পর্বের শুরু থেকে সকল কাগজপত্রের একটি কপি অবশ্যই উক্ত ফাইলে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. আঞ্চলিক পর্যায়েও প্রত্যেক অঞ্চলের জন্য দু’টি কমিটি গঠন করতে হবে। (ক) আঞ্চলিক আয়োজক কমিটি এবং (খ) আঞ্চলিক মূল্যায়ন কমিটি।
৩. আঞ্চলিক আয়োজক কমিটির প্রধান হবেন উক্ত পর্বের আয়োজনকারী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মহোদয়। স্ব স্ব অঞ্চলের আওতাভুক্ত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসমূহের অধ্যক্ষগণের মধ্য থেকে উক্ত কমিটির সদস্য করতে হবে। সদস্য-সচিব হবেন ঐ (আয়োজক) প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ। উপাধ্যক্ষ না থাকলে একই প্রতিষ্ঠানের অন্য যে কোন সিনিয়র বিভাগীয় প্রধান/শিক্ষক। কমিটি হতে পারে ৫-৭ সদস্য বিশিষ্ট।
৪. আঞ্চলিক মূল্যায়ন কমিটির প্রধান হবেন সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক/অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা)। সদস্য-সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন আয়োজনকারী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ মহোদয়। উপাধ্যক্ষ না থাকলে একই প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র বিভাগীয় প্রধান/শিক্ষক উক্ত দায়িত্ব পালন করবেন।
৫. উক্ত কমিটির সদস্য হিসেবে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠান/চেম্বার অব কমার্সের প্রধান/প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। উক্ত কমিটি গঠণপূর্বক নভেম্বর ১৫, ২০১৮ তারিখের মধ্যে ইমেইলের মাধ্যমে step.dte@gmail.com এবং info@skillscompetition.com.bd ঠিকানায় প্রকল্প দপ্তরকে অবহিত করতে হবে।
৬. আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং সেমিনার ও র‌্যালিতে স্থানীয়/বিভাগীয় প্রশাসনকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি আয়োজক কমিটি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করবে।
৭. আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান পর্যায়ের প্রতিযোগিতার কার্যক্রমের সমান্তরালে উভয় প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি ও যোগাযোগ চালিয়ে যেতে হবে। আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা আয়োজনকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রতিযোগিতার তথ্য ও নিয়মকানুন সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের আওতাভুক্ত সকল প্রতিযোগী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটকে যথাযথভাবে জানাতে হবে। সকল প্রতিষ্ঠানের প্রধানদেরকে নিয়ে প্রস্তুতি সভা করতে হবে। প্রতিষ্ঠান পর্যায়ের সেরা এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত প্রতিযোগীদের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য সংগ্রহ করা, অংশগ্রহণকারীগণের তালিকা কেন্দ্রীয় কমিটিকে অবহিত করা, পত্র-প্রত্রিকায় প্রচার-প্রচারণার ব্যবস্থা করা, প্রতিযোগিতার দিনে সেমিনার ও র‌্যালি আয়োজন করা, পুরো আয়োজন সম্পর্কে সময়-সময় ডিটিই/এসটিইপি কর্তৃপক্ষকে অবহিত রাখা, ফলাফল প্রকাশ ও কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদন প্রদানে সহায়তা করা ইত্যাদি দায়িত্ব পালন করতে হবে।
৮. আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য আয়োজনকারী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউসমূহের (১৩টি) প্রত্যেকটির বিপরীতে বরাদ্দ অঞ্চলভেদে ৪,০০,০০০.০০ (চার লক্ষ), ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ) এবং ৬,০০,০০০ (ছয় লক্ষ) টাকা (সংযুক্ত নীতিমালা, বরাদ্দ তালিকা ও বাজেট দ্রষ্টব্য)। ১৩টি আয়োজক প্রতিষ্ঠান প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত গ্রান্টের টাকা হতে বরাদ্দকৃত অর্থ নিন্মে বর্ণিত বিভাজন অনুযায়ী ব্যয় করবে।
৯. উক্ত টাকার মধ্যে ২৫% টাকা প্রতিযোগিতা আয়োজনের প্রস্তুতি সভা ও কার্যক্রম, স্টল নির্মাণ, ডেকোরেশন, প্রকল্প প্রদর্শনীর ব্যবস্থা ইত্যাদি বাবদ, ৫% টাকা মূল্যায়ন কার্যক্রম ও মূল্যায়ন কমিটির সম্মানী বাবদ, ১০% টাকা অন্যান্য (যোগাযোগ, ফোন, ফটোকপি, আপ্যায়ন, প্রচারণা, ব্যানার-ফেস্টুন, সনদ প্রদান, প্রচারনা ইত্যাদি) খাতে, ২০% অর্থ র‌্যালি আয়োজনে (নাস্তা, ক্যাপ ইত্যাদি) এবং অবশিষ্ট ৪০% টাকা সেমিনার আয়োজন ও আপ্যায়নে খরচ করা যাবে। প্রয়োজনে উপরে বর্ণিত আন্তখাত সমন্বয় করা যাবে।
১০. সেমিনারে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা হবে দুই শতাধিক। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের আওতাভুক্ত ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটসহ উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রধানগণ, উর্ধ্বতন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাগণ, সুশিল সমাজ, শিল্পকারখানা, গণমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং অভিভাবকগণ অন্তর্ভুক্ত হবেন। খরচের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে আমন্ত্রণ, সম্মানী, টি/এ, ডি/এ, আপ্যায়ন, ব্যানার-ফেস্টুন, সাউন্ড সিস্টেম, প্রচারণা ইত্যাদি। উক্ত খরচাদি প্রকল্পের স্মারক নং এসটিইপি/প্রশা (১)/৪.০১ (বাজেট)/২০১৩-৮৮, তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০১৩ অনুযায়ী হতে হবে (কপি সংযুক্ত)।
১১. আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার দিন সকাল ৮.০০টায় একটি র‌্যালী আয়োজন করতে হবে। এতে মূলত: আয়োজক প্রতিষ্ঠান এবং ঐ শহরের নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে আসা ঐ অঞ্চলের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারী ও গাইড শিক্ষকও র‌্যালীতে অংশ নেবে। সকলের জন্য সামান্য হলেও আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকা উচিৎ।
১২. সেমিনারের সম্ভাব্য ব্যয়ের বিভাজিত বাজেট এবং অংশগ্রহণকারীগণের তালিকা অনুষ্ঠান আয়োজনের কমপক্ষে এক সপ্তাহ পূর্বে প্রকল্প দপ্তরকে আবশ্যিকভাবে অবহিত করতে হবে।
১৩. অনুষ্ঠান শেষে উল্লিখিত প্রত্যেকটি খাতের খরচের একটি সমন্বিত বিবরণী ও বিল-ভাউচারসমূহের একটি করে কপি প্রকল্প দপ্তরে প্রেরণ করতে হবে এবং মূল কপিসমূহ হিসাব নিরীক্ষার জন্য স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে।
১৪. আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা আয়োজনে সহযোগিতা প্রদান, অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং সমন্বয় সাধনের জন্য মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, বোর্ড ও স্টেপ থেকে প্রতিনিধি প্রেরণ করা হবে।
১৫. অঞ্চল প্রধান বা আয়োজকগণকে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা আয়োজনে প্রকল্প দপ্তরকে সক্রিয় সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।

৫। আরো লক্ষ্যণীয়:
১. ‘স্কিলস কম্পিটিশন ২০১৮’ এর প্রাথমিক তথ্য ও নিয়ম-কানুন সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা/কর্মচারিদেরকে এখনই যথাযথভাবে অবহিত করতে হবে। নোটিশ বোর্ড, শ্রেণী কক্ষ ও হোস্টেলে আবশ্যিকভাবে নোটিশ জারী করতে হবে। নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান ও আঞ্চলিক পর্যায়ে অবিলম্বে আয়োজক ও মূল্যায়ন কমিটি গঠণ করে প্রকল্প দপ্তরকে অবহিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে নিয়মিত সমন্বয় সভা করতে হবে।
২. প্রকল্প দপ্তরের সাথে সকল যোগাযোগ ই-মেইলের step.dte@gmail.com ঠিকানার পাশাপাশি info@skillscompetition.com.bd ঠিকানায়ও করা/কপি প্রদান করা আবশ্যক। প্রতিযোগিতা সংশ্লিষ্ট যেকোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন প্রকৌঃ রবীন্দ্রনাথ মাহাত, প্রোগ্রাম অফিসার, মোবাইল: ০১৭১১৫৭৬৯৫০ ও জনাব মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন খান, জুনিয়র কমিউনিকেশন কনসালটেন্ট, মোবাইল: ০১৭১৫৬৮৮৮২৯ নাম্বারে।

সফলভাবে ‘স্কিলস কম্পিটিশন ২০১৮’ আয়োজনে আপনাদের সকলের আন্তরিক সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।

এ বি এম আজাদ
প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব)
Add a comment...

Post has attachment
Add a comment...

Post has attachment
Add a comment...

Post has attachment
Add a comment...

Post has attachment
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নিয়ন্ত্রাণাধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের তত্বাবধানে ২০১০ সাল থেকে বাস্তবায়িত হচ্ছে Skills and Training Enhancement Project (STEP) শীর্ষক প্রকল্প। STEP প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের গুণগত মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিকভাবে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর নিকট কারিগরি শিক্ষাকে সহজলভ্য করে তোলা ও তাদের জন্য মর্যাদাসম্পন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা।

প্রকল্পটির রয়েছে সরকারি-বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উন্নয়নে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান, দরিদ্র শিক্ষার্থীদেরকে বৃত্তি প্রদান, শিক্ষক নিয়োগ ও দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণ প্রদান, সম্পূর্ণ বিনা খরচে সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ প্রদান, কর্মদক্ষতার স্বীকৃতির সনদ প্রদান, ইন্ডাস্ট্রি-ইনস্টিটিউট লিংকেজ বৃদ্ধি ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। এর পাশাপাশি STEP নানাবিধ সামাজিক ও গণযোগাযোগ মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষার প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছে এবং আয়োজন করছে সভা,সেমিনার, ওয়ার্কশপ, জব ফেয়ার, স্কিলস কম্পিটিশন ইত্যাদি।

স্কিলস কম্পিটিশন আয়োজিত হচ্ছে ২০১৪ সাল থেকে। মূলত: পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং এর শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিকাশের লক্ষ্যে এই প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করা হয়ে থাকে। স্কিলস কম্পিটিশনের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে শিল্প-সংযোগ প্রতিষ্ঠা করা, কলকারখানাসমূহকে উদ্ভাবনী প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা, বাজার চাহিদা নিরূপন করা ও শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশের পথ প্রশস্ত করা।

কারিগরি শিক্ষাঙ্গণের সর্ববৃহৎ ও অনন্য এ প্রতিযোগিতাটি ৩টি পর্বে অনুষ্টিত হয় প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়, আঞ্চলিক পর্যায় এবং জাতীয় পর্যায়। প্রথম পর্ব অর্থাৎ প্রতিষ্ঠান পর্যায়ের প্রতিযোগিতা নির্বাচিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসমূহের স্ব স্ব প্রাঙ্গণে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণকারী ইনস্টিটিউটসমূহের প্রত্যেকটি টেকনোলজি বা বিভাগ থেকে একাধিক প্রতিযোগী একক বা দলগতভাবে অংশগ্রহণ করে। প্রত্যেক পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ বা প্রশাসনিক প্রধান, স্থানীয় প্রশাসন, শিল্পকারখানা ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত হয় আলাদা আলাদা মূল্যায়ন কমিটি। কমিটিগুলো দেশ, সময় ও বর্তমান বাজারের চাহিদার প্রেক্ষিত বিবেচনায় রেখে মেধা, মনন, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার আলোকে প্রতিটি পলিটেকনিক থেকে তিনটি করে সেরা প্রকল্প নির্বাচন করে থাকে। সেগুলো পরবর্তীতে আঞ্চলিক পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

আঞ্চলিক পর্বের প্রতিযোগিতা আয়োজনের সুবিধার্থে সারাদেশকে ১৩টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়। প্রত্যেক অঞ্চল থেকে প্রকল্পের আওতায় গ্রান্ট প্রাপ্ত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান এ প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব পালন করে থাকে। আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্ব স্ব ভেন্যুতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় মহা আড়ম্বরে। এ পর্ব থেকে সব অঞ্চল মিলিয়ে সেরা ৫১টি উদ্ভাবনী প্রকল্প চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হয়।

“স্কিলস কম্পিটিশন” এর চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায়। এ উপলক্ষে প্রতিবছর একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয় এবং একটি সেমিনারেরও আয়োজন করা হয়। সেই সাথে দিনভর টানটান উত্তেজনার মধ্যে চলে এ পর্বে অংশগ্রহণকারী প্রকল্পসমূহের মূল্যায়ন কার্যক্রম। অবশেষে গোধূলির সোনালী আলোয় মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত উদ্ভাবনের জন্য কারিগরি শিক্ষার সোনার ছেলেদের হাতে তুলে দেন মহামূল্যবান পুরষ্কার আর উপহার সামগ্রী।

এ পর্যন্ত তিনবার স্কিলস কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্বশেষ Skills Competition 2016 এর চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগিতায় LS 247 RBT Life Security Robot আবিষ্কার করে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা প্রথম স্থান অর্জন করে। Water Based Gas Power Plant উদ্ভাবন করে National Science Research and Technology College, Rajshahi দ্বিতীয় স্থান এবং Digital Security System উদ্ভাবনের জন্য Model Institute of Science and Technology, Gazipur এর শিক্ষার্থীবৃন্দ তৃতীয় স্থান লাভ করে।

একই রকমভাবে Skills Competition 2015 এর চূড়ান্ত পর্বে রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবিত ‘নেবুলাইজার ও সাকশন মেশিন’ শীর্ষক প্রকল্পের জন্য ১ম পুরস্কার লাভ করে। প্রতিযোগিতায় ‘ব্রিকফিল্ড কার্বন ফিল্টার’ শীর্ষক প্রকল্পের জন্য ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা ২য় পুরস্কার এবং ‘রুম সিকিউরিটি কন্ট্রোল সার্কিট’ শীর্ষক প্রকল্পের জন্য বাংলাদেশ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউ, রাজশাহী ৩য় পুরস্কার লাভ করে।

২০১৪ সালে প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত স্কিলস কম্পিটিশনের চূড়ান্ত পর্বে আহসানউল্লাহ কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিউটের শিক্ষার্থীবৃন্দ তাদের উদ্ভাবিত Potato as bio degradable plastic for eco-friendly environment’ শীর্ষক প্রকল্পের জন্য ১ম পুরস্কার লাভ করে। প্রতিযোগিতায় ‘Reduce Carbon by housing steam’ শীর্ষক প্রকল্পের জন্য ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা ২য় পুরস্কার এবং ‘Home security system’ শীর্ষক প্রকল্পের জন্য ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মেয়েরা ৩য় পুরস্কার লাভ করে।

বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় চতুর্থবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “Skills Competition 2017”। বরাবরের মতো এবারেও থাকছে প্রতিযোগিতার তিনটি পর্ব এবং একই রকম নিয়ম-কানুন। ভিন্নতা শুধু রেজিস্ট্রেশনে। আগ্রহী প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার্থীদেরকে এ বছর থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে অনলাইনে। সেইসাথে এ প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয়েছে নতুন একটি আনুষ্ঠানিকতা। সেটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

সৃজনশীল মেধা অন্বেষণের অনন্য এই প্রতিযোগিতা আজ কারিগরি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন কারিগরি শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশের সুযোগ পাচ্ছে, অপরদিকে দেশের আপামর জনসাধারণ কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা ও সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারছেন এবং উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। এভাবেই একদিন আমাদের কারিগরি শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা দিয়ে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে, আর তাদের দক্ষ হাতেই গড়ে উঠবে “দক্ষ বাংলাদেশ”।
Photo
Add a comment...

Post has attachment
চট্টগ্রামে জব ফেয়ার

চাকরি প্রত্যাশীদের হাতের নাগালে তার পছন্দের চাকরির ব্যবস্থা করতে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী জব ফেয়ার ২০১৭। শনিবার সকালে চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু হোটেলে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ জব মেলা উদ্বোধন করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষাজীবন শেষে একটি ভালো চাকরির প্রত্যাশা সকলেরই থাকে। কিন্তু, পছন্দসই চাকরি পাওয়াটা অনেক কষ্টসাধ্য। অন্যদিকে যোগ্যতা সম্পন্ন চাকরি প্রার্থী খুঁজে পাওয়াটাও সহজ কোনো বিষয় নয়। দুই পক্ষের এই সমস্যা সমাধানে চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু হোটেলে অনুষ্ঠিত হলো জব ফেয়ার। এর মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীরা তাদের কাক্সিক্ষত চাকরির সন্ধান করে নিতে পারবে।

মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে ও সরাসরি প্রায় সাত হাজারেরও বেশি জীবন বৃত্তান্ত জমা পড়ে বলে জানান আয়োজকরা। জব ফেয়ার এর মাধ্যমে চাকরি প্রত্যাশী ও চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি হবে বলে মনে করছেন মেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

বেকারত্ব দূরীকরণে কারিগরী শিক্ষার উপর জোর দিয়ে এ ধরনের মেলা প্রতি বছর আয়োজনের উপরও গুরুত্ব আরোপ করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের মেধাবী ছাত্র ছাত্রী যারা আছে, যারা প্রশিক্ষণ নিয়ে আসছে, যারা পাশ করে আসছে তারা তাদের আসল লক্ষ্যটা পছন্দ করে নিতে পারবে।’

চাকরি প্রত্যাশীদের সুবিধার্থে প্রতি বছরই জব ফেয়ার আয়োজন করা হবে বলে জানান এই মেলার আয়োজকরা। মেলায় চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য থাকছে বিভিন্ন সেমিনার, ক্যারিয়ার বিষয়ক কর্মশালা ও সরাসরি সাক্ষাৎকার প্রদানের সুযোগও। Boishakhionline.com
PhotoPhotoPhotoPhotoPhoto
8/21/17
7 Photos - View album
Add a comment...

চট্টগ্রামে দিনব্যাপী এনআইটির জমজমাট জব ফেয়ার

চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এনআইটি) উদ্যোগে জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচতারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে এ অনুষ্ঠান শুরু হয়। দিনব্যাপী এ মেলায় ১০ সহস্রাধিক চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেন অনলাইনে। এছাড়াও অনুষ্ঠান চলাকালীন আরও অসংখ্য চাকরিপ্রার্থী অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ৩৮টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।

অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ^াস, স্টেপ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবিএম আজাদ (যুগ্ম-সচিব), বিশ^ব্যাংক প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মাহবুবুল আলম। পূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার মান বৃদ্ধি করতে হবে। মান বৃদ্ধি হলে শিক্ষার্থীও বাড়বে। এতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’ তিনি বলেন, ‘এ ধরনের জব ফেয়ারের আয়োজন খুবই ভাল উদ্যোগ। এতে চাকরিপ্রার্থীরা সরাসরি চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কথা বলতে পারছে। চাকরির সুযোগ সম্পর্কে নিজেরাই তথ্য জানতে পারছে। অন্যদিকে চাকরিদাতারাও যোগ্য প্রার্থী খুঁজে নিতে পারছে।’ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এনআইটির চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এতে প্রতিষ্ঠানগুলো চাকরি প্রদানের ক্ষেত্রে এনআইটির কাছ থেকে প্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করতে পারবে। ফলে যোগ্য প্রার্থী খুঁজে নেয়া সহজ হবে বলে মনে করেন আয়োজকবৃন্দ। অনুষ্ঠানের কো-অর্গানাইজার বিজয় চক্রবর্তী এ বিষয়ে বলেন, ‘যখন কোন প্রতিষ্ঠান চাকরি প্রদানের জন্য প্রার্থীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করে তখন হয়ত খুব কমসংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। সেখান থেকে যোগ্য প্রার্থী বাছাই অনেক সময়ই সম্ভব হয় না। কিন্তু আমাদের সঙ্গে চুক্তির ফলে আমরা তাদের প্রার্থীর জীবনবৃত্তান্ত সরবরাহ করতে পারব। আর আমাদের কাছে যেহেতু বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর তথ্য থাকবে তাই সেখান থেকে যোগ্য এবং চাহিদামাফিক প্রার্থী বাছাই করা সহজ হবে।’

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এনআইটি) উদ্যোগে জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচতারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে এ অনুষ্ঠান শুরু হয়। দিনব্যাপী এ মেলায় ১০ সহস্রাধিক চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেন অনলাইনে। এছাড়াও অনুষ্ঠান চলাকালীন আরও অসংখ্য চাকরিপ্রার্থী অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ৩৮টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।

অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ^াস, স্টেপ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবিএম আজাদ (যুগ্ম-সচিব), বিশ^ব্যাংক প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মাহবুবুল আলম। পূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার মান বৃদ্ধি করতে হবে। মান বৃদ্ধি হলে শিক্ষার্থীও বাড়বে। এতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’ তিনি বলেন, ‘এ ধরনের জব ফেয়ারের আয়োজন খুবই ভাল উদ্যোগ। এতে চাকরিপ্রার্থীরা সরাসরি চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কথা বলতে পারছে। চাকরির সুযোগ সম্পর্কে নিজেরাই তথ্য জানতে পারছে। অন্যদিকে চাকরিদাতারাও যোগ্য প্রার্থী খুঁজে নিতে পারছে।’ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এনআইটির চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এতে প্রতিষ্ঠানগুলো চাকরি প্রদানের ক্ষেত্রে এনআইটির কাছ থেকে প্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করতে পারবে। ফলে যোগ্য প্রার্থী খুঁজে নেয়া সহজ হবে বলে মনে করেন আয়োজকবৃন্দ। অনুষ্ঠানের কো-অর্গানাইজার বিজয় চক্রবর্তী এ বিষয়ে বলেন, ‘যখন কোন প্রতিষ্ঠান চাকরি প্রদানের জন্য প্রার্থীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করে তখন হয়ত খুব কমসংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। সেখান থেকে যোগ্য প্রার্থী বাছাই অনেক সময়ই সম্ভব হয় না। কিন্তু আমাদের সঙ্গে চুক্তির ফলে আমরা তাদের প্রার্থীর জীবনবৃত্তান্ত সরবরাহ করতে পারব। আর আমাদের কাছে যেহেতু বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর তথ্য থাকবে তাই সেখান থেকে যোগ্য এবং চাহিদামাফিক প্রার্থী বাছাই করা সহজ হবে।’
Add a comment...
Wait while more posts are being loaded