Profile cover photo
Profile photo
পাঠচক্র
16 followers -
বুদ্ধিবৃত্তিক মুক্তির লড়াই
বুদ্ধিবৃত্তিক মুক্তির লড়াই

16 followers
About
Posts

Post has attachment
একে পার্টি ঐতিহ্যগতভাবে ও সাম্প্রতিক পরিমণ্ডলে সবসময়ই দেশে একটি শক্তিশালী মুসলি্ম জাতিসত্তার প্রতিনিধিত্ব করে থাকে। এটি এমন একটি সরকার যা ইসলামকে লজ্জার কারণ হিসেবে দেখেনা। বরং একই সাথে এটি মিশরের সিসি, সৌদি শাসন, ইরাকের বাথ কিংবা দায়েশের তাকফিরিজমের উত্তম বিকল্প হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করেছে। একে পার্টির সরকার ইসলামী পরিচয় লালনে নতুন সম্ভাবনা ও ক্ষেত্র তৈরী করেছে।

এটি হলো এমন ইসলাম ও জনগণের চাহিদার এমন এক সমন্বয় যা ইসলামবিদ্বেষী গোষ্ঠীকে খুবই বিচলিত করে। কেননা এমন পরিস্থিতি তাদের অবস্থানকে চ্যলেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়। এরদোগানের প্রতি নব্য রক্ষণশীল ও পশ্চিমা শক্তির উচু পর্যায়ে অপরিসীম বিদ্বেষ লালন করা হয়। এই ঘৃণার বিষবাস্প তাদের ইসলামবিদ্বেষপ্রসূত ভ্রান্তিকে আরো পরিপুষ্ট করে এই ধারণার মাধ্যমে যে, ইসলামী দেশসমূহ কখনোই আত্মবিশ্বাসী, পরমতসহিষ্ণু, বহুজাতিক ও গণতান্ত্রিক হতে পারেনা।

ড. স সাইয়্যিদ, প্রফেসর, ইউনিভার্সিটি অফ লিডস, যুক্তরাজ্য
Add a comment...

Post has attachment
একেবারে প্রথম মহাযুদ্ধের শেষ পর্যায় থেকে, যখন সমাজ ও রাষ্ট্রকাঠামো থেকে ইসলামকে মুছে ফেলা হয়েছিল, এবং ইসলামকেই সমস্যার মূল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল, সেখান থেকে প্রায় ১০০ বছর পর তুরস্কের আজকের এই অভিজ্ঞতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখতে হবে, তুরস্কের সামাজিক জীবনে ইসলামের ভূমিকা স্বাভাবিকভাবে ফিরিয়ে আনবার প্রচেষ্টাটিই এখানে মূল বিষয়। আগের এবং এখনকার সামরিক অভ্যুত্থানগুলো এই প্রচেষ্টাকেই বারবার বাঁধা দিতে চেষ্টা করছে। আজকের তুরস্কের এই প্রচেষ্টার সফলতা কিংবা ব্যর্থতা সমগ্র মুসলিম বিশ্ব এবং ইউরোপের ওপর এক গভীর এবং সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে, সে বিষয়ে কোনই সন্দেহ নেই।
Add a comment...

Post has attachment
প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোয়ান এর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় বসবাসরত মি. গুলেন এর দ্বন্দ্বের কী কোনো আইডিওলজিকাল বা দার্শনিক ভিত্তি আছে? এক সময়ের এই দুই মিত্রের মধ্যে শত্রুতার কারন, ক্যু প্রচেষ্টার পেছনের কথা এসব নিয়ে অডিও আলোচনায় যোগ দিয়েছেন তুরস্কের ইস্তানবুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাইফ ইফতেখার এবং যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস টেক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাজমুস সাকিব নির্ঝর।
Add a comment...

Post has attachment
ওবায়দুল্লাহ মনসুরের কবিতা

আয়েশে তল্পি ভরার খুলা-সুযোগ সওদাগরির
ফজরে পূর্ণ হবে এ প্রমোদ সফর আজ এই রাত
তাগুতের মূল উপড়ে বুঝে নিলাম জীবনবিধান
সৌভাগ্যে হাতে পেলাম শবে-ক্বদর আজ এই রাত
Add a comment...

Post has attachment
অন্যদের ব্যাপারে নির্লজ্জ নাক গলানোর ইউরোপীয় মাতব্বরীর প্রতীক সাইকস-পিকো ও আজকের মধ্যপ্রাচ্যীয় জাতিরাষ্ট্রগুলো
Add a comment...

Post has attachment
ওবায়দুল্লাহ মনসুরের কবিতা

যদি না করতো মোরে কোরবানিতে মেহেরবান
দেখাতে পারতাম দুচোখের শোণিতে অশ্রুবান
আন্দোলন হবেনা, পথচলা হবেনা আলোতে
আজ পরিচয় শুধু ধ্যানের খনিতে দারবান
বলছে মাঠে ধান, লকারে সঞ্চয় রাত্রির
পিচে রণ-শ্লোগান যতো - বেখুদিতে নির্বাণ !
....
Add a comment...

Post has attachment
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডক্টর আজিজুর রহমান মৃত্যু হুমকিতে আছেন। ভয়ানক খবর আর সংস্কৃতি। তবে এই ঘটনার পিছনের খবর হচ্ছে নিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর মুখের নেকাব না খোলায় বহু দিন ক্লাসে তার হাজিরা নিচ্ছিলেন না এই শিক্ষক।
...আমাদের এইখানে নেকাব-পর্দা নিয়ে এরা যা করছে, তাদের চিন্তার কলনিয়াল মাস্টাররাও ঠিক বাইরের কিছু করে নি। যেমন, এইসব শিক্ষকদের উত্তরসূরি ফরাসি সেক্যুলাররা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার জোরে আইন করে হিজাব-নিকাব নিষিদ্ধ করেছিল ২০১০ সালে। তো সেখানকার এক চিন্তাবিদ আলা বাদিউ এনিয়ে Behind the Scarf law, there is fear নামে একখান গুরত্বপুর্ণ লেখা হাজির করেন। বিশেষ করে স্কুলে বালিকাদের মাথায় ওড়না নিষিদ্ধ করার সময় এই লেখাটা বাদিউ লেখেন।
...হিজাবে নারীপ্রগতিবাদীদের চুলকানি দেখে বাদিউ বেশ আমোদ পান। নারী শরীর ভোগ্যপণ্যের মত বাজারে ছড়ানো ছিটানো, বেচাবিক্রি হচ্ছে। অথচ তারা কিনা ফরাসি রাষ্ট্রপতির কাছে গুটিকয়েক হিজাব ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হাতজোড়ে ব্যস্ত। নারীদের যা কিছু সম্বল তাতো অবশ্যই দেখাতে হবে। বেচতে হবে। নিয়ন্ত্রিত বিনিময় না বরং বিস্তৃত সর্বজনীন বাজারই তার ঠিকানা।
Add a comment...

Post has attachment
রাষ্ট্রশক্তি দিয়েই নৈতিক শক্তির উদ্বোধন, তৈরী হবে কি এরদোয়ান এর পরহেযগার জেনারেশন?
লিখেছেন কাজী রুহুল্লাহ শাহরিয়ার
Add a comment...

Post has attachment
আজ থেকে ৭/৮ বছর আগেও ঢাবির ভর্তিপরীক্ষায় পাশের গড় হার শতকরা ৫০ ভাগের কাছাকাছি ছিলো। বিগত পাঁচ-ছয় বছর ধরে বোর্ড পরীক্ষায় পাশের হার ও জিপিএ ৫ এর সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধির সাথে ঢাবি ভর্তিপরীক্ষায় পাশের হারের সম্পর্ক ব্যস্তানুপাতিকভাবে এগিয়েছে। ভর্তিপরীক্ষায় পাশের হার বনাম বোর্ড পরীক্ষায় পাশের হার ও জিপিএ ৫ এর সংখ্যাবৃদ্ধির তুলনামূলক গ্রাফের দিকে দৃষ্টিপাত করলেই এ দাবির সত্যতা মেলে। বর্তমান সময়ে জিপিএ ৫ পাওয়া লক্ষ লক্ষ মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা ভর্তি পরীক্ষায় পাশ মার্কসই তুলতে পারছে না!
Add a comment...

Post has attachment
একসময় ইসলাম যা তৈরিতে সাহায্য করেছিল, আজকের দিনে ইসলাম সেটিকেই আবার ভেঙ্গে গড়তে সাহায্য করছে। সন্ত্রাসবাদের অপশক্তি আর নিরীহ অভিবাসীদের ঢলে ভূমধ্যসাগরীয় অববাহিকায় ইউরোপের সাথে উত্তর আফ্রিকা এবং লেভান্তকে ঘিরে প্রাচীন সেই ভৌগলিক সীমারেখাটি আবারও জেগে উঠছে। ...আজকে শত শত মুসলিম (যাদের খ্রিষ্টান হবার নূন্যতম কোন বাসনাই নেই) প্রবেশ করছেন ইউরোপের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল দেশগুলোতে, এবং ঐ দেশগুলো ভঙ্গুর সামাজিক কাঠামোও হুমকিতে পড়ে গিয়েছে। যদিও ইউরোপের অভিজাত নেতৃত্ব যুগের পর যুগ ধর্মীয় বা জাতিগত যেকোন শক্তিকে প্রতিহত করবার এক ‘আদর্শিক রেটোরিক’ শুনিয়ে আসছিলেন, কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না, এই ধর্মীয় বা জাতিগত শক্তিই ইউরোপিয়ান দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বন্ধনকে সুদৃঢ় করে রেখেছে।
তবে যুদ্ধ এবং রাষ্ট্রের অরাজকতার ফলে এখনকার এই অভিবাসীর ঢল ঔপনিবেশিক শাসক এবং তাদের পূর্বেকার কলোনীগুলোর মধ্যকার ব্যবধান ধীরে ধীরে কমিয়ে এনেছে। এডওয়ার্ড সাঈদ ঠিকই ধারণা করেছিলেন, আজকের এই কসমোপলিটান পৃথিবীতে যেখানে সভ্যতা-সংস্কৃতিগুলোর মধ্যে আদান-প্রদান এবং তুলনামূলক অধ্যয়ন অনেক বেশি, সেখানে ওরিয়েন্টালিজম ধারণাটি ক্রমশই ক্ষয়ে আসছে, যেখানে মূলত একটি সংস্কৃতি অপর একটি সংস্কৃতিকে ডমিনেট করবার মাধ্যমে স্বীকৃতি দিতে চেষ্টা করে। যে সভ্যতা-সংস্কৃতি একসময়ে ইউরোপকে ডমিনেট করতো, সেটির হাত থেকে বাঁচতেই ইউরোপ গড়ে তোলে জাতীয়তাবাদভিত্তিক সাংস্কৃতিক পরিচয়ের এক অলীক প্রাচীর, যার মাধ্যমে জন্ম নেয় অতি বাম এবং অতি ডানপন্থী দলগুলো।
Add a comment...
Wait while more posts are being loaded