Profile

Cover photo
Nure Alam Masud
Worked at DTM WEB
Attended Manarat International University, Dhaka.
Lives in Dhaka, Bangladesh
1,645 followers|1,199,556 views
AboutPostsCollectionsPhotosYouTube+1'sReviews
People
Have him in circles
1,645 people
Владимир Ветров's profile photo
Zahid Babu's profile photo
Journalist Nazmul Hossain, London's profile photo
Rumki Islam's profile photo
saif masum's profile photo
O'Neill Consulting's profile photo
A.S.M. Shamsuzzoha Kabir's profile photo
ICPEA's profile photo
Divyanand Gupta's profile photo
Education
  • Manarat International University, Dhaka.
    BSc in Computer Science and Engineering, 2011 - 2014
  • BN College, Dhaka.
    Higher Secondary, 2008 - 2010
  • Rotary School and College, Dhaka.
    Secondary School, 2003 - 2008
Basic Information
Gender
Male
Looking for
Networking
Birthday
June 5, 1991
Relationship
Single
Story
Tagline
I am not the person I was seconds ago. At every moment, I am reborn. Be my companion for the moment..
Introduction
I like to know people. I believe in exchange of views, so, let me know about you ! However, I think my type is a bit introvert, and for that I usually don't approach first in meeting new people. But if you do, then it's fine for me. I used to blog a lot, on various topics like religion, Islam, society, national and international politics... Check my primary blog site here (in Bangla). And the secondary blog, which is mainly a collection of random thoughts -- here (in Bangla).I like to take photos. Check some of my captures here. I contribute to this page in Google+ (also available in Facebook). The page discusses about basics of theology, religion, God, Atheism, Islam etc. This is my Facebook account.
Bragging rights
Can type Bangla in 55 words per minute. Google+ user since its inception.
Work
Occupation
Web Application Developer
Skills
Programming · Translation
Employment
  • DTM WEB
    Web Application Developer, 2015 - 2015
    www.dtmweb.co
  • Manarat International University
    Teaching Assistant, 2015 - 2015
Places
Map of the places this user has livedMap of the places this user has livedMap of the places this user has lived
Currently
Dhaka, Bangladesh
Previously
Tehran, Iran

Stream

Pinned

Nure Alam Masud

Shared publicly  - 
 
 
"Not by violence, but by our determination, by our belief, and by our steadfastness shall your power be defeated.
We have the determination to resist your injustice, and we will not surrender.
The most you can do is kill us, and we welcome martyrdom for the sake of Allah. Life does not end when a man dies. Real life begins when he dies.
Either we live on this land as free men, or die and be buried in it as a pious man.

We submit to the authority of Allah, His Messenger, and his family, and that's it."

May Shaheed Ayatollah Nimr be in the company of Allah, his Prophet and his Ahlul-bayt -- for the love of whom he gave his life. Amen.
View original post
1
1
Add a comment...

Nure Alam Masud

Shared publicly  - 
 
 
Testing, we will never do enough of it. Greg LeMond

A hardware test engineer is a professional who determines how to create a process that would best test a particular product in manufacturing, quality assurance or related areas, like the RMA department, in order to assure that the product meets applicable specifications. Test engineers are also responsible for determining the best way a test can be performed in order to achieve 100% test coverage of all components using different test processes. Often Test Engineers also serve as a liaison between manufacturing, Design Engineering, Field Engineering (Customer Service) and Marketing communities as well.
Source: http://www.astetest.org/links.htm
7 comments on original post
1
Add a comment...

Nure Alam Masud

Shared publicly  - 
 
:D
2
1
Add a comment...

Nure Alam Masud

Shared publicly  - 
 
রমজানের প্রস্তুতিমূলক মাস, শা'বানে প্রবেশ করেছি আমরা। আমার যাকিছু সম্বল তা থেকে অতি সংক্ষেপে কিছু বিষয় নিয়ে একটা সিরিজ পোস্ট দেয়া শুরু করলাম স্রষ্টাভাবনা পেইজ থেকে। আল্লাহর ইচ্ছায় শব্দগুলি পাঠকের হৃদয়ে শক্তিলাভ করুক, এটাই প্রার্থনা।
 ·  Translate
2
Add a comment...

Nure Alam Masud

Shared publicly  - 
 
প্রায় দু'মাস হলো ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস নিচ্ছি।
প্রতিদিনই নিত্যনতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হচ্ছে, আর অবাক হচ্ছি।

জীবনে "মানুষ দেখা" কিংবা "মানুষকে জানার" জন্য শিক্ষকতা খুব সহজ এবং চমৎকার উপায়।
আমার ধারণা, বেশিরভাগ মানুষই প্যারালাল চিন্তা করে। তবে আমি মনে হয় একটু বেশি-ই করি, তাই প্রায়ই এক চিন্তা করতে করতে আরেক চিন্তায় ঢুকে যাই, আর সেটাকে ভুলে যাই !
সে যাক, আসল কথায় আসি। আমি খেয়াল করলাম, আমি ক্লাস নেবার সময় প্যারালাল প্রসেসিং করছি।
"বুঝতে পেরেছেন ? না বুঝলেতো আমাকে বলবেন, নাহলে এই ক্লাসের আর লাভ কী।"
কিংবা "আপনারা একটু রেসপন্ড করবেন, নাহলে তো আমি বুঝবো না।"
মুখে এসব বলছি, আর সবার দিকে তাকিয়ে কথা বলার সময় ভাবছি -- "এই ছেলেটার চোখ কী অদ্ভুত !"
"ঐ মেয়েটা অন্যকিছু চিন্তা করছে নিশ্চয়।"
"ঐ ছেলেটা আমার দিকে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে, তার দৃষ্টি ফেরানোর জন্য স্ট্রাইকিং কী কথা বলা যেতে পারে ?"
"চশমাটার কারণে চোখটা ঠিক বুঝতে পারছি না...।"
"এ নিশ্চয় ৬ সংখ্যা হবে, জন্মতারিখ জিজ্ঞাসা করতে হবে।"
"এই ছেলেটা কত সংখ্যা ?"

"This one could be my friend, .... ah... but junior. :-("
"আমার হিয়ার মাঝে, লুকিয়ে ছিলে, দেখতে আমি পাই নি তোমায় দেখতে আমি পাই নি...।"

আচ্ছা, আমি যখন ক্লাস নেই, তখন আমি যে এত অপ্রাসঙ্গিক চিন্তা করতে করতে array, pointer আর প্রোগ্রামের লজিক বুঝাই, তা কি ছাত্ররা বুঝতে পারে ? বুঝতে পারলেও তারা কী ভাবে ? কিভাবে ভাবে ?
 ·  Translate
13 comments on original post
2
Add a comment...

Nure Alam Masud

Shared publicly  - 
 
"আমি বুঝতেসি না ওর সাথে কি আমার আর হবে…"
"আর কন্টিনিউ করা ঠিক হবে কিনা / ছেড়ে দেব কিনা।"
মোটামুটি এমন কথাই শুনি, যখন কোনো গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড রিলেশানে সিরিয়াস প্রবলেম হয়, এবং তাদের কারো মনের কথাটা জানার সুযোগ হয়। তারপর হয়ত কারো আর হয় না, কেউবা পুনর্বার কন্টিনিউ করে একই অনিশ্চয়তা সহকারে, কারো হয়ত বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়।

যে সম্পর্কের ভিত্তিই ন্যায়সঙ্গত নয়, তার ব্যাপারে উপদেশ আর কী-ই বা হতে পারে? তবু প্রতিজনকেই বলি ধৈর্য্য ধরতে, অপেক্ষা করতে, কিছুটা সময় পার হতে দিতে। বলি, এতদিন যে মানুষটা ভালোবেসেছে, হুট করেই সে চলে যেতে পারে না।

আমি জানি ধর্মের বাণী এখানে অসহায়। কিন্তু দুটো সান্তনার কথা যদি ব্যথিত হৃদয়ে উপশম আনতে পারে তো ক্ষতি কী!
আমার ঘনিষ্ঠজনেরা বিরক্ত হয়: আমি কেন প্রেমের ওঝাগিরি করি। অথচ চারিদিকে ব্যথিত হৃদয়, তা সেটা গার্লফ্রেন্ড / বয়ফ্রেন্ডের ভালোবাসা না পাওয়ার ব্যথাই হোক কি খোদাকে না পাওয়ার ব্যথা হোক। সে ব্যথার উপশমে প্রয়াস নেয়া দায়িত্ব, কেননা মানব-হৃদয়ে স্রষ্টার নিবাস। সে যাহোক।

তারপর যখন তাদের আবার মিল হয়ে যায়, তারা খুশি। চিন্তার অগভীরতায় ভালোবাসায় মেতে ওঠে। হয়ত বিয়ে করে, সংসার করে। কিন্তু সমস্যা র'য়ে যায়। সংসার জীবনে তা আরো প্রকট রূপ নিয়ে আসে। এমনকি বেদনাদায়ক পরিণতি পর্যন্ত ডেকে আনে।

এর সমাধান কী? সমস্যা হলো, বেশিরভাগই যেখানে সমাধান খোঁজে, যে যে পদক্ষেপকে সমাধান বলে মনে করে, সেগুলো আসলে নতুন সমস্যা সৃষ্টিকারী।
প্রথম সমস্যা হলো, স্বার্থপর ভালোবাসা। এটা থেকে বেরিয়ে আসা খুবই কঠিন। স্বার্থপর ভালোবাসা কেমন? "ও আমাকে যতদিন ভালোবাসবে, আমিও ভালোবাসব, আর ও চলে গেলে আমি অস্থির হয়ে যাবো, কারণ আমি আর ভালোবাসা পাচ্ছি না, আমার চাহিদা পূরণ হচ্ছে না।"
কারো কারো তার সাথে বড়জোর ভালোবাসা দেবার চাহিদাটা যুক্ত হয়। তবুও সেটা নিজের তৃপ্তি মিটানোে ভালোবাসা, নিজের চাহিদা পূরণ করা; স্বার্থপর ভালোবাসা। ব্যবসায়ী আর ক্রেতার মাঝে যেমন কখনো প্রেম হওয়া সম্ভব না, তেমনি এমন চাহিদাভিত্তিক দেয়া-নেয়া সম্পর্কের স্বার্থপর ভালোবাসা টেকসই হতে পারে না।

দ্বিতীয় সমস্যা হলো, বুদ্ধি কম হওয়া। ধার্মিক-আধ্যাত্মিক হওয়ার প্রয়োজন নেই, কিন্তু কেবলমাত্র মানব মনস্তত্ত্ব কিছুটা বুঝলেই… you can play God: আপনি অপরজনের উপর কর্তৃত্ব করতে পারবেন। তাকে নানাভাবে এমনই বন্দী করে ফেলবেন যে, সে আপনাকে ভালো বেসেই যাবে, এমনকি সে যে উন্নততর বুদ্ধিমত্তার কাছে বন্দী, তা সে বুঝতেই পারবে না! সে নিজেকে স্বাধীন মনে করবে, এবং সে কখনো ছেড়ে যাবার চিন্তাও করবে না। কিন্তু এটা কেমন ভালোবাসা! এটা কি আদৌ ভালোবাসা? যেন টাকা দিয়ে কেনা পুতুল, কিংবা পোষ মানানো প্রাণী, যাকে দড়ি ছেড়ে দিলেও ঘুরেফিরে আমার কাছেই আসবে! এটাও এক প্রকার স্বার্থপর ভালোবাসা, কেবল one side is playing God, taking the advantage of intellectual superiority. তবে এ ধরণের সম্পর্ক বেশ টেকসই হয়, টিকে যায়। কারণ একপক্ষ তো সর্বদা জপমালা নিয়ে বসে জপছে: "পতিদেবতা! তুমি আমার স্বামী, তুমিই আমার সব।" ( :-P )

চাহিদাভিত্তিক স্বার্থপর ভালোবাসার ঊর্ধ্বে, এবং কারো বুদ্ধি-কৌশল কম হবার সুযোগ না নিয়েও কি ভালোবাসার সম্পর্ক হতে পারে? সেটা কি এমন হতে পারে যে, আপন গতিতে বহমান প্রমত্তা দুই নদী এসে মোহনায় মিলেছে? হ্যাঁ, দুনিয়াতে সে গল্প আছে, সে গল্প ছিল। কিন্তু সে তত্ত্বকথা, সে ধর্মকথা ও সে প্রেমালাপ শুনবার ধৈর্য্য বা আগ্রহ ক'জনের আছে? সবাই নিজের চাহিদা মেটাতে ব্যস্ত: নিজ হৃদয়াবেগ তৃপ্ত করতে ছুটছে। বুদ্ধি কম মানুষগুলো হয়রান হয়ে পড়ছে, হারাচ্ছে, কাঁদছে, আবার নতুন মানুষের সন্ধান করছে। বুদ্ধিমান মানুষেরা শেকল পড়ানো দুগ্ধবতী গাভীর ব্যবস্থা করছে। সবই নিজের ভিতরের অদ্ভুত এক দানবের চাহিদা পূরণের জন্য।
"যখন তাকে বলা হয়, তুমি কি তৃপ্ত হয়েছ?
সে বলে: আরো আছে?"

দুনিয়ার বুকে স্বর্গীয় প্রেমের গল্পগুলো তাই বেশিরভাগ মানুষের জানা হয় না। কিন্তু খোদায়ী ইচ্ছানুসারে সে ভালোবাসা যুগ যুগ টিকে থাকে অনন্তকাল, কেননা দুনিয়ার বুকে তারা দাগ কেটে গেছে!

এপ্রিল ২৬, ২০১৬।
 ·  Translate
5
Add a comment...
Have him in circles
1,645 people
Владимир Ветров's profile photo
Zahid Babu's profile photo
Journalist Nazmul Hossain, London's profile photo
Rumki Islam's profile photo
saif masum's profile photo
O'Neill Consulting's profile photo
A.S.M. Shamsuzzoha Kabir's profile photo
ICPEA's profile photo
Divyanand Gupta's profile photo

Nure Alam Masud

Shared publicly  - 
 
জাকির নায়েক বুশকে টেরোরিস্ট বলছেন, কখনো কি আলে সৌদকে টেরোরিস্ট বলেছেন? তিনি কি দেখেন না যে, গত দুই বছর যাবৎ সৌদি বাদশাহ ইয়েমেনে সিভিলিয়ানদের হত্যা করছে? কেন তিনি নীরব? তিনি কি আলে সৌদের ইতিহাস জানেন না, তিনি কি জানেন না যে সৌদি বাদশাহরা ইহুদি-ব্রিটিশ-মার্কিন সেবাদাস ভেড়া? মাত্রতো শ’খানেক বছর আগের ইতিহাস, তিনি কি জানেন না? তা সত্ত্বেও তিনি সৌদি বাদশাহর কাছ থেকে ইসলামের খেদমত করার জন্য পুরস্কার পান। যেমন বাদশাহ, তেমন তার ইসলাম, আর তেমন সেই ইসলামের খাদেম!
কোটি কোটি ডলার ব্যয়ে দুনিয়াব্যাপী “পিস টিভি” ও তাদের কার্যক্রমে এমন ইসলামই প্রচার হয়ে আসছে। যেই ইসলামে এজিদ একজন জান্নাতি মানুষ। জানেন, এদেশে মাদরাসাগুলোতে এমন বিকৃত ইসলাম প্রচার করা হয় যে, সেখানে বলা হয়, ইমাম হুসাইন (আ.) ভুল করেছিলেন কারবালায় গিয়ে, আমরা উনার মুক্তির জন্য দোয়া করি (!?)। হায়রে, জান্নাতের যুবকদের সর্দারের মুক্তির জন্য কে দোয়া করে? যে নিজে মুক্তির জন্য তার শাফায়াতের মুখাপেক্ষী? হায়রে!
এখন, আমার এতসব কথা আপনার কাছে সিভিয়ার কিছু মনে না-ও হতে পারে, যদি আপনি এজিদ আসলে কী ছিল, তা না জেনে থাকেন, যদি এজিদ সম্পর্কে আপনার জ্ঞান অর্জনই হয়ে থাকে ওহাবী সালাফী দুষ্টচক্রের হাত ধরে। এদেশের ট্র্যাডিশনাল মোল্লারা জেনে বা না জেনে কী করেছে, কী করে, জানেন? এক্সেপশনাল থাকতে পারে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জেনেশুনে কুরআনের আয়াত গোপন করে। কখনো মানুষকে সূরা বাকারার ১৮৭ নাম্বার আয়াত থেকে বলে না যে, রোজা পূর্ণ করো রাত পর্যন্ত, সন্ধ্যা পর্যন্ত নয়। কেননা তাহলে মানুষ যদি দেখে যে আহলে বাইতের অনুসারীরা রাতে ইফতার করছে, আর তারাই সঠিক! তখন যে অনুসারী ছুটে যাবে, ধর্মব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে! সৌদি আরবতো ইদানিং এককাঠি বেড়ে অনুবাদে লিখে দিয়েছে: till sunset. আর সব অনুবাদে আরবি “লাইল” এর অনুবাদ “রাত, night” ইত্যাদি করা হয়েছে। কেবল কাজের বেলায় পালন করেছে উল্টো। কিন্তু সৌদি আরবের “সহীহ ইন্টারন্যাশনাল” ভাবলো, অনুবাদে “night” দেখে যদি লোকে আবার রাতে ইফতার শুরু করে দেয়! তাই তারা লাইল এর অনুবাদে লিখে দিল sunset, অর্থাৎ মাগরিব! quran.com/2/187 তে গিয়ে দেখেন, আর ট্রান্সলেশন থেকে বাংলাসহ অন্যান্য ইংরেজি ট্রান্সলেশন চেক করে দেখেন!
তারা কখনো বলে না কুরআন শরীফে সুস্পষ্ট বলা হয়েছে তোমাদের অভিভাবক হলেন আল্লাহ, তার রাসুল ও সেইসব লোকেরা, যারা রুকু অবস্থায় দান করে। -- তাহলে যে মানুষ জিজ্ঞাসা করবে, রুকু অবস্থায় দান করেছিল কে, যার জন্যে এই আয়াত নাযিল হয়েছিল? তাহলে যে উত্তরে বলতে হবে হযরত আলী (আ.) এর কথা, আর তাহলেই যে অনুসারী ছুটে যাবে, মানুষ যে বলবে, তাহলেতো আহলে বাইতের অনুসারীরাই সত্য কথা বলে, তারা কেবলমাত্র আল্লাহ, মুহাম্মদ (সা.) ও তার পরে অভিভাবক হিসেবে হযরত আলী (আ.) কে মানে! কেননা কুরআনে সেটাই বলা আছে! এজন্যে তারা কুরআনের সেই আয়াতের অনুবাদও বিকৃত করে ফেলেছে: “যারা নামাজ পড়ে ও দান করে”!
কুরআনের আয়াতে বলা হয়েছে, “সেদিন আমি প্রত্যেক দলকে তাদের ইমাম সহকারে ডাকব” -- এখন যদি এই কথা লোকে জানতে পারে, তাহলে যে তারা বলবে, ইমাম বলতে কী বুঝায়? আহলে বাইতেরা অনুসারীরা যেই বারো ইমামের কথা বলে, সেরকম কিছু নাকি? সেজন্যে তারা ঐ আয়াতের অনুবাদই বিকৃত করে দিয়েছে, লিখেছে: সেদিন আমি প্রত্যেককে তার আমলনামা সহকারে ডাকব! ইমাম অর্থ কি আমলনামা?
নবী ইবরাহীম (আ.)কে আল্লাহ তায়ালা কিছু পরীক্ষা নিলেন এবং তিনি উত্তীর্ণ হওয়ার পর তাঁকে মানবজাতির “ইমাম” এর মর্যাদা দিলেন -- সেই আয়াতগুলোর আলোচনা কি কখনো শুনেছেন? শুনবেন না। কেননা, তাহলে মানুষ বলবে, ইমামত কি তাহলে নবুওয়্যাতের মতই আল্লাহ কর্তৃক প্রদত্ত কোনো পদ / মর্যাদা? তাহলে আহলে বাইতের অনুসারীরা যে বারো ইমামের কথা বলে, সেটাই বা কী? অতএব, সেই আয়াতের আলোচনাই বাদ!
তাছাড়া, সেই আয়াতে যে আল্লাহ বলে দিয়েছেন যে ইবরাহীম (আ.) এর বংশ থেকেই পরবর্তী সকল ইমাম মনোনীত হবেন, তবে শর্ত হলো তারা জালিম হবেন না (নিষ্পাপ-নির্ভুল হবেন) -- এসব আলোচনা করলে যে প্রশ্ন আসবে, ইবরাহীম (আ.) এর পরবর্তী ইমাম কে / কারা ছিলেন/ আছেন? তাহলেই যে ধর্মব্যবসা ছুটে যাবে, মানুষ যে আহলে বাইতের অনুসারী আলেমদের কাছে চলে যাবে! তাহলে যে বারো ইমামের ইমামতের বিরুদ্ধে যে যুক্তি দেয়া হয় -- “বংশাধারায় নেতৃত্বের এসব রাজতন্ত্র ইসলামে নাই” -- সেই যুক্তি যে ইনভ্যালিড হয়ে যাবে!
যেই ইউসুফ আলীর অনুদিত কুরআন জাকির নায়েকের হাতে থাকে, জানেন উনার মৃত্যুর পর সেই অনুবাদের টিকা বিকৃত করা হয়েছে? ইমাম হাসান-হোসেনের শাহাদাতের মর্যাদা সংক্রান্ত কথাগুলি উনার টিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে? আমার কাছে প্রায় অর্ধযুগের পুরনো ইউসুফ আলীর কুরআন আছে, নিজে যখন দেখলাম, অবাক হয়ে গেলাম। ইমাম হাসান-হোসেনের সাথে তোমাদের এতই শত্রুতা!
হ্যাঁ, জাকির নায়েক, উনার পিস টিভি -- ইত্যাদি দিয়ে উনারা মানুষের ইসলামী জ্ঞান অর্জনের যে চাহিদা, তা পূরণ করে দিচ্ছেন। এবং সেখানে দিচ্ছেন বিকৃত ইসলাম। একজন ক্ষুধার্ত মানুষকে যদি কেউ বিষাক্ত ফরমালিনযুক্ত ফল খেতে দেয়, আমরা হয়ত তাকে সাধারণ চোখে বাহবা দেব। কিন্তু একজন ডাক্তার, যিনি এর সুদূরপ্রসারী খারাপ প্রভাব জানেন, তিনি অবশ্যই নিষেধ করবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে অপছন্দ করবেন, যে জেনেশুনে ফরমালিনযুক্ত ফল ক্ষুধার্ত মানুষকে খাওয়াচ্ছে।
 ·  Translate
1
Add a comment...

Nure Alam Masud

Shared publicly  - 
 
জেগে উঠতে হবে, মানুষকে জেগে উঠতে হবে। আর সেটা না বৃদ্ধরা পারবে, আর না শিশুরা তার উপযুক্ত। সেটা তরুণ সমাজকেই করতে হবে, এবং এই ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেমেয়েরাই সেটা করতে পারবে। ২০-২৫ এর একটা ছেলের সচেতন হওয়াই তার গোটা পরিবারের সচেতন হওয়ার জন্য যথেষ্ট। ২০-২৫ এর একটা ছেলে সচেতন হওয়া মানেই বৃদ্ধ দুজন পিতা-মাতার সচেতন হওয়া, ছোট দুটো ভাই-বোনের সচেতন হওয়া। এই জাতিকেতো গাফিলতি-ডিসট্র্যাকশান-বিস্মৃতির মাঝে ডুবিয়ে রাখা হয়েছে যুগযুগ ধরে। কিন্তু সেটা মুহুর্তেই বদলে যেতে পারে তরুণ ছেলেমেয়েদের মাধ্যমে। প্রতিটা ফ্যামিলিতে সচেতনতার আলো নিয়ে একটা করে তরুণ ছেলে/মেয়ে প্রবেশ করলেই এই দেশের চিত্র বদলে যাবে। দেখা যাবে, তখন এই তরুণেরাই আর "বিডিআর বিদ্রোহ" না বলে "বিডিআর হত্যাকাণ্ড" বলছে, কারণ তখন তারা বুঝবে যে আমাদের আজকের ব্যবহৃত শব্দ আগামী দিনের তথ্য-প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
অবশ্যই এটা সম্ভব। কেন সম্ভব নয়? সচেতন তরুণ সমাজের দেশে না স্বৈরাচারী জুলুমবাজ তাঁবেদার সরকার চেপে বসতে পারে, আর না চেপে বসলে দীর্ঘদিন টিকতে পারে। তরুণ দেহে রক্তের যে তেজ, কোনো স্বৈরাচারীও সে আগুনে টিকতে পারবে না। আর তরুণ হৃদয়ের ভালোবাসার যে শক্তি, সত্যিকারের কোনো আলেমের হাত ধরে শান্তির নেতৃত্ব আসলে সেই নেতৃত্বকে, সেই সার্বভৌমত্বকে তারা হৃদয়ের রক্ত দিয়ে এমনভাবেই রক্ষা করবে যে আমেরিকা-ইসরাইল কোনো শক্তিই সেই ভালোবাসার দেয়াল ভেঙে জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারবে না। কে বলেছে সম্ভব নয়?
"বন্ধু-আড্ডা-গান", বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড, মুভি, গেইমস, ক্রিকেট ফুটবল আর শতরকমের ডিসট্র্যাকশান দিয়ে যদি এতদিন ধরে তরুণ দেহের রক্ত আর হৃদয়ের ভালোবাসাগুলিকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়, তবে এখনই সময় সেটাকে জাগিয়ে তোলার। ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া তরুণেরাই তখন বিস্ময়কর বিপ্লবের নায়ক হয়ে উঠবে। তারা ফিলোসফার হবে, থিয়োলজিয়ান হবে, সোশাল সায়েন্টিস্ট হবে, পলিটিকাল অ্যানালিস্ট হবে, স্ট্র্যাটেজি মেকার হবে -- সব, সবকিছু তারাই হবে। নিশ্চয়ই পরিবর্তন তখন আসবে। দেশের নিরাপত্তা কেবল তেমন নেতৃত্বের হাতেই নিশ্চিন্ত হবে। তখন আর ৫৭ জন অফিসারকে হারিয়ে কাঁদতে হবে না, কেননা তরুণ হৃদয় কখনোই এতটা নির্মম হতে পারে না। তখন আর ২০ জন বিদেশীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ISIS গেইমের আশঙ্কা করতে হবে না। তখন আর আমাদের জুমার খুতবাগুলো অকার্যকর থাকবে না, বরং ৫২ সপ্তাহের ৫২টা খুতবায় তরুণ ছেলেরাই জাতিকে জানিয়ে দিবে ISIS এর গোড়া কোথায়, ওহাবী রুক্ষ ইসলামের ইতিহাস কী, আমেরিকান ইসলাম ব্রিটিশ ইসলাম কী, শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব উসকে দিয়ে কারা লাভবান হতে চায়।
কেন সম্ভব নয়? এতদিন যদি আমরা ঘুমিয়ে থাকি, আজকে একটা ঝাঁকি দিয়ে জেগে ওঠা কেন সম্ভব নয়? অবশ্যই সম্ভব। তরুণ দেহ, তরুণ হৃদয় যদি সে ঝাঁকি দিতে না পারে, তবে দুনিয়ার আর কেউ পারবে না। হয়ত দেশটা আগামী দশ বছরে আরো খারাপের দিকে যাবে। কিন্তু আপনি আজকে একটা ঝাঁকি দিয়ে ঘোর ভেঙে জেগে উঠুন, উঠে দাঁড়ান, বদলে যান, দেখবেন ঠিকই দশ বছর পর গোটা জাতির মোড় আপনিই সঠিক দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। শুধু আপনি একা বদলালে কী লাভ? উঁহু। আপনি একা বদলাবেন, এবং এভাবে প্রত্যেকটা "একা" মানুষই বদলে যাক, তারপর দেখবেন সব "একা" মানুষ মিলে একটা শক্তিশালী সমাজ হয়ে গিয়েছে। তরুণ সমাজ কেন বোঝে না? তাদের কত ক্ষমতা, তাদের কত শক্তি? তাদের বুদ্ধিমত্তার প্রাখর্য, তাদের ভালোবাসার ব্যাপকতা, তাদের হৃদয়ের উষ্ণতা?
মানুষ জেগে উঠকু, মানুষ জেগে উঠুক।
 ·  Translate
1
Add a comment...

Nure Alam Masud

Shared publicly  - 
 
বেহেশতের রঙ অথবা বাঁশিওয়ালার গল্প

বহুকাল যাবৎ মানুষ সুরের সন্ধান করে আসছে। সেজন্যে বানিয়েছে কত বাদ্যযন্ত্র, লিখেছে কত গান, কত সুর। তবু মনে শান্তি নেই। এক গান শেষে আরেক গান। এক সুর ছেড়ে আরেক সুর। অস্থির অশান্ত মানব মন। সব গান আর সব সুর শোনা শেষ হয়, তবু তৃপ্তি নেই।
..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... .....

তারপর একদিন সব গান আর সুরের জগত মন্থন শেষে সুরপাগল শুনল নতুন এক সুর। পাখির গান, পাতার শব্দ, জলের কোলাহল আর মাটির ঘ্রাণের সাথে শিশিরভেজা ঘাসের স্পর্শ আর ভোরের আলো-আঁধারির লুকোচুরি একত্রে মিশালে হয় সেই সুর। আর সুশীতল এক বাতাস বয়ে নিয়ে যাবে সেই সুরকে। সেই সুরেলা বাতাসের গতি অনুসরণ করে সুরপাগল পৌঁছে গেল সাত আসমানের ‘পার। খোদার আরশ আছে সেইখানে। সুরপাগল তখন দেখে বেহেশতের রঙ।
..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... .....
খোদাতায়ালা কথা বলেন না। তিনি কেবল ইশারা করেন। তিনি হাসেন। ভালোবাসেন। মানব-হৃদয়ের গভীরে, রক্তে ঢেউ তোলেন। তিনি সুরপাগলের নাম দিলেন বাঁশিওয়ালা।

বাঁশিওয়ালা ফিরে আসে। মানুষকে ডেকে বলে, খোদাতায়ালা আমার নাম দিয়েছেন বাঁশিওয়ালা। আমাকে শিখিয়েছেন সুর। এসো, আমরা একসাথে সুর তুলি, গান গাই। আমাদের সুরের তানে মানুষের পায়ে ছন্দ উঠুক। সবাই দুঃখ ভুলে যাক। আমি তোমাদের মুক্তির পথ দেখাব। আমিও একসময় বন্দী ছিলাম!

কিন্তু মানুষ মুখ ঘুরিয়ে নেয়। ফিরে যায়। বাঁশিওয়ালার কত অনুরোধ, কত অশ্রুসজল আবদার -- সব প্রত্যাখ্যান করে। বোকা মানুষ কেবল পুরনো সুরের মাঝে আশ্রয় খোঁজে। পুরনো গল্পে নিজেকে খাপ খাওয়াতে চেষ্টা করে। চেনা অন্ধকারে ফিরে যায়।
..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... .....

বাঁশিওয়ালা বললো, আয় খোদা! এরা যে সুর বোঝে না। এরা কেবল খায় আর ঘুমায়, আর সেটারই সন্ধান করে। আমি আর সুর তুলবো না। আর গাইব না।

খোদাতায়ালা হাসেন। বাঁশিওয়ালার হাতে তুলে দেন নতুন কিছু সুর। বাঁশিওয়ালা ফিরে আসে। মুগ্ধ হয়ে শোনে, বারবার শোনে। তারপর মনের অজান্তে বাঁশিতে তোলে সেই সুর। বড় মনোমুগ্ধকর সেই সুর। অপূর্ব তার ছন্দ। হৃদয়ের গভীরে, রক্তে ঢেউ তোলে যেন।

তার হাতে যে এই মোহন সুর বেজে উঠবে, তা কি বাঁশিওয়ালা নিজেই জানত? সে কেবল বাঁশিতে ঠোঁট লাগিয়েছে, সেতারে দিয়েছে টোকা, আর তবলায় করেছে স্পর্শ -- বাকি গল্পটুকু খোদাতায়ালা লিখে দিয়েছেন। আর কী আশ্চর্য! সেই মোহন সুরে মানুষ পাগল হয়েছে। বলেছে, আমি তোমায় ভালোবাসি। বাঁশিওয়ালা তখন হেসেছে। ঠিক যেভাবে খোদাতায়ালা হেসেছিলেন।

নূরে আলম
জুন ৮, ২০১৬।
 ·  Translate
8
Add a comment...
Nure Alam's Collections
Nure Alam Masud's +1's are the things they like, agree with, or want to recommend.
Google Web Designer
www.google.com

Google Web Designer is a free, professional-grade HTML5 authoring tool. Build interactive, animated HTML5 creative, no coding necessary.

কিছু হ-য-ব-র-ল কথন
raihanatasnim.blogspot.com

ভোরের স্নিগ্ধ আকাশের মত মনটাকে হারিয়ে ফেলতে হয়েছে অদ্ভূত সব খেয়ালের বশবর্তী হয়ে ! এখন কোন কিছুকে সহজ করে ভাবতে ইচ্ছে হয় না !সবকিছুই যেন ফিজি

It is a wonderful place to visit in Dhaka city. Roaming in the roads of the area brings back my old memories of the place when I was young and used to come with my elder brother and sisters, uncle and aunties... Only this part of the Dhaka city hasn't changed in ages... Louis I Kahn was such a great architect... There is not much to say about this place. All you have to do is experience it by yourself. I can visit this place again and again, but it never gets old...
Public - 3 years ago
reviewed 3 years ago
I went there in an official ceremony. Was walking inside the building (in 1st floor probably), and suddenly saw an outsider walking into the banquet hall. Then a security guard, being suspicious, queried him and got him out of the building. I wonder how could an outsider get into this place ! And when I got in, there were no metal-detector walk-in, and not even any hand check, only the cars were being checked. I was astonished -- how poor security such a highly branded and named Hotel can have ! However, it has all the modern facilities and services. I'm pleased with the waiters there.
• • •
Quality: Very GoodFacilities: Very GoodService: Good
Public - 3 years ago
reviewed 3 years ago
I've found BCS Computer City the most reliable place in Dhaka to buy computer and computer accessories, as well as cameras and other digital devices. Most retailers come with a good customer care, except for few (I've found one in the 4th floor, the one named Logitech). I suggest anyone, without a second thought, to go to BCS Computer City to buy personal computers or laptops, and for servicing digital devices.
Public - 4 years ago
reviewed 4 years ago
4 reviews
Map
Map
Map
The best customer support I've found is in Ryans Computers. That's all I need to say, because hardware and devices are almost same almost everywhere (except Ryans really have a big nice collection of things you'll like). Their website has a Q&A section which is very helpful if you have any query. I bought a USB Hub with 3 years warranty, and when it got troubled, after using 5-7 months, they just replaced it. The thing that I don't find in Ryans is a Big Collection of speaker systems. But in case of Laptops, netbooks, PCs and other accessories, they're very good at it. The last word : I've bought many laptops and desktops from Ryans, and they're running nice.
• • •
Public - 4 years ago
reviewed 4 years ago