Shared publicly  - 
 
It looks like Flipper and his friend are having some fun at Sea World in Orlando, Florida: http://goo.gl/maps/LCjQV #streetview 
352
GDG Udine's profile photoChloé Broughton's profile photoayman ayad's profile photoJohnny Anderson's profile photo
44 comments
 
Must visit if you come to orlando
 
+Google Maps - that's the Blue Horizons show at SeaWorld Orlando.  Flipper technically lived at the Miami Seaquarium (at least that's where much of it was filmed and where they still have the tank sets that you can visit).  ;o)
 
The real Flipper committed suicide many years ago :(  see Ric O'Barry 
 
Absolutely NO dolphin has fun in any sea world on this planet. Dolphins and whales belong to the oceans. They need to be free!
 
To be free to ingest all the garbage and sewage and chemicals pumped into the ocean from New York City. 
 
its amazing how they can be trained to do that
 
SD seaworld needs updating though.
 
Bullshit, they dont have fun in a aquarium!
 
It would be nice if they could get more autonomy.  Even if they're happy and treated well, it's still slavery.  They have near human levels of intelligence, so they deserve at least some degree of self determination.
 
Yes they always look like they are smiling but they are in misery. I will never support Sea World. As others have said, watch the documentary, "The Cove"
Bryon M
 
Those Dolphins cost Sea World up wards of $175,000 each. Now they say they have a breeding program. I don't buy it. I'd like to see the numbers on how many are breed in house.
 
Dolphins and Orcas are never have fun in prison!
 
পটুয়াখালীতে গত চার বছরে সাংবাদিক নির্যাতন ও নিপীড়ন
www.timesworld24,com
পটুয়াখালী থেকে গোলাম রহমান : পটুয়াখালীতে গত ৪ বছরে সাংবাদিক নির্যাতন সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বিগত ৪ বছরে জেলায় ক্ষমতাসীনদের টেন্ডারবাজী, দুর্নীতি, অনিয়ম, সন্ত্রাসী কর্মকা-ের বিভিন্ন সময়ে পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে খবর প্রচার ও প্রকাশের জের ধরে এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে প্রায় ৫০ জন সাংবাদিক হামলা মামলাসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়।
এ সময় জেলার বিভিন্ন উপজেলার ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার মোট ১৫ জনের বিরুদ্ধে হামলা, গাড়ি পোড়ানো, চাঁদাবাজী ও মানহানির মামলা, ২০ জনের ওপর হামলা, ৫ জনকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদানসহ কলাপাড়া আমার দেশ প্রতিনিধি নুরুজ্জামান মামুনকে কলেজ থেকে চাকরিচুত্য করা হয়। সবচেয়ে বেশি সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে জেলা সদর ও পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এরপর বাউফল, গলাচিপা ও কলাপাড়ায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।
এরমধ্যে ২০১২সালে পটুয়াখালীতে ১৮ দলীয় ঐক্যজোটের ৯ ডিসেম্বর অবরোধ চলাকালিন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারি বাহিনীর উপস্থিতি এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের সম্মুখে পেশাগত দায়িত্ব পালন সত্বেও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের দায়েরকৃত মটরসাইকেল পোড়ানোর ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন ও দেশ টিভির পটুয়াখালী প্রতিনিধি সঞ্জয় দাস লিটু এবং দিগন্ত টেলিভিশন পটুয়াখালী প্রতিনিধি হানজালা শিহাবের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় এবং মামলার চার্জশীটে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ।
২০১২ সালে ১ সেপ্টেম্বর শনিবার পটুয়াখালী সদর থানায় ৪ জন সাংবাদিকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির আরেকটি মামলা করে ক্ষমতাসীন দলের এক সমর্থক।
মামলার আসামিরা হলেন, যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি মো. জাফর খান, দেশটিভি ও বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রতিনিধি সঞ্জয় কুমার দাস লিটু, বাংলাভিশন’র প্রতিনিধি আবু তাহের বাপ্পা এবং সময় টিভির প্রতিনিধি মো. মনির হোসেন বাদল।
জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষমতাসীনদের রোষানলে ও মামলার শিকার হন বাংলাদেশ প্রতিদিন ও দেশটিভির পটুয়াখালী প্রতিনিধি সঞ্জয় কুমার দাস। সম্প্রতি এ বছরের ১৯ জানুয়ারি রাতে পটুয়াখালী সদর থানায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে আরেকটি চাঁদাবাজী মামলায় তাকে আসামি করা হয়। এ মামলাসহ গাড়ি পোড়ানো ও চাঁদাবাজীর মোট ৪টি মামলায় আসামি করা হয় তাকে। এ ব্যাপারে সঞ্জয় কুমার দাস জানান, বিভিন্ন সময়ে সরকারি দলের দুর্নীতি ও বিভিন্ন টেন্ডারবাজীর নিউজ প্রকাশিত হলে তার বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়।২০১২সালে ৪ আগস্ট পটুয়াখালী শহরের বাধঘাট এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে পুলিশের সামনে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছে সময় টিভির পটুয়াখালী প্রতিনিধি মনির হোসেন বাদল ও দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান সুজন। ছবি তোলার সময় ১০/১২ জনের একটি সন্ত্রাসী দল তাদের ওপর হামলা করেই ক্ষান্ত হয়নি এ সময় সন্ত্রাসীরা সাংবাদিকের ভিডিও ক্যামেরা ভাঙচুর ও মারধর করে আহত করে।
গলাচিপা ও উলানিয়া ফেরিঘাটে নদী ভরাট করে মার্কেট নির্মাণের সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশের জের ধরে ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নারী নির্যাতন, চাঁদাবাজীর ৪টি মামলা করা করা হয় আমারদেশ গলাচিপা প্রতিনিধি সাইমুন রহমান এলিট ও প্রথমআলো প্রতিনিধি ইসরাত হোসেনের বিরুদ্ধে। রাত তিনটায় মামলা রুজু হওয়ার পর সে রাতেই পুলিশ ও ছাত্রলীগ’র ক্যাডাররা সাইমুন রহমান এলিটের বাসায় হামলা করে ব্যাপক ভাঙচুর করে। রাতে বাসায় অবস্থান করা এলিটের মা এ তা-ব নিজ চোখে দেখার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। হামলা করেই ক্ষান্ত হয়নি ক্যাডাররা এরপর টানা তিনদিন ওই বাসার চারদিকে পাহাড়া বসিয়ে খাবার ও ঔষধ বন্ধ করে দেয়। এ ঘটনায় সাড়ে ৪ মাস পালিয়ে বেড়ানোর পর হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে গলাচিপা ফিরেন সাইমুন রহমান এলিট।
এ ছাড়া ২০০৯ সালে গলাচিপায় সরকার দলীয় এমপি নদী ভরাট করে মার্কেট নির্মাণ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় সাংসদ গোলাম মাওলা রনি দৈনিক যুগান্তর, প্রথমআলো, মানবজমিন ও সমকাল পত্রিকার প্রকাশক সম্পাদক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকদের বিরুদ্ধে সরকার দলীয় ১০০ কোটি টাকার  এবং কালের কণ্ঠের সম্পাদক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকরে বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করে।
২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর পেশাগত দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে গলাচিপা যাবার পথে হরিদেবপুর ফেরিঘাটে সরকার দলীয় ক্যডাররা আর টিভি ও সমকাল প্রতিনিধি মুফতি সালাহ উদ্দিন, বাংলা ভিশন প্রতিনিধি আবু তাহের বাপ্পা, প্রথম আলো প্রতিনিধি শঙ্কর লাল দাস, তৎকালিন চ্যানেল ওয়ান প্রতিনিধি খন্দকার দেলোয়ার জালালী, দিগন্ত টিভি প্রতিনিধি হানজালা শিহাব এর ওপর হামলা করে ক্যামেরা ও  মোবাইল নিয়ে যায়।
২০১২সালে ১৫ সেপ্টেম্বর কলাপাড়া উপজেলার আমারদেশ প্রতিনিধি নূরুজ্জামান মামুনকে সপরিবারে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি প্রদান করে সন্ত্রাসীরা। ওই দিন দুপুুুুুুুর ২.২৫ মিনিটের সময় নূরুজ্জামান মামুনের মুঠো ফোনে নাম পরিচয় না দিয়ে এক ব্যক্তি (+৬০১৬৯৪৭৯১২৫) ফোন করে তাকে ও তার বাবা মাকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ ও হত্যার হুমকি প্রদান করে। এ ঘটনার পর ওই দিন রাতে কলাপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। তাছাড়া সংবাদ প্রকাশের জের ধরে উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে তাকে পৌর শহরের মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিষয়ের প্রভাষক পদ থেকে গোপনে চাকরি চুত্য করা হয়েছে।
২০১২ সালের ১৮ ডিসেম্বর পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়ন কর্মকা- নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় ভিসি ড. সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেস, রিজেন বোর্ডের সদস্য সাংসদ ধীরেন্দ্র দেবনাথ সম্ভু ও দুমকী উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট হারুনুর রশিদ হাওলাদারের উপস্থিতিতে তিন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় তিন সাংবাদিকরা হলেন, ডেইলি স্টার’র পটুয়াখালী প্রতিনিধি সোহরাব হোসাইন, ডেইলি সান’র পটুয়াখালী প্রতিনিধি নিখিল চ্যাটার্জি ও দৈনিক ইত্তেফাকের দক্ষিণাঞ্চলের ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম। এছাড়াও ২০১২ সালের ২৪ ডিসেম্বর পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মো. রবিউল হক ফিটু দৈনিক জনকন্ঠের নিজস্ব সংবাদদাতা মোখলেছুর রহমানকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি ও দেখে নেওয়ার হুমকী দিয়েছে। এ ঘটনায় ওই দিন দৈনিক জনকণ্ঠের সাংবাদিক পটুয়াখালী সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর পবিপ্রবি’র পরিকল্পনা বিভাগের  প্রকৌশলী মো. ইউনুস শরীফ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে একটি শোকজ নোটিশের ঘটনায় দৈনিক সংবাদ ও দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদদাতা  মাসুম বিল্লাহ ও রাসেল সিদ্দিক অপু ইউনুস শরীফের বক্তব্য নিতে চাইলে তিনি  মোবাইলে ও বিভিন্ন মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকদের হুমকি দেয় সন্ত্রাসীদের দ্বারা মারধোরসহ বিভিন্ন মিথ্যে মামলায় জড়ানোর  হুমকি দেয়। ২০০৯ সালে পবিপ্রবিতে একটি সংবাদ প্রকাশের জের ধরে তৎকালীন দৈনিক যায়যায়দিন ও স্থানীয় দৈনিক বাংলার বনে পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি কে এম গোলাম মাওলাকে অবৈধ ভাবে বহিস্কার করে। সাংবাদিক বহিস্কারের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকরা প্রতিবাদ ও নিন্দা জানায়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার বহিস্কার আদেশের প্রত্যাহার করে। এছাড়া বিশ্বাবিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ’র ২০১২ সালের তান্ডবের ওপর সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় আমারদেশ পত্রিকার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও আমারদেশ পত্রিকা পুড়ে ফেলার ঘটনা এবং গত ৪ বছরে সাংবাদিক বহিস্কারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সাংবাদিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।
২০১১ সালের ২৪ ডিসেম্বর বাউফলে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ’র ক্যাডারদের হামলার ছবি তুলতে গেলে জনকন্ঠের প্রতিনিধি কামরুজ্জামান বাচ্চু ও আমারদেশ পটুয়াখালী প্রতনির্ধি গোলাম রহমানের ওপর ক্যাডারা ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ক্যামেরা ভাঙচুর করে
২০১১সালে ওপরের নির্দেশে ১ লাখ গাছের গোড়ায় পরছে কুড়াল সংবাদের জের ধরে কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি এমরান হাসান সোহেল ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা করে পটুয়াখালী-২ আসনের সাংসদ ও জাতীয় সংসদের হুইপ আ স ম ফিরোজ মোল্লার ছোট ভাই ফরিদ মোল্লা।
২০১২ সালের ১৬ মে বাউফলে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের জেরে বাউফলের দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি জিতেন্দ্র নাথ রায়কে মারধর ও প্রথম আলোর মিজানুর রহমানকে গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে হুইপ আ স ম ফিরোজের আর্শীবাদপুষ্ট ক্যাডাররা। এ ঘটনায় দৈনিক সমকালের বাউফল উপজেলা প্রতিনিধি জিতেন্দ্র নাথ রায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেন এবং প্রথম আলোর বাউফল উপজেলা সংবাদদাতা মিজানুর রহমান যুবলীগ’র সভাপতি শাহজাহান সিরাজসহ অজ্ঞাতনামা শতাধিক নেতাদের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করেন।
মির্জাগঞ্জে আওয়ামী লীগ’র দলীয় কর্মসূচির সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত না হওয়ায় এবং ছাত্রলীগ’র একটি মিছিলের প্রকাশিত সংবাদে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সকলের নাম ছাপা না হওয়ায় ২০১১ সালের ২২ ডিসেম্বর বিকেলে বন্ধ থাকা প্রেসক্লাব ভবনের গেইট পিটিয়ে সাংবাদিকদের গালিগালাজ করে প্রেসক্লাবে হামলা এবং তালা লাগিয়ে দেয় শ্রমিকলীগ ও ছাত্রলীগের নেতারা। পরে উপজেলা আ’লীগ সভাপতি মোকলেছুর রহমান তালার চাবি ফেরৎ দেন সাংবাদিকদের কাছে।
জেলায় গত ৪ বছরে সাংবাদিকদের ওপর হামলা মামলার ব্যাপারে পটুয়খালী প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট আলমগীর হোসেন বলেন, ‘সাংবাদিকরা জাতির জন্য কাজ করছে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করছে, সেখানে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্য মামলা, হামলা করে ক্ষতিগ্রস্ত করার বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। সকল রাজনৈতিক দলের নেতাদের প্রতি এ রকম ঘৃণ্য কার্যক্রম থেকে দূরে থাকার অনুরোধ করছি’।
Translate
 
To everyone thinks it's cruel, then petition SeaWorld to let them all go and then watch what happens when animals that were born & raised in captivity are released into the wild. Regardless of how you feel about them being in captivity realize that HUMAN BEINGS continually destroy their natural habitat anyways. That being said, it's still an incredible show and my daughter's favorite thing to do at SeaWorld. 
 
GREAT!!!  

I MISS Florida!!!  
Translate
 
So long, and thanks for all the fish....
 
always love seaworld , in any part of the world
 
اني ضايجة اريد احد اتكلم معىح
Translate
Add a comment...